📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 মিরাসি সম্পত্তিতে নারীদের অধিকার

📄 মিরাসি সম্পত্তিতে নারীদের অধিকার


ইসলামের বিধান হলো, মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পদে তার ছেলে সন্তানরা মেয়ে সন্তানদের দ্বিগুণ পাবে। নারীদের তুলনায় পুরুষদের দায়িত্ব ও কর্তব্য অনেক বেশি। উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পদ যেন পুরুষদের সে দায়িত্ব-কর্তব্য পালনে সহায়ক হয়—এমন একটি লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য দরকার সুষম বণ্টনের।

কে না জানে, কঠোর পরিশ্রম ও কষ্টের কাজগুলোর দায়িত্ব পুরুষদের? অন্যদিকে ঘরের কাজ, শিশুর পরিচর্যা, বাড়ির দেখাশোনা এগুলো নারীদের দায়িত্ব। পুরুষদের কাজে কঠোরতা ও কষ্ট বেশি। আর নারীদের কাজে স্নেহ ও মায়া-মমতা বেশি। এ ছাড়াও সব সময়ই নারী পুরুষের অর্ধেক সম্পদ পায়, বিষয়টি মোটেও তা নয়; বরং অনেক ক্ষেত্রেই একজন নারী পুরুষের চেয়ে বহুগুণ বেশিও পেয়ে থাকে। উদাহরণত, একজন ব্যক্তি এক স্ত্রী, এক কন্যা ও পিতা রেখে মারা গেল। এ ক্ষেত্রে কন্যা সম্পদের অর্ধেক পেয়ে লোকটির পিতার থেকেও অংশে অনেক বেশিই পেয়েছে।

ইসলামের বিধান হলো, মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পদে তার ছেলে সন্তানরা মেয়ে সন্তানদের দ্বিগুণ পাবে। নারীদের তুলনায় পুরুষদের দায়িত্ব ও কর্তব্য অনেক বেশি। উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পদ যেন পুরুষদের সে দায়িত্ব-কর্তব্য পালনে সহায়ক হয়—এমন একটি লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য দরকার সুষম বণ্টনের।

কে না জানে, কঠোর পরিশ্রম ও কষ্টের কাজগুলোর দায়িত্ব পুরুষদের? অন্যদিকে ঘরের কাজ, শিশুর পরিচর্যা, বাড়ির দেখাশোনা এগুলো নারীদের দায়িত্ব। পুরুষদের কাজে কঠোরতা ও কষ্ট বেশি। আর নারীদের কাজে স্নেহ ও মায়া-মমতা বেশি। এ ছাড়াও সব সময়ই নারী পুরুষের অর্ধেক সম্পদ পায়, বিষয়টি মোটেও তা নয়; বরং অনেক ক্ষেত্রেই একজন নারী পুরুষের চেয়ে বহুগুণ বেশিও পেয়ে থাকে। উদাহরণত, একজন ব্যক্তি এক স্ত্রী, এক কন্যা ও পিতা রেখে মারা গেল। এ ক্ষেত্রে কন্যা সম্পদের অর্ধেক পেয়ে লোকটির পিতার থেকেও অংশে অনেক বেশিই পেয়েছে।

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 নারীদের সাক্ষ্যের মূল্যায়ন

📄 নারীদের সাক্ষ্যের মূল্যায়ন


সাক্ষ্য প্রদানের মাসআলার ক্ষেত্রে নিয়ম হচ্ছে, সাক্ষী হিসাবে দুজন পুরুষ থাকবে। আর যদি দুজন পুরুষ সাক্ষী হিসাবে উপস্থিত না থাকে, তবে একজন পুরুষ ও দুজন নারীর সাক্ষ্যও যথেষ্ট হবে।

এ বিষয়ে কুরআনে কারিমে ইরশাদ হচ্ছে :
۞ وَاسْتَشْهِدُوا شَهِيدَيْنِ مِن رِّجَالِكُمْ فَإِن لَّমْ يَكُونَا رَجُلَيْنِ فَرَجُلٌ وَامْرَأَتَانِ مِمَّن تَرْضَوْنَ مِنَ الشُّهَدَاءِ أَن تَضِلَّ إِحْدَاهُمَا فَتُذَكَّرَ إِحْدَاهُمَا الْأُخْرَى
'আর তোমাদের মধ্যে দুজন পুরুষকে সাক্ষী রাখবে। কিন্তু যদি দুজন পুরুষ না থাকে, তাহলে তোমাদের পছন্দমতো সাক্ষীগণের মধ্যে একজন পুরুষ ও দুজন নারী যথেষ্ট। এটা এ জন্যই যে, নারীদ্বয়ের একজন ভুলে গেলে অপরজন তাকে স্মরণ করিয়ে দেবে।'

সাক্ষ্যদানের ক্ষেত্রে নারীদ্বয়ের একজন ভুলে গেলে অপরজন তাকে স্মরণ করিয়ে দেবে—এর কারণ বর্ণনার ক্ষেত্রে এ আয়াতটি পরিপূর্ণ। এটি সকল কারণকে একত্র করে ফেলেছে। কেননা, تَضِلُّ শব্দটির পরিব্যাপ্তি ব্যাপক। এটি ভুল, ভয়, লজ্জা ও হতবুদ্ধি হওয়ার সকল দিককে অন্তর্ভুক্ত করে নিয়েছে।

টিকাঃ
৩৯১. সুরা আল-বাকারা: ২৮২
৩৯২. সহিহুল বুখারি: ৭/১৫৯, হা. নং ৫৮৮৫
৩৯৩. সুনানু আবি দাউদ: ৪/৬০ হা. নং ৪০৯৮
৩৯৪. সুনানু আবি দাউদ: ৪/৬০ হা. নং ৪০৯৯

সাক্ষ্য প্রদানের মাসআলার ক্ষেত্রে নিয়ম হচ্ছে, সাক্ষী হিসাবে দুজন পুরুষ থাকবে। আর যদি দুজন পুরুষ সাক্ষী হিসাবে উপস্থিত না থাকে, তবে একজন পুরুষ ও দুজন নারীর সাক্ষ্যও যথেষ্ট হবে।

এ বিষয়ে কুরআনে কারিমে ইরশাদ হচ্ছে :
۞ وَاسْتَشْهِدُوا شَهِيدَيْنِ مِن رِّجَالِكُمْ فَإِن لَّমْ يَكُونَا رَجُلَيْنِ فَرَجُلٌ وَامْرَأَتَانِ مِمَّن تَرْضَوْنَ مِنَ الشُّهَدَاءِ أَن تَضِلَّ إِحْدَاهُمَا فَتُذَكَّرَ إِحْدَاهُمَا الْأُخْرَى
'আর তোমাদের মধ্যে দুজন পুরুষকে সাক্ষী রাখবে। কিন্তু যদি দুজন পুরুষ না থাকে, তাহলে তোমাদের পছন্দমতো সাক্ষীগণের মধ্যে একজন পুরুষ ও দুজন নারী যথেষ্ট। এটা এ জন্যই যে, নারীদ্বয়ের একজন ভুলে গেলে অপরজন তাকে স্মরণ করিয়ে দেবে।'

সাক্ষ্যদানের ক্ষেত্রে নারীদ্বয়ের একজন ভুলে গেলে অপরজন তাকে স্মরণ করিয়ে দেবে—এর কারণ বর্ণনার ক্ষেত্রে এ আয়াতটি পরিপূর্ণ। এটি সকল কারণকে একত্র করে ফেলেছে। কেননা, تَضِلُّ শব্দটির পরিব্যাপ্তি ব্যাপক। এটি ভুল, ভয়, লজ্জা ও হতবুদ্ধি হওয়ার সকল দিককে অন্তর্ভুক্ত করে নিয়েছে।

টিকাঃ
৩৯১. সুরা আল-বাকারা: ২৮২
৩৯২. সহিহুল বুখারি: ৭/১৫৯, হা. নং ৫৮৮৫
৩৯৩. সুনানু আবি দাউদ: ৪/৬০ হা. নং ৪০৯৮
৩৯৪. সুনানু আবি দাউদ: ৪/৬০ হা. নং ৪০৯৯

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 জিজিয়া-করের বিধান

📄 জিজিয়া-করের বিধান


ইসলামি রাষ্ট্রে বসবাসকারী জিম্মিদের থেকে জিজিয়া কর নেওয়া হয়। এটি দারুল ইসলামে তাদের বসবাস ও তাদের নিরাপত্তা দানের পরিবর্তে দেওয়া একটি অর্থকর। জিজিয়া কেবল আহলে কিতাব—ইহুদি-নাসারা বা আসমানি কোনো ধর্মের অনুসারীদের থেকেই নেওয়া হয়।

পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হচ্ছে :

قَاتِلُوا الَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِاللهِ وَلَا بِالْيَوْمِ الْآখِرِ وَلَا يُحَرِّمُونَ مَا حَرَّمَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ وَلَا يَدِينُونَ دِينَ الْحَقِّ مِنَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ حَتَّى يُعْطُوا الْجِزْيَةَ عَن يَدٍ وَهُمْ صَاغِرُونَ
'যে সমস্ত আহলে কিতাব আল্লাহ ও আখিরাত দিবসের প্রতি ইমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রাসুল যা হারাম করেছেন—তা হারাম মানে না এবং সত্য ধর্ম গ্রহণ করে না, তাদের বিরুদ্ধে তোমরা যুদ্ধ করো, যতক্ষণ না তারা লাঞ্ছিত অবস্থায় করজোড়ে জিজিয়া প্রদান করে।'

জিজিয়া আদায় শুধু স্বাধীন বিবেকসম্পন্ন সাবালক পুরুষদের ওপরই ওয়াজিব; নারী, শিশু, পাগল ও দাসের ওপর কোনো জিজিয়ার বিধান নেই। কোনো জিম্মি যদি কোনো মুসলমানের ক্ষতি করে, তাহলে যেমন তার সুষ্ঠু ও ন্যায়সংগত বিচার করা হয়, ঠিক তেমনই কোনো মুসলমান যদি কোনো জিম্মির ক্ষতি করে, তাহলে ঠিক একইভাবে তারও সুষ্ঠু ও ন্যায়সংগত বিচার করা হয়।

টিকাঃ
৩৯৫. সুরা আত-তাওবা: ২৯
৩৯৬. আল-আহকামুস সুলতানিয়্যা: পৃ. নং ২২৩ (দারুল হাদিস, কায়রো)
৩৯৭. আল-আহকামুস সুলতানিয়্যা: পৃ. নং ২২৪ (দারুল হাদিস, কায়রো)

ইসলামি রাষ্ট্রে বসবাসকারী জিম্মিদের থেকে জিজিয়া কর নেওয়া হয়। এটি দারুল ইসলামে তাদের বসবাস ও তাদের নিরাপত্তা দানের পরিবর্তে দেওয়া একটি অর্থকর। জিজিয়া কেবল আহলে কিতাব—ইহুদি-নাসারা বা আসমানি কোনো ধর্মের অনুসারীদের থেকেই নেওয়া হয়।

পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হচ্ছে :

قَاتِلُوا الَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِاللهِ وَلَا بِالْيَوْمِ الْآখِرِ وَلَا يُحَرِّمُونَ مَا حَرَّمَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ وَلَا يَدِينُونَ دِينَ الْحَقِّ مِنَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ حَتَّى يُعْطُوا الْجِزْيَةَ عَن يَدٍ وَهُمْ صَاغِرُونَ
'যে সমস্ত আহলে কিতাব আল্লাহ ও আখিরাত দিবসের প্রতি ইমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রাসুল যা হারাম করেছেন—তা হারাম মানে না এবং সত্য ধর্ম গ্রহণ করে না, তাদের বিরুদ্ধে তোমরা যুদ্ধ করো, যতক্ষণ না তারা লাঞ্ছিত অবস্থায় করজোড়ে জিজিয়া প্রদান করে।'

জিজিয়া আদায় শুধু স্বাধীন বিবেকসম্পন্ন সাবালক পুরুষদের ওপরই ওয়াজিব; নারী, শিশু, পাগল ও দাসের ওপর কোনো জিজিয়ার বিধান নেই। কোনো জিম্মি যদি কোনো মুসলমানের ক্ষতি করে, তাহলে যেমন তার সুষ্ঠু ও ন্যায়সংগত বিচার করা হয়, ঠিক তেমনই কোনো মুসলমান যদি কোনো জিম্মির ক্ষতি করে, তাহলে ঠিক একইভাবে তারও সুষ্ঠু ও ন্যায়সংগত বিচার করা হয়।

টিকাঃ
৩৯৫. সুরা আত-তাওবা: ২৯
৩৯৬. আল-আহকামুস সুলতানিয়্যা: পৃ. নং ২২৩ (দারুল হাদিস, কায়রো)
৩৯৭. আল-আহকামুস সুলতানিয়্যা: পৃ. নং ২২৪ (দারুল হাদিস, কায়রো)

ফন্ট সাইজ
15px
17px