📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 দাস-দাসীর বিষয়ে ইসলামের সাম্যনীতি

📄 দাস-দাসীর বিষয়ে ইসলামের সাম্যনীতি


দাস-দাসীর মাসআলায় ইসলাম সর্বোত্তম অবস্থান গ্রহণ করেছে। ইসলামের একটি মৌলিক নীতিমালা হলো, ইসলাম প্রতিটি সমস্যার সমাধানের জন্য সঠিক ও সুচারু পদ্ধতি দেখিয়ে দেয়। আর তাই ইসলাম পরিমিত পন্থায় সুদৃঢ়ভাবে গুণে গুণে ধাপগুলো অতিক্রম করে তবেই এর সংস্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইসলাম এ ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য মৌলিকভাবে তিনটি পদ্ধতি গ্রহণ করেছে।

১. দাসব্যবস্থা নির্মূল ও মূলোৎপাটন।
২. আবশ্যিকভাবে বা সাওয়াবের উদ্দেশ্যে মুক্তকরণ।
৩. অর্থ বা শ্রমের বিনিময়ে মুক্তকরণ।

ইসলাম এমন অনেক বিষয়কে স্বীকৃতিই দেয় না, যার ভিত্তিতে লোকেরা মানুষকে দাস-দাসীতে রূপান্তরিত করত। যেমন: ঋণগ্রস্ত হওয়া, স্বাধীন মুক্ত লোকদের ধরে দাস হিসাবে বিক্রি করে দেওয়া, অপরাধীদের তাদের কৃত অপরাধ ও অন্যায় আচরণের জন্য দাস-দাসী বানানো ইত্যাদি। ইসলাম এটাকে কঠিনভাবে হারাম ঘোষণা করেছে।

আবু হুরাইরা থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন: 'আল্লাহ তাআলা বলেন, তিন শ্রেণির লোকদের জন্য কিয়ামতের দিন আমি নিজে বাদী হব। প্রথমত, যে আমার নামে প্রতিজ্ঞা করে পরে তা ভঙ্গ করে। দ্বিতীয়ত, যে মুক্ত স্বাধীন মানুষ বিক্রি করে তার মূল্য ভোগ করে। তৃতীয়ত, যে কোনো শ্রমিককে কাজে নিয়োগ দিয়ে তার থেকে কাজ পূর্ণভাবে আদায় করে নেয়, কিন্তু তার পারিশ্রমিক দেয় না।'

জাকাত-সদকা তো কেবল ফকির, মিসকিন, উত্তোলনকারী কর্মচারী, ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট অমুসলিম, দাসমুক্তি, ঋণগ্রস্ত, আল্লাহর রাস্তা ও মুসাফিরের জন্য; আল্লাহর পক্ষ থেকে এই বিধান। আল্লাহ সর্বজ্ঞ ও প্রজ্ঞাময়।

ইসলামি শরিয়তে সকল দাস-দাসীই সুরক্ষিত। এ ব্যাপারে মূলনীতি হলো, মানব সন্তানের মাঝে একমাত্র তাকওয়া ও সৎকর্মের দ্বারাই মর্যাদা ও ব্যবধান সৃষ্টি হয়। ইসলামি শরিয়তে গোলামদের সাথে সীমালঙ্ঘন করলে ইসলাম তার প্রতিশোধের ব্যবস্থা রেখেছে। আল্লাহ তাআলা বলেন :

وَكَتَبْنَا عَلَيْهِمْ فِيهَا أَنَّ النَّفْسَ بِالنَّفْسِ وَالْعَيْنَ بِالْعَيْنِ وَالْأَنْفَ بِالْأَنْفِ وَالْأُذُنَ بِالْأُذُنِ وَالسِّنَّ بِالسِّنِّ وَالْجُرُوحَ قِصَاصُ
'আর আমি তাতে (তাওরাতে) তাদের ওপর এ বিধান অবতীর্ণ করেছিলাম যে, প্রাণের বদলে প্রাণ, চোখের বদলে চোখ, নাকের বদলে নাক, কানের বদলে কান, দাঁতের বদলে দাঁত এবং সকল আঘাতের জন্যই প্রতিশোধের বিধান রয়েছে।'

টিকাঃ
৩৭৯. সুরা আল-বাকারা: ২৮০
৩৮০. সহিহুল বুখারি: ৩/৮২, হা. নং ২২২৭
৩৮১. সুরা আত-তাওবা: ৬০
৩৮২. সুরা আন-নুর: ৩৩
৩৮৩. সুরা আল-আসর: ১-৩
৩৮৪. মুসনাদু আহমাদ: ৩৮/৪৭৪, হা. নং ২৩৪৮৯
৩৮৫. সহিহু মুসলিম :৩/১২৮২, হা. নং ১৬৬১
৩৮৬. সুরা আল-বাকারা : ১৭৮
৩৮৭. সুরা আল-মায়িদা: ৪৫

দাস-দাসীর মাসআলায় ইসলাম সর্বোত্তম অবস্থান গ্রহণ করেছে। ইসলামের একটি মৌলিক নীতিমালা হলো, ইসলাম প্রতিটি সমস্যার সমাধানের জন্য সঠিক ও সুচারু পদ্ধতি দেখিয়ে দেয়। আর তাই ইসলাম পরিমিত পন্থায় সুদৃঢ়ভাবে গুণে গুণে ধাপগুলো অতিক্রম করে তবেই এর সংস্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইসলাম এ ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য মৌলিকভাবে তিনটি পদ্ধতি গ্রহণ করেছে।

১. দাসব্যবস্থা নির্মূল ও মূলোৎপাটন।
২. আবশ্যিকভাবে বা সাওয়াবের উদ্দেশ্যে মুক্তকরণ।
৩. অর্থ বা শ্রমের বিনিময়ে মুক্তকরণ।

ইসলাম এমন অনেক বিষয়কে স্বীকৃতিই দেয় না, যার ভিত্তিতে লোকেরা মানুষকে দাস-দাসীতে রূপান্তরিত করত। যেমন: ঋণগ্রস্ত হওয়া, স্বাধীন মুক্ত লোকদের ধরে দাস হিসাবে বিক্রি করে দেওয়া, অপরাধীদের তাদের কৃত অপরাধ ও অন্যায় আচরণের জন্য দাস-দাসী বানানো ইত্যাদি। ইসলাম এটাকে কঠিনভাবে হারাম ঘোষণা করেছে।

আবু হুরাইরা থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন: 'আল্লাহ তাআলা বলেন, তিন শ্রেণির লোকদের জন্য কিয়ামতের দিন আমি নিজে বাদী হব। প্রথমত, যে আমার নামে প্রতিজ্ঞা করে পরে তা ভঙ্গ করে। দ্বিতীয়ত, যে মুক্ত স্বাধীন মানুষ বিক্রি করে তার মূল্য ভোগ করে। তৃতীয়ত, যে কোনো শ্রমিককে কাজে নিয়োগ দিয়ে তার থেকে কাজ পূর্ণভাবে আদায় করে নেয়, কিন্তু তার পারিশ্রমিক দেয় না।'

জাকাত-সদকা তো কেবল ফকির, মিসকিন, উত্তোলনকারী কর্মচারী, ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট অমুসলিম, দাসমুক্তি, ঋণগ্রস্ত, আল্লাহর রাস্তা ও মুসাফিরের জন্য; আল্লাহর পক্ষ থেকে এই বিধান। আল্লাহ সর্বজ্ঞ ও প্রজ্ঞাময়।

ইসলামি শরিয়তে সকল দাস-দাসীই সুরক্ষিত। এ ব্যাপারে মূলনীতি হলো, মানব সন্তানের মাঝে একমাত্র তাকওয়া ও সৎকর্মের দ্বারাই মর্যাদা ও ব্যবধান সৃষ্টি হয়। ইসলামি শরিয়তে গোলামদের সাথে সীমালঙ্ঘন করলে ইসলাম তার প্রতিশোধের ব্যবস্থা রেখেছে। আল্লাহ তাআলা বলেন :

وَكَتَبْنَا عَلَيْهِمْ فِيهَا أَنَّ النَّفْسَ بِالنَّفْسِ وَالْعَيْنَ بِالْعَيْنِ وَالْأَنْفَ بِالْأَنْفِ وَالْأُذُنَ بِالْأُذُنِ وَالسِّنَّ بِالسِّنِّ وَالْجُرُوحَ قِصَاصُ
'আর আমি তাতে (তাওরাতে) তাদের ওপর এ বিধান অবতীর্ণ করেছিলাম যে, প্রাণের বদলে প্রাণ, চোখের বদলে চোখ, নাকের বদলে নাক, কানের বদলে কান, দাঁতের বদলে দাঁত এবং সকল আঘাতের জন্যই প্রতিশোধের বিধান রয়েছে।'

টিকাঃ
৩৭৯. সুরা আল-বাকারা: ২৮০
৩৮০. সহিহুল বুখারি: ৩/৮২, হা. নং ২২২৭
৩৮১. সুরা আত-তাওবা: ৬০
৩৮২. সুরা আন-নুর: ৩৩
৩৮৩. সুরা আল-আসর: ১-৩
৩৮৪. মুসনাদু আহমাদ: ৩৮/৪৭৪, হা. নং ২৩৪৮৯
৩৮৫. সহিহু মুসলিম :৩/১২৮২, হা. নং ১৬৬১
৩৮৬. সুরা আল-বাকারা : ১৭৮
৩৮৭. সুরা আল-মায়িদা: ৪৫

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 একাধিক বিবাহের যৌক্তিকতা

📄 একাধিক বিবাহের যৌক্তিকতা


এ মাসআলা নিয়ে ইসলামবিদ্বেষীরা খুব সমালোচনা করে। ইসলাম এ সংখ্যাটিকে একটি নির্দিষ্ট গণ্ডিতে বেঁধে দিয়েছে। মূলত একাধিক বিবাহের বিষয়টি এই দ্বীনের প্রশস্ত ও ব্যাপক ভাবনার সাথে সংশ্লিষ্ট।

স্বাভাবিক অবস্থায় একটিই বিয়ে করাই যথেষ্ট। আর যদি সামাজিক, আত্মিক কিংবা শারীরিক কোনো প্রয়োজনে কিংবা কোনো মেয়েকে সাহায্য করার নিয়তে একাধিক বিবাহ করার প্রয়োজন হয়, তখন দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বিবাহ করা উচিত। ইসলাম বিভিন্ন কারণে একাধিক বিবাহ বৈধ করেছে। এমন একটি কারণ হলো, কারও স্ত্রী বন্ধ্যা—তার কোনো সন্তান হবে না। কিন্তু মানুষ স্বভাবতই চায়, তার বংশবৃদ্ধি হোক। এমতাবস্থায় যৌক্তিকভাবেই একাধিক বিবাহের প্রয়োজন হয়। দ্বিতীয় আরেকটি উদাহরণ হলো, যদি কোনো ব্যক্তির স্ত্রী দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়। এমতাবস্থায় বিয়ে না করে থাকা উক্ত ব্যক্তির জন্য অনেক কষ্টকর হবে। সে জন্য তাকে আরেকটি বিয়ে করে জীবনে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে হবে।

কিছু অবুঝ লোকদের মুখে এ ধরনের কথা শোনা যায় যে, ইসলাম পুরুষের জন্য চার স্ত্রী রাখার অনুমতি দিল; তাহলে মহিলাকে চার স্বামী রাখার অনুমতি দিল না কেন!? প্রথমত, একই স্ত্রীর নিকটে একাধিক স্বামী রাখার অধিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে সন্তানের বংশ ও জন্মে স্পষ্ট জারজ হওয়ার সমস্যাটি দেখা দেবে। দ্বিতীয়ত, একজন নারী একাধিক স্বামীর ধকল সইতে পারে না। কেননা নারীকে দুর্বল করে সৃষ্টি করা হয়েছে। একজন নারীর জন্য একজন স্বামীর পক্ষ থেকে আসা শারীরিক, আত্মিক ও স্নায়বিক ধকল সইতেই কষ্টকর হয়ে যায়।

এ মাসআলা নিয়ে ইসলামবিদ্বেষীরা খুব সমালোচনা করে। ইসলাম এ সংখ্যাটিকে একটি নির্দিষ্ট গণ্ডিতে বেঁধে দিয়েছে। মূলত একাধিক বিবাহের বিষয়টি এই দ্বীনের প্রশস্ত ও ব্যাপক ভাবনার সাথে সংশ্লিষ্ট।

স্বাভাবিক অবস্থায় একটিই বিয়ে করাই যথেষ্ট। আর যদি সামাজিক, আত্মিক কিংবা শারীরিক কোনো প্রয়োজনে কিংবা কোনো মেয়েকে সাহায্য করার নিয়তে একাধিক বিবাহ করার প্রয়োজন হয়, তখন দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বিবাহ করা উচিত। ইসলাম বিভিন্ন কারণে একাধিক বিবাহ বৈধ করেছে। এমন একটি কারণ হলো, কারও স্ত্রী বন্ধ্যা—তার কোনো সন্তান হবে না। কিন্তু মানুষ স্বভাবতই চায়, তার বংশবৃদ্ধি হোক। এমতাবস্থায় যৌক্তিকভাবেই একাধিক বিবাহের প্রয়োজন হয়। দ্বিতীয় আরেকটি উদাহরণ হলো, যদি কোনো ব্যক্তির স্ত্রী দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়। এমতাবস্থায় বিয়ে না করে থাকা উক্ত ব্যক্তির জন্য অনেক কষ্টকর হবে। সে জন্য তাকে আরেকটি বিয়ে করে জীবনে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে হবে।

কিছু অবুঝ লোকদের মুখে এ ধরনের কথা শোনা যায় যে, ইসলাম পুরুষের জন্য চার স্ত্রী রাখার অনুমতি দিল; তাহলে মহিলাকে চার স্বামী রাখার অনুমতি দিল না কেন!? প্রথমত, একই স্ত্রীর নিকটে একাধিক স্বামী রাখার অধিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে সন্তানের বংশ ও জন্মে স্পষ্ট জারজ হওয়ার সমস্যাটি দেখা দেবে। দ্বিতীয়ত, একজন নারী একাধিক স্বামীর ধকল সইতে পারে না। কেননা নারীকে দুর্বল করে সৃষ্টি করা হয়েছে। একজন নারীর জন্য একজন স্বামীর পক্ষ থেকে আসা শারীরিক, আত্মিক ও স্নায়বিক ধকল সইতেই কষ্টকর হয়ে যায়।

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 পরিচালনার দায়িত্ব পুরুষদের, নারীদের নয়

📄 পরিচালনার দায়িত্ব পুরুষদের, নারীদের নয়


পুরুষদের পরিচালনার এ দায়িত্ব পাওয়ার বিষয়ে কুরআনে কারিমে ইরশাদ হচ্ছে :
الرِّجَالُ قَوَّامُونَ عَلَى النِّسَاءِ
'পুরুষেরা নারীদের ওপর তত্ত্বাবধায়ক।'

এ আয়াতটির মর্মার্থ হলো, পুরুষগণ নারীদের তত্ত্বাবধান ও ভরণপোষণ করার ব্যাপারে দায়িত্বপ্রাপ্ত। ইসলাম পরিচালনা-তত্ত্বাবধানের মতো এ গুরুদায়িত্ব পুরুষকে কেন দিয়েছে? কারণ পুরুষ ও নারীর মাঝে শারীরিক, আত্মিক ও স্নায়বিক দিক থেকে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। পুরুষগণ নারীদের চেয়েও অধিক শারীরিক শক্তি, আত্মিক বল ও স্নায়বিক শক্তির অধিকারী। পরিচালনার মতো কঠিন দায়িত্ব, বিভিন্ন সময়ে উদ্ভূত বিবিধ বিপদাপদের মোকাবেলায় দৃঢ় থাকার ক্ষেত্রে পুরুষ অধিক উপযুক্ত। এ দায়িত্ব পুরুষের হলেও ইসলাম স্বামী-স্ত্রী উভয়কে তা আদায়ে পরস্পরের সাথে পরামর্শ করার নির্দেশ দেয়।

টিকাঃ
৩৮৮. তাজুল আরুস: ৩৩/৩০৮ (দারুল হিদায়া, বারিদা)
৩৮৯. সুরা আন-নিসা: ৩৪
৩৯০. সুরা আল-বাকারা: ২৩৩

পুরুষদের পরিচালনার এ দায়িত্ব পাওয়ার বিষয়ে কুরআনে কারিমে ইরশাদ হচ্ছে :
الرِّجَالُ قَوَّامُونَ عَلَى النِّسَاءِ
'পুরুষেরা নারীদের ওপর তত্ত্বাবধায়ক।'

এ আয়াতটির মর্মার্থ হলো, পুরুষগণ নারীদের তত্ত্বাবধান ও ভরণপোষণ করার ব্যাপারে দায়িত্বপ্রাপ্ত। ইসলাম পরিচালনা-তত্ত্বাবধানের মতো এ গুরুদায়িত্ব পুরুষকে কেন দিয়েছে? কারণ পুরুষ ও নারীর মাঝে শারীরিক, আত্মিক ও স্নায়বিক দিক থেকে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। পুরুষগণ নারীদের চেয়েও অধিক শারীরিক শক্তি, আত্মিক বল ও স্নায়বিক শক্তির অধিকারী। পরিচালনার মতো কঠিন দায়িত্ব, বিভিন্ন সময়ে উদ্ভূত বিবিধ বিপদাপদের মোকাবেলায় দৃঢ় থাকার ক্ষেত্রে পুরুষ অধিক উপযুক্ত। এ দায়িত্ব পুরুষের হলেও ইসলাম স্বামী-স্ত্রী উভয়কে তা আদায়ে পরস্পরের সাথে পরামর্শ করার নির্দেশ দেয়।

টিকাঃ
৩৮৮. তাজুল আরুস: ৩৩/৩০৮ (দারুল হিদায়া, বারিদা)
৩৮৯. সুরা আন-নিসা: ৩৪
৩৯০. সুরা আল-বাকারা: ২৩৩

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 মিরাসি সম্পত্তিতে নারীদের অধিকার

📄 মিরাসি সম্পত্তিতে নারীদের অধিকার


ইসলামের বিধান হলো, মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পদে তার ছেলে সন্তানরা মেয়ে সন্তানদের দ্বিগুণ পাবে। নারীদের তুলনায় পুরুষদের দায়িত্ব ও কর্তব্য অনেক বেশি। উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পদ যেন পুরুষদের সে দায়িত্ব-কর্তব্য পালনে সহায়ক হয়—এমন একটি লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য দরকার সুষম বণ্টনের।

কে না জানে, কঠোর পরিশ্রম ও কষ্টের কাজগুলোর দায়িত্ব পুরুষদের? অন্যদিকে ঘরের কাজ, শিশুর পরিচর্যা, বাড়ির দেখাশোনা এগুলো নারীদের দায়িত্ব। পুরুষদের কাজে কঠোরতা ও কষ্ট বেশি। আর নারীদের কাজে স্নেহ ও মায়া-মমতা বেশি। এ ছাড়াও সব সময়ই নারী পুরুষের অর্ধেক সম্পদ পায়, বিষয়টি মোটেও তা নয়; বরং অনেক ক্ষেত্রেই একজন নারী পুরুষের চেয়ে বহুগুণ বেশিও পেয়ে থাকে। উদাহরণত, একজন ব্যক্তি এক স্ত্রী, এক কন্যা ও পিতা রেখে মারা গেল। এ ক্ষেত্রে কন্যা সম্পদের অর্ধেক পেয়ে লোকটির পিতার থেকেও অংশে অনেক বেশিই পেয়েছে।

ইসলামের বিধান হলো, মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পদে তার ছেলে সন্তানরা মেয়ে সন্তানদের দ্বিগুণ পাবে। নারীদের তুলনায় পুরুষদের দায়িত্ব ও কর্তব্য অনেক বেশি। উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পদ যেন পুরুষদের সে দায়িত্ব-কর্তব্য পালনে সহায়ক হয়—এমন একটি লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য দরকার সুষম বণ্টনের।

কে না জানে, কঠোর পরিশ্রম ও কষ্টের কাজগুলোর দায়িত্ব পুরুষদের? অন্যদিকে ঘরের কাজ, শিশুর পরিচর্যা, বাড়ির দেখাশোনা এগুলো নারীদের দায়িত্ব। পুরুষদের কাজে কঠোরতা ও কষ্ট বেশি। আর নারীদের কাজে স্নেহ ও মায়া-মমতা বেশি। এ ছাড়াও সব সময়ই নারী পুরুষের অর্ধেক সম্পদ পায়, বিষয়টি মোটেও তা নয়; বরং অনেক ক্ষেত্রেই একজন নারী পুরুষের চেয়ে বহুগুণ বেশিও পেয়ে থাকে। উদাহরণত, একজন ব্যক্তি এক স্ত্রী, এক কন্যা ও পিতা রেখে মারা গেল। এ ক্ষেত্রে কন্যা সম্পদের অর্ধেক পেয়ে লোকটির পিতার থেকেও অংশে অনেক বেশিই পেয়েছে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px