📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 কমিউনিস্ট

📄 কমিউনিস্ট


এরা সর্বদা অন্যদের তুলনায় নিজেদের শান্তিকামী বলে প্রচার করে। তাদের মতো ধোঁকাবাজ ও কৃত্রিমতা প্রদর্শনকারী গোষ্ঠীর উদাহরণ আরও আছে। সত্য, কিন্তু অন্যদের চেয়ে এরাই শান্তি ও নিরাপত্তার কথা বলে সবচেয়ে বেশি। অথচ এরা বারবার সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করে চলছে। তাদের এসব মিথ্যা দাবির পক্ষে বিন্দু পরিমাণ প্রমাণ কিংবা বাস্তবতার ছিটেফোঁটাও নেই। বরং তাদের বাস্তবতা সমগ্র বিশ্ববাসী ভালোভাবেই জানে যে, মার্ক্সবাদ যেখানে প্রবেশ করেছে, সেখানকার অধিবাসীদের ওপর তারা জুলুমের স্টিম-রোলার চালিয়েছে। যার সূচনা হয়েছিল ১৯১৭ সালে বলশেভিক বিপ্লবের অগ্রনায়ক লেনিন এবং তার পরবর্তী লম্পট রুশ শাসকদের সময়। কমিউনিস্টদের জন্মলগ্নেই অসংখ্য মানুষ তাদের হত্যার শিকার হয়েছে, যাদের অধিকাংশ ছিল নিরীহ মুসলমান। তাদের অপরাধ ছিল, তারা স্বাধীনতার দাবি জানিয়েছিল।

এমনিভাবে বিভিন্ন দেশ ও জাতির মুক্তিকামীদের ওপর সোভিয়েত ইউনিয়নের ধ্বংসযজ্ঞতা কমিউনিস্টদের প্রকৃত চেহারা স্পষ্ট করে তোলে। কমিউনিজমের নির্যাতনের শিকার রাষ্ট্রগুলোর অন্যতম হলো : হাঙ্গেরি, চেকোশ্লোভাকিয়া, পোল্যান্ড, আফগানসহ আরও বহু রাষ্ট্র। সাম্প্রতিককালে ফিলিস্তিনের ওপর ইহুদিদের প্রতিনিয়ত বোমাবর্ষণ, শিশু-নারীদের হত্যাও এ সকল জালিমের অত্যাচারের একটি প্রকৃষ্ট দৃষ্টান্ত। তারা একটি দেশ, জাতি ও সভ্যতাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। তবুও তারা বিশ্ব শান্তির ধারক ও বাহক! লক্ষ, কোটি মানুষ হত্যা করার পরও কথিত শান্তির এ ধ্বজাধারীরা নিজেদের শান্তিকামী বলে প্রচার করে। নিজেদেরকে তারা পৃথিবী ও পৃথিবীর নিরীহ মানুষদের নিরাপত্তা দানকারী বলে দাবি করে। এদের হাত মানবতার রক্তে রঞ্জিত, অন্তরগুলো ঘৃণা আর অহংকারে পরিপূর্ণ। হত্যা, ধ্বংসযজ্ঞতা, গাদ্দারি, ধোঁকাবাজি তাদের স্বভাবে পরিণত হয়েছে। অতএব, কোনো বিবেকবান মানুষ কীভাবে এসব মিথ্যুক, ভণ্ড ও প্রতারকদেরকে বিশ্ববাসীর জন্য শান্তিদাতা বলে মনে করতে পারে!

ফন্ট সাইজ
15px
17px