📄 ‘আল-ওরায়া ওয়াল-বারা’ এর সারকথা
এক. কাফিরদের সাথে অন্তরঙ্গ বা বন্ধুত্বপূর্ণ কোনো সম্পর্ক রাখা যাবে না। চাই দ্বীনি বিষয়ে হোক বা পার্থিব বিষয়ে। তবে হ্যাঁ, পার্থিব জরুরত ও লেনদেন ইত্যাদির ক্ষেত্রে তাদের সাথে প্রয়োজন-মাফিক উঠাবসা করা যাবে।
দুই. কাফিরদের প্রতি অন্তরে ঘৃণা ও বিদ্বেষ লালন করতে হবে। তাদেরকে আল্লাহ, রাসুল, দ্বীন ও মুসলমানদের শত্রু জ্ঞান করতে হবে। দ্বীনি বিষয়ে তাদের প্রতি সামান্য নমনীয়তাও দেখানো যাবে না।
তিন. মুসলমানদের বিপরীতে কাফিরদের কোনোরূপ সাহায্য-সহযোগিতা করা যাবে না। আর্থিক, সামরিক, আদর্শিক কোনোভাবেই না।
চার. দ্বীন নিয়ে কাফিরদের হাসি-ঠাট্টা ও বিরোধিতার বৈঠকে অংশগ্রহণ করা যাবে না। এমন মজলিস, হলরুম বা সংসদ অবশ্যই পরিত্যাগ করতে হবে।
পাঁচ. কাফিরদের নিঃশর্ত অনুসরণ করা থেকে পুরোপুরি বেঁচে থাকতে হবে।
ছয়. কাফিরদেরকে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ, উল্লেখযোগ্য বা সম্মানযোগ্য কোনো পদে নিয়োগ দেওয়া যাবে না।
সাত. একান্ত দ্বীনি বা পার্থিব প্রয়োজন ছাড়া কাফিরদের দেশে বসবাস বা সফর করা যাবে না।
আট. কাফিরদের ধর্মীয় পোশাক-আশাক, কালচার ও চলাফেরার সাথে সাদৃশ্য অবলম্বন করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
নয়. কাফিরদের ধর্মীয় বা কোনো আনন্দ উৎসবে যোগ দেওয়া যাবে না এবং এ উপলক্ষ্যে অভিনন্দন জানানো যাবে না।
দশ. কাফির থাকাবস্থায় তাদের জন্য রহমত ও ক্ষমার দুআও করা যাবে না। মারা গেলে একেবারেই না। আর জীবিত থাকলে শুধু হিদায়াতের দুআ করা যাবে।