📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 ইসলাম পরিচিতি

📄 ইসলাম পরিচিতি


আভিধানিক অর্থ :
'ইসলাম' শব্দটি আরবি শব্দ, যার অর্থ আনুগত্য করা, আত্মসমর্পণ করা। এটা سلم থেকে নির্গত হয়েছে। সিন, লাম ও মিমযোগে গঠিত শব্দ অধিকাংশ সময় সুস্থতা ও নিরাপত্তার অর্থে ব্যবহৃত হয়। ইসলাম ধর্ম যেহেতু অস্বীকৃতি ও অবাধ্যতা থেকে মুক্ত হয়ে পূর্ণভাবে মেনে চলার নাম, তাই অর্থের মূল ধারণ করায় 'ইসলাম' নামটি আভিধানিকভাবে যথার্থ।

ইমাম ইবনে ফারিস রাজি বলেন:
(سَلِمَ) السِّينُ وَاللَّامُ وَالْمِيمُ مُعْظَمُ بَابِهِ مِنَ الصَّحَّةِ وَالْعَافِيَةِ : وَيَكُونُ فِيهِ مَا يَشِدُّ، وَالشَّاذُ عَنْهُ قَلِيلٌ، فَالسَّلَامَةُ: أَنْ يَسْلَمَ الْإِنْسَانُ مِنَ الْعَاهَةِ وَالْأَذَى. قَالَ أَهْلُ الْعِلْمِ اللَّهُ جَلَّ ثَنَاؤُهُ هُوَ السَّلَامُ : لِسَلَامَتِهِ مِمَّا يَلْحَقُ الْمَخْلُوقِينَ مِنَ الْعَيْبِ وَالنَّقْصِ وَالْفَنَاءِ. قَالَ اللهُ جَلَّ جَلَالُهُ: {وَاللَّهُ يَدْعُو إِلَى دَارِ السَّلَامِ} [يونس: ٢٥] ، فَالسَّلَامُ اللهُ جَلَّ ثَنَاؤُهُ، وَدَارُهُ الْجَنَّةُ. وَمِنَ الْبَابِ أَيْضًا الْإِسْلَامُ، وَهُوَ الِانْقِيَادُ : لِأَنَّهُ يَسْلَمُ مِنَ الْإِبَاءِ وَالِامْتِنَاعِ。

سلم (সালিমা)। সিন, লাম ও মিমযোগে গঠিত অধিকাংশ শব্দে সুস্থতা ও মুক্তির অর্থ রয়েছে। কখনো ব্যতিক্রমও হয়; যদিও এর সংখ্যা নিতান্তই কম। অতএব, سلامة (সালামাহ) অর্থ বিপদ ও কষ্ট থেকে মানুষের নিরাপদ থাকা। উলামায়ে কিরাম বলেন, আল্লাহ তাআলা হলেন سلام (সালাম)। যেহেতু তিনি দোষ, ত্রুটি ও বিনাশ হওয়া থেকে মুক্ত, যা মাখলুকের গুণাগুণ। আল্লাহ তাআলা বলেন, “আর আল্লাহ আহ্বান করেন শান্তি-নিরাপত্তার আবাসের দিকে”। [সুরা ইউনুস : ২৫] আল্লাহ হলেন শান্তি ও নিরাপত্তাদাতা এবং জান্নাত হলো তাঁর আবাস। এ শব্দ থেকেই এসেছে, الإسلام (আল-ইসলাম)। এর অর্থ মান্য করা, আনুগত্য প্রদর্শন করা। (সুস্থতা ও নিরাপত্তার অর্থের সাথে ইসলামের অর্থের পুরাই মিল রয়েছে।) কেননা, এটা অস্বীকৃতি ও অবাধ্যতা থেকে (মুসলিমকে) নিরাপদ করে।’

ইমাম আবু আব্দুল্লাহ জাইনুদ্দিন রাজি বলেন: وَأَسْلَمَ دَخَلَ فِي (السَّلَم) بِفَتْحَتَيْنِ وَهُوَ الْإِسْتِسْلَامُ. ‘আর أَسْلَمَ অর্থাৎ সে আনুগত্যে প্রবেশ করল। ‘ইসলাম’ এর অর্থ হলো, আত্মসমর্পণ করা ও অনুগত হওয়া।’

আল-মুনজিদে ‘ইসলাম’ এর অর্থ এভাবে বলা হয়েছে: الْاِنْقِيَادُ لِأَمْرِ الْأَمِرِ وَنَهْيِهِ بِلَا اعْتِرَاضٍ ‘কোনো প্রকারের আপত্তি ছাড়া হুকুমদাতার আদেশ-নিষেধ মান্য করা।’

এভাবে প্রায় সব অভিধানবিদই الإسلام (আল-ইসলাম) এর অর্থ ‘আনুগত্য করা ও আত্মসমর্পন করা’ লিখেছেন। আর এটাই তার মূল আভিধানিক অর্থ। এ অর্থেই কুরআনে এসেছে : فَلَمَّا أَسْلَمَا وَتَلَّهُ لِلْجَبِينِ ) ‘যখন পিতা-পুত্র উভয়েই আনুগত্য প্রকাশ করল এবং ইবরাহিম তাকে জবেহ করার জন্যে শায়িত করল।’

মোটকথা, আভিধানিকভাবে الإسلام (আল-ইসলাম) শব্দটি আনুগত্য ও আত্মসমর্পণ করার অর্থ বুঝায়। চাই মাখলুকের আনুগত্য হোক বা খালিকের, দ্বীনি বিষয়ে হোক বা পার্থিব, স্বেচ্ছায় হোক বা বাধ্যতামূলক; সকল ক্ষেত্রেই তাকে الإسلام (আল-ইসলাম) বলা যাবে।

পরিভাষিক অর্থ:
পরিভাষায় ইসলামের দুটি প্রকার রয়েছে। যথ: কাওনি বা ব্যবস্থাপনাগত ইসলাম এবং শরয়ি বা বিধানগত ইসলাম।

এক. কাওনি বা ব্যবস্থাপনাগত ইসলাম
আল্লাহর সৃষ্টিব্যবস্থা ও নিজামের সামনে সকল মাখলুকের আত্মসমর্পণ করার নাম কাওনি বা ব্যবস্থাপনাগত ইসলাম। আল্লাহর নির্ধারিত সৃষ্টিব্যবস্থার সাথে কেউই বিদ্রোহ বা বিরোধিতা করতে পারে না। ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় সব মেনে নিতে বাধ্য থাকে।

কুরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে : أَفَغَيْرَ دِينِ اللَّهِ يَبْغُونَ وَلَهُ أَسْلَمَ مَنْ فِي السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ طَوْعًا وَكَرْهًا وَإِلَيْهِ يُرْجَعُونَ 'তারা কি আল্লাহর দ্বীনের পরিবর্তে অন্য দ্বীন তালাশ করছে? আসমান ও জমিনে যা কিছু রয়েছে, স্বেচ্ছায় হোক বা বাধ্যতামূলক একমাত্র তাঁরই আনুগত্য প্রদর্শন করে। আর সবাই তাঁরই দিকে ফিরে যাবে।"

ইসলামের এ সংজ্ঞানুসারে আল্লাহর প্রতিটি মাখলুকই মুসলিম বা আত্মসমর্পণকারী। কেননা, তাদের আল্লাহর নিজামের বাইরে যাওয়ার কোনো ক্ষমতা নেই। সুস্থতা-অসুস্থতা, জীবন-মৃত্যু, সচ্ছলতা-দীনতা ইত্যাদি বিষয়ে মানুষ স্বেচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায় সব-মেনে নেয়। কেননা, এ ছাড়া যে তাদের ভিন্ন কোনো উপায় নেই!

বস্তুত এ ইসলাম শরিয়তের উদ্দিষ্ট নয়। এর জন্য কোনো প্রতিদান বা শাস্তি নেই। এ ইসলামের সাথে জান্নাত-জাহান্নামেরও কোনো সম্পর্ক নেই। যেহেতু এ ইসলামে কাফির-মুশরিক, মুমিন-মুনাফিক সবাই অন্তর্ভুক্ত। সকল মাখলুকই এ ইসলামে প্রবেশ করে।

দুই. শরয়ি বা বিধানগত ইসলাম
আল্লাহর দেওয়া বিধিনিষেধ ও তাঁর সকল আইন মেনে নেওয়ার নাম হলো শরয়ি বা বিধানগত ইসলাম। এটা সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক একটি দ্বীন। এটা গ্রহণ করতে কাউকে বাধ্য করা হয়নি। ইসলামের আহ্বান জানানোর পর যার ইচ্ছা হয় গ্রহণ করে দুনিয়া-আখিরাতের সফলতা অর্জন করবে, আর যার ইচ্ছা হয় গ্রহণ না করে জিজিয়া-কর দিয়ে জিল্লতির সাথে বেঁচে থাকবে। এ জন্যই এর সাথে প্রতিদান বা শাস্তির বিষয়টি জড়িত। এ ইসলামের সাথেই জান্নাত-জাহান্নামের সম্পর্ক। আর শরিয়তে এ ইসলামই মুখ্য উদ্দেশ্য।

ইমাম কুরতুবি বলেন:
وَالْإِسْلَامُ بِمَعْنَى الْإِيمَانِ والطاعات، قال أَبُو الْعَالِيَةِ، وَعَلَيْهِ جُمْهُورُ الْمُتَكَلِّمِينَ
'আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন এবং তাঁর আনুগত্য করার নাম ইসলাম। ইমাম আবুল আলিয়া বলেন, “এটাই অধিকাংশ বিজ্ঞ উলামায়ে কিরামের মত।”'

এটি ব্যাপক অর্থবহ একটি সংজ্ঞা, যার অধীনে আল্লাহপ্রদত্ত মানুষের জীবন পরিচালনার পদ্ধতি, ইহকালীন ও পরকালীন সকল বিধিবিধানের প্রতি বান্দার আন্তরিক সত্যায়ন এবং পরিপূর্ণ আনুগত্যসহ যাবতীয় বিষয় অন্তর্ভুক্ত। এটিই হলো প্রকৃত ইসলামের বাস্তবতা ও তার মূলভিত্তি।

'আল-মাওসুআতুল ফিকহিয়্যা'-তে এসেছে :
هُوَ اسْتِسْلَامُ الْعَبْدِ لِلَّهِ عَزَّ وَجَل بِاتِّبَاعِ مَا جَاءَ بِهِ الرَّسُولِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنَ الشَّهَادَةِ بِاللِّسَانِ، وَالتَّصْدِيقِ بِالْقَلْبِ، وَالْعَمَل بالجوارح.
'ইসলাম হলো রাসুলুল্লাহ -এর আনীত শরিয়তের অনুসরণ, যথা তাওহিদ-রিসালাতের মৌখিক স্বীকৃতি, আন্তরিক বিশ্বাস ও কাজে বাস্তবায়নের মাধ্যমে আল্লাহর আনুগত্য প্রদর্শন করা।'

এ শরয়ি বা বিধিবিধানগত ইসলাম আবার দুপ্রকার। এক. আম বা ব্যাপক। দুই. খাস বা বিশেষ।

ক. আম ইসলাম
সকল নবি-রাসুল সমষ্টিগতভাবে যে বিধান ও দাওয়াত নিয়ে এসেছেন, তাকে আম ইসলাম বলা হয়। যেমন: তাওহিদ- রিসালাত, আম্বিয়া-ফেরেশতা, কিতাব-তাকদির, কবর-কিয়ামত, হাশর-নাশর, জান্নাত-জাহান্নামসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিশ্বাস স্থাপন করা; পাশাপাশি কুফর, শিরক, চুরি, ব্যভিচার, জাদু, জুলুমসহ সব ধরনের নিষিদ্ধ কাজ ও গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা। এসব এমন বিধান, যা সকল নবি-রাসুলেরই দাওয়াতের অংশ ছিল। ব্যাপকভাবে তাঁরা এসব বিষয়ের দিকে মানুষকে আহ্বান করেছেন। এগুলো কোনো যুগ বা স্থানের সাথে বিশেষিত নয়; বরং সর্বযুগে সর্বস্থানে এসব বিধানাবলি চালু ছিল এবং কিয়ামত পর্যন্ত থাকবে। এতে কোনো রদ-বদল হবে না। কুরআনে এ আম অর্থে 'ইসলাম' বা 'মুসলিম'-এর ব্যবহার প্রচুর পাওয়া যায়।

আল্লাহ তাআলা নুহ -এর ব্যাপারে বলেন: فَإِنْ تَوَلَّيْتُمْ فَمَا سَأَلْتُكُمْ مِنْ أَجْرٍ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَى اللَّهِ وَأُمِرْتُ أَنْ أَكُونَ مِنَ الْمُسْلِمِينَ )
'তারপরও যদি বিমুখতা প্রদর্শন করো, তবে আমি তোমাদের কাছে কোনো বিনিময় কামনা করি না। আমার বিনিময় আল্লাহর দায়িত্বে। আর আমাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আমি যেন মুসলমানদের অন্তর্ভুক্ত হই।'

আল্লাহ তাআলা ইবরাহিম -এর ব্যাপারে বলেন: ﴿ مَا كَانَ إِبْرَاهِيمُ يَهُودِيًّا وَلَا نَصْرَانِيًّا وَلَكِنْ كَانَ حَنِيفًا مُسْلِمًا ﴾ 'イবরাহিম ইহুদি ছিলেন না, খ্রিষ্টানও ছিলেন না; বরং তিনি ছিলেন একনিষ্ঠ মুসলিম।'

আল্লাহ তাআলা ঈসা -এর হাওয়ারিদের ব্যাপারে বলেন: ﴿ فَلَمَّا أَحَسَّ عِيسَى مِنْهُمُ الْكُفْرَ قَالَ مَنْ أَنْصَارِي إِلَى اللَّهِ قَالَ الْحَوَارِيُّونَ نَحْنُ أَنْصَارُ اللهِ آمَنَّا بِاللَّهِ وَاشْهَدْ بِأَنَّا مُسْلِمُونَ ﴾ 'অতঃপর ঈসা যখন বনি ইসরাইলের কুফরি উপলব্ধি করতে পারলেন, তখন বললেন, কারা আছে আল্লাহর পথে আমাকে সাহায্য করবে? সঙ্গী-সাথিরা বলল, আমরা রয়েছি আল্লাহর পথে সাহায্যকারী। আমরা আল্লাহর প্রতি ইমান এনেছি। আর আপনি সাক্ষী থাকেন যে, আমরা হলাম মুসলমান।'

খ. খাস ইসলাম
শেষ নবি মুহাম্মাদ এর আনীত দ্বীন ও শরিয়তকে খাস ইসলাম বলে। রাসুলুল্লাহ হাদিসে জিবরিলে এ খাস ইসলাম এর দিকে ইঙ্গিত করে বলেন: الْإِسْلَامُ أَنْ تَشْهَدَ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَتُقِيمَ الصَّلَاةَ، وَتُؤْتِي الزَّكَاةَ، وَتَصُومَ رَمَضَانَ، وَتَحُجَّ الْبَيْتَ إِنِ اسْتَطَعْتَ إِلَيْهِ سَبِيلًا 'ইসলাম হলো, তুমি এ সাক্ষ্য দেবে যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল, নামাজ প্রতিষ্ঠা করবে, জাকাত আদায় করবে, রমজান মাসের রোজা রাখবে এবং সামর্থ্য থাকলে বাইতুল্লাহর হজ করবে।'

সুতরাং যেকোনো আনুগত্যের নামই ইসলাম নয়; বরং আনুগত্য হতে হবে একমাত্র আল্লাহর দেওয়া বিধিনিষেধের ক্ষেত্রে। আবার শুধু বিধিনিষেধের ক্ষেত্রে আনুগত্য করাই যথেষ্ট হবে না, যতক্ষণ না তা শেষ নবি মুহাম্মাদ এর আনীত শরিয়তের অনুকূলে হবে। অতএব, প্রকৃত ইসলাম রাসুলুল্লাহ কর্তৃক আনীত আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে চলার নাম। এতে যে কমবেশ করবে সে প্রকৃত ইসলামের গণ্ডি থেকে বের হয়ে যাবে।

টিকাঃ
১. মাকায়িসুল লুগাহ : ৩/৯০ (দারুল ফিকর, বৈরুত)
২. মুখতারুস সিহাহ: পৃ. নং ১৫৩ (আল-মাকতাবাতুল আসরিয়‍্যা, বৈরুত)
৩. আল-মুনজিদ: পৃ. নং ৩৪৭ (আল-মাতবাআতুল কাসুলিকিয়্যা, বৈরুত)
৪. সুরা আস-সাফফাত : ১০৩

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 ইসলামের বুনিয়াদ

📄 ইসলামের বুনিয়াদ


প্রতিটি জিনিসেরই মূল কিছু বুনিয়াদ থাকে, যার ওপর ভিত্তি করে সে অস্তিত্ব লাভ করে। বুনিয়াদ না থাকলে জিনিস বিনষ্ট হয়ে যায়। বুনিয়াদ দুর্বল হলে সে জিনিসও দুর্বল হয়ে যায়। ইসলামেরও তেমনই কিছু বুনিয়াদ আছে, যার পূর্ণতায় ইসলাম পূর্ণ হয়, আর অপূর্ণতায় ইসলাম অসম্পূর্ণ থেকে যায়।

ইসলামের বুনিয়াদ হলো পাঁচটি। যথা: তাওহিদ ও রিসালাতের সাক্ষ্য দেওয়া, নামাজ প্রতিষ্ঠা করা, রোজা রাখা, জাকাত দেওয়া ও হজ করা।

ইবনে উমর থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ ইরশাদ করেন : بُنِيَ الإِسْلَامُ عَلَى خَمْسٍ: شَهَادَةِ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللهِ، وَإِقَامِ الصَّلَاةِ، وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ، وَالحَجِّ، وَصَوْمِ رَمَضَانَ
'ইসলামের মূল ভিত্তি পাঁচটি। যথা: এ কথার সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল, নামাজ প্রতিষ্ঠা করা, জাকাত আদায় করা, হজ পালন করা ও রমজান মাসের রোজা রাখা।'

প্রতিটি মুমিনের মাঝে এ পাঁচটি বিষয় অবশ্যই থাকতে হবে; নচেৎ সে প্রকৃত অর্থে মুমিন নয়। পাঁচটির কোনোটিই না থাকলে তো সে পরিষ্কার কাফির। আর যদি কিছু থাকে আর কিছু না থাকে তাহলে হুকুম আরোপের দিক থেকে কিছুটা পার্থক্য হবে। কেননা, হাদিসে বর্ণিত পাঁচটি ভিত্তিমূল সমমানের বা একই মর্যাদার নয়। এগুলোর মধ্যে শ্রেণিগতভাবে কিছুটা পার্থক্য আছে।

সুতরাং প্রথমটি অর্থাৎ তাওহিদ ও রিসালাতের সাক্ষ্য না থাকলে সে ইসলামের যত আমলই করুক না কেন, তা গ্রহণযোগ্য হবে না। সে কাফির হিসাবেই বিবেচিত থাকবে। আর প্রথমটি ঠিক থাকার পর যদি বাকি চারটি বা কোনো একটি না থাকে, তাহলে হানাফি মাজহাবমতে সে কাফির তো হবে না বটে, কিন্তু তার ইমান ও ইসলামের অবস্থা হবে অত্যন্ত দুর্বল। অবশ্য এ চারটির মধ্যে নামাজের বিষয়ে বেশ শক্তিশালী মতানৈক্য রয়েছে। অনেকে মুহাদ্দিস ও ফকিহ স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ পরিত্যাগকারী কাফির হয়ে যায়। অনেকে তো নামাজের সাথে জাকাত, রোজা ও হজকেও অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

ইমাম ইবনে তাইমিয়া বলেন:
'সকল মুসলিম এ ব্যাপারে একমত যে, যে ব্যক্তি তাওহিদ ও রিসালাতের সাক্ষ্য দেবে না, সে কাফির। তবে বাকি চারটি আমলের কোনোটির পরিত্যাগকারীকে কাফির সাব্যস্ত করার ব্যাপারে তাঁদের মাঝে মতভেদ রয়েছে। আর আমরা যখন বলে থাকি, "আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআর এ ব্যাপারে ঐকমত্য রয়েছে যে, গুনাহের কারণে কাউকে কাফির বলা যাবে না” এদ্বারা আমাদের উদ্দেশ্য থাকে গুনাহের কাজ, যেমন জিনা, মদপান করা ইত্যাদি। কিন্তু ইসলামের এ চারটি মূল ভিত্তি পরিত্যাগকারীর ব্যাপারে যে মতভেদ রয়েছে, তা তো প্রসিদ্ধ। ইমাম আহমাদ থেকে এ ব্যাপারে বিভিন্ন মত পাওয়া যায়। এক মতানুসারে এ চারটির কোনোটি পরিত্যাগ করলেই সে কাফির হয়ে যাবে। এটা ইমাম আবু বকর ও কিছু মালিকি মাজহাবের আলিম, যেমন ইবনে হাবিব-এর নিকট গ্রহণীয় মত। দ্বিতীয় মতানুসারে শুধু নামাজ ও জাকাত পরিত্যাগের কারণে কাফির হবে। তৃতীয় মতানুসারে নামাজ পরিত্যাগ করলে এবং জাকাত পরিত্যাগের ভিত্তিতে খলিফার সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হলে কাফির হবে। চতুর্থ মতানুসারে শুধু নামাজ পরিত্যাগ করলে কাফির হবে। পঞ্চম মতানুসারে এ চারটির কোনোটি পরিত্যাগের কারণেই কাফির হবে না। বস্তুত এগুলো সব সালাফে সালিহিনের প্রসিদ্ধ মতামত।'

ইমাম ইবনে রজব হাম্বলি বলেন:
'ইমাম আইয়ুব সাখতিয়ানি বলেন, নামাজ পরিত্যাগ করা কুফর, যাতে কোনো মতভেদ করা যাবে না। পূর্ববর্তী ও পরবর্তীদের একটি বড় দল এ মতই পোষণ করেন। এটাই ইমাম ইবনে মুবারক ও ইমাম আহমাদ-এর মত। ইমাম ইসহাক এ ব্যাপারে আলিমদের ইজমার দাবি করেছেন। মুহাম্মাদ বিন নাসর মারুজি বলেন, এটাই অধিকাংশ মুহাদ্দিসদের মাজহাব।'

আল-মাওসুআতুল ফিকহিয়্যাতে বলা হয়েছে :
'আর দ্বিতীয় অবস্থা অর্থাৎ নামাজের আবশ্যকীয়তা অস্বীকার না করে অলসতা ও উদাসীনতাবশত নামাজ পরিত্যাগ করলে তার ব্যাপারে ফুকাহায়ে কিরাম মতভেদ করেছেন। মালিকি ও শাফিয়ি মাজহাবের মতানুসারে তাকে হদস্বরূপ হত্যা করা হবে। অর্থাৎ মৃত্যুর পর তার বিধান মুসলিম মাইয়েতের মতোই—গোসল করানো হবে, জানাজা নামাজ পড়ানো হবে এবং মুসলমানদের কবরে দাফন করা হবে। ... হানাফি মাজহাব মতে, অলসতাবশত ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ পরিত্যাগকারী ফাসিক। তাই তাকে হত্যা করা হবে না; বরং তাজির হিসাবে শাস্তি দেওয়া হবে এবং তাওবা বা মৃত্যু পর্যন্ত তাকে বন্দী করে রাখা হবে। আর হাম্বলি মাজহাব মতে, অলসতাবশত নামাজ পরিত্যাগকারীকে নামাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হবে, যদি তুমি নামাজ পড়ো, তাহলে তো ঠিক আছে; নচেৎ আমরা তোমাকে হত্যা করব। সুতরাং সে নামাজ পড়লে বেঁচে গেল, অন্যথায় তাকে হত্যা করা আবশ্যক। তবে তিনদিন বন্দী রাখার পূর্বে তাকে হত্যা করা যাবে না। প্রতি ওয়াক্তে তাকে নামাজের জন্য ডাকা হবে। নামাজ পড়লে বেঁচে যাবে; নচেৎ তাকে হত্যা করা হবে- (হাম্বলিদের) কারও মতে (এই হত্যাটা) হদ হিসাবে আর কারও মতে কুফরির কারণে। অর্থাৎ (কুফরির কারণে হলে) তাকে গোসল দেওয়া হবে না, তার জানাজার নামাজ পড়া হবে না এবং মুসলমানদের কবরস্থানে তাকে দাফনও করা হবে না। অবশ্য মুরতাদদের মতো তার স্ত্রী-সন্তানকে বন্দী ও দাস-দাসী বানানো যাবে না।'

মোটকথা, ইসলামের বুনিয়াদ পাঁচটি একসাথে বলা হলেও মর্যাদাগতভাবে এতে কিছু পার্থক্য আছে। সুতরাং শাহাদাহ বা তাওহিদ ও রিসালাতের সাক্ষ্য দেওয়া হলো ইসলামের প্রধান ও মূল ভিত্তি। আর নামাজ, রোজা, জাকাত ও হজ হলো তার প্রধান চারটি শাখা। এ চারটির কোনোটি পরিত্যাগ করলে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে কিনা- এ নিয়ে মতভেদ থাকলেও এ ব্যাপারে সবাই একমত যে, ইসলামে কালিমায়ে শাহাদাতের পর এ চারটি বিধানই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ; বিশেষত নামাজ। তাই শুধু তাওহিদ ও রিসালাতের সাক্ষ্য দেওয়ার দ্বারা ইসলাম পূর্ণ হবে না; বরং তার সাথে এ চারটি আমলও আবশ্যিকভাবে করতে হবে। অবশ্য জাকাত ও হজ, এ দুটি বিধান সবার জন্য নয়; বরং শুধু তাদের জন্য, যাদের কাছে জাকাতযোগ্য সম্পদ আছে এবং হজ করার সামর্থ্য আছে।

টিকাঃ
১১. সহিহু মুসলিম: ১/৩৬, হা. নং ৮ (দারু ইহইয়াইত তুরাসিল আরাবিয়্যি, বৈরুত)
১২. সহিহুল বুখারি: ১/১১, হা. নং ৮, (দারু তাওকিন নাজাত, বৈরুত)
১৩. মাজমুউ ফাতাওয়া ইবনি তাইমিয়া: ৭/৩০২ (মাজমাউ মালিক ফাহাদ, মদিনা)
১৪. জামিউল উলুমি ওয়াল হিকাম : ১/১৪৭ (মুআসসাসাতুর রিসালা, বৈরুত)
১৫. আল-মাওসুআতুল ফিকহিয়্যা: ২৭/৫৩-৫৪ (অজারাতুল আওকাফ ওয়াশ শুয়ুনিল ইসলামিয়্যা, কুয়েত)

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 উপসংহার

📄 উপসংহার


এই ছিল ইসলামি জীবনব্যবস্থার সংক্ষিপ্ত চিত্রায়ন। বস্তুত ইসলামের সর্বজনীন এ নিজাম বা ব্যবস্থা এতটাই বিস্তৃত যে, সংক্ষিপ্ত ও ছোট এ পরিসরে তা আনা পুরো সমুদ্রকে একটি গ্লাসে রাখার নামান্তর। আর তাই বইটি লিখতে গিয়ে বারবার এ উপলব্ধি এসেছে যে, এতটুকুতে কি পাঠকের তৃপ্তি মিটবে? বস্তুত ইসলামের সামগ্রিক বিষয়কে পুঙ্খানুপুঙ্খ এখানে আনা সম্ভব ছিল না। শুধু পাঠককে এ মেসেজ দেওয়ার জন্যই বইটি লেখা হয়েছে যে, তারা যেন বুঝতে পারে, ইসলামের বিস্তৃতি ও ব্যাপ্তি কত বিশাল! প্রতিটি অঙ্গনেই রয়েছে এর সুনিপুণ নির্দেশনা। বইটিতে আমরা ছয়টি অধ্যায়ে আকিদা, শরিয়াব্যবস্থা, শাসনব্যবস্থা, সমাজব্যবস্থা, অর্থায়নব্যবস্থা ও বিভিন্ন বাতিল মতবাদ নিয়ে সম্যক ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। সামগ্রিক জীবনে ইসলামের এ ব্যবস্থাপনা যদি আজ বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত হতো, তাহলে পৃথিবীর মানুষ সকল ফিতনা, বিবাদ ও অশান্তি থেকে মুক্তি পেত। কিন্তু আফসোস! বিধর্মীরা তো দূরে থাক, স্বয়ং মুসলিম দেশের শাসকদেরই এ ব্যবস্থাপনার ওপর পূর্ণ আস্থা বা কোনো ধারণা নেই। আমি পূর্ণ নিশ্চয়তা ও গ্যারান্টির সাথে চ্যালেঞ্জ করছি, পুরো বিশ্ব বা ন্যূনতম বিশ্বের কোনো একটি দেশ যদিও এ জীবনব্যবস্থা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অনুসরণ করে, তবে এক বছরও লাগবে না ইনশাআল্লাহ, দেশ থেকে সকল দুর্নীতি, অরাজকতা, খুন, রাহাজনি, চুরি, অশ্লীলতাসহ অশান্তির সব উপকরণ পুরোপুরি বিদায় নেবে। এতে আমাদের এক চুল পরিমাণও সন্দেহ নেই।

তিক্ত বাস্তবতা হলো, ইসলামের জীবনব্যবস্থার মধ্যে যে এমন নিখুঁত ও সবচেয়ে নির্ভুল নির্দেশনা রয়েছে, তা অনেকে জানেই না, বা জানলেও বিশ্বাস করতে চায় না। অধিকাংশ মানুষের ধারণা, ইসলাম মানে নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, দান-সদকা, সত্য কথা বলা, হালাল খাওয়াসহ ব্যক্তিক জীবনের কয়েকটি আমলের নাম। ইসলামের যে প্রজ্ঞাপূর্ণ একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা ও শাসনব্যবস্থা আছে, ইসলাম যে সমাজব্যবস্থা নিয়েও কথা বলেছে, ইসলাম যে অর্থায়নব্যবস্থার ব্যাপারেও নিখুঁত দিক-নির্দেশনা দিয়েছে, তা আজ কজনেই বা জানে! এজন্যই বক্ষ্যমাণ বইটিতে ইবাদতের চেয়ে অনালোচিত এসব বিষয়েই অধিক আলোচনা করা হয়েছে। আমাদের বিশ্বাস, বইটি থেকে একজন সত্যানুসন্ধানী পাঠক ইসলামি জীবনব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ না পেলেও সম্যক ধারণা পেয়ে যাবে যে, ইসলামের ব্যাপ্তি ও গভীরতা কতটা সুবিস্তৃত!

আশার কথার হলো, ইসলামি জীবনব্যবস্থার বিপরীত মানবরচিত মতাবাদ-মতাদর্শগুলোর কুৎসিত স্বরূপ দিনদিন মানুষের সামনে স্পষ্ট হচ্ছে। জনগণ আজ ভালোভাবেই উপলব্ধি করছে যে, বিশ্বজুড়ে চলমান জুলুম, নির্যাতন, নগ্নতা, অশ্লীলতা, দুর্নীতি, লুটতরাজ—সকল অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দূর করে ন্যায়নীতি ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় ইসলামি শাসনব্যবস্থা ব্যতিরেকে ভিন্ন কোনো পথ নেই। ইসলামের আলোকিত জীবনব্যবস্থাই নিশ্চিত করতে পারে সকলের সুখ ও শান্তি, স্বস্তি ও নিরাপত্তা। এ সত্য বুঝতে পেরেই মানুষ তাদের মধ্যে বিদ্যমান কুফরি জীবনব্যবস্থা ও জাতীয়তাবাদী চিন্তা-চেতনাকে ঝেটিয়ে বিদায় করতে প্রস্তুত হচ্ছে। নিজেদের দ্বীনি মৌলিক বিশ্বাসকে যথাযথভাবে ধারণ করে ইসলামের সুশীতল ছায়ায় বসবাস করতে চাচ্ছে।

আর ইসলামের এ আলোকিত জীবনব্যবস্থাকে সর্বত্র প্রতিষ্ঠা করার দায়িত্ব আমাদের মুসলিমদেরই নিতে হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের পূর্বশর্ত হিসাবে অবশ্যই আমাদের বিশ্বমুসলিম তথা মানবতার সমস্যাকে গভীরভাবে অধ্যয়ন করতে হবে। ইসলামি জীবনব্যবস্থা সম্পর্কে আমাদের থাকতে হবে পরিষ্কার জ্ঞান। যখন আমরা ইসলামের সৌন্দর্য ও সূক্ষ্মতা অনুধাবন করতে পারব, তখনই এর জন্য নিজেদের সর্বস্ব কুরবান করার মতো মানসিকতা লালন করতে সচেষ্ট হবে।

বস্তুত, ইসলাম এমন জীবনব্যবস্থার নাম, যার পরতে পরতে রয়েছে দূরদর্শিতা ও বিচক্ষণতার ছোঁয়া। প্রতিটি সিদ্ধান্তে রয়েছে ওহিভিত্তিক নিখুঁত পরিচর্যার পরশ। সূচনাকাল থেকে চৌদ্দশ বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেল, কিন্তু বিরোধীরা হাজারো চেষ্টা সত্ত্বেও আজ পর্যন্ত এতে কোনো ছিদ্র খুঁজে পায়নি। এটিই প্রমাণ করে যে, এ জীবনব্যবস্থা ও নির্দেশিকা মানবরচিত হতে পারে না। এটি সমগ্র জাহানের পালনকর্তা মহান আল্লাহ তাআলার দেওয়া নির্দেশনার আলোকে গঠিত এক সর্বজনীন ব্যবস্থার নাম, যা কিয়ামত পর্যন্ত আগত সকল মানুষের জন্য স্থায়ী বিধান হিসাবে কার্যকর ছিল, আছে এবং থাকবে।

তাই মুসলিম-অমুসলিম, আলিম-জাহিল, ছোট-বড়, নারী-পুরুষ—সবাইকে বিনত অনুরোধ করব, ইসলামকে জানুন। ইসলামের প্রকৃত সৌন্দর্য ও এর সর্বজনীনতা উপলব্ধি করার চেষ্টা করুন। ইনশাআল্লাহ ইসলামের বিজয় অত্যাসন্ন; যদি আমরা ইসলামকে সঠিকভাবে জেনে তদনুযায়ী কর্মপন্থা নির্ধারণ করতে পারি। আল্লাহ আমাদের প্রতিটি অঙ্গনে ইসলামি জীবনব্যবস্থা বাস্তবায়নের তাওফিক দিন এবং তাঁর মনোনীত দ্বীন ইসলামের ওপর অটল রাখুন। আমিন।

📘 ইসলামি জীবনব্যবস্থা 📄 গ্রন্থপঞ্জি

📄 গ্রন্থপঞ্জি


১. আল-কুরআন
২. তাফসিরুত তাবারি — ইমাম আবু জাফর মুহাম্মাদ বিন জারির আত-তাবারি (মৃ. ৩১০ হি.)
৩. তাফসিরু ইবনি আবি হাতিম — ইমাম ইবনু আবি হাতিম আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ বিন ইদরিস আর-রাজি (মৃ. ৩২৭ হি.)
৪. আহকামুল কুরআন — ইমাম আবু বকর আহমাদ বিন আলি আর-রাজি (মৃ. ৩৭০ হি.)
৫. তাফসিরুল বাগাবি — ইমাম আবু মুহাম্মাদ হুসাইন বিন মাসউদ বিন মুহাম্মাদ আল-বাগাবি (মৃ. ৫১০ হি.)
৬. আহকামুল কুরআন — ইমাম মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আবু বকর ইবনুল আরাবি আল-মালিকি (মৃ. ৫৪৩ হি.)
৭. তাফসিরুল কুরতুবি — ইমাম শামসুদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আল-কুরতুবি (মৃ. ৬৭১ হি.)
৮. তাফসিরু ইবনি কাসির — ইমাম আবুল ফিদা ইসমাইল বিন উমর বিন কাসির আদ-দিমাশকি (মৃ. ৭৭৪ হি.)
৯. তাফসিরুল মানার — ইমাম রশিদ বিন আলি রিজা বিন মুহাম্মাদ আল-হুসাইনি (মৃ. ১৩৫৪ হি.)
১০. তাফসিরুস সাদি — শাইখ আব্দুর রহমান বিন নাসির বিন আব্দুল্লাহ আস-সাদি (মৃ. ১৩৭৬ হি.)
১১. আজওয়াউল বায়ান — শাইখ মুহাম্মাদ আমিন বিন মুহাম্মাদ আল-মুখতার বিন আব্দুল কাদির আশ-শানকিতি (মৃ. ১৩৯৩ হি.)
১২. সহিহুল বুখারি — ইমাম আবু আব্দিল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল আল-বুখারি (মৃ. ২৫৬ হি.)
১৩. সহিহু মুসলিম — ইমাম আবুল হাসান মুসলিম বিন হাজ্জাজ আল-কুশাইরি আন-নিসাবুরি (মৃ. ২৬১ হি.)
১৪. সুনানু আবি দাউদ — ইমাম আবু দাউদ সুলাইমান বিন আশআস আস-সিজিসতানি (মৃ. ২৭৫ হি.)
১৫. সুনানুন নাসায়ি — ইমাম আবু আব্দুর রহমান আহমাদ বিন শুআইব আন-নাসায়ি (মৃ. ৩০৩ হি.)
১৬. সুনানুত তিরমিজি — ইমাম আবু ইসা মুহাম্মাদ বিন ইসা আত-তিরমিজি (মৃ. ২৭৯ হি.)
১৭. সুনানু ইবনি মাজাহ — ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন মাজাহ আল-কাজবিনি (মৃ. ২৭৩ হি.)
১৮. মুআত্তা মালিক — ইমাম মালিক বিন আনাস আল-আসবাহি আল-মাদানি (মৃ. ১৭৯ হি.)
১৯. সহিহু ইবনি হিব্বান — ইমাম আবু হাতিম মুহাম্মাদ বিন হিব্বান বিন আহমাদ আল-বুসতি (মৃ. ৩৫৪ হি.)
২০. মুসতাদরাকুল হাকিম — ইমাম আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিম মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আন-নিসাবুরি (মৃ. ৪০৫ হি.)
২১. আল-আহাদিসুল মুখতারা — ইমাম জিয়াউদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসি (মৃ. ৬৪৩ হি.)
২২. মুসান্নাফু ইবনি আবি শাইবা — ইমাম আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন আবু শাইবা আল-আবাসি (মৃ. ২৩৫ হি.)
২৩. মুসান্নাফু আব্দির রাজ্জাক — ইমাম আবু বকর আব্দুর রাজ্জাক বিন হুমাম আস-সানাআনি (মৃ. ২১১ হি.)
২৪. মুসনাদু আহমাদ — ইমাম আবু আব্দিল্লাহ আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাম্বল আশ-শাইবানি (মৃ. ২৪১ হি.)
২৫. সুনানুদ দারিমি — ইমাম আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আদ-দারিমি (মৃ. ২৫৫ হি.)
২৬. সুনানু দারাকুতনি — ইমাম আবুল হাসান আলি বিন উমর বিন আহমাদ আদ-দারাকুতনি (মৃ. ৩৮৫ হি.)
২৭. আস-সুন্নাহ — ইমাম আবু আব্দিল্লাহ মুহাম্মাদ বিন নাসর আল-মারুজি (মৃ. ২৯৪ হি.)
২৮. আস-সুনানুল কুবরা — ইমাম আবু আব্দির রহমান আহমাদ বিন শুআইব আন-নাসায়ি (মৃ. ৩০৩ হি.)
২৯. আস-সুনানুল কুবরা — ইমাম আবু বকর আহমাদ বিন হুসাইন আল-বাইহাকি (মৃ. ৪৫৮ হি.)
৩০. মারিফাতুস সুনানি ওয়াল আসার — ইমাম আবু বকর আহমাদ বিন হুসাইন আল-বাইহাকি (মৃ. ৪৫৮ হি.)
৩১. মুসনাদুল বাজ্জার — ইমাম আবু বকর বাজ্জার আহমাদ বিন আমর আল-আতাকি (মৃ. ২৯২ হি.)
৩২. আল-মুজামুল কাবির — ইমাম আবুল কাসিম সুলাইমান বিন আহমাদ আত-তাবারানি (মৃ. ৩৬০ হি.)
৩৩. আল-মুজামুল আওসাত — ইমাম আবুল কাসিম সুলাইমান বিন আহমাদ আত-তাবারানি (মৃ. ৩৬০ হি.)
৩৪. আল-মুজামুস সগির — ইমাম আবুল কাসিম সুলাইমান বিন আহমাদ আত-তাবারানি (মৃ. ৩৬০ হি.)
৩৫. মুসনাদুশ শামিয়্যিন — ইমাম আবুল কাসিম সুলাইমান বিন আহমাদ আত-তাবারানি (মৃ. ৩৬০ হি.)
৩৬. মুআত্তা মুহাম্মাদ — ইমাম আবু আব্দিল্লাহ মুহাম্মাদ বিন হাসান আশ-শাইবানি (মৃ. ১৮৯ হি.)
৩৭. আল-মাতালিবুল আলিয়া — হাফিজ আবুল ফজল আহমাদ বিন আলি বিন হাজার আল-আসকালানি (মৃ. ৮৫২ হি.)
৩৮. আল-খারাজ — ইমাম আবু ইউসুফ ইয়াকুব বিন ইবরাহিম আল-আনসারি (মৃ. ১৮২ হি.)
৩৯. আল-আমওয়াল — ইমাম আবু উবাইদ কাসিম বিন সাল্লাম আল-হারাবি আল-বাগদাদি (মৃ. ২২৪ হি.)
৪০. আল-ফিরদাউস বি-মাসুরিল খিতাব — ইমাম আবু শুজা শিরুয়াহ বিন শাহারদার আদ-দাইলামি (মৃ. ৬৭৬ হি.)
৪১. জামিউ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাজলিহ — ইমাম ইবনু আব্দিল বার আবু আমর উসমান বিন সাইদ আল-মালিকি (মৃ. ৪৪৪ হি.)
৪২. ফাতহুল বারি — হাফিজ আবুল ফজল আহমাদ বিন আলি বিন হাজার আল-আসকালানি (মৃ. ৮৫২ হি.)
৪৩. উমদাতুল কারি — হাফিজ আবু মুহাম্মাদ মাহমুদ বিন আহমাদ বদরুদ্দিন আল-আইনি (মৃ. ৮৫৫ হি.)
৪৪. শারহুন নববি আলা মুসলিম — ইমাম আবু জাকারিয়া মুহিউদ্দিন ইয়াহইয়া বিন শারাফ আন-নববি (মৃ. ৬৭৬ হি.)
৪৫. আওনুল মাবুদ — আল্লামা আবু আব্দুর রহমান মুহাম্মাদ আশরাফ বিন আমির আস-সিদ্দিকি আল-আজিমাবাদি (মৃ. ১৩২৯ হি.)
৪৬. মিরکاتুল মাফাতিহ — আল্লামা আবুল হাসান নুরুদ্দিন আলি বিন মুহাম্মাদ মুল্লা কারি (মৃ. ১০১৪ হি.)
৪৭. ফাইজুল কাদির — আল্লামা জাইনুদ্দিন মুহাম্মাদ আব্দুর রউফ বিন তাজুল আরিফিন আল-মুনাবি (১০৩১ হি.)
৪৮. নাইলুল আওতার — আল্লামা মুহাম্মাদ বিন আলি বিন মুহাম্মাদ আশ-শাওকানি (মৃ. ১২৫০ হি.)
৪৯. আল-মুহাল্লা — ইমাম আবু মুহাম্মাদ আলি বিন আহমাদ বিন সাইদ বিন হাজাম আজ-জাহিরি (মৃ. ৪৫৬ হি.)
৫০. আল-মাবসুত — ইমাম মুহাম্মাদ বিন আহমাদ শামসুল আইম্মা আস-সারাখসি (মৃ. ৪৮৩ হি.)
৫১. শারহুস সিয়ারিল কাবির — ইমাম মুহাম্মাদ বিন আহমাদ শামসুল আইম্মা আস-সারাখসি (মৃ. ৪৮৩ হি.)
৫২. বাদাইউস সানায়ি — ইমাম আলাউদ্দিন আবু বকর বিন মাসউদ আল-কাসানি (মৃ. ৫৮৭ হি.)
৫৩. বিদায়াতুল মুবতাদি — ইমাম আবুল হাসান বুরহানুদ্দিন আলি বিন আবু বকর আল-মারগিনানি (মৃ. ৫৯৩ হি.)
৫৪. হিদায়া — ইমাম আবুল হাসান বুরহানুদ্দিন আলি বিন আবি বকর আল-মারগিনানি (মৃ. ৫৯৩ হি.)
৫৫. আল-জাওহারাতুন নাইয়ারা — ইমাম আবু বকর বিন আলি বিন মুহাম্মাদ আল-হাদ্দাদি (মৃ. ৮০০ হি.)
৫৬. ফাতহুল কাদির — ইমাম কামালুদ্দিন ইবনুল হুমাম মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ (মৃ. ৮৬১ হি.)
৫৭. মাজমাউল আনহুর — আল্লামা শাইখিজাদা আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ দামাদে আফিন্দি (মৃ. ১০৭৮ হি.)
৫৮. রদ্দুল মুহতার — আল্লামা মুহাম্মাদ আমিন বিন উমর বিন আবিদিন আদ-দিমাশকি (মৃ. ১২৫২ হি.)
৫৯. বিদায়াতুল মুজতাহিদ — ইমাম আবুল ওলিদ মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন রুশদ আল-কুরতুবি (মৃ. ৫৯৫ হি.)
৬০. আল-মাজমু শারহুল মুহাজ্জাব — ইমাম আবু জাকারিয়া মুহিউদ্দিন ইয়াহইয়া বিন শারাফ আন-নববি (মৃ. ৬৭৬ হি.)
৬১. রাওজাতুত তালিবিন — ইমাম আবু জাকারিয়া মুহিউদ্দিন ইয়াহইয়া বিন শারাফ আন-নববি (মৃ. ৬৭৬ হি.)
৬২. আল-মুগনি — ইমাম আবু মুহাম্মাদ মুওয়াফফিকুদ্দিন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন কুদামা আল-মাকদিসি (মৃ. ৬২০ হি.)
৬৩. মাজমুউল ফাতাওয়া — ইমাম তাকিউদ্দিন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আব্দুল হালিম ইবনু তাইমিয়া (মৃ. ৭২৮ হি.)
৬৪. আল-ফাতাওয়াল কুবরা — ইমাম তাকিউদ্দিন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আব্দুল হালিম ইবনু তাইমিয়া (মৃ. ৭২৮ হি.)
৬৫. আহকামু আহলিজ জিম্মাহ — ইমাম শামসুদ্দিন ইবনু কাইয়িমিল জাওজিয়া (মৃ. ৭৫১ হি.)
৬৬. আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার-রিদ্দাহ — ইমাম আবু বকর আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হারুন আল-খাল্লাল (মৃ. ৩১১ হি.)
৬৭. আল-ফাতহুর রাব্বানি মিন ফাতাওয়াল ইমাম আশ-শাওকানি — আল্লামা মুহাম্মাদ বিন আলি আশ-শাওকানি (মৃ. ১২৫০ হি.)
৬৮. ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল — আল্লামা মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম আলুশ শাইখ (মৃ. ১৩৮৯ হি.)
৬৯. ফাতাওয়াল লাজনাতিদ দায়িমা — সৌদি ইফতা ও গবেষণা বোর্ডের স্থায়ী পরিষদবৃন্দ
৭০. আল-মাওসুআতুল ফিকহিয়্যা — কুয়েত ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে রচিত ও প্রকাশিত
৭১. আল-ফিকহু আলাল মাজাহিবিল আরবাআ — শাইখ আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ আল-জাজিরি (মৃ. ১৩৬০ হি.)
৭২. মাজমুউ ফাতাওয়া ইবনি বাজ — শাইখ আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ বিন বাজ (মৃ. ১৪২০ হি.)
৭৩. মাজমুউ ফাতাওয়া ইবনি উসাইমিন — শাইখ মুহাম্মাদ বিন সালিহ বিন মুহাম্মাদ আল-উসাইমিন (মৃ. ১৪২১ হি.)
৭৪. আল-ফিকহুল আকবার — ইমাম আবু হানিফা নুমান বিন সাবিত (মৃ. ১৫০ হি.)
৭৫. আল-ফিকহুল আবসাত — ইমাম আবু হানিফা নুমান বিন সাবিত (মৃ. ১৫০ হি.)
৭৬. আল-আকিদা — ইমাম আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাম্বল আশ-শাইবানি (মৃ. ২৪১ হি.)
৭৭. আল-আকিদাতুত তাহাবিয়্যা — ইমাম আবু জাফর আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন সালামা আত-তাহাবি (মৃ. ৩২১ হি.)
৭৮. শারহুল আকিদাতিত তাহাবিয়্যা — ইমাম ইবনু আবিল ইজ সদরুদ্দিন মুহাম্মাদ আল-হানাফি আদ-দিমাশকি (মৃ. ৭৯২ হি.)
৭৯. তাইসিরু আজিজিল হামিদ — শাইখ সুলাইমান বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহাব (মৃ. ১২৩৩ হি.)
৮০. আত-তাওজিহ আন তাওহিদিল খাল্লাক — শাইখ সুলাইমান বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহাব (মৃ. ১২৩৩ হি.)
৮১. মাদারিজুস সালিকিন — ইমাম শামসুদ্দিন ইবনু কাইয়িমিল জাওজিয়া (মৃ. ৭৫১ হি.)
৮২. ইকতিজাউস সিরাতিল মুসতাকিম — ইমাম তাকিউদ্দিন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আব্দুল হালিম ইবনু তাইমিয়া (মৃ. ৭২৮ হি.)
৮৩. মাকায়িসুল লুগাহ — ইমাম আবুল হুসাইন আহমাদ বিন ফারিস আর-রাজি (মৃ. ৩৯৫ হি.)
৮৪. মুখতারুস সিহাহ — ইমাম জাইনুদ্দিন আবু আব্দিল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আবু বকর আর-রাজি (মৃ. ৬৬৬ হি.)
৮৫. লিসানুল আরব — ইমাম ইবনু মানজুর আবুল ফজল মুহাম্মাদ বিন মুকাররাম বিন আলি জামালুদ্দিন (মৃ. ৭১১ হি.)
৮৬. আল-মিসবাহুল মুনির — ইমাম আবুল আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হামুবি (মৃ. ৭৭০ হি.)
৮৭. আল-কামুসুল মুহিত — ইমাম মাজদুদ্দিন আবু তাহির মুহাম্মাদ বিন ইয়াকুব আল-ফিরুজাবাদি (মৃ. ৮১৭ হি.)
৮৮. তাজুল আরুস — আল্লামা আবুল ফাইজ মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রাজ্জাক আল-হুসাইনি (মৃ. ১২০৫ হি.)
৮৯. আল-মুনজিদ — ফাদার সামি খুরি (খ্রিষ্টান যাজক)
৯০. আল-মুজামুল অসিত — কায়রোর আরবি ভাষাবিদদের একটি পরিষদ
৯১. আল-মু'জামুল ওয়াফী — ড. মুহাম্মদ ফজলুর রহমান
৯২. আত-তারিফাত — ইমাম আলি বিন মুহাম্মাদ মির সাইয়িদ শরিফ আল-জুরজানি (মৃ. ৮১৬ হি.)
৯৩. কাওয়ায়িদুল ফিকহ — আল্লামা মুহাম্মাদ আমিমুল ইহসান আল-মুজাদ্দিদি আল-বারাকাতি (মৃ. ১৩৯৫ হি.)
৯৪. উসুলুল ফিকহ — ড. মুহাম্মাদ সালাম
৯৫. আস-সারিমুল মাসলুল — ইমাম তাকিউদ্দিন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আব্দুল হালিম ইবনু তাইমিয়া (মৃ. ৭২৮ হি.)
৯৬. জাদুল মাআদ — ইমাম শামসুদ্দিন ইবনু কাইয়িমিল জাওজিয়া (মৃ. ৭৫১ হি.)
৯৭. ইহইয়াউ উলুমিদ্দিন — ইমাম আবু হামিদ মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ আল-গাজ্জালি (মৃ. ৫০৫ হি.)
৯৮. উসুসুস সিহহাতিন নাফসিয়্যা — ড. আব্দুল আজিজ কাওসি
৯৯. আল-আহকামুস সুলতানিয়্যা — ইমাম আবুল হাসান আলি বিন মুহাম্মাদ আল-মাওয়ারদি (মৃ. ৪১৬ হি.)
১০০. সিয়াসাতুত তাদাররুজ — ড. ইয়াদ কামিল ইবরাহিম জাইবারি
১০১. মানাহিজুশ শারিয়াতিল ইসলামিয়্যা — শাইখ আহমাদ মুহিউদ্দিন আল-আজুজ
১০২. আন-নিজামুস সিয়াসি ফিল ইসলাম — ড. মুহাম্মাদ আবু ফিরাস
১০৩. তারিখু দিমাশক — ইমাম ইবনু আসাকির আবুল কাসিম আলি বিন হাসান বিন হিবাতিল্লাহ (মৃ. ৫৭২ হি.)
১০৪. তারিখু ইবনি খালদুন — ইমাম ইবনু খালদুন আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ আল-ইশবিলি (মৃ. ৮০৮ হি.)
১০৫. নিজামুল ইসলাম — ড. আমির আব্দুল আজিজ
১০৬. আল-মালু ওয়াল হুকমু ফিল ইসলাম — শাইখ আব্দুল কাদির আওদা (মৃ. ১৩৭৩ হি.)
১০৭. আল-মাদখাল ইলা নাজরিয়্যাতিল ইলতিজামিল আম্মাহ ফিল ফিকহিল ইসলামি — শাইখ মুস্তফা আহমাদ জারকা (মৃ. ১৪২০ হি.)
১০৮. মালিক হায়াতুহু ওয়া আসরুহু — শাইখ আবু জাহরা মুহাম্মাদ আহমাদ মুস্তফা (মৃ. ১৯৭৪ খ্রি.)
১০৯. আল-মিলাল ওয়ান-নিহাল — ইমাম আবুল ফাতহ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল কারিম শাহারাসতানি (মৃ. ৫৪৮ হি.)
১১০. আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া — ইমাম আবুল ফিদা ইসমাইল বিন উমর বিন কাসির আদ-দিমাশকি (মৃ. ৭৭৪ হি.)
১১১. মা-জা খাসিরাল আলামু বিনহিতাতিল মুসলিমিন — শাইখ আলি আবুল হাসান বিন আব্দুল হাই নদবি (মৃ. ১৪২০ হি.)
১১২. নাশআতুল আলমানিয়্যা — ড. মুহাম্মাদ জাইন আল-হাদি
১১৩. আল-আলমানিয়্যাতু ও সামারাতুহাল খাবিসা — মুহাম্মাদ ইবনু শাকির শরিফ
১১৪. মাজাহিবু ফিকরিয়‍্যাতিম মুআসিরা — শাইখ সাইয়িদ কুতুব ইবরাহিম হুসাইন আল-মিসরি (মৃ. ১৩৮৫ হি.)
১১৫. আসালিবুল গাজওয়ায়িল ফিকরি — ড. আলি জারিশাহ
১১৬. মাজাল্লাতু হাজারাতিল ইসলাম — প্রকাশ: ১৯৬১ ইং
১১৭. আল-কুদস পত্রিকা — তারিখ: ২৭/০৮/১৯৮৩ ইং
১১৮. ইসলামি অর্থনীতি — শাহ মুহাম্মাদ হাবীবুর রহমান
১১৯. আল-মাওকিফ মিনাদ দ্বীন লি-লেনিন — মুহাম্মাদ কিব্বা অনূদিত এবং আফিফ আখদার সম্পাদিত
১২০. কিতাবুশ শুয়ুইয়্যাহ ওয়াল ইনসানিয়্যা — শাইখ আব্বাস মাহমুদ আল-আক্কাদ
১২১. উইকিপিডিয়া সূত্র: https://bn.wikipedia.org/wiki/ইয়েমেন#আধুনিক ইতিহাস
১২২. উইকিপিডিয়া সূত্র: https://bn.wikipedia.org/wiki/গণতন্ত্র
১২৩. Janet Abu-Lughod সূত্র: http://coldwarstudies.com/2013/01/11/history-of-colonization-in-the-middle-east-and-north-africa-mena-precursor-to-cold-war-conflict/
১২৪. Encarta 2009 Encyclopedia Britannica 2012 সূত্র: https://en.wikipedia.org/wiki/Encyclop%C3%A6dia_Britannica
১২৫. President Abraham Lincoln, The Gettysburg Address (Nov.19,1863) সূত্র: https://en.wikipedia.org/wiki/Gettysburg_Addres

ফন্ট সাইজ
15px
17px