📘 ইসলামী দাওয়াতের পদ্ধতি ও আধুনিক প্রেক্ষাপট > 📄 ভারসাম্য রক্ষা করা

📄 ভারসাম্য রক্ষা করা


দা‘ওয়াতের কাজ আঞ্জাম দিতে গিয়ে দা‘ঈকে ভারসাম্য রক্ষা করে চলতে হবে। কোন অবস্থাতেই যেন ভারসাম্য নষ্ট না হয়। দা‘ওয়াতের কাজে বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ি কোনটাই কাম্য নয়। দা‘ওয়াতের কাজে সব সময় মধ্যমপন্থা অবলম্বন করতে হবে। এ ব্যাপারে আল্লাহ পাক বলেন,

“আর এমনিভাবে আমি তোমাদেরকে মধ্যপন্থী সম্প্রদায় করেছি যাতে করে তোমরা সাক্ষ্যদাতা হও মানবমন্ডলীর জন্যে এবং যাতে রসূল সাক্ষ্যদাতা হন তোমাদের জন্য।” (সূরা বাকারা : ১৪৩)।

দা‘ওয়াতের কাজে ভারসাম্য রক্ষা করার অর্থ হলো, দা‘ওয়াতের কাজে কোন প্রকার বাড়াবাড়ি না করা। দা‘ওয়াতের কাজে সব সময় মধ্যপন্থা অবলম্বন করা। এ ব্যাপারে আল্লাহ পাক বলেন,

“আর এমনিভাবে আমি তোমাদেরকে মধ্যপন্থী সম্প্রদায় করেছি যাতে করে তোমরা সাক্ষ্যদাতা হও মানবমন্ডলীর জন্যে এবং যাতে রসূল সাক্ষ্যদাতা হন তোমাদের জন্য।” (সূরা বাকারা : ১৪৩)।

দা‘ওয়াতের কাজে ভারসাম্য রক্ষার কিছু উপকারিতা রয়েছে। যেমন-

১. ভারসাম্য রক্ষা করলে আল্লাহ খুশী হন।

২. ভারসাম্য রক্ষা করলে আল্লাহ পুরস্কার দেন।

৩. ভারসাম্য রক্ষা করলে আল্লাহ বিপদাপদ দূর করেন।

৪. ভারসাম্য রক্ষা করলে আল্লাহ সম্মান বৃদ্ধি করেন।

📘 ইসলামী দাওয়াতের পদ্ধতি ও আধুনিক প্রেক্ষাপট > 📄 দা‘ওয়াতের স্তরসমূহ অতিক্রম নিরবচ্ছিন্ন ধারা অব্যাহত রাখা

📄 দা‘ওয়াতের স্তরসমূহ অতিক্রম নিরবচ্ছিন্ন ধারা অব্যাহত রাখা


দা‘ওয়াতের কাজে স্তর অতিক্রম করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দা‘ওয়াতের কাজ শুরু করতে হবে পরিবার থেকে। তারপর আত্মীয় স্বজন, তারপর পাড়া প্রতিবেশী, তারপর গ্রাম, তারপর থানা, তারপর জেলা, তারপর দেশ এবং তারপর সারা বিশ্বে দা‘ওয়াতের কাজ ছড়িয়ে দিতে হবে। এ ব্যাপারে আল্লাহ পাক বলেন,

“আর আপনি আপনার নিকটাত্মীয়দেরকে সতর্ক করে দিন।” (সূরা শু‘আরা : ২১৪)।

দা‘ওয়াতের স্তরসমূহ অতিক্রম করার কিছু উপকারিতা রয়েছে। যেমন-

১. স্তর অতিক্রম করলে দা‘ওয়াতের কাজ সহজ হয়।

২. স্তর অতিক্রম করলে দা‘ওয়াতের কাজ ফলপ্রসূ হয়।

৩. স্তর অতিক্রম করলে দা‘ওয়াতের কাজ টেকসই হয়।

৪. স্তর অতিক্রম করলে দা‘ওয়াতের কাজ দীর্ঘস্থায়ী হয়।

📘 ইসলামী দাওয়াতের পদ্ধতি ও আধুনিক প্রেক্ষাপট > 📄 ভ্রাতৃত্ব বন্ধন সুদৃঢ় করা

📄 ভ্রাতৃত্ব বন্ধন সুদৃঢ় করা


দা‘ওয়াতের কাজে সফলতা লাভের জন্য ভ্রাতৃত্ব বন্ধন সুদৃঢ় করা অপরিহার্য। ভ্রাতৃত্ব বন্ধন ছাড়া দা‘ওয়াতের কাজে সফলতা লাভ করা যায় না। ভ্রাতৃত্ব বন্ধন সুদৃঢ় করার জন্য দা‘ঈকে কিছু কাজ করতে হবে। যেমন-

১. সালামের প্রসার ঘটানো।

২. মুসাফাহা করা।

৩. একে অপরকে হাদিয়া দেয়া।

৪. একে অপরের সাথে সুন্দর ব্যবহার করা।

৫. একে অপরের বিপদে আপদে এগিয়ে আসা।

৬. একে অপরের সুখে দুঃখে শরীক হওয়া।

এ ব্যাপারে আল্লাহ পাক বলেন,

“আর তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে সুদৃঢ় হস্তে ধারণ কর; পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না। আর তোমরা সে নেয়ামতের কথা স্মরণ কর, যা আল্লাহ তোমাদিগকে দান করেছেন। তোমরা পরস্পর শত্রু ছিলে। অতঃপর আল্লাহ তোমাদের মনে সম্প্রীতি দান করেছেন। ফলে, এখন তোমরা তাঁর অনুগ্রহের কারণে পরস্পর ভাই ভাই হয়েছ।” (সূরা আলে ইমরান : ১০৩)।

📘 ইসলামী দাওয়াতের পদ্ধতি ও আধুনিক প্রেক্ষাপট > 📄 অভিযোগ খণ্ডন এবং সংশয় ও সন্দেহ নিরসনের চেষ্টা করা

📄 অভিযোগ খণ্ডন এবং সংশয় ও সন্দেহ নিরসনের চেষ্টা করা


দা‘ওয়াতের কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় দা‘ঈকে বিভিন্ন অভিযোগের সম্মুখীন হতে হয়। তখন দা‘ঈকে ধৈর্যের সাথে সে সব অভিযোগের জবাব দিতে হবে। দা‘ওয়াতের কাজে কোন প্রকার অভিযোগ উঠলে, তা খণ্ডন করার জন্য দা‘ঈকে প্রস্তুত থাকতে হবে। এ ব্যাপারে আল্লাহ পাক বলেন,

“তারা কি লক্ষ্য করে না, প্রতি বছর তারা দু‘একবার বিপর্যস্ত হয়, অথচ তারা এরপরও তওবা করে না এবং উপদেশ গ্রহণ করে না।” (সূরা তওবা : ১২৬)।

দা‘ওয়াতের কাজে অভিযোগ খণ্ডন ও সংশয় নিরসনের কিছু উপকারিতা রয়েছে। যেমন-

১. অভিযোগ খণ্ডন করলে দা‘ওয়াতের কাজ সহজ হয়।

২. অভিযোগ খণ্ডন করলে দা‘ওয়াতের কাজ ফলপ্রসূ হয়।

৩. অভিযোগ খণ্ডন করলে দা‘ওয়াতের কাজ টেকসই হয়।

৪. অভিযোগ খণ্ডন করলে দা‘ওয়াতের কাজ দীর্ঘস্থায়ী হয়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00