📄 দা‘ওয়াতী কাজে আস্থা রাখা
দা‘ওয়াতী কাজে টিকে থাকার জন্য প্রথম কথা হলো, এর উপর দা‘ঈকে নিজেরই আস্থা থাকতে হবে। ইসলামই একমাত্র সত্য ধর্ম, সর্ব শ্রেষ্ঠ ধর্ম তা মনে প্রাণে বিশ্বাস করতে হবে। অতঃপর তিনি এ পথে কুরআন সুন্নাহ্ তে বর্ণিত পদ্ধতিতে দা‘ওয়াতী কাজ চালিয়ে যাবেন। তার দায়িত্ব শুধু দা‘ওয়াত পৌঁছিয়ে দেয়া, ফল দেয়ার মালিক আল্লাহ। দা‘ওয়াতী কাজকে ফলপ্রসু দেখতে পেলে এ ব্যাপারে তাঁর শুকরিয়া আদায় করবে, নতুবা দা‘ওয়াতের ফল প্রকাশ পেলো কিনা সে ব্যাপারে খুব বেশি চিন্তিত হওয়ার তার প্রয়োজন নেই। দা‘ওয়াতী কাজ চালিয়ে যাওয়ার মধ্যে যে পদ্ধতি অবলম্বন করবে, তার জন্য দা‘ঈকে প্রতিদান দেয়া হবে। এ মর্মে আল্লাহ বলেন,
‘অতএব তিনি এ পথে দৃঢ় থাকবেন। যে পদ্ধতি কুরআন সুন্নাহতে বর্ণিত রয়েছে, সে পদ্ধতির উপর অটল থাকা তার জন্য জরুরী। এ মর্মে উপরোক্ত দা‘ওয়াতের পদ্ধতি সম্পর্কে যে দিক নির্দেশনা দিয়েছেন, তা থেকে সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, তিনি শ্রেষ্ঠ পদ্ধতিরই দা‘ওয়াতের নির্দেশ দিয়েছেন। এ মর্মে উপরোক্ত দা‘ওয়াত সম্পর্কে বলা হয়েছে,
“নিশ্চয়ই তোমার প্রভু ঐ ব্যক্তির চেয়ে অধিক জ্ঞাত, আর যারা হেদায়েত প্রাপ্ত তাদের সম্পর্কেও তিনি অধিক জ্ঞাত” (সূরা আল আন‘আম:১১৬)।
দা‘ওয়াতের কাজে লাগা না লাগা এটা দা‘ঈর উপর নির্ভর করে না। দা‘ঈর দা‘ওয়াতে যদি কেউ হেদায়েত প্রাপ্ত হয়, তাতে দা‘ঈর কোন কৃতিত্ব নেই। কারণ হেদায়েত করার মালিক একমাত্র আল্লাহ। দা‘ওয়াতের কাজে সফলতা ব্যর্থতা নির্ভর করে একমাত্র আল্লাহর উপর। দা‘ঈর কাজ হলো চেষ্টা করা ও ফল আল্লাহর উপর ছেড়ে দেয়া। আল্লাহই যাকে ইচ্ছা হেদায়েত দেন। দা‘ওয়াত দিলেই যে মানুষ হেদায়েত পাবে এমনটি নয়। বরং দা‘ওয়াতের কাজে সফলকাম হওয়ার জন্য আল্লাহর সাহায্য প্রয়োজন। এ ব্যাপারে আল্লাহ পাক বলেন,
“আল্লাহর রহমত ছাড়া তুমি কখনো তাদের অন্তর নরম করতে পারতে না। যদি তুমি রূঢ় ও কঠিন হৃদয়ের হতে, তাহলে তারা তোমার কাছ থেকে দূরে সরে যেত।” (সূরা আলে ইমরান:১৫৯)।
মু‘মিনের জন্য উচিত দা‘ওয়াতের কাজে লেগে থাকা। প্রতিদান দেয়ার মালিক আল্লাহ। যাকে দা‘ওয়াত দেয়া হবে সে গ্রহণ করলো কি করলো না, তার হিসাব নেয়ার দায়িত্ব দা‘ঈর নয়। আল্লাহ নিজেই তার হিসাব নেবেন। দা‘ঈ যদি তার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে তবে সে তার দায়িত্ব থেকে মুক্তি পাবে। এ ব্যাপারে আল্লাহ পাক বলেন,
“আর তাদের উপর আপনার কোন দায়দায়িত্ব নেই, যারা আল্লাহকে ভয় করে।” (সূরা আন‘আম:৬৯)।
দা‘ওয়াতের কাজ আঞ্জাম দিতে গিয়ে দা‘ঈর জন্য কতিপয় বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরী।
প্রথমতঃ দা‘ঈকে তার নিজের কাজ আঞ্জাম দিতে হবে। আল্লাহ তাকে যে কাজ করার তাওফীক দিয়েছেন, সে কাজের শুকরিয়া আদায় করতে হবে।
দ্বিতীয়তঃ দা‘ওয়াতের কাজে তার উপর যে দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে, তা পালন করতে হবে।
তৃতীয়তঃ দা‘ওয়াতের কাজে যে সব বাধা বিপত্তি আসবে, তা ধৈর্যের সাথে মোকাবিলা করতে হবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
“অতএব, তাদের কথায় দুঃখ নিয়ো না। নিশ্চয় আমি জানি, যা তারা গোপনে করে এবং যা তারা প্রকাশ্যে করে।” (সূরা ইয়াসীন: ৭৬)।
উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা এ সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে, দা‘ওয়াতের কাজ করতে গিয়ে দা‘ঈকে নিজের কাজের উপর আস্থা রাখতে হবে। আল্লাহ তাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা সঠিকভাবে পালন করতে হবে।
দা‘ওয়াতী কাজে আস্থা রাখা
দা‘ওয়াতী কাজে টিকে থাকার জন্য প্রথম কথা হলো, এর উপর দা‘ঈকে নিজেরই আস্থা থাকতে হবে। ইসলামই একমাত্র সত্য ধর্ম, সর্ব শ্রেষ্ঠ ধর্ম তা মনে প্রাণে বিশ্বাস করতে হবে। অতঃপর তিনি এ পথে কুরআন সুন্নাহ্ তে বর্ণিত পদ্ধতিতে দা‘ওয়াতী কাজ চালিয়ে যাবেন। তার দায়িত্ব শুধু দা‘ওয়াত পৌঁছিয়ে দেয়া, ফল দেয়ার মালিক আল্লাহ। দা‘ওয়াতী কাজকে ফলপ্রসু দেখতে পেলে এ ব্যাপারে তাঁর শুকরিয়া আদায় করবে, নতুবা দা‘ওয়াতের ফল প্রকাশ পেলো কিনা সে ব্যাপারে খুব বেশি চিন্তিত হওয়ার তার প্রয়োজন নেই। দা‘ওয়াতী কাজ চালিয়ে যাওয়ার মধ্যে যে পদ্ধতি অবলম্বন করবে, তার জন্য দা‘ঈকে প্রতিদান দেয়া হবে। এ মর্মে আল্লাহ বলেন, “নিশ্চয়ই তোমার প্রভু ঐ ব্যক্তির চেয়ে অধিক জ্ঞাত, আর যারা হেদায়েত প্রাপ্ত তাদের সম্পর্কেও তিনি অধিক জ্ঞাত” (সূরা আল আন‘আম:১১৬)।
দা‘ওয়াতের কাজে লাগা না লাগা এটা দা‘ঈর উপর নির্ভর করে না। দা‘ঈর দা‘ওয়াতে যদি কেউ হেদায়েত প্রাপ্ত হয়, তাতে দা‘ঈর কোন কৃতিত্ব নেই। কারণ হেদায়েত করার মালিক একমাত্র আল্লাহ। দা‘ওয়াতের কাজে সফলতা ব্যর্থতা নির্ভর করে একমাত্র আল্লাহর উপর। দা‘ঈর কাজ হলো চেষ্টা করা ও ফল আল্লাহর উপর ছেড়ে দেয়া। আল্লাহই যাকে ইচ্ছা হেদায়েত দেন। দা‘ওয়াত দিলেই যে মানুষ হেদায়েত পাবে এমনটি নয়। বরং দা‘ওয়াতের কাজে সফলকাম হওয়ার জন্য আল্লাহর সাহায্য প্রয়োজন। এ ব্যাপারে আল্লাহ পাক বলেন, “আল্লাহর রহমত ছাড়া তুমি কখনো তাদের অন্তর নরম করতে পারতে না। যদি তুমি রূঢ় ও কঠিন হৃদয়ের হতে, তাহলে তারা তোমার কাছ থেকে দূরে সরে যেত।” (সূরা আলে ইমরান:১৫৯)। মু‘মিনের জন্য উচিত দা‘ওয়াতের কাজে লেগে থাকা। প্রতিদান দেয়ার মালিক আল্লাহ। যাকে দা‘ওয়াত দেয়া হবে সে গ্রহণ করলো কি করলো না, তার হিসাব নেয়ার দায়িত্ব দা‘ঈর নয়। আল্লাহ নিজেই তার হিসাব নেবেন। দা‘ঈ যদি তার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে তবে সে তার দায়িত্ব থেকে মুক্তি পাবে। এ ব্যাপারে আল্লাহ পাক বলেন, “আর তাদের উপর আপনার কোন দায়দায়িত্ব নেই, যারা আল্লাহকে ভয় করে।” (সূরা আন‘আম:৬৯)। দা‘ওয়াতের কাজ আঞ্জাম দিতে গিয়ে দা‘ঈর জন্য কতিপয় বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরী। প্রথমতঃ দা‘ঈকে তার নিজের কাজ আঞ্জাম দিতে হবে। আল্লাহ তাকে যে কাজ করার তাওফীক দিয়েছেন, সে কাজের শুকরিয়া আদায় করতে হবে। দ্বিতীয়তঃ দা‘ওয়াতের কাজে তার উপর যে দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে, তা পালন করতে হবে। তৃতীয়তঃ দা‘ওয়াতের কাজে যে সব বাধা বিপত্তি আসবে, তা ধৈর্যের সাথে মোকাবিলা করতে হবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, “অতএব, তাদের কথায় দুঃখ নিয়ো না। নিশ্চয় আমি জানি, যা তারা গোপনে করে এবং যা তারা প্রকাশ্যে করে।” (সূরা ইয়াসীন: ৭৬)। উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা এ সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে, দা‘ওয়াতের কাজ করতে গিয়ে দা‘ঈকে নিজের কাজের উপর আস্থা রাখতে হবে। আল্লাহ তাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা সঠিকভাবে পালন করতে হবে।
📄 অসীম ধৈর্য ও সংযম প্রদর্শন
দা‘ওয়াতের কাজ করতে গিয়ে দা‘ঈকে ধৈর্য ও সংযমের পরিচয় দিতে হবে। কোন অবস্থাতেই ধৈর্যহারা হওয়া যাবে না। দা‘ওয়াতের কাজে সফলতা লাভ করার জন্য এটা একটা বড় গুণ। ধৈর্যশীলদের জন্য আল্লাহ পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন। এ ব্যাপারে আল্লাহ বলেন,
“আর যারা সবর করে, আল্লাহ তাদের সাথে রয়েছেন।” (সূরা আনফাল: ৪৬)।
দা‘ওয়াতের কাজে ধৈর্য ধারণ করা নবীদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল। এ ব্যাপারে আল্লাহ পাক বলেন,
“আর এমনিভাবে আমি প্রত্যেক নবীর জন্য মানুষের মধ্য থেকে শত্রু সৃষ্টি করে দিয়েছি। (সূরা আল ফুরকান : ৩১)।
দা‘ওয়াতের কাজে ধৈর্য ধারণ করা মানে অলসভাবে বসে থাকা নয়। বরং দা‘ওয়াতের কাজে যে সব বাধা বিপত্তি আসে, তা ধৈর্যের সাথে মোকাবিলা করে সামনে এগিয়ে যাওয়া। এ ব্যাপারে আল্লাহ পাক বলেন,
“আর যখন তাদেরকে বলা হয় যে, আল্লাহ যা নাযিল করেছেন, তোমরা তার অনুসরণ কর, তখন তারা বলে, বরং আমরা তারই অনুসরণ করব, যার উপর আমরা আমাদের বাপ-দাদাদেরকে পেয়েছি। যদি তাদের বাপ দাদারা কোন জ্ঞানই না রাখে এবং হেদায়েত প্রাপ্ত না হয়, তবুও কি?” (সূরা বাকারা : ১৭০)।
দা‘ওয়াতের কাজ করতে গিয়ে ধৈর্য ধারণ করা মানে অলস হয়ে বসে থাকা নয়। বরং দা‘ওয়াতের কাজে যে কোন বাধা বিপত্তি আসুক না কেন, তা ধৈর্যের সাথে মোকাবেলা করে সামনে এগিয়ে যাওয়া। এ ব্যাপারে আল্লাহ পাক বলেন,
“আর যখন তাদেরকে বলা হয় যে, আল্লাহ যা নাযিল করেছেন, তোমরা তার অনুসরণ কর, তখন তারা বলে, বরং আমরা তারই অনুসরণ করব, যার উপর আমরা আমাদের বাপ-দাদাদেরকে পেয়েছি। যদি তাদের বাপ দাদারা কোন জ্ঞানই না রাখে এবং হেদায়েত প্রাপ্ত না হয়, তবুও কি?” (সূরা বাকারা : ১৭০)।
দা‘ওয়াতের কাজে ধৈর্য ধারণের অনেক উপকারিতা রয়েছে। যেমন-
১. ধৈর্য ধারণ করলে আল্লাহ খুশী হন।
২. ধৈর্য ধারণ করলে আল্লাহ পুরস্কার দেন।
৩. ধৈর্য ধারণ করলে আল্লাহ বিপদাপদ দূর করেন।
৪. ধৈর্য ধারণ করলে আল্লাহ সম্মান বৃদ্ধি করেন।
📄 জোর জবরদস্তি করে দ্বীনে প্রবেশ করানোর চেষ্টা না করা
ইসলাম দা‘ওয়াতের পথে কোন জোর জবরদস্তিকে সমর্থন করে না। কাউকে জোর করে ইসলামে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা যাবে না। ইসলামের সত্য ও সুন্দর দিক মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে, যাতে করে মানুষ ইসলাম গ্রহণে উদ্বুদ্ধ হয়। এ ব্যাপারে আল্লাহ বলেন,
“দ্বীন গ্রহণের ব্যাপারে কোন জবরদস্তি নেই। নিশ্চয় হেদায়েত গোমরাহী থেকে পৃথক হয়ে গেছে। এখন যারা গোমরাহীকে অস্বীকার করে আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপন করবে, সে এমন এক মজবুত হাতল ধরবে, যা কখনও ছিন্ন হওয়ার নয়। আর আল্লাহ সব কিছু শুনেন ও জানেন।” (সূরা বাকারা : ২৫৬)।
ইসলাম দা‘ওয়াতের কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য দা‘ঈকে সবর করার নির্দেশ দেয়। দা‘ওয়াতের কাজ করতে গিয়ে যদি কোন বাধা বিপত্তি আসে, তবে তা ধৈর্যের সাথে মোকাবেলা করতে হবে। এ ব্যাপারে আল্লাহ পাক বলেন,
“আর যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে আপনার কাজ হলো সুস্পষ্টভাবে পৌছে দেয়া।” (সূরা নহল : ৮২)।
দা‘ওয়াতের কাজে সফলতা লাভ করার জন্য দা‘ঈকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে। কারণ,
১. ধৈর্য ধারণ করলে আল্লাহ খুশী হন।
২. ধৈর্য ধারণ করলে আল্লাহ পুরস্কার দেন।
৩. ধৈর্য ধারণ করলে আল্লাহ বিপদাপদ দূর করেন।
৪. ধৈর্য ধারণ করলে আল্লাহ সম্মান বৃদ্ধি করেন।
📄 ভারসাম্য রক্ষা করা
দা‘ওয়াতের কাজ আঞ্জাম দিতে গিয়ে দা‘ঈকে ভারসাম্য রক্ষা করে চলতে হবে। কোন অবস্থাতেই যেন ভারসাম্য নষ্ট না হয়। দা‘ওয়াতের কাজে বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ি কোনটাই কাম্য নয়। দা‘ওয়াতের কাজে সব সময় মধ্যমপন্থা অবলম্বন করতে হবে। এ ব্যাপারে আল্লাহ পাক বলেন,
“আর এমনিভাবে আমি তোমাদেরকে মধ্যপন্থী সম্প্রদায় করেছি যাতে করে তোমরা সাক্ষ্যদাতা হও মানবমন্ডলীর জন্যে এবং যাতে রসূল সাক্ষ্যদাতা হন তোমাদের জন্য।” (সূরা বাকারা : ১৪৩)।
দা‘ওয়াতের কাজে ভারসাম্য রক্ষা করার অর্থ হলো, দা‘ওয়াতের কাজে কোন প্রকার বাড়াবাড়ি না করা। দা‘ওয়াতের কাজে সব সময় মধ্যপন্থা অবলম্বন করা। এ ব্যাপারে আল্লাহ পাক বলেন,
“আর এমনিভাবে আমি তোমাদেরকে মধ্যপন্থী সম্প্রদায় করেছি যাতে করে তোমরা সাক্ষ্যদাতা হও মানবমন্ডলীর জন্যে এবং যাতে রসূল সাক্ষ্যদাতা হন তোমাদের জন্য।” (সূরা বাকারা : ১৪৩)।
দা‘ওয়াতের কাজে ভারসাম্য রক্ষার কিছু উপকারিতা রয়েছে। যেমন-
১. ভারসাম্য রক্ষা করলে আল্লাহ খুশী হন।
২. ভারসাম্য রক্ষা করলে আল্লাহ পুরস্কার দেন।
৩. ভারসাম্য রক্ষা করলে আল্লাহ বিপদাপদ দূর করেন।
৪. ভারসাম্য রক্ষা করলে আল্লাহ সম্মান বৃদ্ধি করেন।