📄 দা‘ওয়াতের ক্ষেত্রে আপতিত নির্যাতন প্রতিরোধের উপযোগিতা ও প্রয়োজনীয়তা
পূর্বোক্ত আলোচনায় প্রণিধান হয় যে, মানব সমাজে যুলম নির্যাতন সংঘটিত হওয়া সম্ভব। এর বাস্তবতা রয়েছে, কিন্তু দা‘ওয়াতের ক্ষেত্রে এর বাস্তবতা আরো বেশী আরো দেখা হয়, নির্যাতনের উপর দা‘ঈর কোন নির্যাতন হলে তা প্রতিরোধে পদক্ষেপ গ্রহণ প্রয়োজন নেই। বরং আল্লাহর পথে সবর করার আদেশের সাথে সঙ্গতি দিয়ে প্রধান আল্লাহর পাক বলছেন:
"وإن عاقبتم فعاقبوا بمثل ما عوقبتم به ولئن صبرتم لهو خير للصابرين"
অর্থাৎ“আর যদি তোমরা প্রতিশোধ গ্রহণ করবে, যে পরিমাণ তোমাদেরকে কষ্ট দেয়া হয়। যদি সবর কর, তবে তা সবর কারীদের জন্য উত্তম”(সূরা নাহল: ১২৬)।
বাড়িত এ আয়াতে ওয়া‘য করা হয়, নির্যাতন প্রতিরোধ বা প্রতিশোধ নেয়ার প্রয়োজন নেই। যেখানে এর চেয়ে ধৈর্য ধারণকেই মানবকল্যাণে বা প্রশংসনীয় বলা হয়েছে। উপর্যোগিতা কিছু প্রকৃতপক্ষে এখানে সবর বলতে নীরবে সহ্য করা বুঝানো হয়নি। বরং মানে প্রতিরোধে প্রস্তুতি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত অপ্রীতিকর অবস্থা প্রদর্শনে করা। অন্যথায় অত্যাচারী প্রতিরোধের বিরুদ্ধে জিহাদ ও কিতালের প্রচুর আয়াতে এর সাথে এর সঙ্গতি দেখা দিবে। তাছাড়া, আল্লাহ পাক স্পষ্ট ভাষায় শক্তি সঞ্চয় করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
ইরশাদ হচ্ছে: "وأعدوا لهم ما استطعتم من قوة" “তাদের মোকাবেলায় যথা সম্ভব শক্তি প্রস্তুতি রাখো”(সূরা ‘আনফাল:৬০)।
উপস্থিত আলোচনায় প্রণিধান হয় যে, মানব সমাজে যুলম নির্যাতন সংঘটিত হওয়া সম্ভব। এর বাস্তবতা রয়েছে, কিন্তু দা‘ওয়াতের ক্ষেত্রে এর বাস্তবতা আরো বেশী আরো দেখা হয়, নির্যাতনের উপর দা‘ঈর কোন নির্যাতন হলে তা প্রতিরোধে পদক্ষেপ গ্রহণ প্রয়োজন নেই। বরং আল্লাহর পথে সবর করার আদেশের সাথে সঙ্গতি দিয়ে প্রধান আল্লাহর পাক বলছেন:
"وإن عاقبتم فعاقبوا بمثل ما عوقبتم به ولئن صبرتم لهو خير للصابرين"
অর্থাৎ“আর যদি তোমরা প্রতিশোধ গ্রহণ করবে, যে পরিমাণ তোমাদেরকে কষ্ট দেয়া হয়। যদি সবর কর, তবে তা সবর কারীদের জন্য উত্তম”(সূরা নাহল: ১২৬)।
বাড়িত এ আয়াতে ওয়া‘য করা হয়, নির্যাতন প্রতিরোধ বা প্রতিশোধ নেয়ার প্রয়োজন নেই। যেখানে এর চেয়ে ধৈর্য ধারণকেই মানবকল্যাণে বা প্রশংসনীয় বলা হয়েছে। উপর্যোগিতা কিছু প্রকৃতপক্ষে এখানে সবর বলতে নীরবে সহ্য করা বুঝানো হয়নি। বরং মানে প্রতিরোধে প্রস্তুতি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত অপ্রীতিকর অবস্থা প্রদর্শনে করা। অন্যথায় অত্যাচারী প্রতিরোধের বিরুদ্ধে জিহাদ ও কিতালের প্রচুর আয়াতে এর সাথে এর সঙ্গতি দেখা দিবে। তাছাড়া, আল্লাহ পাক স্পষ্ট ভাষায় শক্তি সঞ্চয় করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
ইরশাদ হচ্ছে: "وأعدوا لهم ما استطعتم من قوة" “তাদের মোকাবেলায় যথা সম্ভব শক্তি প্রস্তুতি রাখো”(সূরা ‘আনফাল:৬০)।
📄 যুলুম-নির্যাতন মোকাবেলায় দা‘ঈর কৌশল ও মাধ্যম সমূহ
পূর্বেই দেখেছি, ইসলাম বিভিন্ন রকম যুলম নির্যাতন মোকাবেলায় পদক্ষেপ নেয়াকে অনুমোদন করেছে। প্রয়োজনে প্রতিশোধও নেয়া যায়। যদি তাতে সমতার নীতি ও ‘আদল অবলম্বন করা হয়। তবে একটি বিষয় লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন হয় যে, দাঈর মূল লক্ষ্য হল সাফল্য হওয়া, প্রতিশোধ নেয়া নয়। অর্থাৎ দা‘ঈকে শুধু দা‘ওয়াত কবুল করানোই তার টার্গেট। তাই প্রতিশোধ স্পৃহাকে উত্তেজিত না করে দা‘ওয়াতী কাজকে ফলপ্রসূ করাই উত্তম।
তাই মোকাবেলার প্রস্তুতি হতে দা‘ওয়াতের স্বার্থেই, প্রতিশোধের জন্য নয়। এ দিকে লক্ষ্য রেখে ইসলাম বিভিন্ন ধরনের কৌশল ও মাধ্যম অবলম্বনের দিক নির্দেশনা দিয়েছে। দা‘ওয়াতের অতীত তথ্য ও অভিজ্ঞতার আলোকে সময়ক্ষণ বিবেচনা করে তা থেকে পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে।
১. ধৈর্য ও সংযম
ধৈর্য ও সংযমকে আরবীতে সবর বলা হয়। ইসলামী দা‘ওয়াতে এর গুরুত্ব অপরিসীম । বরং একে দা‘ওয়াতের মেরুদণ্ড বলা হয়। যুলম নির্যাতন প্রতিরোধে দাঈগণের শক্তির সামর্থ্য না থাকলে সে ক্ষেত্রে দুর্বলতা থাকলে ও সেখানে ধৈর্যধারী হওয়াটাই শ্রেয়। সে অবস্থায় প্রতিশোধ এবং এর সাথে সামান্য মানুষ হোক, সকলের হৃদয় আকৃষ্ট করার জন্য ধৈর্য ও সহনশীলতা প্রদর্শন একটা বিরাট গুণ । কেননা মানুষ যখন তার উপর ধৈর্য ও সহনশীলতা প্রদর্শন একটা বিরাট গুণ । কেননা মানুষ যখন তার উপর ধৈর্য ও সহনশীলতা প্রদর্শন একটা বিরাট গুণ । কেননা মানুষ যখন তার উপর নির্যাতন চলে, ধৈর্য ও সহনশীলতা প্রদর্শন একটা বিরাট গুণ । কেননা মানুষ যখন তার উপর নির্যাতন চলে, ধৈর্য ও সহনশীলতা প্রদর্শন একটা বিরাট গুণ ।
অন্যদিকে প্রতি সাধারণ মানুষের মনে সমবেদনা অনুভব করতে থাকে। এ জন্য বলা হয়, জান্নাত স্বভাবতই মজলুমের পক্ষে থাকে। তাই সবরের মাধ্যমে জান্নাত তার পক্ষে আসে। অত্যাচারী ও সাধারণ জনগণ সকলের মাঝে দা‘ঈর দৃঢ়তা ও সততার ব্যাপারে ইতিবাচক ধারণা জন্মে। এ জন্য সারা কুরআন অনেকবার ধৈর্যধারণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যেমন শুরুতেই আমরা দেখেছি। অন্য জায়গায় বলা হয়:
"واصبر على ما أصابك إن ذلك من عزم الأمور"
“তোমার উপর আপতিত মসিবতের উপর সবর কর, নিশ্চয়ই এটা সাহসিকতার কাজ”(সূরা লোকমান:১৭)। কেননা দা‘ওয়াতী কাজে বিভিন্ন লোকের সাথে মিশতে হয়, শুনতে হয় বিভিন্ন ধরনের কষ্ট, হাসি ঠাট্টা বিদ্রূপ। কথায় কথায় তাদের সাথে ঝগড়া বাধলে বা প্রতিশোধমূলক জবাব দিলে দা‘ওয়াতী কাজে অগ্রসর হওয়া সম্ভব নয়।
ইরশাদ হয়েছে:
"لتبلون في أموالكم وأنفسكم ولتسمعن من الذين أوتوا الكتاب من قبلكم ومن الذين أشركوا أذى كثيرا وإن تصبروا وتتقوا فإن ذلك من عزم الأمور"
“অবশ্য ধন-সম্পদে এবং জন-সম্পদে তোমাদের পরীক্ষা হবে এবং অবশ্যই তোমরা পূর্ববর্তী আহলে কিতাবদের কাছ থেকে এবং মুশরিকদের কাছে বহু অশোভন উক্তি। আর যদি তোমরা ধৈর্য ধারণ কর, তবে তা হবে একান্ত সাহসিকের ব্যাপার”(সূরা আল ইমরান:১৮৬)।
অধিকাংশ রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব তবুও তাগুত ও বাতিলপন্থী লোক যদিও থাকে, তখন দা‘ঈর উপর ঐ ধরনের নির্যাতন ও নির্যাতন মেনে নেয়া ছাড়া আর অপর রাখে না।
হযরত মূসায় ইবন জাবাল (রা.)কে বর্ণিত রয়েছে যে, যখন মুসলমানদেরকে রাজীর ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাবে, তখন তাদের উপর এমন শাসক নিযুক্ত হবে, যারা তাদের সাথে জাতিতে শরিকত্ব প্রতিষ্ঠিত করবে। লোকেরা যদি তাদের এ মতকে মেনে না নিলে তাদেরকে স্থান দিতে হবে। লোকেরা জিজ্ঞাসা করল এ সংকটে কাকে আমারা কি করণীয়? তিনি উত্তরে বলেছেন:
“كما صنع أصحاب عيسى بن مريم نشروا بالمنشار وحملوا على الخشب، موت في طاعة الله خير من حياة في معصية الله”
“ এ সংকটে তোমরা তাই করবে যা ঈসা (আ.) এর সাথীরা করেছিল। ফাসিকাত্বে চড়িয়ে টুকরা টুকরা করা হয়েছিল।
📄 বিভিন্ন রকম প্রতিরোধে সময়ক্ষণ বিবেচনা
উল্লেখ্য যে, যুলম ও নির্যাতন মোকাবেলায় বিভিন্ন রকম কৌশল ও মাধ্যম আছে। ক‘টিকে তুচ্ছ জ্ঞান ও তুচ্ছ মনে করার প্রয়োজন হয় না। যেমন, সবর, ক্ষমা ও উত্তম ব্যবহার, সাহায্য ও দু‘আ. আন্তগোপন .হিজরত। এগুলো দা‘ঈ তার নিজস্ব ব্যক্তিগত বা জামা‘আতী ভাবে তার নিজস্ব সামর্থ্য অনুসারে তা পদক্ষেপ নিবেন আবার কিছু কিছু আছে যেগুলোতে প্রতিরোধ সৃষ্টি হয়। এমনকি শক্তি প্রয়োগ করতে হয়। যেমন যুদ্ধ,গণ আন্দোলন, অবরোধ ও বয়কট, দর্ঘস্থায়ী বাস্তবায়ণ ইত্যাদি। এ মাধ্যম গুলো ব্যবহারের যথাযথ সময় আছে।
সর্বাবস্থায় ধৈর্য ধরা বা ক্ষমা করা উচিৎ নয়। কেননা একই ধরনের যুলম বার বার আপতিত হওয়ার সামর্থ্য শক্তি প্রয়োগে প্রতিহত করা আবশ্যক।
📄 যুলুম-নির্যাতন মোকাবেলায় ইসলামী নৈতিকতা
অনেক ইসলামী চিন্তাবিদের নীতিমালা রয়েছে:
প্রথমত: যে মোকাবেলায় আল্লাহর রাস্তায় তথা তার সন্তুষ্টি অর্জনে ইসলামী দা‘ওয়াতের স্বার্থে ব্যক্তিগত প্রতিশোধ, অন্যায় বা পিছনের জন্য দা‘ঈ প্রতিরোধে এগিয়ে আসবে। যা কিছু আর হোক, সব হবে আল্লাহর রাস্তায়, আল্লাহ পাক বলেন:
"الذين آمنوا يقاتلون في سبيل الله والذين كفروا يقاتلون في سبيل الطاغوت"
“যারা ঈমানদার তারা যে জেহাদ করে আল্লাহর রাস্থায়। পক্ষান্তরে যারা কাফের তারা লড়াই করে তাগুতের পক্ষে”(সূরা নিসা:৭৬)।
যালমের নিকটাত্মীয় হলেও দা‘ঈর শুধু অত্যাচার স্বার্থে তার মোকাবেলা থেকে পিছিয়ে যাবে না। ইরশাদ হচ্ছে:
"كتب الله لأغلبن أنا ورسلي إن الله قوي عزيز. لا تجد قوما يؤمنون بالله واليوم الآخر يوادون من حاد الله ورسوله ولو كانوا أباءهم أو أبناءهم أو إخوانهم أو عشيرتهم"
“আল্লাহ সিদ্ধান্ত করেছেন: আমি এবং আমার রাসূলগণ অবশ্যই বিজয়ী হব। নিশ্চয় আল্লাহ শক্তিধর, পরাক্রমশালী। যারা আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করে তাদেরকে দেখতে পাবে যে, তারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধাচরণকারীদের সাথে বন্ধুত্ব করতে দেখবে না, যদিও তারা তাদের পিতা, পুত্র, ভ্রাতা অথবা জ্ঞাতি গোষ্ঠী হয়”(সূরা মুজাদালা:২১-২২)।
দ্বিতীয়ত: সর্বাবস্থায় যুলম পরিহার্য। ইরশাদ হচ্ছে:
"ولا يجرمنكم شنآن قوم على ألا تعدلوا إعدلوا هو أقرب للتقوى"
“কোন সম্প্রদায়ের প্রতি বিদ্বেষ তোমাদেরকে যেন কখনও ন্যায়বিচার বর্জনে প্ররোচিত না করে। সুবিচার কর এটাই তাকওয়ার নিকটতর”(সূরা মায়িদা: ৮)। সুবিচার করতে এবং ইসলামকে যুলম করতে হোন ঘোষণা করা হয়েছে। ইরশাদ হচ্ছে:
"وقاتلوا في سبيل الله الذين يقاتلونكم ولا تعتدوا إن الله لا يحب المعتدين"
“তোমরা আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ কর তাদের সাথে যারা তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে। সীমা লংঘন করো না। আল্লাহ সীমালংঘনকারীদেরকে ভালবাসেন না”(সূরা বাকারা:১৯০)।
যুদ্ধে যুলমের মধ্যে একটি হল, প্রাকৃতিক সম্পদ নষ্ট করা। যেমন শস্য ক্ষেত্র, গৃহ পালিত জন্তু, ফলের গাছ ইত্যাদি।
এমনি ভাবে তাদেরকে হত্যা করা হয় যুলম, যারা সাধারণ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে না। যেমন শিশু সন্তান, বৃদ্ধ, মহিলা, সন্ন্যাসী, রোগাক্রান্ত ইত্যাদি এসব মহানবী হাদীস থেকে প্রমাণিত। আর কিছু তারা অংশ গ্রহণ করলে তাদেরকে হত্যা করা যাবে।
তৃতীয়ত: প্রস্তুতি ও ধারাক্রম নীতিও অবলম্বন করতে হবে। কেননা অন্যায় অপাত্রে কিংবা যথাযথ প্রস্তুতি না নিয়ে সংগ্রাম করলে লাভের চেয়ে ক্ষতির সম্ভাবনাই বেশী। আর এটা দিক দিয়ে দা‘ওয়াতী কার্যক্রমের উপরই যুলম।
পঞ্চমত: দা‘ওয়াতে লাভজনক না হলে শক্তি প্রয়োগের চেয়ে ক্ষমা, সংযম ও ধৈর্যই উত্তম। ইরশাদ হচ্ছে:
"ولئن صبرتم لهو خير للصابرين"
“আর যদি তোমরা ধৈর্য ধর, তাহলে ধৈর্য শীলদের জন্য অবশ্যই কল্যাণকর হবে”(সূরা নাহল: ১২৬)।
বস্তুতঃ শক্তি প্রয়োগ ও যুদ্ধ কে যেন সংগ্রাম পন্থায়। আর উত্তম পন্থা হচ্ছে। উপরোক্ত বিষয়গুলোর সাথে সাথে আরো ক‘টি নীতি অবলম্বন প্রয়োজন। যথা:
১. যুদ্ধ শুরুর পূর্বে নতুন করে আবার দা‘ওয়াত দিতে হবে।
২. যুদ্ধের চেয়ে শান্তি ও সন্ধিকে প্রাধান্য দিতে হবে তথা অত্যাচারী পক্ষ যদি এগিয়ে আসে।
ইরশাদ হচ্ছে, "وإن جنحوا للسلم فاجنح لها وتوكل على الله" “আর তারা যদি শান্তি চুক্তি করতে চায়, তাহলে তাই কর, আর আল্লাহর উপর ভরসা কর”(সূরা আনফাল: ৬১)।
৩. প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করা ও খেয়ানত না করা: ইরশাদ হচ্ছে:
"ولا تنقضوا الأيمان بعد توكيدها وقد جعلتم الله عليكم كفيلا"
টিকাঃ
২৪২.মুসলিম আহমদ, পৃ.৩০০।
২৪৩.ফখরুদ্দীন ইবন আসাকির, হযরত ‘আব্দুল্লাহ ইবন মাস‘উদ থেকে এটি বর্ণনা করেন।