📄 দা‘ওয়াতের লক্ষ্য নিরূপণের উপকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা
দা‘ওয়াতী কাজে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারণ ও নির্মল করার বিশেষ উপকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা রয়েছে । তাই এখানে এর কয়েকটি বিষয় তুলে ধরা হলো:
দা‘ঈকে তার চিন্তার পেরেশানী থেকে মুক্তি দেয়।
লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ঈকে তার চিন্তার পেরেশানী থেকে মুক্তি দেয়া হয় । তার লক্ষ্য থাকে তার কর্মসূচি বা পরিকল্পনা গ্রহণ করে তার কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া । আর তার লক্ষ্য থাকে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা । যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
দা‘ওয়াতের লক্ষ্য নির্ধারণ করে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
দা‘ঈর শক্তি ও সময় নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচায়।
লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ঈর শক্তি ও সময় নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচায়। লক্ষ্য নির্ধারণ করে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
দা‘ওয়াতের কাজের অগ্রগতি পরিমাপ করা যায়।
লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ওয়াতের কাজের অগ্রগতি পরিমাপ করা যায়। লক্ষ্য নির্ধারণ করে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
দা‘ওয়াতের কাজকে গতিশীল করে।
লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ওয়াতের কাজকে গতিশীল করে। লক্ষ্য নির্ধারণ করে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
দা‘ওয়াতের কাজে সফলতা আনয়ন করে।
লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ওয়াতের কাজে সফলতা আনয়ন করে। লক্ষ্য নির্ধারণ করে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ওয়াতের কাজে সফলতা আনয়ন করে। লক্ষ্য নির্ধারণ করে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
দা‘ওয়াতের লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ঈর কাজকে গতিশীল করে। লক্ষ্য নির্ধারণ করে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
দা‘ওয়াতের লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ঈর কাজকে গতিশীল করে। লক্ষ্য নির্ধারণ করে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
দা‘ওয়াতের লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ঈর কাজকে গতিশীল করে। লক্ষ্য নির্ধারণ করে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
দা‘ওয়াতের লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ঈর কাজকে গতিশীল করে। লক্ষ্য নির্ধারণ করে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
দা‘ওয়াতের লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ঈর কাজকে গতিশীল করে। লক্ষ্য নির্ধারণ করে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
দা‘ঈর শক্তি ও সময় নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচায়।
লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ঈর শক্তি ও সময় নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচায়। লক্ষ্য নির্ধারণ করে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
দা‘ঈর শক্তি ও সময় নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচায়।
লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ঈর শক্তি ও সময় নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচায়। লক্ষ্য নির্ধারণ করে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
দা‘ঈকে তার চিন্তার পেরেশানী থেকে মুক্তি দেয়।
লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ঈকে তার চিন্তার পেরেশানী থেকে মুক্তি দেয়া হয় । তার লক্ষ্য থাকে তার কর্মসূচি বা পরিকল্পনা গ্রহণ করে তার কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া । আর তার লক্ষ্য থাকে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা । যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
📄 দা‘ওয়াতের উদ্দেশ্য নির্ধারণ ও নির্মল করার উপকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা
প্রতিটা মানুষের জীবনে একটা উদ্দেশ্য থাকে, যাকে কেন্দ্র করে তার চিন্তাধারা ঘূর্ণিয়মান । যার দিকে সব চিন্তা চেতনা ধাবমান । যাকে কেন্দ্র করে তার জীবনের আশা আকাঙ্খার ফল্গুধারা বহমান। এমনি প্রতিটি দা‘ওয়াতের পিছনে একটা উদ্দেশ্য কার্যকর । যার আওতায় এ দা‘ওয়াতের সকল কার্যকলাপ পরিচালিত বা দা‘ওয়াতের কর্মীরা হয় পরিচালিত।
ড.বারাকাত ভাষায়, দা‘ওয়াতের পিছনে যদি কোন প্রেরণা শক্তি না থাকে, তবে তার হয়ে কাজ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে যায় । তার মাঝে সে গোপনে মোহের প্রেরণা অবশ্যই কার্যকর থাকতে হবে । যা দা‘ঈর প্রতিটি পদক্ষেপে দিক নির্দেশনা দিবে। অন্তর জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করবে। যাতে আত্মনিয়োগ করা সম্ভব করবে। তার মধ্য থেকে যা বের হবে, সেই প্রচেষ্টা বের হবে। তার মাঝে ঐ কাজের প্রতি এক ইতিবাচক সাড়া জাগাবে, যা তার আত্মতৃপ্তি ও মনস্তাত্বিক শান্তিতে বর্হিরুপ করতে পারে, যেন আস্তে আস্তে তার লক্ষ্য বাস্তবায়নে করতে পারে, উদ্দেশ্য পৌঁছাতে পারে”।
পূর্বেই বলা হয়, ইসলামী দা‘ওয়াতের উদ্দেশ্য হল, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। ইসলামী পরস্পর দা‘ওয়াতের উদ্দেশ্যে গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনেক বেশি। আগেকার পর্বে ইসলামী দা‘ওয়াতের জন্যেও জীবনদান করা তার চেয়ে অন্য সব।
আর ইসলামী দা‘ওয়াত এ উদ্দেশ্যকে যে বৈষয়িক স্বার্থ সিদ্ধির জন্য ব্যবহার করার থেকে মুক্ত করা । যা ইসলামী উদ্দেশ্য কে কলুষিত করে । যেমন যশ খ্যাতি লাভ, লোকে বলুক, নেতৃত্ব দেত্তয়ার সুযোগ কিংবা কোন মনগড়া মতের প্রতি অন্ধত্ব হওয়া প্রেরণার উদ্দেশ্যে ঐ কাজ করলে তা আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হয় না।
উপরন্ত অপর দিকে তার কাজ আল্লাহর কাছে ও গ্রহণযোগ্য হয়। কেননা দা‘ওয়াতী কাজ হলো ইবাদত ও জিহাদ । আর নিখুঁত খালেস তথা আল্লাহর সন্তুষ্টি ছাড়া ইবাদত বা জিহাদ কবুল হবে না । এ ব্যাপারে আল কুরআনে স্পষ্ট বলা হয়েছে:الدين حنفاء ليصلوا الله مخلصين له إلا أمروا وما القيمة.وذلك دين الزكاة ويؤتوا الصلاة ويقيموا
“তাদেরকে একমাত্র নির্দেশ করা হয়েছে, তারা খাঁটি মনে একনিষ্ঠার সাথে আল্লাহর ‘ইবাদত করবে, নামায কায়েম করবে, যাকাত দেবে। এটাই সঠিক ধর্ম”(সূরা বায়্যিনাহ:৫)। এমনি মহানবী (স.)কে প্রশ্ন করা হয়েছিল সে ব্যক্তি সম্পর্কে, যে জিহাদ করে গণিমত কিংবা প্রশংসা অর্জনের নিমিত্তে। তিনি উত্তর বলেছিলেন, যে জিহাদের উদ্দেশ্য আল্লাহর কালিমা বা বাণী কে বুলন্দ করার জন্য তাই আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য”।
অপর দিকে দা‘ওয়াতী কাজে টাকা পয়সার প্রয়োজন আছে, এ কাজ করলে সম্মান বৃদ্ধি পায়, কর্তৃত্ব হাতে আসে, যা দা‘ওয়াতী কাজে প্রভাব বিস্তার করে । কিন্তু দা‘ঈকে মনে রাখতে হবে, এগুলো বৈষয়িক উপকরণ বিশেষ । তাই উদ্দেশ্য ও উপকরণের মাঝে মিশ্রণ ঘটালে চলবে না । দা‘ওয়াতী কাজে সফল হতে হলে ও লোকজনের মাঝে শ্রদ্ধা স্থায়ী করতে হলে নিঃস্বার্থ மனப்பான்மை কাজে আত্মনিয়োগ করতে হবে। অন্যথায় এর দ্বারা আল্লাহর কাছেও অগ্রহণযোগ্য না এ জন্য আল কুরআনে সূরা শু‘আরায় অধিকাংশ পেয়ম্বারের দা‘ওয়াত বর্ণনায় যা দেখতে দেয়া যায়, তারা সকলই নিঃস্বার্থতার ঘোষণা দিয়েছেন এভাবেঃ
"وما أسالكم من أجر إن أجري إلا على الله رب العالمين"
“আমি তোমাদের কাছে এর জন্য কোন প্রতিদান চাই না, আমার প্রতিদান তো বিশ্ব পালনকর্তাই দেবেন”। আল্লাহ পাক নবী (আ.) কেও তাই ঘোষণা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন,
"قل لا أسلكم عليه من أجر وما أنا من المتكلفين"
টিকাঃ
৭৯. উমর ইবন খাত্তাব আন নযর, হাফিয়াতুল ওয়ায়িয উযিল ফযল, (বৈরুত: দারুল আকলিমাস ১০৯৮ইং.)। ২৭. পৃ.১৩২।
৮০ ড. বারাকাত, উসূলুদ দা‘ওয়াহ, (কায়রো: দার গরীব লিল তাআ‘য়ী, ১৪০৩ হি:/১৯৮৩ খৃ.) পৃ.১৫।
৮১.বুখারী, কিতাবুল জিহাদ, বাব মান কাতলা লি তাকুনা কালিমাতুল্লাহ হিয়াল উলিয়া, ফাতহুল বারী, ৬খ. পৃ.২৮৮।
৮২.সূরা শু‘আরা:১০৯,১২৭,১৪৫,১৬৪,১৮০।