📘 ইসলামী দাওয়াতের পদ্ধতি ও আধুনিক প্রেক্ষাপট > 📄 ইসলামী দা‘ওয়াহ কার্যক্রমে উদ্দেশ্য

📄 ইসলামী দা‘ওয়াহ কার্যক্রমে উদ্দেশ্য


অপর দিকে সে দা‘ওয়াত দানকারীর লক্ষ্য মাত্রা বিভিন্ন ও বৈশিষ্ট্য ভেদে বিভিন্ন হতে পারে । যেমন কাউকে দা‘ওয়াত দেয়ার মাধ্যমে দুনিয়াতে কোন বস্তু বা ব্যাপারে স্বীকৃতিপ্রাপ্তি চেয়ে বা আমাদের দা‘ওয়াত দেয়া কিংবা সম্পদ অর্জনের জন্য দা‘ওয়াত দেয়া। এভাবে বিভিন্ন লক্ষ্য মাত্রা নেয়া যেতেপারে। এ গুলোর মাঝে কোনটি গ্রহণীয় আর কোনটি বর্জনীয় কিংবা প্রচেষ্ঠার উপর আলোকপাতকে প্রাধান্য দেয়া যায়। কিন্তু আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের বিষয়টিকে কোন অবস্থাতেই বর্জন করা যাবে এবং অন্য কিছুকে প্রাধান্য দেয়া যাবে না। আর ইসলামী দা‘ওয়াতের সে উদ্দেশ্যে পৌঁছতে হলে একজন দা‘ঈকে তার ব্যক্তিত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে।
ইসলামী দা‘ওয়াতের উদ্দেশ্য
ইসলামী দা‘ওয়াতের একমাত্র উদ্দেশ্য আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। দা‘ওয়াত দিতে হবে আল্লাহর দিকেই নিজের সুনায়না সন্তুষ্টি অর্জন, ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ, ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর অর্থ অথবা কোন ধন সম্পদ লাভ ইত্যাদি উদ্দেশ্য দা‘ওয়াত দিলে, তা ইসলামী দা‘ওয়াত হবে না । এ জন্য এর বলা হয়েছে:
"ادع إلى سبيل ربك" “তোমার রবের রাস্তার দিকে দা‘ওয়াত দাও”(সূরা নাহল:১২৫)।
দা‘ওয়াতী কাজ মু’মিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই শুধু দা‘ওয়াত কেন, মু’মিন জীবনের প্রতিটি কাজের উদ্দেশ্য হবে একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। আল্লাহপাকই একমাত্র উদ্দেশ্য। আল কুরআন কারীম এ বিষয়টিকে বিভিন্ন স্থানে সুস্পষ্ট উল্লেখ করেছে । ইবাদত সংক্রান্ত কাজ যেমন, নামায, রোজার উদ্দেশ্য আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন । এ মর্মে ইরশাদ হয়েছে:
تراهم ركعا سجدا يبتغون فضلا من الله ورضوانا
“আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় আপনি তাদেরকে রুকু ও সেজদারত দেখবেন। তাদের মুখমণ্ডলে রয়েছে সেজদার চিহ্ন ”(সূরা ফাতহ:২৯)। ইনফাক ও যাকাতের ক্ষেত্রে ইরশাদ হয়েছে:
"وما تنفقون إلا ابتغاء وجه الله"
“আল্লাহর সন্তুষ্টি ছাড়া অন্য কোন উদ্দেশ্যে তোমরা ব্যয় কর না” (সূরা বাকারা:২৭২)। এমনি জিহাদের বিষয়ে বলা হয়:
إن كنتم خرجتم جهادا في سبيلي وابتغاء مرضاتي تسرون إليهم بالمودة”
“যদি তোমরা জেহাদে বের হয়ে থাক আমার রাস্তায় ও আমার সন্তুষ্টি লাভের জন্য, তবে কেন তাদের প্রতি গোপনে বন্ধুত্বের পয়গাম প্রেরণ করছ ”( সূরা মুমতাহিনা:১)। এভাবে তার সামাজিক কাজ কর্ম তা রাজনৈতিক হোক বা সাংস্কৃতিক হোক, সর্ব প্রকার ইবাদতের উদ্দেশ্য আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। আল কুরআনে এ ব্যাপারে বলা হয়েছে:
ومن الناس من يشترى نفسه ابتغاء مرضات الله والله رءوف بالعباد”
“মানুষের মধ্যে এমন লোকও রয়েছে যে আল্লাহর সন্তুটি লাভের জন্য জীবন বিসর্জন দেয়। আল্লাহ তা‘আলা বান্দাদের প্রতি অত্যন্ত दयालु”(সূরা বাকারা:২০৭)।
অতএব দা‘ওয়াতের উদ্দেশ্য হল, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা । এর উপরই দা‘ওয়াতের কাজের ব্রত দান, ইবাদাত, জীবন কুরবানী করা । তার উর্ধ্বে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা না হলে, তা ইসলামী দা‘ওয়াত হবেনা । এ জন্য আল্লাহ তা‘আলা সমগ্র ইবাদতের রূহকে একথাই করেছেন, الله " তাঁর আনুগত্য হবে।
রাসূল(সঃ)এর ভাষ্যঃ
“আল্লাহ তায়ালা শুধুমাত্র ঐ আমলই কবুল করেন যা তাঁর সন্তুষ্টির জন্য করা হয়”(নাসাঈ, জিহাদ অধ্যায়)।
মোটকথা, দা‘ওয়াতের উদ্দেশ্য হতে হবে একমাত্র আল্লাহ সন্তুষ্টি অর্জন করা । যখন তা হবে তখন দা‘ঈ তার চেষ্টা ও সাধনা এবং কাজের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করবে । দা‘ওয়াতী কাজের মধ্যে কোন প্রকার প্রদর্শনেচ্ছা ও কোন প্রকার পার্থিব উদ্দেশ্য এর অন্তর্ভুক্ত থাকবে না । দা‘ঈ তার কাজকে তখন ইবাদত হিসেবে গ্রহণ করবে এবং তার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য তার জান ও মাল আল্লাহর রাস্তায় উৎসর্গ করবে।

📘 ইসলামী দাওয়াতের পদ্ধতি ও আধুনিক প্রেক্ষাপট > 📄 ইসলামী দা‘ওয়াহ কার্যক্রমে লক্ষ্য সমূহ

📄 ইসলামী দা‘ওয়াহ কার্যক্রমে লক্ষ্য সমূহ


দা‘ওয়াতী কাজের কয়েকটি সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য থাকে। কেননা সামাজিক পরিবেশে একটি সুষ্ঠু দা‘ওয়াতী কাজের পরিবেশ তৈরি করা যায় ।
প্রথমতঃ সার্বজনীন ও সাধারণ, যা কিছু সুদূরপ্রসারী (long-run) বা স্বল্প মেয়াদী, খাস বা বিশদ পরিকল্পনার নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে, যা নিকট কর্মীদেরও (Short run) ইসলামী দা‘ওয়াতের সুদূরপ্রসারী সাধারণ লক্ষ্য সমূহ
ইসলামী দা‘ওয়াতের পরিকল্পনা সম্পর্কে সাধারণ ও দ্ব্যর্থহীন সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য হবে- “সারা বিশ্বে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ইসলামকে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা ।
দ্বিতীয়ত: ইসলামী দা‘ওয়াতের লক্ষ্যমাত্রা এমন হওয়া প্রয়োজন যেন তা দীর্ঘ ও স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনার মাধ্যমে মানব জীবনের সকল দিক ও বিভাগে বাস্তবায়িত হয়। অর্থাৎ তা যেন মানব সমাজকে তার সামগ্রিক জীবনে শান্তি, সৌভাগ্য ও সফলতা প্রদানে সক্ষম হয় । তার জন্য নিন্মরূপ লক্ষ্য স্থির করা যেতে পারে-
এক. গোটা মানব সমাজকে একমাত্র আল্লাহর ইবাদতে রূপান্তর করা । এ মর্মে ইরশাদ হয়েছে,
"وما خلقت الجن والإنس إلا ليعبدون"
“আমি জ্বীন ও মানব জাতিকে একমাত্র আমার ‘ইবাদতের নিমিত্তেই সৃষ্টি করেছি । (সূরা যারিয়াহ:৫৬)
এখানে ইবাদতে রূপান্তরটা ব্যাপক। জীবনের প্রতিটি কাজ আল্লাহর দেয়া বিধান মতে পালন করাই ইবাদত। তাই ইসলামী দা‘ওয়াত প্রদত্ত সেই বিধানের দিকে হলে দা‘ওয়াতী কর্মসূচীর মূল লক্ষ্য আল্লাহর বা ইবাদাতে মানুষকে অগ্রণী করে তোলা ।
দুই: মানুষের আত্মা, দেহ, ও সমাজকে বাতিল বিধান পূরণের মাধ্যমে শান্তি, সৌভাগ্য ও প্রতিষ্ঠা চেষ্টা করা । এ বিষয়ে আল্লাহ পাক বলেছেন:
"وابتغ فما آتاك الله الدار الآخرة ولا تنس نصيبك من الدنيا وأحسن كما أحسن الله إليك ولا تبغ الفساد في الأرض إن الله لا يحب المفسدين"
“আল্লাহ তোমাকে যা দান করেছেন, তদ্বারা পরকালের গৃহ অনুসন্ধান কর এবং ইহকাল থেকে তোমার অংশ ভুলে যেয়ো না । তুমি অনুগ্রহ কর, যেমন আল্লাহ তোমার প্রতি অনুগ্রহ করেছেন এবং পৃথিবীতে ফ্যাসাদ সৃষ্টি করতে প্রয়াসী হয়ো না । নিশ্চয় আল্লাহ ফ্যাসাদ সৃষ্টিকারীকে পছন্দ করেন না । ”(সূরা কাসাস:৭৭)
উপরোক্ত আয়াতকে লক্ষ্য অর্জনের অনতিবিলম্বে শাব্দিক অর্থে একথাই বলা যায়। সাথে সাথে অন্যের প্রতি অনুগ্রহ করা এবং সমাজে ফ্যাসাদ সৃষ্টি না করা কথা বলা সামাজিক দায়িত্ব কর্মে পরিণত হয়ে যায় । তাই এ আহ্বান দা‘ঈর লক্ষ্য, আশা, কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণ করা, যাতে মাদ‘উ দের ও তা গ্রহণ এবং বাস্তবায়নে শান্তি বিশ্বাস রাখা বাড়ে। তেমনি এ ভবনে যেন শান্তিপূর্ণ জীবন যাপন করা যায়, এতে কেউ যেন বিবাদ সৃষ্টি করতে না পারে কিংবা ফ্যাসাদ সৃষ্টি করতে না পারে । সে ব্যবস্থা নেয়াও সামাজিক নেতৃবৃন্দের জন্য এক মহৎ ও যোগ্য উদ্যোগ গ্রহণ করাও দা‘ঈর লক্ষ্য।
তিন: আল্লাহর যমীনে আল্লাহর প্রদত্ত জীবন বিধানকে প্রতিষ্ঠিত করা । আল্লাহর বিধানানুযায়ী প্রচার, প্রসার ও শিক্ষা প্রদান । এ পথে বাধা অপসারণ, আল্লাহর বিধান সমাজে চালু করার ক্ষেত্রে সাহায্য ও শক্তি প্রদান । এ ধরনের খেলাফত তথা কর্তৃত্ব ও প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আল্লাহ পাক দা‘ঈগণের সাহায্যও ইবাদত ইত্যাদি হয়েছে:
"وعد الله الذين آمنوا منكم وعملوا الصالحات ليستخلفنهم في الأرض كما استخلف الذين من قبلهم وليمكنن لهم دينهم الذي ارتضى لهم وليبدلنهم من بعد خوفهم أمنا يعبدونني لا يشركون بي شيئا ومن كفر بعد ذلك فأولئك هم الفاسقون"
“ তোমাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদেরকে ওয়াদা দিয়েছেন যে, তাদেরকে অবশ্যই পৃথিবীতে শাসনক্ষমতা দান করবেন । যেমন তিনি শাসনক্ষমতা দান করেছেন তাদের পূর্ববর্তীদেরকে এবং তিনি অবশ্যই সুদৃঢ় ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত করবেন তাদের ধর্মকে, যা তিনি তাদের জন্য পছন্দ করেছেন এবং তাদের ভয়-ভীতির পরিবর্তে অবশ্যই শান্তি দান করবেন । তারা আমার এবাদত করবে এবং আমার সাথে কাউকে শরীক করবে না । এরপর যারা অকৃতজ্ঞ হবে, তারাই অবাধ্য”। (সূরা নূর:৫৫)।
চতুর্থ: সত্যকে বিজয়ী করা ও বাতিলকে পরাভূত করা। এ ব্যাপারে কুরআন কারীমে ইরশাদ হয়েছে,
"ليحق الحق ويبطل الباطل ولو كره المجرمون"
“যাতে করে সত্যকে সত্য এবং বাতিলকে বাতিল প্রতিপন্ন করে দেন, যদিও পাপীরা অসন্তুষ্ট হয়”(সূরা আনফাল: ৮)। যেন আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
"وقاتلوهم حتى لا تكون فتنة ويكون الدين كله الله فإن انتهوا فإن الله بما يعملون بصير"
“আর তাদের সাথে যুদ্ধ করতে থাকো যতক্ষণ না ফেতনা শেষ হয়ে যায়, এবং আল্লাহর সমস্ত হুকুম প্রতিষ্ঠিত হয় । অতঃপর যদি তারা (যুদ্ধ থেকে)বিরত হয়ে যায়, তবে তাদের কার্যকলাপ কার্যকলাপে লক্ষ্যকারী”(সূরা আনফাল:৩৯)।
অতএব সত্য প্রচার পথে, আল্লাহর বাস্তবসম্মত পথে যারা বাধা সৃষ্টি করে, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনের সামর্থ্য থাকলে যুদ্ধ করতে হবে। যেন ঐ দ্বীন বাস্তবায়নের পথে নতুন কোন ষড়যন্ত্র সফল হতে না পারে।
পাঁচ: মানব সমাজকে গোমরাহীর পথ থেকে বাঁচিয়ে হেদায়েতের পথে নিয়ে আসার সকল অন্ধকার জাহেলিয়াতের কালিমা দূর করে আলোর পথে নিয়ে আসা । যাতে জান্নাত খুঁজে পায়, চলার পথ স্পষ্ট হয়ে উঠে। মানব জাতি সকল ভ্রান্ত ধর্ম ও মতবাদের নিরর্থক ঘূর্ণাবর্ত হতে নিষ্কৃতি পেয়ে ইসলামের সুশীতল ছায়ায় আশ্রয় নিতে পারে । বৈষম্য ধর্ম সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে দুনিয়া ও আখেরাতের ক্ষেত্রে মহান কল্যাণকর লক্ষ্যে কাজ করে পারে । আল কুরআনে মহানবী (স.) এর পয়গাম সম্পর্কে আবেদনাময় বলা হয়ঃ
“কিতাব أنزلناه إليك لتخرج الناس من الظلمات إلى النور بإذن ربهم إلى صراط العزيز الحميد”
“এই কিতাব, যা আপনার প্রতি নাযিল করেছি, যাতে আপনি মানুষকে অন্ধকার সমূহ থেকে আলোর পথে বের করে আনেন, পরাক্রান্ত প্রশংসার্হ পালন কর্তার নির্দেশ ক্রমে তারই পথের দিকে”(সূরা ইবরাহীম: ১)।
মুসলমানগণকে পূর্ববর্তী সম্প্রদায়ের তৎকালীন ইরাক অভিযানে প্রাক্কালে পারস্য সম্রাট কেসরার সেনাপতি রুস্তম মুসলিম সৈন্য যখন ‘আমীর ইবনে ‘আয়েষ কে প্রশ্ন করেছিল, তোমরা কেন যুদ্ধ করতে এসেছ ? এর উত্তর তিনি বলেছিলেন, “দা‘ওয়াতের লক্ষ্য শাব্দী ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি একটি মূলবান কথা বলেছিলেন।
সাত. দা‘ওয়াতের কাজে বিভিন্ন বস্তু ও কার্যক্রমের বিভিন্ন দিকেও লক্ষ্য নেয়া যেতে পারে, যেমন দা‘ওয়াতের দাওয়াতের দিকে লক্ষ্য নেয়া, আত্মশুদ্ধি, তরবিয়ত, জিহাদ, খেলাফত, সমাজ সেবা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, সভ্যতা, সংস্কৃতি, যোগাযোগ, প্রচার মাধ্যম, দা‘ওয়াতের কেন্দ্রবিন্দু, দা‘ওয়াতের উপকরণ, কর্ম পদ্ধতি, স্থান-কাল-পাত্রের ভেদাভেদ ইত্যাদি । (এ)
কোনো যে ধরনের তার বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন তার বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন তার বাস্তবায়ন তার বাস্তবায়নের জন্য প্রচার মাধ্যম, নতুন পদ্ধতি প্রাপ্ত হয়, নতুন কৌশল পরিকল্পনা নেয়া যেতে পারে যা আলোচনা পরে আসছে।
! (এ বিষয়গুলোর )”জন্য নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ (এ বিষয়গুলোর) জন্য নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।
(এ বিষয়গুলোর জন্য নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।)

📘 ইসলামী দাওয়াতের পদ্ধতি ও আধুনিক প্রেক্ষাপট > 📄 ইসলামী দা‘ওয়াতের ক্ষেত্রে বিশেষে কৌশলগত লক্ষ্যসমূহ

📄 ইসলামী দা‘ওয়াতের ক্ষেত্রে বিশেষে কৌশলগত লক্ষ্যসমূহ


উদ্দেশ্য, যে আলাদা মুসলিম অমুসলিম সকলকে অন্তর্ভুক্ত করে থাকে । সে ক্ষেত্রে অমুসলিমদেরকে ইসলামের দাওয়াত দেয়ার জন্য তাদের মাঝে যা কিছু সাধারণ আছে এমন মৌলিক বিষয় নিয়ে দা‘ওয়াত দেয়া প্রয়োজন ।
“হে মু’মিনগণ! ঈমান আন”(সূরা নিসা:১৩১) ।
আর এ আয়াতে ঈমানদারগণকে ঈমানের আদেশ দেয়া হয় কেন এটা এমন যে, ঈমান এনে নতুন শুধু অন্তরে বিশ্বাস বা মৌখিক স্বীকৃতিই যথেষ্ট নয়। বরং ঈমানের সাথে সম্পর্কিত কিছু মৌলিক কাজ আছে, ঈমানের শাখা‘প্রশাখা’ আছে। যার পালনের মাধ্যমে বুঝা যায় যে, তার ঈমানের কতটুকু সত্য রয়েছে । আর এর দ্বারা ঈমানের প্রমাণও হয় । তাই ঈমানের প্রতি শাখা সম্পর্কে মুসলমানদেরকে জানাতে হবে । সে বিষয়ে তথ্য দিয়ে কাজে পৌঁছাতে হবে । ইসলামের তাওহীদ ও রেসালাতের বিভিন্ন বিষয় জানানোকে পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা যুক্তিসহ পেশ করতে হবে । সকলকে অবহিত করতে হবে। এটাই ইসলামী দা‘ওয়াতের মৌলিক লক্ষ্য।
দুই: প্রশিক্ষাদান ও চরিত্র গঠন
দা‘ওয়াতী কাজকে চলমান রাখার জন্য দা‘ওয়াতী সাড়াদানকারীদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের দিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। এদেরকে আল্লাহর আনুগত্যে কার্যকরী ব্যক্তিত্বে পরিণত হবে। এদেরকে সাধারণ প্রশিক্ষণের পাশাপাশি দা‘ওয়াতী কাজের উপর বিশেষ প্রশিক্ষণ দিতে হবে। এটাও ইসলামী দা‘ওয়াতের লক্ষ্য। অতএব দা‘ওয়াত ও তার সাড়া দিতে তাদেরকে কাজে লাগাতে হবে। এর দ্বারা উভয় ক্ষেত্রে দাঈ এবং মাদ'উ উভয়ের কর্মক্ষমতা সম্পর্কে ধারণা করা যেতে পারে।

📘 ইসলামী দাওয়াতের পদ্ধতি ও আধুনিক প্রেক্ষাপট > 📄 দা‘ওয়াতের লক্ষ্য নিরূপণের উপকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা

📄 দা‘ওয়াতের লক্ষ্য নিরূপণের উপকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা


দা‘ওয়াতী কাজে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারণ ও নির্মল করার বিশেষ উপকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা রয়েছে । তাই এখানে এর কয়েকটি বিষয় তুলে ধরা হলো:
দা‘ঈকে তার চিন্তার পেরেশানী থেকে মুক্তি দেয়।
লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ঈকে তার চিন্তার পেরেশানী থেকে মুক্তি দেয়া হয় । তার লক্ষ্য থাকে তার কর্মসূচি বা পরিকল্পনা গ্রহণ করে তার কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া । আর তার লক্ষ্য থাকে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা । যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
দা‘ওয়াতের লক্ষ্য নির্ধারণ করে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
দা‘ঈর শক্তি ও সময় নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচায়।
লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ঈর শক্তি ও সময় নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচায়। লক্ষ্য নির্ধারণ করে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
দা‘ওয়াতের কাজের অগ্রগতি পরিমাপ করা যায়।
লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ওয়াতের কাজের অগ্রগতি পরিমাপ করা যায়। লক্ষ্য নির্ধারণ করে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
দা‘ওয়াতের কাজকে গতিশীল করে।
লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ওয়াতের কাজকে গতিশীল করে। লক্ষ্য নির্ধারণ করে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
দা‘ওয়াতের কাজে সফলতা আনয়ন করে।
লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ওয়াতের কাজে সফলতা আনয়ন করে। লক্ষ্য নির্ধারণ করে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ওয়াতের কাজে সফলতা আনয়ন করে। লক্ষ্য নির্ধারণ করে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
দা‘ওয়াতের লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ঈর কাজকে গতিশীল করে। লক্ষ্য নির্ধারণ করে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
দা‘ওয়াতের লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ঈর কাজকে গতিশীল করে। লক্ষ্য নির্ধারণ করে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
দা‘ওয়াতের লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ঈর কাজকে গতিশীল করে। লক্ষ্য নির্ধারণ করে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
দা‘ওয়াতের লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ঈর কাজকে গতিশীল করে। লক্ষ্য নির্ধারণ করে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
দা‘ওয়াতের লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ঈর কাজকে গতিশীল করে। লক্ষ্য নির্ধারণ করে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
দা‘ঈর শক্তি ও সময় নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচায়।
লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ঈর শক্তি ও সময় নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচায়। লক্ষ্য নির্ধারণ করে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
দা‘ঈর শক্তি ও সময় নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচায়।
লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ঈর শক্তি ও সময় নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচায়। লক্ষ্য নির্ধারণ করে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে । লক্ষ্য বাস্তবায়নে যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।
দা‘ঈকে তার চিন্তার পেরেশানী থেকে মুক্তি দেয়।
লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমে দা‘ঈকে তার চিন্তার পেরেশানী থেকে মুক্তি দেয়া হয় । তার লক্ষ্য থাকে তার কর্মসূচি বা পরিকল্পনা গ্রহণ করে তার কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া । আর তার লক্ষ্য থাকে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা । যখন দা‘ঈ তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে তখন তার সামনে কাজের একটি চিত্র ফুটে উঠে। সে চিত্র অনুযায়ী কাজ করে ।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00