📄 কিছু সুপারিশ এবং আবেদন
পরিশেষে কোনো কথা যদি বলতেই হয়, তাহলে আমাদের কিছু সুপারিশ এবং আবেদন করছি।
১. আমাদের আবার ফিরে আসতে হবে মহান শরীয়তের চৌহদ্দিতে। আবারও আঁকড়ে ধরতে হবে আল্লাহর দ্বীন এবং আইন। যা তিনি বিশ্ববাসীদের জন্য হিদায়াতস্বরূপ নাযিল করেছেন। শতাব্দীর পর শতাব্দী জুড়ে যে দ্বীন সফলতা অর্জন করেছিল। শ্রেষ্ঠত্বের চূড়ায় আরোহণ করে আর উন্নতির শিখরে উঠে যার সাফল্য বাস্তবায়িত হয়েছিল।
২. শরীয়ত এবং ইসলামি বিচারব্যবস্থার ক্ষেত্রে ফিকহকেন্দ্রিক মাযহাবগুলো থেকে উপকৃত হতে হবে। সঠিকভাবে বিবেচনা করে গ্রহণ করতে হবে চলমান উন্নতি আর আধুনিক আবিষ্কার। কেননা দ্বীন ও শরীয়ত তথা ইসলাম প্রত্যেক যুগ এবং সময়ের জন্য সমান উপযুক্ত।
৩. উম্মতকে আকীদাগত এবং আইনগতভাবে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য আরব রাষ্ট্রগুলোর আইন এবং বিচারের ব্যবস্থাপনা এক প্লাটফর্মে নিয়ে আসতে হবে। তবেই ভবিষ্যৎ মুসলিম উম্মত অতীতের ইজ্জতপূর্ণ এবং গৌরবপূর্ণ অবস্থানে ফিরে যেতে পারবে।
৪. এ যুগে কেবল শরীয়াহ অনুষদ অথবা উচ্চতর বিচার ইনস্টিটিউট থেকে গ্রাজুয়েটদের মধ্য হতে বিচারক নিয়োগ দিতে হবে। শারঈ বিচারকার্য পরিচালনার দায়িত্ব পালনকারীদের মাঝে পারস্পরিক তথ্য আর জ্ঞান আদান-প্রদানের সহযোগিতামূলক মনোভাব সৃষ্টি করতে হবে।
সবশেষে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সত্য বাণীর মাধ্যমে আমাদের আলোচনার এখানেই ইতি টানছি। তিনি বলেন,
وَأَنَّ هَذَا صِرَاطِي مُسْتَقِيمًا فَاتَّبِعُوهُ وَلَا تَتَّبِعُوا السُّبُلَ فَتَفَرَّقَ بِكُمْ عَنْ سَبِيلِهِ ذَلِكُمْ وَضَكُمْ بِهِ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُوْنَ
আর এটি আমার সরল পথ। অতএব, এ পথে তোমরা চলো; অন্যান্য পথে চলো না। তা হলে সেগুলো তোমাদেরকে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত করে দেবে। তিনি এ নির্দেশ তোমাদের দিয়েছেন, যাতে তোমরা সংযত হও।
সমস্ত প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। আল্লাহর কাছে আমাদের প্রার্থনা, তিনি যেন আমাদেরকে দ্বীন ও শরীয়তের কাছে উত্তমভাবে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন।
টিকাঃ
[১১৮৩] সূরা আনআম, ৬: ১৫৩
পরিশেষে কোনো কথা যদি বলতেই হয়, তাহলে আমাদের কিছু সুপারিশ এবং আবেদন করছি।
১. আমাদের আবার ফিরে আসতে হবে মহান শরীয়তের চৌহদ্দিতে। আবারও আঁকড়ে ধরতে হবে আল্লাহর দ্বীন এবং আইন। যা তিনি বিশ্ববাসীদের জন্য হিদায়াতস্বরূপ নাযিল করেছেন। শতাব্দীর পর শতাব্দী জুড়ে যে দ্বীন সফলতা অর্জন করেছিল। শ্রেষ্ঠত্বের চূড়ায় আরোহণ করে আর উন্নতির শিখরে উঠে যার সাফল্য বাস্তবায়িত হয়েছিল।
২. শরীয়ত এবং ইসলামি বিচারব্যবস্থার ক্ষেত্রে ফিকহকেন্দ্রিক মাযহাবগুলো থেকে উপকৃত হতে হবে। সঠিকভাবে বিবেচনা করে গ্রহণ করতে হবে চলমান উন্নতি আর আধুনিক আবিষ্কার। কেননা দ্বীন ও শরীয়ত তথা ইসলাম প্রত্যেক যুগ এবং সময়ের জন্য সমান উপযুক্ত।
৩. উম্মতকে আকীদাগত এবং আইনগতভাবে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য আরব রাষ্ট্রগুলোর আইন এবং বিচারের ব্যবস্থাপনা এক প্লাটফর্মে নিয়ে আসতে হবে। তবেই ভবিষ্যৎ মুসলিম উম্মত অতীতের ইজ্জতপূর্ণ এবং গৌরবপূর্ণ অবস্থানে ফিরে যেতে পারবে।
৪. এ যুগে কেবল শরীয়াহ অনুষদ অথবা উচ্চতর বিচার ইনস্টিটিউট থেকে গ্রাজুয়েটদের মধ্য হতে বিচারক নিয়োগ দিতে হবে। শারঈ বিচারকার্য পরিচালনার দায়িত্ব পালনকারীদের মাঝে পারস্পরিক তথ্য আর জ্ঞান আদান-প্রদানের সহযোগিতামূলক মনোভাব সৃষ্টি করতে হবে।
সবশেষে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সত্য বাণীর মাধ্যমে আমাদের আলোচনার এখানেই ইতি টানছি। তিনি বলেন,
وَأَنَّ هَذَا صِرَاطِي مُسْتَقِيمًا فَاتَّبِعُوهُ وَلَا تَتَّبِعُوا السُّبُلَ فَتَفَرَّقَ بِكُمْ عَنْ سَبِيلِهِ ذَلِكُمْ وَضَكُمْ بِهِ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُوْنَ
আর এটি আমার সরল পথ। অতএব, এ পথে তোমরা চলো; অন্যান্য পথে চলো না। তা হলে সেগুলো তোমাদেরকে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত করে দেবে। তিনি এ নির্দেশ তোমাদের দিয়েছেন, যাতে তোমরা সংযত হও।
সমস্ত প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। আল্লাহর কাছে আমাদের প্রার্থনা, তিনি যেন আমাদেরকে দ্বীন ও শরীয়তের কাছে উত্তমভাবে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন।
টিকাঃ
[১১৮৩] সূরা আনআম, ৬: ১৫৩