📄 বিচারকদের সহযোগী
আগের যুগের মতো মামলুক যুগেও বিচারকের কাজে সহযোগিতার জন্য কয়েকজন কর্মচারী ছিলেন। তবে এ যুগে তাদের বিচার-সংক্রান্ত দায়িত্বগুলো আরও সুস্পষ্ট আকৃতিতে প্রকাশ পেয়েছিল। এই কর্মচারীদের বিবরণ এখানে উল্লেখ করা হলো।
১. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী: এদের কাজ ছিল বিচারকার্য চলাকালীন ব্যবস্থাপনা ঠিক রাখা এবং উপস্থিতি অনুসারে বাদী-বিবাদীর ধারাবাহিকতা ঠিক করা। আদালতের শৃঙ্খলা ঠিক রাখা, বিচারের এজলাসের শিষ্টাচার রক্ষা এবং বিশৃঙ্খলভাবে বিচারকের কাছাকাছি হওয়া থেকে বাধা দেওয়ার জন্য এরা অনেক সময় হাতে লাঠি বা চাবুক রাখতেন।
২. প্রহরী: এ শ্রেণির কাজ ছিল মানুষকে সুশৃঙ্খলভাবে আদালতে প্রবেশের ব্যবস্থা করা।
৩. সহায়ক: এদের কাজ ছিল বাদী-বিবাদীকে আদালতে উপস্থিত করা এবং শুনানি চলাকালীন বিচারকের সম্মানার্থে তাঁর সামনে উপস্থিত থাকা।
৪. দায়িত্বশীল: ইয়াতিম এবং অনুপস্থিত ব্যক্তিদের সম্পত্তি দেখাশোনা করা ছিল এদের দায়িত্ব।
৫. নিষ্ঠাবান: এরা সাক্ষী হিসেবে থাকার উদ্যোগ নিতেন। নথি এবং চুক্তির বক্তব্য লক্ষ করার পাশাপাশি তা শরীয়ত মোতাবেক হচ্ছে কি না-সেটাও খেয়াল রাখতেন।
টিকাঃ
[৯৭৫] আন-নুযুমুল কাম্বাইয়্যাহ, পৃ. ৬৯; তারীখুল মামালিক, পৃ. ১৩৬
আগের যুগের মতো মামলুক যুগেও বিচারকের কাজে সহযোগিতার জন্য কয়েকজন কর্মচারী ছিলেন। তবে এ যুগে তাদের বিচার-সংক্রান্ত দায়িত্বগুলো আরও সুস্পষ্ট আকৃতিতে প্রকাশ পেয়েছিল। এই কর্মচারীদের বিবরণ এখানে উল্লেখ করা হলো।
১. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী: এদের কাজ ছিল বিচারকার্য চলাকালীন ব্যবস্থাপনা ঠিক রাখা এবং উপস্থিতি অনুসারে বাদী-বিবাদীর ধারাবাহিকতা ঠিক করা। আদালতের শৃঙ্খলা ঠিক রাখা, বিচারের এজলাসের শিষ্টাচার রক্ষা এবং বিশৃঙ্খলভাবে বিচারকের কাছাকাছি হওয়া থেকে বাধা দেওয়ার জন্য এরা অনেক সময় হাতে লাঠি বা চাবুক রাখতেন।
২. প্রহরী: এ শ্রেণির কাজ ছিল মানুষকে সুশৃঙ্খলভাবে আদালতে প্রবেশের ব্যবস্থা করা।
৩. সহায়ক: এদের কাজ ছিল বাদী-বিবাদীকে আদালতে উপস্থিত করা এবং শুনানি চলাকালীন বিচারকের সম্মানার্থে তাঁর সামনে উপস্থিত থাকা।
৪. দায়িত্বশীল: ইয়াতিম এবং অনুপস্থিত ব্যক্তিদের সম্পত্তি দেখাশোনা করা ছিল এদের দায়িত্ব।
৫. নিষ্ঠাবান: এরা সাক্ষী হিসেবে থাকার উদ্যোগ নিতেন। নথি এবং চুক্তির বক্তব্য লক্ষ করার পাশাপাশি তা শরীয়ত মোতাবেক হচ্ছে কি না-সেটাও খেয়াল রাখতেন।
টিকাঃ
[৯৭৫] আন-নুযুমুল কাম্বাইয়্যাহ, পৃ. ৬৯; তারীখুল মামালিক, পৃ. ১৩৬
📄 অন্যায় ও দুর্নীতির আদালত
বিচারক এবং বাদী-বিবাদীর মধ্যকার অভিযোগ ও মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করতে সুলতান নিজেই এই আদালতের তত্ত্বাবধান করতেন। স্বয়ং সুলতানের তত্ত্বাবধানে এই আদালত সপ্তাহে দুদিন তথা সোম এবং বৃহস্পতিবারে বসত। সুলতান এ কাজের জন্য ৬৬১ হিজরিতে আয-যাহির বাইবার্স কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত 'দারুল আদল' নামক দফতরে বসতেন। পরবর্তীকালে বড় দরবার হলে বসতে শুরু করেন।
এ আদালতে শাফিয়ি ও মালিকি মাযহাবের বিচারক বসতেন সুলতানের ডান দিকে এবং হানাফি ও হাম্বলি মাযহাবের বিচারক বসতেন বাম দিকে। মালিকি বিচারকের ডান দিকে বসতেন সামরিক বিচারকগণ। তাদের কাছাকাছি থাকতেন দারুল আদল এর মুফতিবৃন্দ। এরপর বাইতুল মাল তথা খিলাফতের কোষাগারের দায়িত্বশীল এবং হিসবাহর পরিচালক বসতেন। আর হাম্বলি মাযহাবের বিচারকের বাম দিকে প্রথমে মন্ত্রী, এর পরের জায়গা ছিল প্রধান মুনশির। সুলতানের পেছনে অবস্থান নিত উঠতি বয়সের মামলুকরা। বয়স্ক আর প্রবীণরা বৃত্তাকারে থাকত সুলতানের কাছাকাছি। তাদের ঘিরে দাঁড়িয়ে থাকত যাবতীয় কর্মচারী এবং আমিরগণ। বৃত্তের পেছনেই বিচার-সংক্রান্ত দরকারি কাগজপত্র এগিয়ে দেওয়ার জন্য থাকত দারোয়ান এবং সহকারীরা। এরপর সুলতানের কাছে অভিযোগ পেশ করা হলে সেটি নিয়ে তিনি বিচারকদের সাথে পরামর্শ করতেন। সামরিক বাহিনীর সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয় হলে সামরিক বিচারকদের সাথে আলোচনা করার পর রায় দিতেন। পরবর্তীকালে মামলুক সুলতানরা রাজ্যের রেওয়াজ হিসেবে এভাবে সাজিয়ে হলঘরে সাধারণত খুব কম সময়ই বসতেন। লোকদেরকে প্রথমে বিচারকের কাছে মোকদ্দমা নিয়ে যাওয়ার জন্য বলা হতো। বিচারকরা ইনসাফ না করলে তবেই তারা সুলতানের দ্বারস্থ হতো।
টিকাঃ
[৯৭৬] তারীখুল মামালিক, পৃ. ১৩৬-১৩৭; আন-নুযুমুল কাদ্বাইয়্যাহ, পৃ. ৭১-৭৩
বিচারক এবং বাদী-বিবাদীর মধ্যকার অভিযোগ ও মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করতে সুলতান নিজেই এই আদালতের তত্ত্বাবধান করতেন। স্বয়ং সুলতানের তত্ত্বাবধানে এই আদালত সপ্তাহে দুদিন তথা সোম এবং বৃহস্পতিবারে বসত। সুলতান এ কাজের জন্য ৬৬১ হিজরিতে আয-যাহির বাইবার্স কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত 'দারুল আদল' নামক দফতরে বসতেন। পরবর্তীকালে বড় দরবার হলে বসতে শুরু করেন।
এ আদালতে শাফিয়ি ও মালিকি মাযহাবের বিচারক বসতেন সুলতানের ডান দিকে এবং হানাফি ও হাম্বলি মাযহাবের বিচারক বসতেন বাম দিকে। মালিকি বিচারকের ডান দিকে বসতেন সামরিক বিচারকগণ। তাদের কাছাকাছি থাকতেন দারুল আদল এর মুফতিবৃন্দ। এরপর বাইতুল মাল তথা খিলাফতের কোষাগারের দায়িত্বশীল এবং হিসবাহর পরিচালক বসতেন। আর হাম্বলি মাযহাবের বিচারকের বাম দিকে প্রথমে মন্ত্রী, এর পরের জায়গা ছিল প্রধান মুনশির। সুলতানের পেছনে অবস্থান নিত উঠতি বয়সের মামলুকরা। বয়স্ক আর প্রবীণরা বৃত্তাকারে থাকত সুলতানের কাছাকাছি। তাদের ঘিরে দাঁড়িয়ে থাকত যাবতীয় কর্মচারী এবং আমিরগণ। বৃত্তের পেছনেই বিচার-সংক্রান্ত দরকারি কাগজপত্র এগিয়ে দেওয়ার জন্য থাকত দারোয়ান এবং সহকারীরা। এরপর সুলতানের কাছে অভিযোগ পেশ করা হলে সেটি নিয়ে তিনি বিচারকদের সাথে পরামর্শ করতেন। সামরিক বাহিনীর সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয় হলে সামরিক বিচারকদের সাথে আলোচনা করার পর রায় দিতেন। পরবর্তীকালে মামলুক সুলতানরা রাজ্যের রেওয়াজ হিসেবে এভাবে সাজিয়ে হলঘরে সাধারণত খুব কম সময়ই বসতেন। লোকদেরকে প্রথমে বিচারকের কাছে মোকদ্দমা নিয়ে যাওয়ার জন্য বলা হতো। বিচারকরা ইনসাফ না করলে তবেই তারা সুলতানের দ্বারস্থ হতো।
টিকাঃ
[৯৭৬] তারীখুল মামালিক, পৃ. ১৩৬-১৩৭; আন-নুযুমুল কাদ্বাইয়্যাহ, পৃ. ৭১-৭৩
📄 হিসবাহর বিচার
মামলুক শাসনামলে হিসবাহর দায়িত্ব এবং বিচার সংক্রান্ত কর্তৃত্ব শক্তিশালী হয়েছিল। অধিকাংশ সময় বিচারকার্য এবং হিসবাহ-উভয়টি এক ব্যক্তিরই নিয়ন্ত্রণে থাকত। সাধারণ শিষ্টাচার, বাজারের নীতি, ব্যবসায়িক লেনদেনের ক্ষেত্রে আমানতদারিতা, রাস্তা আর ঘরের নিয়ম, ওজনের পদ্ধতি এবং দোকান, খাবার, সরাইখানা, গোসলখানা ইত্যাদির ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দ্রুত ফয়সালা করে দিতেন।
সদরুদ্দিন ইবনু আমিনুদ্দিন আল-আদামির জীবনীতে ইবনু তুলুন লিখেছেন, 'আল-মুআইয়াদের যুগে বিচারকার্য এবং হিসবাহর দায়িত্ব তিনি একাই পালন করেছেন।'
মামলুক শাসনামলে হিসবাহ-সংক্রান্ত প্রসিদ্ধ কিতাবাদি প্রকাশিত হয়েছিল। যেমন ইবনু তাইমিয়্যাহ রচিত কিতাবুল হিসবাহ ফিল ইসলাম এবং ইবনুল ইখওয়াহ রচিত আল-হিসবাহ।
টিকাঃ
[৯৭৭] তারীখুল মামালিক, পৃ. ১৩৭
[৯৭৮] কুদ্ধাতু দিমাশক, পৃ. ২০৭
মামলুক শাসনামলে হিসবাহর দায়িত্ব এবং বিচার সংক্রান্ত কর্তৃত্ব শক্তিশালী হয়েছিল। অধিকাংশ সময় বিচারকার্য এবং হিসবাহ-উভয়টি এক ব্যক্তিরই নিয়ন্ত্রণে থাকত। সাধারণ শিষ্টাচার, বাজারের নীতি, ব্যবসায়িক লেনদেনের ক্ষেত্রে আমানতদারিতা, রাস্তা আর ঘরের নিয়ম, ওজনের পদ্ধতি এবং দোকান, খাবার, সরাইখানা, গোসলখানা ইত্যাদির ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দ্রুত ফয়সালা করে দিতেন।
সদরুদ্দিন ইবনু আমিনুদ্দিন আল-আদামির জীবনীতে ইবনু তুলুন লিখেছেন, 'আল-মুআইয়াদের যুগে বিচারকার্য এবং হিসবাহর দায়িত্ব তিনি একাই পালন করেছেন।'
মামলুক শাসনামলে হিসবাহ-সংক্রান্ত প্রসিদ্ধ কিতাবাদি প্রকাশিত হয়েছিল। যেমন ইবনু তাইমিয়্যাহ রচিত কিতাবুল হিসবাহ ফিল ইসলাম এবং ইবনুল ইখওয়াহ রচিত আল-হিসবাহ।
টিকাঃ
[৯৭৭] তারীখুল মামালিক, পৃ. ১৩৭
[৯৭৮] কুদ্ধাতু দিমাশক, পৃ. ২০৭
📄 বিচারব্যবস্থার অধঃপতন
মামলুক শাসনামলকে অবসন্নতা পেয়ে বসেছিল। তা ছিল শক্তি এবং দুর্বলতার মাঝে দোদুল্যমান। শাসনকার্য পরিচালক সুলতানদের শক্তি, ক্ষমতা এবং যোগ্যতার মাঝে অনেক তারতম্য ছিল। সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং অর্থনৈতিক অবস্থানখুল কাদ্বা, পৃ. ৯৯; তারীখুল মামালিক, পৃ. ১৩৫; আন-নুযুমুল কাদ্বাইয়্যাহ, পৃ. ৬৮
[৯৭২] লিসানুল হুক্কাম, পৃ. ৯। আরও দেখুন, তারীখুল কাদ্বা, পৃ. ৯৯
[৯৭৩] সুবহুল আ'শা: ১১/৯৬
[৯৭৪] তারীখুল কাদ্বা, পৃ. ১০০
মামলুক শাসনামলকে অবসন্নতা পেয়ে বসেছিল। তা ছিল শক্তি এবং দুর্বলতার মাঝে দোদুল্যমান। শাসনকার্য পরিচালক সুলতানদের শক্তি, ক্ষমতা এবং যোগ্যতার মাঝে অনেক তারতম্য ছিল। সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং অর্থনৈতিক অবস্থান উৎকর্ষ এবং স্থবিরতার মাঝে তারা হাবুডুবু খাচ্ছিল। যার প্রভাব পড়েছিল বিচারব্যবস্থার ওপর। কিছু কিছু স্তর একটু একটু করে ক্ষয় হচ্ছিল। যা অর্থের মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয় শুরু হয়। অনেক সময় বিচারব্যবস্থার পদে মূর্খ এবং ব্যবসায়ীরা বসতে থাকে। অনেক বিচারক তো নিজেদের পদ ধরে রাখার জন্য সুলতানকে ঘুষ দিতেও বাধ্য হয়েছিলেন। ইতিহাসবিদ শামসুদ্দিন ইবনু তুলুন তারীখু দিমাশক গ্রন্থে এসব আলোচনা সুস্পষ্টভাবে করেছেন। এ গ্রন্থের ভূমিকায় এসেছে: 'বিচারব্যবস্থা সেদিন সম্মানের শীর্ষে অবস্থান করছিল, যেদিন এর দায়িত্ব নিয়েছিল আস্থাভাজন এবং বিশ্বস্ত জ্ঞানী ব্যক্তিরা। আবার যেদিন বিচারব্যবস্থা অর্থের মাধ্যমে কিনে নেওয়া হচ্ছিল, সেদিন ব্যবসায়ী এবং মূর্খরা এ দায়িত্ব পালন করে। বিচারব্যবস্থা তখন পতনের অতল গহ্বরে নিমজ্জিত হয়। এ গ্রন্থে সেসব বিচারকের কথাও আছে, যারা মামলুক শাসনামলে নিজেদের পদ এবং পূর্বের অবস্থান ধরে রাখতে মিশরের প্রশাসক এবং সুলতানদের ঘুষ দিয়েছিল। মিশরের প্রশাসকরা ঘুষ কেবল পছন্দই করত না, এটা তাদের প্রত্যাশাও ছিল।'
এরপর ইবনু তুলুন উদাহরণ বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, '২রা যিলকদ, ৮৩৯ হিজরি রোজ শনিবারে শামসুদ্দিন আস-সফাদি নিজের সাথে থাকা সম্পত্তির বিনিময়ে দামিস্কের হানাফি মাযহাবের বিচার বিভাগে বহাল থাকলেন। কিছুটা কম দিলে কাজ হবে-এ আশায় তিনি কায়রোতে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানেও মোটা অঙ্কের (ঘুষ) দিতে হয়। ... এরপর তাকে বরখাস্ত করা হলে এক হাজার স্বর্ণমুদ্রার বিনিময়ে আবার পদ ফিরে পান।'
বিচারক কিওয়ামুদ্দিন মুহাম্মাদ ইবনু মুহাম্মাদ আর-রুমি (৭৯৮-৮৫৮ হি.) ছিলেন হানাফি মাযহাবের প্রধান বিচারপতি। তার সম্পর্কে ঐতিহাসিক ইবনু তুলুন লিখেন, 'তিনি ছিলেন ফিকহ ও ফতোয়ার প্রতি মনোযোগী। ঘুষ প্রদান ব্যতীত একাধিকবার দামিস্কে হানাফি বিচারপতি পদে নিয়োগ পাওয়ায় তিনি অনেক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তিনি ছিলেন সচ্ছল এবং উন্নত মানসিকতার অধিকারী শ্রেষ্ঠ বিচারক। বুদ্ধিমত্তা, দ্বীনদারি, বিনয় এবং মর্যাদার ক্ষেত্রে তিনি অনন্য। দামিস্কের অন্যতম সদাচারী হিসেবে তাকে গণ্য করা হয়।
ইবনুল কুতুব আল-হানাফির জীবনীতে ইবনু তুলুন লিখেছেন, 'তিনি নববর্ষ উপলক্ষে দামিস্কের নায়েবের জন্য অর্থ ব্যয় করলে তাকে বিচারকার্য পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে তাকে বরখাস্ত করা হয়।
টিকাঃ
[৯৭৯] কুদ্দাতু দিমাশক, পৃ. ৭-৮
[৯৮০] কুদ্দাতু দিমাশক, পৃ. ২১৮; নিযামুল হুকমি ফিশ শারীআহ, পৃ. ১৫২
[৯৮১] কুদ্দাতু দিমাশক, পৃ. ২২২
[৯৮২] কুদ্ধাতু দিমাশক, পৃ. ২২৫
[৯৮৩] কুদ্ধাতু দিমাশক, পৃ. ২০৬