📄 মিশরের কয়েকজন বিচারক
আমরা এখানে মিশরের কয়েকজন আব্বাসি বিচারকের নাম উল্লেখ করছি:
✔ গাউস ইবনু সুলাইমান আল-হাদরামি। ১৩৫ থেকে ১৪০ হিজরি অবধি বিচারকার্য পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন। দীর্ঘসময় বিচারকার্য পরিচালনার পর দ্বিতীয়বারের মতো দায়িত্ব গ্রহণ করেন। খলিফা মানসুরের যুগে মিশরে তিনিই সর্বপ্রথম সাক্ষ্যদের সম্পর্কে গোপনে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন। মোট তিন বার মিশরের বিচারকার্য পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছিলেন।
✔ আবদুল্লাহ ইবনু লাহিআহ ১৫৫ হিজরির শুরুতে খলিফা আবু জাফরের পক্ষ থেকে বিচারক নিযুক্ত হন। মিশরে খলিফার পক্ষ থেকে নিযুক্ত সর্বপ্রথম বিচারক ছিলেন তিনি। তাঁর বেতন ছিল মাসে ৩০ দিনার।
✓ ইসমাঈল ইবনুল ইয়াসা আল-কিন্দি। তিনি ছিলেন মিশরে হানাফি মাযহাবের অনুসারী প্রথম বিচারক। খলিফা আল-মাহদির পক্ষ থেকে বিচারক নিযুক্ত হয়েছিলেন। তিনি ছিলেন শ্রেষ্ঠ বিচারকদের অন্যতম। মিশরের বাসিন্দাদের সাথে তাঁর ফিকহি মতাদর্শের অমিল হওয়ায় তাঁকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
✔ আল-মুফাদদাল ইবনু ফাদ্বালাহ। খলিফা আল-মাহদির তরফ থেকে প্রেরিত পত্র মারফত তিনি মিশরের বিচারকার্য পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। তাঁর বেতন ছিল মাসে ৩০ দিনার। তিনিই প্রথম নথি সম্প্রসারণ করে তাতে ওসিয়ত এবং ঋণ অন্তর্ভুক্ত করেন। তাঁর আগে এটার প্রচলন ছিল না।
✓ আলি ইবনুল হুসাইন ইবনি হারব। বাগদাদের লোকদের কাছে ইবনু হারবুয়াহ নামে পরিচিত ছিলেন তিনি। ২৯৩ হিজরিতে মিশরের বিচারকার্য পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দীর্ঘ ১৮ বছর এ দায়িত্বরত ছিলেন। তাঁর অনেক কীর্তি রয়েছে।
টিকাঃ
[৭৬০] আল-উলাতু ওয়াল কুদ্বাহ, পৃ. ৩৫৯, ৩৬১ ও ৩৭৩
[৭৬১] আল-উলাতু ওয়াল কুদ্বাহ, পৃ. ৩৬৮
[৭৬২] আল-উলাতু ওয়াল কুদ্ধাহ, পৃ. ৩৭১
[৭৬৩] আল-উলাতু ওয়াল কুদ্ধাহ, পৃ. ৩৭৭
[৭৬৪] আল-উলাতু ওয়াল কুদ্বাহ, পৃ. ৪৮১, ৫২৩; তবাকাতুশ শাফিইয়্যাতিল কুবরা: ৩/৪৪৬ এবং ৪৮০