📄 আলা ইবনুল হাদরামি
তিনি মূলত হাদরামাউতের অধিবাসী ছিলেন। তার বাবা মক্কায় থাকার কারণে সেখানেই তার জন্ম এবং বেড়ে ওঠা। তিনি যে-দুআ করতেন, সেটাই কবুল হতো। মাত্র কয়েকটি কথা বলে তিনি সাগরে নেমে পড়েছিলেন। তিনিই সর্বপ্রথম পারস্যের দ্বীপ জয় করেন এবং যুদ্ধের জন্য সর্বপ্রথম সাগর পাড়ি দেন।
৮ম হিজরিতে নবি তাকে বাহরাইনের প্রশাসক নিযুক্ত করেন। যাকাত সংগ্রহ করার দায়িত্ব তার ওপর ন্যস্ত থাকায় যাকাতের পদ্ধতি কী হবে, সে সংক্রান্ত একটি পত্রও তাকে দিয়েছিলেন। বাহরাইনের লোকদের মাঝে বিচারকার্য পরিচালনা, সেখানে শরীয়ত প্রতিষ্ঠা এবং জুলুমের দমন করা ছিল আল-আলা -এর দায়িত্ব।
বনু আবদুল কায়সের উদ্দেশ্যে প্রেরিত ফরমানে নবি লিখেছিলেন, ‘আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদের তরফ থেকে আল-আকবার ইবনু আবদিল কায়সের প্রতি।... আলা ইবনুল হাদরামি হচ্ছে বাহরাইনের জলে-স্থলে, নগরে, সৈন্যদের মধ্যে এবং সেখানকার উৎপাদিত ফসলের মাঝে আল্লাহর রাসূলের তরফ থেকে তত্ত্বাবধায়ক। বাহরাইনবাসীর দায়িত্ব হলো সব ধরনের অনিষ্ট হতে তাকে রক্ষা করা এবং জুলুমের মোকাবিলায় তার পাশে দাঁড়ানো। ইনসাফ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তাকে সহায়তা করা হবে এবং জিহাদের সময় তাদের প্রতি ন্যায্য আচরণ করা হবে। এই নির্দেশের মাঝে কোনো রকম রদবদল করা হবে না।'
অন্য বর্ণনায় আছে, উট, গরু, বকরি, ফল-ফসল এবং সম্পদের ক্ষেত্রে যাকাতের হার কী হবে, আল-আলা -কে নবি সেটা লিখে দিয়েছিলেন। আল-আলা সেটা মানুষকে শুনিয়ে তাদের থেকে যাকাত উসুল করতেন। এ ছাড়াও তাকে বাহরাইনের বিচারক নিযুক্ত করার সময় যে পত্র দেওয়া হয়েছিল, সেটা পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে। অনেক সাহাবি সে পত্রের ব্যাপারে সাক্ষী ছিলেন।
নবি-এর ইন্তেকালের সময় আল-আলা বাহরাইনের দায়িত্বে ছিলেন। এরপর আবু বকর এবং উমর-ও তাকে সে পদে বহাল রাখেন। পরবর্তীকালে উমর তাকে বসরায় প্রেরণ করলে তামীম এলাকার কাছাকাছি পৌঁছলে পথিমধ্যেই তার ইন্তেকাল হয়ে যায়। কারও কারও মতে, বাহরাইনেই তিনি ইন্তেকাল করেন। এটা ২১ হিজরি মোতাবেক ৬৪২ খ্রিস্টাব্দের কথা।
টিকাঃ
[১৫৮] তাবাকাতু ইবনি সাদ: ১/২৮৩
[১৫৯] তাবাকাতু ইবনি সাদ: ১/২৬৩
[১৬০] তাবাকাতু ইবনি সাদ: ১/২৭১
[১৬১] আল-ইসাবাহ: ৪/২৫৯; তাহযীবুল আসমা ১/৩৪১; আল-আলাম: ৫/৪৫
📄 আত্তাব ইবনু উসাইদ
তার উপনাম আবু আবদির রহমান। তিনি ছিলেন কুরাইশ বংশীয়। মক্কা বিজয়ের দিন তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। বিজয়ের পর নবি মক্কা থেকে প্রত্যাবর্তনের সময় তাকে সেখানকার প্রশাসক ও বিচারক নিযুক্ত করে গিয়েছিলেন। হিজরতের ১৩ বছর পূর্বে ৬১০ খ্রিষ্টাব্দে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। রাসূল-এর পরে আবু বকর এ-ও তাকে সে পদে বহাল রাখেন। আবু বকর এবং তার ইন্তেকাল একই দিনে হয়েছিল। অন্য বর্ণনামতে, আবু বকর-এর ইন্তেকালের সংবাদ যেদিন মক্কায় এসে পৌঁছে, সেদিনই তার ইন্তেকাল এবং দাফন হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَاجْعَلْ لِي مِن لَّدُنْكَ سُلْطَنَا نَصِيرًا আপনার পক্ষ থেকে আমাকে সাহায্যকারী ক্ষমতা দান করুন।
এর আলোচনায় আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস বলেছেন, 'আত্তাব ইবনু উসাইদকে রাসূলুল্লাহ মক্কার প্রশাসক নিযুক্ত করেছিলেন। তখন জালিমের বিরুদ্ধে মজলুমের জয় হয়েছিল।' জাবির ইবনু আবদিল্লাহ বলেছেন, আত্তাব ইবনু উসাইদকে মক্কার প্রশাসক নিযুক্ত করার সময় নবি তার ভাতা ৪০ উকিয়া রুপা নির্ধারণ করেছিলেন। অন্য বর্ণনায় আছে, তার জন্য প্রতিদিন এক দিরহাম নির্ধারণ করেছিলেন। এটাই ছিল (ইসলামের ইতিহাসে) প্রথম সরকারি কর্মচারীর ভাতা।
টিকাঃ
[১৬২] সূরা ইসরা, ১৭:৮০
[১৬৩] ১ উকিয়া = ১০.৫ তোলা/১২২.৪৭২ গ্রাম
[১৬৪] আল-ইসাবাহ: ৪/২১১; তাহযীবুল আসমা: ১/৩১৮
📄 আমর ইবনুল আস
মিশর বিজেতা হিসেবে তিনি প্রসিদ্ধ। ইতিহাসের অন্যতম মহান কুশলী এবং বিচক্ষণ ব্যক্তি। হিজরতের ৫০ বছর আগে ৫৭৪ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। জাহিলি জীবনে তিনি ছিলেন ঘোর ইসলামবিরোধী। ৭ম হিজরিতে খায়বার যুদ্ধের বছর হাবাশায় ইসলাম গ্রহণ করেন। তারপর মদীনায় এসে ইসলামের ঘোষণা দেন। নবি যাতুস সালাসিল অভিযানে তাকে সেনাপতি নির্ধারণ করেছিলেন। পরবর্তীকালে তাকে ওমানের প্রশাসক নিযুক্ত করেন। পরবর্তীকালে আবু বকর তাকে শাম অভিমুখে জিহাদের সেনাপতি বানিয়ে প্রেরণ করেন। অবশেষে উমর -এর খিলাফতকালে শাম বিজিত হয়। এ ছাড়াও তিনি কিনসিরিন জয় করেন এবং হালব, মানবিজ এবং আনতাকিয়ার অধিবাসীদের সাথে সন্ধি করেন।
উমর তাকে ফিলিস্তিনের প্রশাসক নিযুক্ত করেছিলেন। পরবর্তীকালে মিশরের দায়িত্ব দিলে তার হাতেই তা বিজিত হয়। উসমান-এর খিলাফতকালে চার বছর সেখানকার প্রশাসক ছিলেন। সিফফিন যুদ্ধের সময় তিনি ছিলেন অন্যতম সালিশ। ৩৮ হিজরিতে মুআবিয়া তাকে পুনরায় মিশরের প্রশাসক নিযুক্ত করেন। অবশেষে ৪৩ হিজরি মোতাবেক ৬৬৪ খ্রিষ্টাব্দে তিনি ইহজগতের সফর সমাপ্ত করেন।
নবি যে তাকে মদীনায় একটি মোকদ্দমা নিষ্পত্তির দায়িত্ব দিয়েছিলেন, সে ঘটনা আমরা পেছনে উল্লেখ করেছি。
📄 হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান
তার বাবার প্রকৃত নাম ছিল হিসল ইবনু জাবির। তাদের আদি নিবাস ছিল ইয়ামানে। হুযাইফা তার বাবার উপনামেই প্রসিদ্ধি লাভ করেন। তার বাবা উহুদ যুদ্ধে শহীদ হওয়ার পর হুযাইফা খন্দক-সহ পরবর্তী সব যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। মুনাফিকদের ব্যাপারে রাসূল-এর গোপন কথা তার জানা ছিল। নিহাওয়ান্দ যুদ্ধে নুমান ইবনুল মুকরিনের শাহাদাতের পর তিনি পতাকা ধারণ করেন। উমর তাকে মাদায়েনের প্রশাসক নিযুক্ত করেছিলেন। এ দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় ৩৬ হিজরি মোতাবেক ৬৫৬ খ্রিষ্টাব্দে তার ইন্তেকাল হয়।
ফিতনা থেকে বেঁচে থাকার আশায় নবি-এর কাছে এ সম্পর্কে তিনি বেশি বেশি জানতে চাইতেন। মদীনায় সীমানা-সংক্রান্ত একটি কলহ নিরসনের জন্য নবি তাকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। ঘটনাটি আমরা পূর্বে উল্লেখ করেছি।
সর্বশেষে আমরা এমন কিছু বর্ণনা উল্লেখ করছি, যা-তে নববি যুগে কোনো কোনো সাহাবির বিচারকার্য পরিচালনার আভাস পাওয়া যায়। তবে তা সাব্যস্ত করার মতো শক্তিশালী দলিল না পাওয়ায় আমরা কেবল সংক্ষিপ্ত ইঙ্গিত প্রদান করেই ক্ষান্ত থাকব।
(ক) উমর ইবনুল খাত্তাব: পূর্বে এ বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু উমর-এর বর্ণনা আমরা উল্লেখ করেছি। যা থেকে বুঝে আসে যে, উমর নবিজির যুগেও বিচারকার্য পরিচালনা করেছিলেন। আর আবু বকর-এর খিলাফতকালে তার বিচারকার্য পরিচালনার বিবরণ আমরা সামনে উল্লেখ করব।
(খ) দিহইয়াতুল কালবি: নবি ইয়ামানের সীমান্তে বিচারকার্য পরিচালনার জন্য তাকে প্রেরণ করেছিলেন বলে বর্ণনা পাওয়া যায়। তবে এই বর্ণনার শুদ্ধতা আমরা জানতে পারিনি। দিহইয়াতুল কালবি ছিলেন প্রবীণ সাহাবি। বদর যুদ্ধের পর সব যুদ্ধেই নবি-এর সাথে তিনি অংশগ্রহণ করেছিলেন। রোমসম্রাট হিরাকলের উদ্দেশ্যে লিখিত পত্রটি দিহইয়াতুল কালবি-কে দিয়ে রাসূল বুসরার শাসকের কাছে পাঠিয়েছিলেন। সৌন্দর্যের ক্ষেত্রে দিহইয়াতুল কালবি ছিলেন কিংবদন্তিতুল্য। জিবরীল -ও অনেক সময় তার আকৃতি ধারণ করে আগমন করতেন। ইয়ারমুকের যুদ্ধে তিনি অংশগ্রহণ করেছিলেন। দামিকের মিযযা অঞ্চলে বসবাস করতেন। ৪৫ হিজরি মোতাবেক ৬৬৫ খ্রিষ্টাব্দে তিনি ইন্তেকাল করেন।
(গ) যায়িদ ইবনু সাবিত: তিনি ছিলেন বিশিষ্ট ওহিলেখক। তার উপনাম ছিল আবু সাঈদ। বিচারকার্য পরিচালনা, ফতোয়া প্রদান, কুরআনের পঠনপদ্ধতি এবং ফারায়েজের ব্যাপারে তিনি ছিলেন মদীনার শীর্ষস্থানীয় আলিম। আবু বকর-এর যুগে কুরআন সংকলন, আবার উসমান-এর যুগে তার কপি করেছেন এমন তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তির মাঝে তিনি ছিলেন অন্যতম। ৫৪ হিজরি মোতাবেক ৬৭৪ খ্রিষ্টাব্দে তিনি ইন্তেকাল করেন।
দাউদ ইবনু আমির বলেন, 'এই উম্মতের বিচারক চারজন। তাঁরা হলেন উমর, আলি, যায়িদ এবং আবু মূসা আশআরি।'
এ কথা থেকে যায়িদ -এর নববি যুগে বিচারকার্য পরিচালনা করার কথা বুঝে আসে। তবে তার সপক্ষে কোনো বর্ণনা আমি পাইনি। অবশ্য রাশিদিনের যুগে তিনি-যে বিচারকার্য পরিচালনা করতেন, তার সপক্ষে বর্ণনা আছে। পরবর্তীকালে যথাস্থানে তা উল্লেখ করা হবে।
(ঘ) আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ: তিনি ছিলেন প্রাথমিক যুগে ইসলাম গ্রহণকারীদের অন্যতম। তার উপনাম ছিল আবু আবদির রহমান। তিনি ছিলেন মক্কার বাসিন্দা। মক্কায় সর্বপ্রথম উঁচু আওয়াজে কুরআন তিলাওয়াত করায় কাফিরদের নির্যাতন ভোগ করেছিলেন। প্রথমে হাবাশায় পরে মদীনায় হিজরত করেন। নিবাসে-প্রবাসে সর্বত্রই তিনি ছিলেন নবি-এর বিশ্বস্ত খাদেম। নবিজির জীবদ্দশায় সবগুলো অভিযানে শরিক ছিলেন, আবার তাঁর ইন্তেকালের পর শামের অভিযান ইয়ারমুকের যুদ্ধেও অংশগ্রহণ করেন।
তিনি ছিলেন দুনিয়াবিরাগী, ফকিহ এবং প্রবীণ সাহাবিদের অন্যতম। কুরআন, ফিকহ এবং বিচারকার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে অগ্রগামী ছিলেন। মানুষকে দ্বীন শেখানোর জন্য উমর তাকে কুফাতে পাঠিয়েছিলেন। তার মাধ্যমেই সেখানে ফিকহের বিস্তার ঘটে। সেখানে তিনি বিচারকার্য পরিচালনা এবং বাইতুল মালের তত্ত্বাবধানও করতেন। উসমান-এর খিলাফতকালে তিনি মদীনায় ফিরে আসেন। ৩২ হিজরি মোতাবেক ৬৫৩ খ্রিষ্টাব্দে তিনি ইন্তেকাল করেন।
কোনো কোনো বইয়ে এসেছে যে, নববি যুগেই তিনি বিচারকার্য পরিচালনা করতেন। অবশ্য সেটা প্রমাণিত নয়। সম্ভবত উমর-এর যুগে তিনি মদীনা এবং কুফায় বিচারকার্য পরিচালনা এবং ফতোয়া প্রদান করতেন বলেই তাকে সাহাবি বিচারক বলে গণ্য করা হয়।
ইবনু সীরিন সূত্রে বর্ণিত আছে, উমর একবার আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ -কে লক্ষ্য করে বললেন, 'শুনলাম, আপনি নাকি বিচার-আচার করে থাকেন! যদিও আপনার সেরকম কোনো দায়িত্ব নেই।' আবদুল্লাহ তখন হাঁ-বাচক উত্তর দিলে উমর বললেন, 'বেশ তো; ক্ষমতার স্বাদ যখন উপভোগ করেছেন, এবার তাহলে তার তিক্ততাও ভোগ করুন।'
কাতাদা বলেছেন, 'সাহাবিদের মাঝে বিচারক ছিলেন ছয়জন—উমর, আলি, উবাই ইবনু কাব, আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ, আবু মূসা আশআরি এবং যায়িদ ইবনু সাবিত।' এ কথাটা মাসরুক বলেছেন এভাবে, 'রাসূলুল্লাহ -এর যুগে ছয়জন সাহাবি বিচারকার্য পরিচালনা করতেন...।'
(ঙ) বিভিন্ন প্রশাসক: রাসূলুল্লাহ কর্তৃক বিভিন্ন অঞ্চলে প্রশাসক নিয়োগের কথা পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে। তারা বিচারকার্য পরিচালনা এবং বিবাদের মীমাংসা করতেন। যদিও তাদের বিচারকার্য সম্পর্কে জানা যায় না।
(চ) রাশিদ ইবনু আবদিল্লাহ আস-সুলামি। কেউ কেউ তার নাম রাশিদ ইবনু হাফস বা রাশিদ ইবনু আবদি রব্বিহিও বলেছেন। তার উপনাম আবু আসিলা। পূর্বে তার নাম ছিল গাবি ইবনু জালিম। রাসূলুল্লাহ সেটা পালটে রাশিদ ইবনু আবদিল্লাহ রেখেছেন। তিনি ছিলেন সুলাইম গোত্রের সুওয়া নামক মূর্তির রক্ষী। একদিন দুটি শেয়াল মূর্তিটির ওপর প্রস্রাব করছে দেখে তিনি বললেন, এ আবার কেমন প্রতিপালক, যার মাথায় দুই-দুটো শেয়াল প্রস্রাব করছে! শেয়ালের প্রস্রাব মাথায় নিয়ে কেউ কি সম্মানিত হতে পারে?
এরপর মূর্তিটি গুঁড়িয়ে দিয়ে নবি-এর কাছে হাজির হয়ে তিনি ইসলাম গ্রহণ করলেন। এরপর তার সাথে মুসলিম হওয়া এক হাজার লোককে সাথে নিয়ে মক্কা বিজয়ের অভিযানে অংশগ্রহণ করেন। কাবাতে থাকা মূর্তিগুলো পতিত হতে দেখে তিনি কবিতা আবৃত্তি করেন। রাসূলুল্লাহ তার সম্পর্কে বলেছিলেন, 'রাশিদ হলো সুলাইম গোত্রের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি।' তার খাতিরেই তার গোত্রের সাথে রাসূল চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন। নবিজি তার জন্য একটি ফরমান লিখে দেন। রাশিদ ইবনু আবদিল্লাহ-কে রাসূলুল্লাহ মজলুম এবং মুসলিমদের মাঝে বিচার করার দায়িত্ব দিয়েছিলেন বলে সীরাতের কিতাবাদিতে উল্লেখ রয়েছে।
টিকাঃ
[১৬৫] আল-কাদ্বা ফী সদরিল ইসলাম, পৃ. ৬৪
[১৬৬] বুসরার বর্তমান নাম ধরান। এখানেই কিশোর মুহাম্মাদ -এর সাথে পাদরি বাহীরার ঐতিহাসিক সাক্ষাৎ ঘটেছিল।
[১৬৭] তাহযীবুল আসমা ১/১৮৫; সিয়ারু আলামিন নুবালা: ২/৫৫
[১৬৮] তবাকাত ইবনি সাদ: ২/৩৫১
[১৬৯] আল-ইসাবাহ: ৪/১২৯; উসুদুল গাবাহ: ৩/৩৮৪
[১৭০] আখবারুল কুদ্ধাহ: ১/৫ ও ৮৩
[১৭১] আখবারুল কুদ্ধাহ: ১/১০৪-১০৫
[১৭২] আল-ইসাবাহ: ২/১৮৫; উসুদুল গাবাহ: ২/১৮৭; তবাকাতু ইবনি সাদ: ১/২৭৪ ও ৩০৭