📄 ৫. শিক্ষাগত কারণ
প্রাচ্যীয় পণ্ডিতদের খুব অল্প সংখ্যক গবেষকই আছেন যাদের স্টাডি নানান জাতি, তাদের ধর্মমত, সংস্কৃতি ও ভাষা প্রভৃতি নিয়ে এবং খোলা মনে আলোচনার জন্য। এসব গবেষকের খুব কম সংখ্যকই ইসলামি জ্ঞান-ভাণ্ডারের অভিজ্ঞতা অর্জনে ভ্রান্তির শিকার হন; বরং তারা অতি সহজেই সঠিক বিষয়টি বুঝতে পারেন। কেননা, ষড়যন্ত্র বা বিকৃতি সাধনের কোনো পরিকল্পনা তাদের (আগে থেকে) থাকে না।
ফলে ঐসব প্রাচ্যীয় মনীষীদের আলোচনা-গবেষণাগুলো সত্যাশ্রয়ী হয় এবং অন্যান্য গবেষকদের থেকে (তুলনামূলক) ত্রুটি মুক্ত হয়; বরং তাদের কেউ কেউ তো ইসলামের নির্দেশিত পথ অনুকরণ করেন এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।
নিশ্চিতভাবে একথা বলা চলে, তারা প্রচুর সম্পদ-সম্পত্তির অধিকারী ছিলেন। (তাদের নিষ্ঠা ও আমানতদারিতার কারণে প্রাচ্যীয় পণ্ডিতদের মতবাদের দিকে ফিরিয়ে নেওয়া আর সম্ভব নয়) এর কারণ হলো, তাদের আলোচনা-গবেষণাগুলো ছিল প্রবৃত্তির দাসত্ব হতে মুক্ত। গতানুগতিক চিন্তা ধারার ছিল না। ধর্মীয় মিশনারি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সাধারণ সমালোচক প্রমুখের কোন প্রভাব প্রতিফলিত হয়নি। যে কারণে তাদের গবেষণার কোনো লাভ ও অর্জন অন্যরা দেখেনি। এ ক্ষুদ্র দলটিই মধ্যপন্থি প্রাচ্যীয় মনীষীদের অন্তর্ভুক্ত।