📄 সমস্যা হতে উত্তরণের জন্য করণীয়
স্কুল-কলেজ ও ভার্সিটির ভাইদেরকে কণ্টকাকীর্ণ ধারণা হতে উত্তরণের জন্য করণীয় :
প্রথমত: আমাদের কর্তৃপক্ষ তথা শিক্ষার পরিচর্যাকারী শিক্ষকনগুটীকে সতর্ক ও সচেতন হতে হবে। গবেষণাকে আপন মতাদর্শের অনুকুলে আনার চেষ্টা না করে বাস্তবতার আঙ্গিকে লেখার প্রয়াস চালাতে হবে।
দ্বিতীয়ত: শিক্ষার্থীদের সচেতনতার সাথে পাঠ্যবই সংগ্রহ করতে হবে। বাজারে বই আসলেই তা সংগ্রহ করা চলবে না। আর কোনো বইয়ে উদ্ধৃতি থাকলেই তা সত্য, বাস্তবতা কিংবা ওহি হয়ে যায় না; বরং দেখতে হবে- ঐ উদ্ধৃতি আসল বইটিতে আছে কি-না, থাকলে তিনি কোথা থেকে গ্রহণ করেছেন, এর বাস্তবতা কতটুকু। এটি কী অস্বীকৃত মন্তব্য নাকি মনগড়া সিদ্ধান্ত।
তৃতীয়ত: ইসলাম ও তার আদর্শ সম্পর্কে আমাদের কলেজ-ভার্সিটিতে খুব কম জানার সুযোগ থাকে; যার কারণে আমাদের শিক্ষার্থীরা ইসলাম সম্পর্কে একেবারে অজ্ঞ থাকে। তারা মনে করে ইসলাম হলো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, রমাদানে এক মাসের রোজা, ইদুল ফিতর ও ইদুল আজহার দুই ঈদ- এই আর কী। তাদের কাছে ইসলাম পূর্ণাঙ্গ না। ইসলামকে তারা জীবনের সর্বক্ষেত্রে প্রয়োগের উপযোগীও মনে করে না।
এজন্য আমাদের শিক্ষার্থী ভাইদের এই শূন্যতা পূর্ণ করতে হবে। কুরআন পাঠ ও অধ্যয়ন করতে হবে। তাফসির পড়তে হবে এবং হাদিস জানতে হবে। ইসলামি জীবনব্যবস্থা জানার জন্য ফিক্হ অধ্যয়ন করতে হবে। আত্মশুদ্ধির জন্য শাইখদের কাছে যেতে হবে। আর ঐসব প্রাচ্যীর পণ্ডিতদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। তাদের উত্থাপিত বাতিল প্রশ্ন ও মন্তব্যের জবাব জানতে হবে। এজন্য আলেম-ওলামাদের বই অধ্যয়ন করতে হবে।