📘 ইসলামের উপর প্রাচ্যীয় পন্ডিতদের নগ্ন হামলা > 📄 দ্বিতীয় ধাপ : খ্রিস্টানদের পরিচালনায় মাদ্রাসা

📄 দ্বিতীয় ধাপ : খ্রিস্টানদের পরিচালনায় মাদ্রাসা


ইসলামের বিকৃতি সাধন ও কুরআন-হাদিসের ভুল ব্যাখ্যা সাধারণ খ্রিস্টান ও মুসলিমদের মাঝে তুলে ধরার জন্য নিজেরাই তৈরি করেন ইসলামি মাদরাসা। মুসলিমদের মতই অভিন্ন কুরআন-হাদিসের পাঠদান করা হবে; তবে ব্যাখ্যা করা হতো নিজেদের উদ্দেশ্য ও বিশ্বাস অনুপাতে। সব কিছুকে বুঝানো হতো বিভ্রান্তিকর বিশ্লেষণ করে। বিভ্রান্তিকর মাদরাসার ছাত্ররাই পরবর্তীর্তে বিভিন্ন দেশে এসে মুসলিমদের মাঝে মিশে যায়। মুসলিমদের সরলতা ও উদারতার সুযোগে সঠিক ইসলামি বিদ্য বিচ্ছারক হিসাবে নিয়োগ লাভ করত। মসজিদের ইমাম হিসাবে দায়িত্ব পালন করত। অমুসলিম রাষ্ট্রের গুপ্তচর হিসাবেও কাজ করত। বিশেষ শ্রেণির অমুসলিম নারী-पुरुषকে এ কাজে নিয়োগ করা হত। এদেরকে দেখে মনে হতো তারাই প্রকৃত মুসলিম। তাদের স্বাভাবিক চলা-ফেরার ছিল মুসলিমদের সাধারণ রীতি-আচার। চতুরতা দিয়ে মুসলিমদেরকে নিজেদের প্রতি আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয়েছিল। মুসলিমদের আকিদা-বিশ্বাসকে ধ্বংস করতে তাদের সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হল।
কুরআন-হাদিসের উপর আঘাত করার পাশাপশি তখনকার ওরিয়েন্টালিস্টের অন্যতম টার্গেট ছিল মুসলিম ও ইসলামি রাষ্ট্রকে দুর্বল করা। তাই মুসলিম দেশে ছড়িয়ে পড়া ওরিয়েন্টালিস্টদের গুপ্তচর বৃত্তির কাজে নিয়োগ করা হয়। এ কাজে তারা দক্ষতার পরিচয় দেয়। মুসলিমদের মাঝে বিভক্তি সৃষ্টি করে। আমির-উমরা ও উজির-নাজিরদেরকে ক্ষমতা ও নারীর লোভ-টোপ বিভাজনে লিপ্ত করে। এই পদ্ধতি সুলতান সালাহুদ্দিন আইয়ুবীর যুগসহ আরো কয়েকশ বছর পরিচালিত হয়। আর এখনো ইসলামি নেতাদের ক্ষেত্রে এ প্রক্রিয়া ব্যবহার করছে পশ্চিমাবিশ্ব।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00