📘 ইসলামের উপর প্রাচ্যীয় পন্ডিতদের নগ্ন হামলা 📄 প্রথম ধাপ : মিশনারি তৎপরতা

📄 প্রথম ধাপ : মিশনারি তৎপরতা


ইহুদি-খ্রিস্টানদের একটি শ্রেণি রয়েছে, যারা তাদের ধর্মের সহযোগিতার লক্ষ্যে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়। পূর্বেকার সময় গীর্জার পাদ্রীগণ এ কাজের দায়িত্ব নিতেন। ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা খ্রিস্টানদের বুঝাতেন। সাধারণ খ্রিস্টানদের মুসলিমদের থেকে দূরে সরিয়ে রাখতেন। এজন্য তারা দেশে দেশে ধর্ম প্রচারের নামে ইসলামের বিকৃত ঘটানোর জন্য মিশনারি মিশন পরিচালনা করত। তারা অতি সংগোপনে এ কাজ করত। এক সময় মিশনারি অনেক কার্যকরী হলেও পরবর্তীতে তা অকার্যকর হয়ে পড়ে। ফলে পাদ্রীরা তাদের পদ্ধতি পরিবর্তন করেন।

📘 ইসলামের উপর প্রাচ্যীয় পন্ডিতদের নগ্ন হামলা 📄 দ্বিতীয় ধাপ : খ্রিস্টানদের পরিচালনায় মাদ্রাসা

📄 দ্বিতীয় ধাপ : খ্রিস্টানদের পরিচালনায় মাদ্রাসা


ইসলামের বিকৃতি সাধন ও কুরআন-হাদিসের ভুল ব্যাখ্যা সাধারণ খ্রিস্টান ও মুসলিমদের মাঝে তুলে ধরার জন্য নিজেরাই তৈরি করেন ইসলামি মাদরাসা। মুসলিমদের মতই অভিন্ন কুরআন-হাদিসের পাঠদান করা হবে; তবে ব্যাখ্যা করা হতো নিজেদের উদ্দেশ্য ও বিশ্বাস অনুপাতে। সব কিছুকে বুঝানো হতো বিভ্রান্তিকর বিশ্লেষণ করে। বিভ্রান্তিকর মাদরাসার ছাত্ররাই পরবর্তীর্তে বিভিন্ন দেশে এসে মুসলিমদের মাঝে মিশে যায়। মুসলিমদের সরলতা ও উদারতার সুযোগে সঠিক ইসলামি বিদ্য বিচ্ছারক হিসাবে নিয়োগ লাভ করত। মসজিদের ইমাম হিসাবে দায়িত্ব পালন করত। অমুসলিম রাষ্ট্রের গুপ্তচর হিসাবেও কাজ করত। বিশেষ শ্রেণির অমুসলিম নারী-पुरुषকে এ কাজে নিয়োগ করা হত। এদেরকে দেখে মনে হতো তারাই প্রকৃত মুসলিম। তাদের স্বাভাবিক চলা-ফেরার ছিল মুসলিমদের সাধারণ রীতি-আচার। চতুরতা দিয়ে মুসলিমদেরকে নিজেদের প্রতি আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয়েছিল। মুসলিমদের আকিদা-বিশ্বাসকে ধ্বংস করতে তাদের সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হল।
কুরআন-হাদিসের উপর আঘাত করার পাশাপশি তখনকার ওরিয়েন্টালিস্টের অন্যতম টার্গেট ছিল মুসলিম ও ইসলামি রাষ্ট্রকে দুর্বল করা। তাই মুসলিম দেশে ছড়িয়ে পড়া ওরিয়েন্টালিস্টদের গুপ্তচর বৃত্তির কাজে নিয়োগ করা হয়। এ কাজে তারা দক্ষতার পরিচয় দেয়। মুসলিমদের মাঝে বিভক্তি সৃষ্টি করে। আমির-উমরা ও উজির-নাজিরদেরকে ক্ষমতা ও নারীর লোভ-টোপ বিভাজনে লিপ্ত করে। এই পদ্ধতি সুলতান সালাহুদ্দিন আইয়ুবীর যুগসহ আরো কয়েকশ বছর পরিচালিত হয়। আর এখনো ইসলামি নেতাদের ক্ষেত্রে এ প্রক্রিয়া ব্যবহার করছে পশ্চিমাবিশ্ব।

ফন্ট সাইজ
15px
17px