📄 ধর্মভিত্তিক ওরিয়েন্টালিজম
পৃথিবীতে ওরিয়েন্টালিজম পোষণ করছে যে শ্রেণি, তাদের বড় অংশটি হলো পূর্বেকার দুটি আসমানি ধর্মের অনুসারী ইহুদি-খ্রিস্টান। ইসলামের ব্যাপারে তাদের সমালোচনাগুলো আমাদের চোখে পরে বেশি। ইসলাম সম্পর্কে তাদের নানা চিন্তা-চেতনা ও গবেষণা পুস্তাকারে বইয়ের দোকানগুলোতে দেখা যায়। কোন কোন বইতে তো তারা মুসলিমদের চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন তাদের আপত্তিগুলো খণ্ডন করতে। যদিও তাদের ঐ সব আপত্তি ও সমালোচনার বস্তুনিষ্ঠ সমাধান পেশ করা হয়েছে। তথাপি উদ্ভ্রান্ততাই তাদের কাছে পছন্দনীয়। তাই ইসলামের বাণী তাদের অন্তরে শান্তির ছায়া দান করতে পারেনি। তারা ভ্রান্তই থেকে গেছেন।
ইহুদি-খ্রিস্টানদের পাশাপাশি হিন্দু-বৌদ্ধ সমালোচকদের কিছু আপত্তি দেখা যায়; কিন্তু অন্যদের মত তাদের একেশ্বরহীনতা ও আসমানি কিতাব না থাকার কারণে ধর্ম-বিশ্বাস পুরোটাই ইসলাম বিরোধী। পাশাপাশি ইহুদি-খ্রিস্টানদের ধর্মমতেরও বিরোধী। তবে হিন্দু-বৌদ্ধ তথা মুশরিকশ্রেণির সমালোচকদের সংখ্যা খুবই কম। তাদের সমালোচনাগুলোও তেমন তাত্ত্বিক নয়। নিজেদের মতের বিপরীত হলে মানুষ যা বলে- তা-ই তাদের সমালোচনার মূল উপকরণ।
ইসলামকে সমালোচিত করার জন্য এখন পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলো এককভাবে কাজ করছে। বাহ্যিকভাবে ইসলামি রাষ্ট্রগুলোর উপর সন্ত্রাস নামের তোকমা বসাচ্ছে। চাপিয়ে দিচ্ছে গৃহযুদ্ধ বা আন্তর্জাতিক যুদ্ধ। অন্যথায় দলাদলির মাধ্যমে বিভক্ত করা হচ্ছে আমজনতা ও ইসলামি জ্ঞানী সমাজকে। আমাদেরকে সার্বক্ষণিক তাদের অপকর্ম ও অপপ্রচারের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন। ইসলাম ও মুসলিমদের ইয্যত-সম্মান রক্ষা করুন।
📄 মুসলিম ওরিয়েন্টালিস্ট
অমুসলিম ওরিয়েন্টালিস্টদের অপপ্রচার ও বিভ্রান্তির বেড়াজাল ছিন্ন করে সত্যের আহ্বানে অনেকে সাড়া দিয়েছেন। তারাও একসময় অমুসলিম ওরিয়েন্টালিস্ট ছিলেন। গবেষণা আর পর্যালোচনা তাদেরকে সত্যের আলো দেখিয়েছে। জেনে শুনে ইসলামকে তারা নিজের ব্যক্তি জীবনে স্বীকার করে নিয়েছেন। ত্যাগ করেছেন খ্রিস্টধর্ম। এমন কয়েকজন ওরিয়েন্টালিস্টদের আলোচনা আমরা এখন করবো। তাদের পরিচয় এ কথা প্রমাণ করে দিবে যে, সত্যানুসন্ধানী হলে যে কেউ অবশ্যই ইসলামকে বুঝাতে সক্ষম হবে।
মুসলিম ওরিয়েন্টালিস্টদের অন্যতম হলেন, ফ্রান্সের নাসির উদ্দিন ডিনেট। ইসলাম গ্রহণের পূর্বে তার নাম ছিল আলফন্স ইটিন ডিনেট।