📄 প্রাচ্যবিদদের লক্ষ-উদ্দেশ্যের তিনটি পয়েন্ট
প্রাচ্যবিদদের লক্ষ-উদ্দেশ্য সম্পর্কে একটু বিশ্লেষণমূলক আলোচনা করেছিলাম আমার লেখা ইমাম মাহদি-এর আগমন বইয়ে। উক্ত বইয়ের বক্তব্য পাঠকদের খিদমতে উপস্থাপন করা হলো।
এক. রাসুলের প্রিয় সাহাবায়ে কিরাম সম্পর্কে মুসলিম জনমনে বীতশ্রদ্ধাপূর্ণ মনোভাব সৃষ্টি করা। কুরআন-হাদিস সম্পর্কে অযৌক্তিক বিভ্রান্তিকর (Unreasonable confusion) আপত্তি তোলা।
দুই. বর্তমান ইসলামের ধারক-বাহক (Bearer and container) আলিম সমাজ হতে সাধারণ জনতাকে দূরে রাখা।
তিন. মুসলিমদেরকে ভবিষ্যৎ কোন বিষয়ে হতাশায় রাখা। তাদের মাঝে দল-উপদল সৃষ্টি করা।৬
টিকাঃ
৫. তালিবানে ইলম: পথ ও পাথেয়, পৃ. ৪৬৪; মাসিক আল-কাউসার, মারকাযুদ দাওয়াহ থেকে প্রকাশিত।
৬. ইমাম মাহদি-এর আগমন, ভূমিকা, মাকতাবায়ে ইবনে সাআদ, ২০১২ খ্রি.।
📄 আলোচনার সারসংক্ষেপ
সুতরাং আমরা দীর্ঘ আলোচনা হতে বুঝতে পারি, আজকের ইসলাম, মুসলিম ও মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্রগুলোর নিয়ে যেসব অমুসলিম গবেষণা করছেন তাদেরকে ইসলামি পরিভাষায় মুসতাশরিক (مستشرق) বলা হয়। আর তাদের এই গবেষণা কর্মকে বলা হয় إستشراق এ কর্মে যেমন খ্রিস্টান-ইহুদি সম্প্রদায় জড়িত রয়েছে, তদ্রূপ হিন্দু, বৌদ্ধ, নাস্তিক ও ইসলাম নাম ধারণকারী মুনাফিক শ্রেণির অনেক লোকও আত্মনিয়োগ করেছেন ও করছেন।
তাদের সকলের লক্ষ-উদ্দেশ্য হলো, ইসলামকে পুরানো ধাচে অকেজো জীবনব্যবস্থা রূপে ফুটিয়ে তোলা। আর তাদের ধর্মের প্রতি মানুষদের আহ্বান করা। তাদের এ পর্যন্ত যত গবেষণা প্রকাশ পেয়েছে তার সবগুলো ইসলাম ও মুসলিম বিরোধী, বিদ্বেষপূর্ণ ও মিথ্যাশ্রীত কপটতা মিশ্রিত। যার কোনাটাই সত্যের মানদণ্ডে গ্রহণীয় নয়।