📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 তিন. মুসলিম সংখ্যালঘু স্বাধীন দেশসমূহ

📄 তিন. মুসলিম সংখ্যালঘু স্বাধীন দেশসমূহ


এ আলোচনায় আফ্রিকা মহাদেশের বাকি দেশগুলো অন্তর্ভুক্ত। তবে আমরা এখানে শুধু কিছু দেশের মুসলিম জনসংখ্যার জরিপ উল্লেখ করার মাধ্যমেই এ আলোচনা সংক্ষিপ্ত করব। যথা:

১। কেনিয়া: ৩৫%

২। উগান্ডা: ৩০%

ইদি আমিনের নেতৃত্বে এ দেশে মুসলমানরা ক্ষমতায় আসীন হয়েছিল। কিন্তু ১৩৯৯ হিজরিতে (১৯৭৯ খ্রিষ্টাব্দে) ক্রুসেডারদের নীলনকশার ফলে এই সরকারের পতন হয়। এ সংঘর্ষে নেতৃত্বদানকারী উগান্ডায় অনুপ্রবেশকারী তানজানি সৈনিকদের হাতে পাঁচ লাখের বেশি মুসলমান নিহত হয়েছিল। তানজানিয়ায় তখন খ্রিষ্টান শাসন চলছিল। উগান্ডায় ইদি আমিনের শাসন পতনের ক্ষেত্রে খ্রিষ্টানবিশ্ব তানজানিয়াকে পৃষ্ঠপোষকতা করে। আফসোস যে, তারা তাদের পরিকল্পনায় সফলও হয়।

মিশরীয় শাসনকালে উগান্ডার নাম ছিল বুগান্ডা মুসলিম সাম্রাজ্য। ইংরেজ ঔপনিবেশিকরা এসে তার পতন ঘটায়।

৩। মুজাম্বিক ৩০%

৪। মালাউই ৩৫%

৫। মাদাগাস্কার ২৫%

৬। লাইবেরিয়া ৩৫%

দেশটি সাম্প্রতিককালে গৃহযুদ্ধের শিকার হয়। চার্লস টেইলরের নেতৃত্বে মুসলিম নিধন চলতে থাকে। তারা মুসলমানদের ওপর নিকৃষ্টতম নির্যাতন চালায়, দেহবিকৃতি ঘটায়। তারা মুয়াজ্জিনদের জিহ্বা কেটে দেয়, হাজার হাজার মুসলমানকে হত্যা করে। নির্যাতিতদের কেউ কেউ পার্শ্ববর্তী দেশ গিনি, সিয়েরা লিওন প্রভৃতিতে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। কিন্তু টেইলরবাহিনী সিয়েরা লিওনে পালিয়ে যাওয়া মুসলমানদের খুঁজে-খুঁজে বের করে অনেককে হত্যা করে। এই পরিস্থিতিতে লাইবেরিয়ার মুসলিমরা প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তোলে। তারা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অনেক এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়, যা ছিল লাইবেরিয়ার এক-তৃতীয়ংশ অঞ্চল। একপর্যায়ে জাতিসংঘ বিবদমান পক্ষগুলোর মাঝে সন্ধির প্রয়াস চালায়। লাইবেরিয়ায় মুসলিম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়। কিন্তু বিশ্ব ক্রুসেডশক্তি এই শান্ত পরিবেশের প্রতি বিদ্বেষপরায়ণ হয়ে ওঠে। পুনরায় লাইবেরিয়ায় গৃহযুদ্ধের ইন্ধন জোগায়। এতে এক সামরিক বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং মুসলিম প্রেসিডেন্টের পতন ঘটে।

৭। ঘানা ৩০%

৮। নিউ গিনি ৩৫%

৯। মরিশাস ২০%

১০। বুরুন্ডি ২৫%

১১। কঙ্গো ২০%

১২। জায়ার ১০%

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00