📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 বুর্কিনা ফাসো

📄 বুর্কিনা ফাসো


দেশটি ১৩৮০ হিজরিতে (১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে) ফ্রান্স থেকে স্বাধীন হয়। প্রথমে এটাকে আপার ভোল্টা বলা হতো। এরপর ১৪০৪ হিজরিতে (১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দে) তার নাম হয় বুর্কিনা ফাসো। এর মুসলিম জনসংখ্যা ৬৫% হওয়া সত্ত্বেও ঔপনিবেশিকরা তার নেতৃত্ব অর্পণ করে যায় খ্রিষ্টানদের হাতে, যা আজ পর্যন্ত বলবৎ। এই অঞ্চলে বেশ কয়েকবার সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে। কিন্তু সবগুলোর ফলাফল ছিল একইরকম, শাসনক্ষমতা যথারীতি খ্রিষ্টানদের হাতেই রয়ে যায়, যাদের সংখ্যা হবে মাত্র ১০%-এর মতো।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 কো দিভোয়ার/আইভরি কোস্ট

📄 কো দিভোয়ার/আইভরি কোস্ট


দেশটি ফ্রান্সের উপনিবেশ ছিল। ১৩৮০ হিজরিতে (১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে) স্বাধীনতা লাভ করে। অঞ্চলটি আইভরি কোস্ট নামেও পরিচিত। ১৪০৬ হিজরিতে ফরাসি ভাষায় এর নাম পরিবর্তন করে কোত দিভোয়ার রাখা হয়। দেশের মুসলিম জনসংখ্যা ৬০% হলেও ঔপনিবেশিকরা দেশের নেতৃত্ব খ্রিষ্টানদের হাতে হস্তান্তর করে যায়, যাদের সংখ্যা ছিল মাত্র ১২%-এর মতো।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 মধ্যআফ্রিকা

📄 মধ্যআফ্রিকা


দেশটি ১৩৮০ হিজরিতে (১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে) ফ্রান্স থেকে স্বাধীন হয়। তার মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ৫৫%। এতৎসত্ত্বেও ক্ষমতা ছিল খ্রিষ্টানদের হাতে, যাদের সংখ্যা ছিল ২৫%। সেখানে কয়েকবার বিদ্রোহ হয়, কিন্তু মূল অবস্থার পরিবর্তন হয়নি। খ্রিষ্টান শাসনই অব্যাহত থাকে।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 সিয়েরা লিওন

📄 সিয়েরা লিওন


দেশটি ইংরেজ ঔপনিবেশিকদের অধীনে ছিল। ১৩৮০ হিজরিতে (১৯৬১ খ্রিষ্টাব্দে) স্বাধীনতা লাভ করে। যদিও দেশের অধিকাংশ বাসিন্দা মুসলমান ছিল, কিন্তু দখলদাররা প্রত্যাবর্তনের সময় খ্রিষ্টানদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে যায়, যাদের সংখ্যা ছিল মাত্র ১০%-এর মতো; অন্যদিকে জনসংখ্যার ৮০%-এর বেশি ছিল মুসলিম।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00