📄 বেনিন
ইতিপূর্বে এই দেশের নাম ছিল দাহুমি। একসময় তা ফরাসি উপনিবেশের শিকার হয়। ১৩৮০ হিজরিতে (১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে) ফ্রান্স থেকে স্বাধীন হয়। ১৩৯৫ হিজরিতে (১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দে) তার নতুন নাম হয় বেনিন। দেশের মুসলিম জনসংখ্যা ৬০%, আর খ্রিষ্টানদের জনসংখ্যা ১০%। তবুও এর শাসনক্ষমতা হস্তগত হয় খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের।
📄 টোগো
দেশটির কর্তৃত্বে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড উভয়ে শরিক ছিল। ১৩৭৯ হিজরিতে (১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে) স্বাধীনতা অর্জন করে। মুসলিম জনসংখ্যা ৫৫%। কিন্তু অন্যান্য দেশের মতো ঔপনিবেশিকরা দেশ ছাড়ার সময় এর নেতৃত্ব ছেড়ে যায় খ্রিষ্টানদের হাতে, যাদের সংখ্যা সর্বসাকুল্যে ১৫% হবে। অবশিষ্টরা পৌত্তলিক।
📄 বুর্কিনা ফাসো
দেশটি ১৩৮০ হিজরিতে (১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে) ফ্রান্স থেকে স্বাধীন হয়। প্রথমে এটাকে আপার ভোল্টা বলা হতো। এরপর ১৪০৪ হিজরিতে (১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দে) তার নাম হয় বুর্কিনা ফাসো। এর মুসলিম জনসংখ্যা ৬৫% হওয়া সত্ত্বেও ঔপনিবেশিকরা তার নেতৃত্ব অর্পণ করে যায় খ্রিষ্টানদের হাতে, যা আজ পর্যন্ত বলবৎ। এই অঞ্চলে বেশ কয়েকবার সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে। কিন্তু সবগুলোর ফলাফল ছিল একইরকম, শাসনক্ষমতা যথারীতি খ্রিষ্টানদের হাতেই রয়ে যায়, যাদের সংখ্যা হবে মাত্র ১০%-এর মতো।
📄 কো দিভোয়ার/আইভরি কোস্ট
দেশটি ফ্রান্সের উপনিবেশ ছিল। ১৩৮০ হিজরিতে (১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে) স্বাধীনতা লাভ করে। অঞ্চলটি আইভরি কোস্ট নামেও পরিচিত। ১৪০৬ হিজরিতে ফরাসি ভাষায় এর নাম পরিবর্তন করে কোত দিভোয়ার রাখা হয়। দেশের মুসলিম জনসংখ্যা ৬০% হলেও ঔপনিবেশিকরা দেশের নেতৃত্ব খ্রিষ্টানদের হাতে হস্তান্তর করে যায়, যাদের সংখ্যা ছিল মাত্র ১২%-এর মতো।