📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 নাইজার

📄 নাইজার


১৩৮০ হিজরিতে (১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে) নাইজার ফ্রান্স থেকে স্বাধীন হয়। হামানি দেওয়ারি দেশের প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট হয়। সে দশ বছরেরও বেশি সময় এ পদে বহাল থাকে। অতঃপর তার বিরুদ্ধে সশস্ত্র সেনা বিদ্রোহ হয় এবং সামরিক বাহিনীর প্রধান কাউনতাশিকে প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট নির্ধারণ করা হয়। তার যুগে ফ্রান্স নাইজার থেকে তাদের অবশিষ্ট সৈনিক প্রত্যাহার করে। ১৪০৮ হিজরিতে (১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে) নাইজারি প্রেসিডেন্ট অসুস্থতায় ইনতেকাল করে। তারপর সাইবুর ওপর নাইজারের নেতৃত্ব অর্পিত হয়।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 মালি

📄 মালি


ফ্রান্স অধিগ্রহণকালে এটা ফরাসি-সুদান নামে পরিচিত ছিল। স্বাধীনতার পূর্বে ফ্রান্সের অধীনে সেনেগালের সাথে এক হয়ে দেশ গঠন করা হয়।

কিছুদিন যেতে না যেতেই সেই ঐক্য ভেঙে যায়। ১৩৮০ হিজরিতে (১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে) মালিকে স্বাধীন প্রজাতান্ত্রিক দেশ ঘোষণা করা হয়। মালিয়ানদের নেতা মোদিবো কিতাকে প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট করা হয়। সে রাজনীতিতে পদচ্যুতকরণ ও স্বৈরশাসনের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিল।

১৩৮৮ হিজরিতে (১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে) তার বিরুদ্ধে সেনাবিদ্রোহ ঘটে। তাকে পরাজিত করে মুসা ট্রাওরেকে প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করা হয়। তার রাজত্বকালে মালি ও বুর্কিনা ফাসো সীমান্তে যুদ্ধের উত্তেজনা বিরাজ করে। ১৪০৬ হিজরিতে (১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দে) এদের মধ্যে যুদ্ধ হয়। অতঃপর উভয় দেশ আন্তর্জাতিক শালিসে ঐকমত্যে উপনীত হয় যে, এলাকাকে উভয় দেশের মধ্যে অর্ধেক হারে ভাগ করা হবে। অতঃপর ১৪১১ হিজরিতে (১৯৯১ খ্রিষ্টাব্দে) আহমাদ তোমানি সাওরি ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে মুসা ট্রাওরেকে পরাজিত করে।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 সেনেগাল

📄 সেনেগাল


পূর্বে আমরা উল্লেখ করেছি যে, ফ্রান্সের অধীনে সেনেগাল ও মালি এক হয়ে মালিরাষ্ট্র গঠন করে। এ দেশ মালি থেকে পৃথক না হওয়া পর্যন্ত ফ্রান্স থেকে স্বাধীনতা অর্জন করতে পারেনি। ১৩৮০ হিজরিতে (১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে) সেনেগাল প্রজাতন্ত্র স্বাধীন দেশ ঘোষণা করে লিওবুলাদ সানজুরকে প্রজাতন্ত্রের প্রধানের দায়িত্ব অর্পণ করে। ১৪০১ হিজরিতে (১৯৮০ খ্রিষ্টাব্দে) সে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেয় এবং তার প্রধানমন্ত্রী আবদি জুয়ুফের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে।

তার রাজত্বকালে গাম্বিয়ার সঙ্গে ঐক্যের সংলাপ হয়। অতঃপর সেনেগাল গাম্বিয়ায় অনুপ্রবেশ করলে তাদের মধ্যকার ঐক্যচুক্তি ব্যর্থ হয়ে যায়। ১৪১০ হিজরিতে (১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দে) সেনেগাল গাম্বিয়া থেকে তার সৈন্য প্রত্যাহার করে। এমনইভাবে মৌরিতানিয়া ও সেনেগালের মধ্যে রাজনৈতিক সংকট দেখা দেয়। এ সম্পর্কে আমরা মৌরিতানিয়া সম্পর্কিত অধ্যায়ে আলোকপাত করেছি।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 গাম্বিয়া

📄 গাম্বিয়া


গাম্বিয়া নিয়ে ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে সংঘাত হয়। ইংল্যান্ডের কাছে ফ্রান্স নত হলে এ সংঘাত শেষ হয়। দেশটি ১৩৯০ হিজরিতে (১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে) স্বাধীন হয়। এখানে প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেওয়া হয়। দাউদ গাওরা প্রেসিডেন্ট হন ১৪০০ হিজরিতে (১৯৭৯ খ্রিষ্টাব্দে)। তখন সেনেগালের নিকট দাবি জানানো হয়, শান্তি রক্ষায় সহায়তার জন্য তারা যেন গাম্বিয়ায় তাদের সৈনিক প্রেরণ করে। ১৪০১ হিজরিতে (১৯৮০ খ্রিষ্টাব্দে) গাম্বিয়ায় একটি বিপ্লব হয়। এতে দাউদ গাওরাকে পরাজিত করা হয়। কাকু সাম্বা সানিয়ানাকে প্রেসিডেন্ট বানানো হয়। সেনেগালের সৈনিকরা গাম্বিয়ায় প্রবেশ করে বিপ্লব চালিয়ে দাউদ গাওরাকে পুনরায় ক্ষমতায় বসাতে সক্ষম হয়। সেনেগালের সঙ্গে গাম্বিয়াকে মিলিয়ে একক দেশ গঠন করার জন্য একটি পরিকল্পনা গঠন করা হয়। যার নাম হবে সেনেগাম্বিয়া, আবদি জুয়ুফ হবে এর প্রেসিডেন্ট, আর দাউদ গাওরা হবে ভাইস প্রেসিডেন্ট। অতঃপর উভয় নেতার মধ্যে মতানৈক্য দেখা দিলে ১৪১০ হিজরিতে (১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দে) ঐক্য ভেঙে যায়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00