📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 মিশরীয় শাসনামলে সুদান

📄 মিশরীয় শাসনামলে সুদান


মুহাম্মাদ আলির শাসনামলে মিশর আরবি সুদান অভিমুখে যাত্রা শুরু করে। মিশরের বিবরণে আমরা এর কথা আলোচনা করেছি। খেদিভ ইসমাইলের যুগে সুদানের বিভিন্নমুখী অভিযান থেকে আমরা জানতে পেরেছি যে, তিনি সুদানকে অতিক্রম করে আরও সম্প্রসারণ করেছেন। যাতে নীলনদের উৎস, লোহিত সাগরের সমস্ত উপকূল, আফ্রিকান হর্ন ও ইথিওপিয়ার হারার পর্যন্ত বিস্তার লাভ করতে পারে।

আফ্রিকায় মিশরের বিজয়গুলো এর চেয়েও বেশি ব্যাপক হতে পারত, যদি মিশরীয় সেনাবাহিনীতে দুইজন ইংরেজ অধিনায়ক না থাকত। তারা হলো স্যামুয়েল ও গর্ডন। মিশরীয়দের ধারাবাহিক বিজয়ে তারা বাধা সৃষ্টি করেছিল। জানজিবার গভর্নর মিশরের সুরক্ষায় থাকার আবেদন করলে অধিনায়ক গর্ডন বিষয়টি বাতিল করে দেয় এবং জানজিবারের গভর্নরকে মিশরের সুরক্ষায় না থাকার সতর্কবার্তা পাঠায়।

সুদানের মহান বিজেতা জুবাইর পাশাকে, এমনইভাবে তার পুত্র সুলাইমানকে বরখাস্ত করার ক্ষেত্রে গর্ডনের বড় ভূমিকা ছিল। এটা উল্লেখ্য যে, মিশরীয় সেনাবাহিনী আফ্রিকার এই অঞ্চলে প্রবেশ করেছিল; এ কারণে এখানে ইসলামের প্রসারে তাদের বড় অবদান ছিল। আমরা এ অঞ্চলের অধিকাংশ স্থানে এখনো ইসলামের আনুগত্য খুঁজে পাই।

সুদান ইংরেজ ঔপনিবেশিকদের দ্বৈত শাসনের পূর্ব পর্যন্ত মিশরের অধীনে ছিল। আফ্রিকার মিশরের সম্পত্তি বিভক্ত ছিল ইংরেজ, ফ্রান্স, ল্যাটিন, ইথিওপিয়া ও বেলজিয়ামের মধ্যে। এগুলো নিয়ে আফ্রিকায় ইউরোপিয়ানদের দখলদারি অধ্যায়ে আলোচনা করা হবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00