📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 জর্জিয়া

📄 জর্জিয়া


একে কিরগিজস্তান বলা হয়। তিবিলিসি শহর হলো এর রাজধানী। এটি প্রজাতান্ত্রিক দেশ। এর অধীন আবখাজিয়া স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্র। এর রাজধানী সাখুমি। এর অধিকাংশ নাগরিক মুসলিম। প্রজাতন্ত্র আজারিয়ার রাজধানী হলো বাতুমি। এর অধিকাংশ জনগণই মুসলিম। দক্ষিণ ওসেটিয়ার প্রদেশের অধিকাংশ অধিবাসী খ্রিষ্টান। উত্তর ওসেটিয়ায় ইসলাম ছড়িয়ে পড়ায় রাশিয়ানরা এ শঙ্কায় ছিল যে, পুরো ওসেটিয়ায় ইসলাম ছড়িয়ে পড়বে। তাই উত্তর ওসেটিয়া থেকে দক্ষিণ ওসেটিয়াকে আলাদা করে দেওয়া হয়।

প্রজাতন্ত্র জর্জিয়ায় জনসংখ্যার প্রায় ২০% মুসলমান। এ অঞ্চলে রাশিয়ানদের আগমনের আগে তারা আরও বেশি ছিল। এখান থেকে অনেকে বিভিন্ন মুসলিম রাষ্ট্রে হিজরত করে বিশেষ করে আবখাজ ও আজারিয়া থেকে। এ ছাড়াও অনেককে নির্মূল করা হয়েছে এবং বাকি অনেককে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ও সাইবেরিয়ার জঙ্গলে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে।

১৪১১ হিজরিতে (১৯৯১ খ্রিষ্টাব্দে) জর্জিয়া স্বাধীন হওয়া পর্যন্ত তা সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এডওয়ার্ড শেভারদনাদজের শাসনাধীন ছিল। স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে তাকে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এখানে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিভিন্ন তৎপরতা প্রকাশ পায়, তবুও আবখাজিয়াতে তার নজরদারি ছিল কেবল মুসলমানদেরই ওপর। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর জর্জিয়া ও আবখাজিয়ার মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য আবখাজিয়া থেকে একটি প্রতিনিধিদল আসে। শেভারদনাদজে জর্জিয়ার সেনাবাহিনীকে আবখাজিয়াতে পাঠায় এবং রাজধানী সাখুমি দখল করে।

সেখানে স্বায়ত্তশাসন বাতিল করে দিলে আবখাজিয়ায় ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। খ্রিষ্টান অধ্যুষিত জর্জিয়া থেকে আগত খ্রিষ্টানদের বিরুদ্ধে আবখাজ মুজাহিদরা প্রতিরোধ গড়ে তোলে। মুসলমানরা তাদের শোচনীয়ভাবে পরাজিত করে। ১৪১৩ হিজরিতে (১৯৯৩ খ্রিষ্টাব্দে) তারা আবখাজিয়া থেকে বিতাড়িত হয়। রাশিয়া সব অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছিল। রাশিয়ার আশা ছিল, জর্জিয়া নত হয়ে তাদের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করুক এবং এতে তাদের হস্তক্ষেপের সুযোগ করে দিক। আবখাজ ও জর্জিয়ানদের মধ্যে কয়েকবার সংলাপ হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেনি।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 আজারবাইজান

📄 আজারবাইজান


এর রাজধানী বাকু। এটি তেলসমৃদ্ধ ধনী দেশ। এর অধিকাংশ জনগণ অর্থাৎ ৭০% শিয়া এবং অবশিষ্ট ৩০% সুন্নি মুসলমান। স্বায়ত্তশাসিত প্রজাতন্ত্র নাখচিভান, যা আর্মেনিয়া-তুরস্কের মাঝে অবস্থিত এবং নাখচিভান ও একইসাথে নাগারনো কারাবাখ প্রজাতন্ত্র আজারবাইজানের সাথে যুক্ত। ১৪১১ হিজরিতে (১৯৯১ খ্রিষ্টাব্দে) আজারবাইজান স্বাধীনতা অর্জন করে।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 আর্মেনিয়া

📄 আর্মেনিয়া


এর রাজধানী ইরিবান। এখানকার সংখ্যাগরিষ্ঠ বাসিন্দা খ্রিষ্টান এবং মাত্র ১২% নাগরিক মুসলিম। ১৪১১ হিজরিতে এটা স্বাধীনতা লাভ করে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00