📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 হুসাইন কামিল

📄 হুসাইন কামিল


তার আমলে শুধু বাহ্যিক ক্ষমতা ছিল সরকারের, আর প্রকৃত কর্তৃত্ব ছিল ইংরেজদের হাতে, যারা উসমানি খলিফার বিপরীতে তাকে সুলতান উপাধি দেয়। ব্রিটিশ কর্তৃত্বের পথে চলা ব্যতীত সে না কোনো মত প্রকাশ করেছে, আর না কোনো আপত্তি করেছে। ১৩৩৬ হিজরিতে (১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দে) মৃত্যুবরণ করা পর্যন্ত সে এই পদেই বহাল থাকে।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 আহমাদ ফুয়াদ

📄 আহমাদ ফুয়াদ


আহমাদ ফুয়াদ তার ভাইয়ের মৃত্যুর পর ক্ষমতা লাভ করে। তার শাসনামলে ১৩২৮ হিজরিতে (১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে) বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর প্যারিসে অনুষ্ঠিত সন্ধি-সম্মেলনে ইংরেজ দখলদারি থেকে মিশর-স্বাধীনতার দাবি নিয়ে সাদ জগলুল ও তার সঙ্গীদের অংশগ্রহণ করতে বাধা দেওয়ায় এই বিদ্রোহ ঘটে। সাদ জগলুল ও তার সঙ্গীদের মাল্টায় নির্বাসিত করা হয়। পরে ইংল্যান্ড সাদ ও তার সঙ্গীদের মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। মুক্তি পেয়ে তারা প্যারিসে চলে যায়। তাদের ধারণা ছিল, অন্যান্য ঔপনিবেশিক রাষ্ট্র তাদের অধিকার ফিরিয়ে দেবে। কিন্তু তারা অপমানিত হয়। মিশরের বিদ্রোহ আরও বেড়ে যায়। ইংরেজরা সাদ জাগলুল ও তার সঙ্গীদের সাথে আলোচনায় বসে।

১৩৪০ হিজরিতে (১৯২২ খ্রিষ্টাব্দে) ইংল্যান্ড মিশরকে বাহ্যিক স্বাধীনতা দিতে বাধ্য হয়, যাতে নির্ধারণ করা হয়, মিশরে ইংরেজ সামরিক শক্তি বাকি থাকবে। ইংল্যান্ডের দায়িত্ব থাকবে, মিশর থেকে বহিরাগত হস্তক্ষেপ প্রতিরোধ করা এবং মিশরে অবস্থানরত বহিরাগতদের নিরাপত্তা বিধান করা।

বিদ্রোহে মিশরীয় ও ইংরেজদের মাঝে বাদশাহ ফুয়াদের অবস্থান ছিল নিরপেক্ষ। পরে ক্ষমতা হারানোর ভয়ে সে ইংরেজদের সাহায্য করতে শুরু করে। ১৯৩৬ সালে (১৩৫৫ হিজরিতে) ইংল্যান্ড মিশরের সাথে একটি চুক্তি সম্পাদিত করে, যাতে ২৮ ফেব্রুয়ারির কয়েকটি ধারা পাল্টে যায়। যেমন: ইংরেজদের পরিবর্তে বহিরাগতদের জন্য মিশরকে রক্ষা করা, সুয়েজ খালের ভূখণ্ডে ইংরেজ সামরিক শক্তি টিকিয়ে রাখা, মিশরে বহিরাগতদের জন্য বিশেষ সুবিধা প্রদান বাতিল করার চেষ্টা করা এবং সুদানে দ্বিপাক্ষিক শাসন জারি করা। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, ইংল্যান্ড দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগমন টের পাচ্ছিল। তাই এই মর্মে চুক্তি হয় যে, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে মিশরের অভ্যন্তরে মিশর ব্রিটেনকে সাহায্য করবে।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 বাদশাহ ফারুক

📄 বাদশাহ ফারুক


বাদশাহ ফারুক বাদশাহ ফুয়াদের ছেলে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুতে সে শাসনক্ষমতা গ্রহণ করে এবং ইংরেজদের কক্ষপথে চলতে শুরু করে। ১৩৬৭ হিজরিতে (১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দে) ফিলিস্তিন যুদ্ধে অবৈধ অস্ত্রবাণিজ্যে জড়িয়ে পড়ে। পুলিশ তাকে তার রাজনৈতিক কিংবা ইংরেজদের যেকোনো ধরনের বিরোধিতা শেষ করে দিতে সমর্থন করে। বিভিন্ন শহরে বিশৃঙ্খলা ব্যাপক আকার ধারণ করে। বাদশাহর প্রেমকাহিনি ও কদর্যতা ছড়িয়ে পড়ে এবং জনগণ উত্তেজিত হয়ে ওঠে।

এ সময় ইমাম হাসান আল-বান্নার আত্মপ্রকাশ ঘটে। তিনি ইসলামের হারিয়ে যাওয়া আদর্শ প্রচারের মাধ্যমে সমাজ সংস্কারের চেষ্টা করেন। প্রতিষ্ঠা করেন এ যুগের সবচেয়ে বড় ইসলামি আন্দোলন ইখওয়ানুল মুসলিমিন। বাদশাহর অপকর্ম থেকে নিষ্কৃতি পেতে ইখওয়ান স্বধীনতাকামী নেতাদের সাহায্য করে।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 ৫২-এর বিদ্রোহ (১৩৭২ হিজরি)

📄 ৫২-এর বিদ্রোহ (১৩৭২ হিজরি)


এই অধ্যায়ে কোনো কন্টেন্ট এখনো যোগ করা হয়নি।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00