📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 ইয়ামেনের উত্তরাঞ্চল

📄 ইয়ামেনের উত্তরাঞ্চল


ইমাম ইয়াহইয়া ইয়ামেনে যখন উসমানিদের আগমন ঘটে, তখন জাইদি নামে একটি শিয়া দল সেখানে কর্তৃত্ব করত। ১৩২২ হিজরিতে (১৯০৪ খ্রিষ্টাব্দে) ইমাম ইয়াহইয়ার উত্থান ঘটে। তিনি ছিলেন কাসিম জাইদি পরিবার থেকে উদ্ভূত আলে হামিদুদ্দিনের উত্তরপুরুষ। ইমাম ইয়াহইয়া উসমানিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেন এবং বেশকিছু যুদ্ধে উসমানিদের বিরুদ্ধে জয় লাভ করেন। ১৩২৯ হিজরিতে (১৯১১ খ্রিষ্টাব্দে) উসমানিরা সন্ধিচুক্তি করতে বাধ্য হয় এবং সন্ধিচুক্তিতে ইয়ামেনের স্বাধীনতার স্বীকৃতি দেয়। সন্ধির পর ইয়ামেনের সাথে উসমানি খিলাফাতের সম্পর্কের নিদর্শনস্বরূপ সানআয় একটি ছোট প্রতিরক্ষা ঘাঁটি টিকে থাকে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ইয়ামেনে নির্মিত সেই প্রতিরক্ষা ঘাঁটিও পরিত্যক্ত হয়ে যায়।

আসির ও নাজরানকে কেন্দ্র করে সৌদি ও ইয়ামেনের মাঝে দ্বন্দ্বের সূত্রপাত হয়। উভয় দেশ আসির ও নাজরানে কর্তৃত্বের অধিক হকদার বলে দাবি করে। এই দাবিকে কেন্দ্র করে সৌদি ও ইয়ামেনের মাঝে কয়েকটি যুদ্ধ সংঘটিত হয়। সৌদির বিজয়ের মধ্য দিয়ে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। সৌদি বাহিনী ইয়ামেনের হাদিদা শহর পর্যন্ত পৌঁছে যায়। তারপর সৌদি ও ইয়ামেনের মাঝে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়, নাজরান ইয়ামেনের অধীনে থাকবে, আর আসির থাকবে সৌদির অধীনে। চুক্তি অনুযায়ী যেসব অঞ্চল ইয়ামেনের দখলে এসেছিল, সৌদিরা সেসব অঞ্চল ত্যাগ করে।

ইমাম ইয়াহইয়া ১৩৬৭ হিজরি (১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দ) পর্যন্ত ইয়ামেন পরিচালনা করেন। একই বছর তিনি আবদুল্লাহ বিন আহমাদের ষড়যন্ত্রে গুপ্তহত্যার শিকার হন। আবদুল্লাহ বিন আহমাদ ছিল ইমাম বোর্ডের সদস্য। সে ক্ষমতার জন্য লালায়িত ছিল। আবদুল্লাহ বিন আহমাদ যুবরাজ ইমাম আহমাদকেও হত্যা করতে উদ্যত হয়েছিল। কিন্তু ইমাম আহমাদ তার হাত থেকে রক্ষা পান। তারপর ইমাম আহমাদ ও মন্ত্রী আবদুল্লাহর মাঝে যুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং ইমাম আহমাদের বিজয় লাভের মধ্য দিয়ে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।

ইমাম আহমাদ

ইমাম আহমাদ আরব আন্দোলন সমর্থন করেন। ১৩৭৬ হিজরিতে (১৯৫৮ খ্রিষ্টাব্দে) মিশর ও সৌদি আরবের সাথে ইমামের ত্রিপাক্ষিক মৈত্রীচুক্তি হয়। ১৩৭৮ হিজরিতে (১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে) মিশর ও সিরিয়া কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত 'সংযুক্ত আরব প্রজাতন্ত্র'-এর সাথে ইমাম আহমাদ একাত্মতা প্রকাশ করেন। ১৩৮১ হিজরিতে (১৯৬১ খ্রিষ্টাব্দে) সিরিয়া 'সংযুক্ত আরব প্রজাতন্ত্র' থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় এই মৈত্রীচুক্তি শেষ হয়ে যায়।

তার শাসনামলে ১৩৭৪ হিজরিতে (১৯৫৫ খিষ্টাব্দে) তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার বিদ্রোহ মাথাচাড়া দেয়। একপর্যায়ে তিনি তার ভাই আবদুল্লাহর হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। তার ভাই আবদুল্লাহ ছিল সেনাবাহিনী কর্তৃক সমর্থিত। তারপর কিছুদিন যেতেই ইমাম আহমাদের সমর্থনকারী ও তার ছেলে বদরের শক্তি একজোট হয়ে তাকে পুনরায় ক্ষমতায় নিয়ে আসে। বিদ্রোহে নেতৃত্ব দানকারীদেরকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

১৩৮০ হিজরিতে (১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে) ইমাম আহমাদ গুপ্তহামলার শিকার হন এবং আহত হয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। সেই আঘাতের প্রভাবেই ১৩৮২ হিজরিতে (১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে) তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ইমাম আহমাদের ছেলে বদর তার স্থলাভিষিক্ত হন। কিন্তু বদরের শাসনকালের একসপ্তাহ না পেরুতেই বিদ্রোহ দেখা দেয়। ইতিহাসে এই বিদ্রোহ ২৬ সেপ্টেম্বরের 'ইমামত বাতিলকরণ ও গণতন্ত্র ঘোষণা বিপ্লব' নামে প্রসিদ্ধ।

একপর্যায়ে বিদ্রোহীদের মাঝে ব্যর্থতার আশঙ্কা দেখা দেয়। তখন বিদ্রোহীরা জামাল আবদুন নাসিরের কাছে সাহায্য চায়। জামাল আবদুন নাসির বিদ্রোহীদের প্রয়োজনীয় লোকবল ও অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করে। মিশরীয় বাহিনী ইয়ামেনের ভূমিতে আক্রমণ করে। ইমাম বদর তার সমর্থক গোত্রগুলোকে একত্র করেন। সৌদি আরবও ইমাম বদরকে সাহায্য করে। সে সময় মিশরের সাথে সৌদির সম্পর্ক ছিল উত্তেজনাপূর্ণ। কারণ, জামাল আবদুন নাসির রাজতন্ত্র উৎখাত করে তার পরিবর্তে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছিল। রাজতন্ত্র টিকিয়ে রাখার জন্যই সৌদি আরব ইমাম বদরকে সাহায্য করছিল।

ইয়ামেনি বাহিনী ইয়ামেনের ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে অবগত থাকায় যুদ্ধে অনেক মিশরীয় সৈন্য নিহত হয়। ইয়ামেন প্রজাতন্ত্রের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতি না থাকলে ইমাম বদর পুনরায় তার ক্ষমতা ফিরে পেত। কিন্তু এর মাঝে সৌদি সাহায্য বন্ধ হয়ে। ঠিক সেই সময়ে ১৩৮৭ হিজরিতে মিশরীয় বাহিনী চরমভাবে পরাজিত হওয়ায় এবং আরবভূমি দখলে ইসরাইলি আক্রমণের ফলে জামাল আবদুন নাসির ইয়ামেন থেকে সৈন্যবাহিনী প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়।

বিদ্রোহীরা ইয়ামেনের নেতৃত্বে আরও দৃঢ় হয়ে ওঠে। আবদুল্লাহ আস-সালাল উত্তর ইয়ামেন প্রজাতন্ত্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি হন। কিন্তু ১৩৮৭ হিজরিতে (১৯৬৭ খ্রিষ্টাব্দে) তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয় এবং বিচারপতি আবদুর রহমান রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৩৯৪ হিজরিতে (১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দে) ইয়ামেনে পুনরায় বিদ্রোহ শুরু হয়। আক্ষরিক অর্থে বলা যায়, সেনা-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ক্ষমতাচ্যুত হয়। ইবরাহিম আল-হামিদি রাষ্ট্রপতির পদ গ্রহণ করে চার বছর রাষ্ট্র পরিচালনা করেন। ১৩৯৮ হিজরিতে (১৯৭৮ খ্রিষ্টাব্দে) দক্ষিণ ইয়ামেনের রাষ্ট্রপতি সালিম রাবির ষড়যন্ত্রে ইবরাহিম হামিদি গুপ্তহত্যার শিকার হয়।

সালিম রাবি বিশেষ দূতের মাধ্যমে প্রাইভেট বিমানযোগে এডেন থেকে উত্তর ইয়ামেনের রাষ্ট্রপতির কাছে একটি পত্র প্রেরণ করেন। সেটি ছিল একটি ব্যাগে। দূত ব্যাগটি খুলতেই বিস্ফোরিত হয়। ইবরাহিম আল-হামিদি ও দূত ঘটনাস্থলেই মারা যায়। উত্তর ইয়ামেন এই ঘটনার জন্য দক্ষিণ ইয়ামেনকে দায়ী করে এবং তাদের সাথে সব ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ত্যাগ করে। এরপর কর্নেল আলি আবদুল্লাহ সালিহ উত্তর ইয়ামেনের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৪০৬ হিজরিতে (১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দে) নির্মিত মারিব বাঁধ ছিল আবদুল্লাহ সালিহের অন্যতম কীর্তি।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 ইয়ামেনের দক্ষিণাঞ্চল

📄 ইয়ামেনের দক্ষিণাঞ্চল


তিনটি অঞ্চল তথা এডেন, পশ্চিম প্রদেশ ও পূর্ব প্রদেশ মিলে দক্ষিণ ইয়ামেন। একসময় দক্ষিণ ইয়ামেন ব্রিটিশ শাসনাধীন ছিল। পরবর্তী সময়ে যখন উত্তর ইয়ামেন উসমানিদের সাম্রাজ্যভুক্ত হয়, তখন এডেনও দখল করে নেয় উসমানিরা। কিন্তু উসমানিদের অবস্থান শক্ত হওয়ার আগেই ইংরেজরা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির নাম করে এডেন দখল করে নেয়। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ছিল ইংরেজদের এডেন দখলের সবচেয়ে ক্ষুদ্র অজুহাত। এডেন দখলের পর ইংরেজরা দক্ষিণ ইয়ামেনের গোত্রগুলোর মাঝে বিশৃঙ্খলা উসকে দেয়। তারপর ধীরে ধীরে দক্ষিণ ইয়ামেনের পূর্ব ও পশ্চিম প্রদেশ পর্যন্ত কর্তৃত্ব বিস্তার করে ইংরেজরা।

একটি অবিভক্ত উপনিবেশ (ইউনাইটেড কলোনি) গড়ে তোলার জন্য ইংল্যান্ড দক্ষিণ ইয়ামেনের পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের বেশকিছু প্রদেশ এক করে ফেলে। এই উপনিবেশ শুরুতে পরিচালিত হতো এডেন থেকে। পরবর্তী সময়ে ভারতের ইংরেজ শাসকের অধীনে পরিচালিত হতে থাকে। তারপর ইংল্যান্ড থেকে ভারতের স্বাধীনতা অর্জনের মনোভাব লক্ষ করে ১২৫৬ হিজরিতে (১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দে) রয়েল কলোনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়। তারপর ১৩৭৮ হিজরিতে (১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে) দক্ষিণ ইয়ামেনে ইংল্যান্ডের অধীনে সম্মিলিত শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়। কিন্তু ইয়ামেনিরা এই শাসনব্যবস্থা মেনে নিতে পারেনি। উত্তর ইয়ামেনে সংঘটিত ১৩৮২ হিজরির (১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দের) বিদ্রোহ ও জামাল আবদুন নাসেরের পক্ষ থেকে সাহায্যপ্রাপ্তি ইয়ামেনিদেরকে সম্মিলিত শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করতে সাহস জোগায়।

১৩৮৭ হিজরিতে (১৯৬৭ খ্রিষ্টাব্দে) ইংরেজ দক্ষিণ ইয়ামেনকে স্বাধীনতা দেয়। আবদুল কাবি-মুকাবি এর প্রেসিডেন্ট হন। তারপর সালিম রাবির আগমন ঘটে। এই সালিম রাবিই উত্তর ইয়ামেনের শাসক হত্যায় জড়িত ছিল। ১৩৯৮ হিজরিতে (১৯৭৮ খ্রিষ্টাব্দে) পুনরায় বিদ্রোহ হয় এবং বিদ্রোহে সালিম রাবি ক্ষমতাচ্যুত হয়। বিদ্রোহের নেতৃত্বদানকারী আবদুল ফাত্তাহ ইসমাইল শাসন-ক্ষমতা গ্রহণ করে। সোভিয়েত ইউনিয়ন তার ক্ষমতা গ্রহণে সহায়তা করে এবং রাশিয়ান বিমান তার অবস্থানকে শক্তিশালী করে তোলে।

তারপর ইয়ামেনে আরেকটি সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে। অভ্যুত্থানে আবদুল ফাত্তাহ ইসমাইল ক্ষমতাচ্যুত হন। আলি নাসির তার স্থলাভিষিক্ত হন। এভাবে একের পর এক সামরিক অভ্যুত্থান ঘটতে থাকে ইয়ামেনে। অবশেষে ১৪০৬ হিজরিতে (১৯০৬ খ্রিষ্টাব্দে) আবু বকর আস-সাক্কাফ ক্ষমতা গ্রহণ করেন।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 ইয়ামেনের ঐক্য

📄 ইয়ামেনের ঐক্য


দক্ষিণ ইয়ামেন স্বাধীনতা লাভ করার পর থেকেই উত্তর ইয়ামেনের সাথে সংযুক্ত হওয়ার চেষ্টা করতে থাকে। স্বয়ং উত্তর ইয়ামেনও এই আগ্রহ প্রকাশ করে। ১৩৯২ হিজরিতে (১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে) উত্তর ও দক্ষিণ ইয়ামেনকে সংযুক্ত করার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়, কিন্তু উভয় দেশের নেতৃবৃন্দ একমত হতে পারেন না। তারপর ১৪১০ হিজরিতে (১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দে) উভয় দেশ এক হয়ে যায় এবং সানাকে নতুন রাষ্ট্রের রাজধানী করা হয়। আলি আবদুল্লাহ সালিহ রাষ্ট্রপতির পদ গ্রহণ করেন আর আবু বকর আস-সাক্কাফ প্রধানমন্ত্রী হন। তারপর আবু বকর আস-সাক্কাফ পুনরায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে চান। তারপর বিচ্ছিন্নতার দাবিকারী (যাদের নেতৃত্বে ছিলেন আবু বকর আস-সাক্কাফ) এবং বিচ্ছিন্নতা প্রত্যাখ্যানকারী রাষ্ট্রপতি আলি আবদুল্লাহ সালেহের মাঝে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। আলি আবদুল্লাহ সালেহের বাহিনী জয় লাভ করে এডেনে ঢুকে পড়ে। তখন থেকে আজ পর্যন্ত ইয়ামেন সংযুক্ত হয়ে আছে।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 হাবিশ দ্বীপপুঞ্জকেন্দ্রিক জটিলতা

📄 হাবিশ দ্বীপপুঞ্জকেন্দ্রিক জটিলতা


ইরিত্রিয়া ইথিওপিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভ করার পর আরব ভূখণ্ড ও আফ্রিকার স্থিতিশীলতা ধ্বংস করার জন্য ইসরাইল ও পাশ্চাত্য ইরিত্রিয়াকে সাহায্য করে। একদিকে তারা সুদানের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সহযোগিতা করতে থাকে, অন্যদিকে লোহিত সাগরে তাদের কর্তৃত্ব বিস্তার করার পরিকল্পনা করে। অর্থাৎ, ইরিত্রিয়াকে যেসব রাষ্ট্র নিজেদের প্রতিনিধি মনে করে, সেসব রাষ্ট্রের প্রভাব বৃদ্ধি করাই ছিল এর আসল উদ্দেশ্য। ইহুদি পরিকল্পনা, ইহুদি ও আমেরিকার অস্ত্র, ইহুদি সেনাবাহিনীর সরাসরি অংশগ্রহণে ইরিত্রিয়া হানিশের সবচেয়ে বড় দ্বীপটি দখল করে নেয়। বাবুল মান্দিব প্রণালি হয়ে ইরিত্রিয়া আরও কয়েকটি দ্বীপের দিকে অগ্রসর হয়, যে দ্বীপগুলো ছিল গণপ্রজাতন্ত্রী ইয়ামেনের অন্তর্ভুক্ত।

বাবুল মান্দিব দখলের ঘটনায় সারাবিশ্ব মুখে কুলুপ এঁটে ছিল, যেন সবাই ইয়ামেনের ওপর ইরিত্রিয়ার এই আগ্রাসনের সমর্থন করছে। আমেরিকা ও ইসরাইল আন্তর্জাতিক সমঝোতাকারী হিসেবে বাবুল মান্দিব প্রণালীর দ্বীপগুলোর ব্যাপারে ইরিত্রিয়ার পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। কিন্তু আন্তর্জাতিক আদালত রায় প্রদান করে ইয়ামেনের পক্ষে।

টিকাঃ
৮. হানিশ দ্বীপপুঞ্জ : ইয়ামেনের অন্তর্গত একটি দ্বীপপুঞ্জ। -সম্পাদক

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00