📄 খলিফা চতুর্থ মোস্তফা (১২২২-১২২৩ হি./১৮০৭-১৮০৮ খ্রি.)
তিনি ছিলেন সুলতান প্রথম আবদুল হামিদের পুত্র। রাশিয়া ওয়ালাচিয়া ও মোলদাভিয়া হাতছাড়া করতে চায়নি। ফ্রান্সের সাথে রাশিয়ার যুদ্ধ হয় এবং ফ্রান্স বিজয় লাভ করে। ফ্রান্স উসমানিদের ওপর ওয়ালাচিয়া ও মোলদাভিয়া প্রদেশ দুটি ছাড়তে রুশদেরকে বাধ্য করতে এবং এতদঞ্চল হতে উসমানি বাহিনী সরিয়ে নিতে চাপ প্রয়োগ করে। উসমানিরা এ সিদ্ধান্ত মেনে নিলেও রাশিয়া এ দুটি প্রদেশ ছাড়েনি। বিশেষ বাহিনী বসফরাস দুর্গের শাসক খলিফার চাচাকে অপসারণ করে এবং তাদের নেতা কাবাকজি উজলিকে শাসক নিযুক্ত করে। অতঃপর বিরোধে জড়িয়ে তারা কাবাকজিকে হত্যা করে। বিশেষ বাহিনীর নতুন নেতা খলিফা তৃতীয় সেলিমকে পুনরায় খলিফা নিয়োগ করার দাবি করে। কিন্তু সেলিম মুয়াবরণ করেন। খলিফা মোস্তফা বিশেষ বাহিনীর এ নতুন নেতাকে হত্যা করেন। এর প্রতিবাদে বিশেষ বাহিনী খলিফার বিরুদ্ধে একজোট হয় ও তাকে অপসারণ করে এবং তৎস্থলে তার ভাই দ্বিতীয় মাহমুদকে ১২২৩ হিজরিতে (১৮০৭ খ্রিস্টাব্দে) খলিফা নিযুক্ত করে।
📄 খলিফা আবদুল আজিজ (১২৭৭-১২৯৩ হি./১৮৬১-১৮৭৬ খ্রি.)
আবদুল আজিজ ছিলেন খলিফা আবদুল মাজিদের ছোট ভাই। উল্লেখ্য যে, তার আমলেই ১২৮৫ হিজরিতে (১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে) সুয়েজ খাল জয় করা হয়। ১২৮৩ হিজরিতে (১৮৬৬ খ্রিষ্টাব্দে) ক্রিটে বিদ্রোহ হলে খলিফা তা দমন করেন। খলিফা অধিকহারে বিদেশ ভ্রমণ করেন। তিনি মিশর ও ইউরোপের দেশসমূহে সফর করেন। তিনি রাশিয়াকে কাছে টানার চেষ্টা করেন। এজন্য ইউরোপের দেশসমূহে ভীতি তৈরি হয়। প্রধান উপদেষ্টা আহমাদ মিদহাত পাশা খলিফাকে অপসারিত করার প্রস্তাব করে এবং ১২৯৩ হিজরিতে (১৮৭৬ খ্রিষ্টাব্দে) তাকে অপসারণে সমর্থ হয়। মূলত তাকে হত্যা করা হয়। কিন্তু গুজব ছড়ানো হয় যে, তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
📄 খলিফা পঞ্চম মুরাদ (১২৯৩-১২৯৩ হি./১৮৭৬-১৮৭৬ খ্রি.)
পঞ্চম মুরাদ তার ভাই খলিফা আবদুল আজিজের পর খলিফা নিযুক্ত হন। মস্তিষ্ক বিকৃতির কারণে তিন মাসের বেশি তিনি ক্ষমতায় থাকতে পারেননি।