📄 বহিরাগত কার্যক্রম
উসমানি সাম্রাজ্যের একের পর এক পতন অব্যাহত থাকে। অস্ট্রিয়া ১০৯৯ থেকে ১১০০ হিজরির (১৬১০-১৬৮১ খ্রিষ্টাব্দের) মাঝে বেলগ্রেড ও সার্বিয়াসহ বিভিন্ন অঞ্চল দখল করে নেয়। এদিকে ভেনিস অগ্রসর হতে থাকে এবং ক্রোয়েশিয়া, দালমাতিয়া ও মুরার বিভিন্ন অঞ্চল দখল করে নেয়।
📄 মোস্তফা কুবরিলির প্রধানমন্ত্রীত্ব গ্রহণ
যুদ্ধে অসাধারণ ভূমিকা পালনকারী কুবরিলি বংশের সন্তান মোস্তফা পাশা প্রধানমন্ত্রী পদে নিযুক্ত হন। তিনি উসমানি সাম্রাজ্যের হারানো গৌরব ফেরাতে যথাসময়ে আগমন করেন। প্রথমে তিনি অভ্যন্তরীণ সংস্কার সাধন করেন। নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী জেনিসারিদের হাত থেকে পরিবারকে রক্ষা করেন। ইস্তাম্বুলে বসবাসরত খ্রিষ্টানদের সাথে সদ্ব্যবহার করে তাদের ভালোবাসা অর্জন করেন। অর্থোডক্স খ্রিষ্টানগণ ভেনিস বাহিনীকে তাদের মাতৃভূমি মুরা থেকে বিতাড়িত করে। কারণ, তারা তাদের ওপর ক্যাথলিক মতবাদ চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালিয়েছিল। উসমানিরা কারও ওপর কোনো ধরনের মতবাদ চাপিয়ে না দেওয়ার কারণে তাদের রক্ষায় অর্থোডক্স খ্রিষ্টানরা এগিয়ে আসে।
মোস্তফা কুবরিলি তার পিতা মুহাম্মাদ কুবরিলির পথ অনুসরণ করে ১১০১ হিজরিতে (১৬৯০ খ্রিষ্টাব্দে) বেলগ্রেড পুনরুদ্ধারে সক্ষম হন। উসমানি সেনাপতিরা সার্বিয়া অঞ্চলের বিদ্রোহ দমন করে সিলভানিয়া পুনরুদ্ধার করেন। অতঃপর ১১০২ হিজরিতে (১৬৯১ খ্রিষ্টাব্দে) খলিফা মৃত্যুবরণ করলে তার ভাই দ্বিতীয় আহমাদ খলিফা নিযুক্ত হন। উল্লেখ্য যে, খলিফা সুলাইমান নিঃসন্তান ছিলেন।