📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 ভারতীয় মুসলিমদের বর্তমান অবস্থা

📄 ভারতীয় মুসলিমদের বর্তমান অবস্থা


ভারতের বর্তমান মুসলিম জনসংখ্যা নয় কোটির বেশি (রচনাকালীন জরিপ)। এই বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠী প্রতিনিয়ত মার খাচ্ছে হিন্দুদের হাতে। নানারকম অত্যাচার ও অপমানের জীবনই যেন তাদের নিয়তি। প্রায়ই বিভিন্ন প্রদেশে মসজিদ ভেঙে ফেলা হচ্ছে।

প্রশ্ন জাগে, উত্তর আফ্রিকা কিংবা প্রাচীন রোম-পারস্য অঞ্চলে যেভাবে দ্রুত ইসলামের বিস্তার ঘটেছিল, ভারত উপমহাদেশে সেরকম হয়নি কেন? অথচ শতাব্দীর পর শতাব্দী সমগ্র ভারত শাসন করেছে মুসলিম শাসকগণ। এর তত্ত্ব তালাশ করতে গেলে বেশকিছু ব্যাপার পাওয়া যায়। যেমন:

ভারত শাসনকারী মুসলিম গোষ্ঠীগুলোর অধিকাংশ ছিল ইসলাম গ্রহণে তুলনামূলক নবীন। দেখা যায়, মাত্র কয়েক প্রজন্ম আগে তাদের পূর্বপুরুষ ইসলাম কবুল করেছিল। ইসলামের পূর্ণাঙ্গ জ্ঞানের সাথে তাদের দৃঢ় সম্পর্ক ছিল না। সঠিক দ্বীনি পরিবেশে তারা লালিত হয়নি। এসব কারণে তাদের দ্বীনি চেতনাবোধ ছিল তুলনামূলক কম। রাজ্যশাসন আর সাম্রাজ্য বিস্তারেই ছিল তাদের মূল মনোযোগ। পাশাপাশি তারা সবাই ছিল অনারব বিভিন্ন তুর্কি বা আফগান গোত্র থেকে আগত। আরবি ভাষার সাথে সম্পর্কহীন হওয়ায় দ্বীনি ইলম ও অনেক প্রয়োজনীয় বিষয় থেকেও তারা ছিল একপ্রকার বিচ্ছিন্ন।

কিছু কিছু শাসক ছিল, যারা জনগণের মনোরঞ্জনের জন্য সব ধর্মকেই প্রশ্রয় দিত। সর্বোচ্চ মাত্রার স্বাধীনতা ভোগ করতে পারত সব ধর্মের অনুসারীরা। ইসলামি রাষ্ট্রে অনুমোদিত হতে পারে না এমন অনেক বিধর্মী প্রথাও তারা নিষিদ্ধ করেনি। যেমন হিন্দু ধর্মের অমানবিক সতীদাহ প্রথা। অনেক হারাম বিষয়কেই অনুমোদন দিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থ উদ্ধার করা হতো। যেমন মুশরিক নারীকে বিয়ে করা। এমনকি মুসলিম নারীকেও মুশরিক পুরুষের বিয়ে করার সুযোগ দেওয়া হতো। আবার অনেক বৈধ হালাল বিষয়কে নিষিদ্ধ করা হতো বিধর্মীদের খুশি করতে। যেমন গরু জবাই। কারণ, হিন্দুরা গরুকে দেবতা মনে করে। আর কোনো শাসক তো সব ছাড়িয়ে, হিন্দু মুসলিম ও অন্যান্য ধর্মীয় বিশ্বাস সংমিশ্রণ করে নতুন ধর্ম তৈরিতেও পিছপা হয়নি। শাসকদের ধারণা ছিল, এসব করে তারা নিজের শাসনকে সুসংহত করতে পারবে। এজন্য সবাইকে খুশি করতে যা দরকার সবই করত। এসব কারণে উপমহাদেশে অনেক নতুন ধর্ম চালু হয়। শিখ ধর্ম তার অন্যতম।

ঔপনিবেশিক শক্তি সবসময় মুসলমানদের দমনে সক্রিয় থেকেছে। মুসলিমবিরোধিতায় হিন্দুদের সাথে তাল মিলিয়েছে। মুসলমানদের দুর্বল করতে সৃষ্টি করেছে কাদিয়ানি, আহমাদিসহ বিভিন্ন বাতিল ফেরকা। এসব ফিরকাকে আজও তারা বিশ্বজুড়ে কাজ করার মদদ জোগায়। মুসলিমদের পথভ্রষ্ট করতে, তাদের ঐক্য বরবাদ করতে এদের ব্যবহার করে।

ভারতের বর্তমান মুসলিম জনসংখ্যা নয় কোটির বেশি (রচনাকালীন জরিপ)। এই বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠী প্রতিনিয়ত মার খাচ্ছে হিন্দুদের হাতে। নানারকম অত্যাচার ও অপমানের জীবনই যেন তাদের নিয়তি। প্রায়ই বিভিন্ন প্রদেশে মসজিদ ভেঙে ফেলা হচ্ছে।

প্রশ্ন জাগে, উত্তর আফ্রিকা কিংবা প্রাচীন রোম-পারস্য অঞ্চলে যেভাবে দ্রুত ইসলামের বিস্তার ঘটেছিল, ভারত উপমহাদেশে সেরকম হয়নি কেন? অথচ শতাব্দীর পর শতাব্দী সমগ্র ভারত শাসন করেছে মুসলিম শাসকগণ। এর তত্ত্ব তালাশ করতে গেলে বেশকিছু ব্যাপার পাওয়া যায়। যেমন:

ভারত শাসনকারী মুসলিম গোষ্ঠীগুলোর অধিকাংশ ছিল ইসলাম গ্রহণে তুলনামূলক নবীন। দেখা যায়, মাত্র কয়েক প্রজন্ম আগে তাদের পূর্বপুরুষ ইসলাম কবুল করেছিল। ইসলামের পূর্ণাঙ্গ জ্ঞানের সাথে তাদের দৃঢ় সম্পর্ক ছিল না। সঠিক দ্বীনি পরিবেশে তারা লালিত হয়নি। এসব কারণে তাদের দ্বীনি চেতনাবোধ ছিল তুলনামূলক কম। রাজ্যশাসন আর সাম্রাজ্য বিস্তারেই ছিল তাদের মূল মনোযোগ। পাশাপাশি তারা সবাই ছিল অনারব বিভিন্ন তুর্কি বা আফগান গোত্র থেকে আগত। আরবি ভাষার সাথে সম্পর্কহীন হওয়ায় দ্বীনি ইলম ও অনেক প্রয়োজনীয় বিষয় থেকেও তারা ছিল একপ্রকার বিচ্ছিন্ন।

কিছু কিছু শাসক ছিল, যারা জনগণের মনোরঞ্জনের জন্য সব ধর্মকেই প্রশ্রয় দিত। সর্বোচ্চ মাত্রার স্বাধীনতা ভোগ করতে পারত সব ধর্মের অনুসারীরা। ইসলামি রাষ্ট্রে অনুমোদিত হতে পারে না এমন অনেক বিধর্মী প্রথাও তারা নিষিদ্ধ করেনি। যেমন হিন্দু ধর্মের অমানবিক সতীদাহ প্রথা। অনেক হারাম বিষয়কেই অনুমোদন দিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থ উদ্ধার করা হতো। যেমন মুশরিক নারীকে বিয়ে করা। এমনকি মুসলিম নারীকেও মুশরিক পুরুষের বিয়ে করার সুযোগ দেওয়া হতো। আবার অনেক বৈধ হালাল বিষয়কে নিষিদ্ধ করা হতো বিধর্মীদের খুশি করতে। যেমন গরু জবাই। কারণ, হিন্দুরা গরুকে দেবতা মনে করে। আর কোনো শাসক তো সব ছাড়িয়ে, হিন্দু মুসলিম ও অন্যান্য ধর্মীয় বিশ্বাস সংমিশ্রণ করে নতুন ধর্ম তৈরিতেও পিছপা হয়নি। শাসকদের ধারণা ছিল, এসব করে তারা নিজের শাসনকে সুসংহত করতে পারবে। এজন্য সবাইকে খুশি করতে যা দরকার সবই করত। এসব কারণে উপমহাদেশে অনেক নতুন ধর্ম চালু হয়। শিখ ধর্ম তার অন্যতম।

ঔপনিবেশিক শক্তি সবসময় মুসলমানদের দমনে সক্রিয় থেকেছে। মুসলিমবিরোধিতায় হিন্দুদের সাথে তাল মিলিয়েছে। মুসলমানদের দুর্বল করতে সৃষ্টি করেছে কাদিয়ানি, আহমাদিসহ বিভিন্ন বাতিল ফেরকা। এসব ফিরকাকে আজও তারা বিশ্বজুড়ে কাজ করার মদদ জোগায়। মুসলিমদের পথভ্রষ্ট করতে, তাদের ঐক্য বরবাদ করতে এদের ব্যবহার করে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00