📄 তালেবান আন্দোলন
১৪১৫ হিজরিতে (১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে) তালেবান আন্দোলন শুরু হয়। পাকিস্তান তাদের সমর্থন করছিল। খুব দ্রুত তারা দেশের প্রায় ৭৫% এলাকার নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। ১৪১৫ হিজরিতেই কাবুল জয় করে তালেবান। রাশিয়া, ইরান ও অন্যান্য প্রতিবেশী দেশ তালেবানের বিরুদ্ধে একাট্টা হয়। এসব দেশ এই আন্দোলন নিজেদের দেশে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছিল। এসব দেশের সহযোগিতায় স্বদেশীয় বিরোধী শিবির তাদের তৎপরতা অব্যাহত রাখে। তবে পাকিস্তান তাদের সমর্থন থেকে পিছু হটেনি।
বিরোধী ও কলহে লিপ্ত প্রতিপক্ষগুলোকে চূড়ান্ত শিক্ষা দেয় তালেবান। তবে বহিঃরাষ্ট্রের ষড়যন্ত্রের কারণে শতভাগ সফলতা তারা পায়নি। তালেবানবিরোধীদের দখলে থাকা বড় শহর ছিল মাজার শরিফ। তালেবান এটি দখলে নিলেও আহমাদ শাহ মাসউদ তা পুনর্দখল করে নেন। প্রতিপক্ষরা নিশ্চিহ্ন হয়নি। কখনো তাদের তৎপরতা বৃদ্ধি পেত, কখনো স্তিমিত হয়ে যেত—এভাবেই চলছিল। মোল্লা মুহাম্মাদ উমরের নেতৃত্বে তালেবান সরকার গঠন করে। এ সময় বহির্বিশ্বের সাথে আফগানিস্তানের কূটনৈতিক সম্পর্ক একদম ছিন্ন হয়ে যায়।
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের ঘটনা, যা এখন ৯/১১ (নাইন ইলেভেন) নামে পরিচিত, পাল্টে দেয় পুরো দৃশ্যপট। এই ঘটনার জন্য দায়ী করা হয় উসামা বিন লাদেনের জিহাদি সংগঠন তানজিম আল-কায়েদাকে। আর বিন লাদেন তখন আফগানিস্তানেই ঘাঁটি গেড়ে ছিলেন। স্বভাবতই আমেরিকা তখন আফগান আক্রমণের সুযোগ পেয়ে যায়। বিন লাদেন ও মোল্লা মুহাম্মাদ উমর অজ্ঞাত স্থানে আত্মগোপন করেন। আমেরিকা তালেবান সরকারের ইসলামি শাসনের পতন ঘটিয়ে গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠা করে। নতুন আফগান প্রেসিডেন্ট হন আমেরিকাপন্থী হামিদ কারজাই। (১৫)
টিকা:
১৫. কিন্তু তালেবানরা একদিনের জন্যও প্রতিরোধযুদ্ধ থেকে সরে আসেনি মার্কিন ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে তারা লড়াই অব্যাহত রাখে। প্রায় দুই দশক লড়াইয়ের পর ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি তালেবানদের সাথে আমেরিকার শান্তিচুক্তি সম্পন্ন হয়। বর্তমানে আফগানিস্তানের সিংহভাগ এলাকা তালেবানের নিয়ন্ত্রণে। -সম্পাদক
১৪১৫ হিজরিতে (১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে) তালেবান আন্দোলন শুরু হয়। পাকিস্তান তাদের সমর্থন করছিল। খুব দ্রুত তারা দেশের প্রায় ৭৫% এলাকার নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। ১৪১৫ হিজরিতেই কাবুল জয় করে তালেবান। রাশিয়া, ইরান ও অন্যান্য প্রতিবেশী দেশ তালেবানের বিরুদ্ধে একাট্টা হয়। এসব দেশ এই আন্দোলন নিজেদের দেশে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছিল। এসব দেশের সহযোগিতায় স্বদেশীয় বিরোধী শিবির তাদের তৎপরতা অব্যাহত রাখে। তবে পাকিস্তান তাদের সমর্থন থেকে পিছু হটেনি।
বিরোধী ও কলহে লিপ্ত প্রতিপক্ষগুলোকে চূড়ান্ত শিক্ষা দেয় তালেবান। তবে বহিঃরাষ্ট্রের ষড়যন্ত্রের কারণে শতভাগ সফলতা তারা পায়নি। তালেবানবিরোধীদের দখলে থাকা বড় শহর ছিল মাজার শরিফ। তালেবান এটি দখলে নিলেও আহমাদ শাহ মাসউদ তা পুনর্দখল করে নেন। প্রতিপক্ষরা নিশ্চিহ্ন হয়নি। কখনো তাদের তৎপরতা বৃদ্ধি পেত, কখনো স্তিমিত হয়ে যেত—এভাবেই চলছিল। মোল্লা মুহাম্মাদ উমরের নেতৃত্বে তালেবান সরকার গঠন করে। এ সময় বহির্বিশ্বের সাথে আফগানিস্তানের কূটনৈতিক সম্পর্ক একদম ছিন্ন হয়ে যায়।
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের ঘটনা, যা এখন ৯/১১ (নাইন ইলেভেন) নামে পরিচিত, পাল্টে দেয় পুরো দৃশ্যপট। এই ঘটনার জন্য দায়ী করা হয় উসামা বিন লাদেনের জিহাদি সংগঠন তানজিম আল-কায়েদাকে। আর বিন লাদেন তখন আফগানিস্তানেই ঘাঁটি গেড়ে ছিলেন। স্বভাবতই আমেরিকা তখন আফগান আক্রমণের সুযোগ পেয়ে যায়। বিন লাদেন ও মোল্লা মুহাম্মাদ উমর অজ্ঞাত স্থানে আত্মগোপন করেন। আমেরিকা তালেবান সরকারের ইসলামি শাসনের পতন ঘটিয়ে গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠা করে। নতুন আফগান প্রেসিডেন্ট হন আমেরিকাপন্থী হামিদ কারজাই। (১৫)
টিকা:
১৫. কিন্তু তালেবানরা একদিনের জন্যও প্রতিরোধযুদ্ধ থেকে সরে আসেনি মার্কিন ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে তারা লড়াই অব্যাহত রাখে। প্রায় দুই দশক লড়াইয়ের পর ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি তালেবানদের সাথে আমেরিকার শান্তিচুক্তি সম্পন্ন হয়। বর্তমানে আফগানিস্তানের সিংহভাগ এলাকা তালেবানের নিয়ন্ত্রণে। -সম্পাদক