📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 ইসলামি প্রতিরোধ যুদ্ধ

📄 ইসলামি প্রতিরোধ যুদ্ধ


সোভিয়েত রাশিয়া ও আফগান কম্যুনিস্টদের বিরুদ্ধে আফগান মুজাহিদদের প্রতিরোধ যুদ্ধ কঠিন আকার ধারণ করে। আফগান জনগণ বহু যুগ ধরেই ইসলামি চেতনা ও তেজস্বী ঈমানি জোরের অধিকারী। হিসেবে পরিচিত। ইসলামের প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করার জন্য মরণপণ লড়াই শুরু করেন আফগান মুজাহিদ বাহিনী। রুশদের উন্নত অস্ত্রশস্ত্রের মোকাবিলার অতি সাধারণ গোলা বারুদ দিয়েই তাদের পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ আস্বাদন করাতে থাকে মুজাহিদরা। কিন্তু মুজাহিদদের দুর্বলতার জায়গা ছিল নিজেদের মধ্যকার বিভেদ। তারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করছিল না। ফলে নানা কারণে নিজেদের মধ্যে রক্তপাতের ঘটনা এড়ানো যাচ্ছিল না।

সবচেয়ে বড় যে দুটি দলের মাঝে সংঘর্ষ হতো, সেগুলো হলো বুরহানুদ্দিন রাব্বানির নেতৃত্বাধীন জমিয়তে ইসলাম ও হেকমতিয়ারের নেতৃত্বাধীন হিজবে ইসলামি। কিন্তু এরপরও আফগান মুজাহিদরা রুশ ও কম্যুনিস্টদের যুদ্ধের ময়দানে এমন শিক্ষা দিয়েছে যে, জীবনেও তারা এই স্মৃতি ভুলতে পারবে না। যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে রাশিয়া আবিষ্কার করল, যেন সে ভয়ংকর এক জলায় আটকা পড়ে গেছে, যেখান থেকে বের হওয়ার কোনো উপায় নেই। প্রতিদিন রাশিয়ার হৃদয় ভেঙে খান খান করে দিচ্ছে মুজাহিদ বাহিনী। নষ্ট হচ্ছে বিলিয়ন বিলিয়ন অর্থ। রাশিয়ার স্বপ্ন ছিল কয়েকদিনেই আফগানের আনাড়ি মুজাহিদদের ধ্বংস করে ফেলা যাবে। কিন্তু এই অল্পকিছু অকুতোভয় মুজাহিদ তৎকালীন পরাশক্তি রাশিয়ার জানমাল উভয়টা ধ্বংস করে কোমর ভেঙে দেয়। বিশেষত মুজাহিদরা ছিলেন আফগানিস্তানের দীর্ঘকালের অধিবাসী। যুদ্ধের ক্ষেত্রে এর আঞ্চলিক নাড়িনক্ষত্র ছিল তাদের নখদর্পণে।

প্রচণ্ড মার খেয়ে অবশিষ্ট সম্পদ ও সৈন্য রক্ষা করতে কোনোমতে পালিয়ে যাওয়ার রাস্তা খুঁজতে শুরু করে রাশিয়া। ১৪০৮ হিজরিতে (১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে) আফগান ত্যাগ করে রুশবাহিনী। কিন্তু এই দীর্ঘ ও ধ্বংসাত্মক যুদ্ধে আফগান জনগণের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা বর্ণনার ভাষা পৃথিবীতে নেই। লাশের পর লাশ, উদ্বাস্তু ও শরণার্থী ছাড়া আর কিছু যেন অবশিষ্ট ছিল না। পাকিস্তান ও অন্যান্য মুসলিম রাষ্ট্রে আফগান শরণার্থীর সংখ্যা ছিল অগণিত। রাশিয়া তার কম্যুনিস্ট সহযোগীদের হাতে ক্ষমতা অর্পণ করে আফগানিস্তান ত্যাগ করে। শেষ কম্যুনিস্ট এই শাসকের নাম নজিবুল্লাহ মুহাম্মাদ। বিধায়, রাশিয়া দেশ ত্যাগ করলেও মুজাহিদদের প্রত্যাশা তখনও পূরণ হয়নি। কম্যুনিস্ট শাসক বিতাড়িত করার লক্ষ্য নিয়ে তারা নতুন উদ্যমে লড়াই শুরু করে। রাশিয়া তখনও কম্যুনিস্ট আফগান সরকারকে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছিল। মুজহিদরাও তাদের জিহাদ অব্যাহত রাখে। তারা দুইবার অস্থায়ী সরকার গড়ে তুলেছিল, কিন্তু নিজেদের মধ্যকার বিভেদে সেসব ভণ্ডুল হয়ে যায়।

কম্যুনিস্ট সরকার বুঝতে পারে, এই বিপ্লবী আফগান যোদ্ধাদের সামাল দেওয়া তার কাজ নয়। তাই ১৪১২ হিজরিতে (১৯৯১ খ্রিষ্টাব্দে) নজিবুল্লাহ মুহাম্মাদ পদত্যাগ করেন। এবার মুজাহিদদের ক্ষমতায় আরোহণ করা ছিল সময়ের ব্যাপার। কিন্তু নিজেদের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে। কয়দিন আগেও যারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ইসলামের শত্রুদের প্রতিহত করছিল, তারা এবার নিজেদের রক্ত ঝরাতে লাগল। আফগানিস্তান বিভিন্ন সশস্ত্র সংগঠনের হাতে বিভক্ত হয়ে গেল। এদিকে প্রকৃত শত্রুরা সুযোগ পেয়ে এসব দলের জন্য অস্ত্র সরবরাহ বাড়িয়ে দিলো, যেন নিজেরা মারামারি করে ধ্বংস হওয়া আরও ত্বরান্বিত হয়।

সোভিয়েত রাশিয়া ও আফগান কম্যুনিস্টদের বিরুদ্ধে আফগান মুজাহিদদের প্রতিরোধ যুদ্ধ কঠিন আকার ধারণ করে। আফগান জনগণ বহু যুগ ধরেই ইসলামি চেতনা ও তেজস্বী ঈমানি জোরের অধিকারী। হিসেবে পরিচিত। ইসলামের প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করার জন্য মরণপণ লড়াই শুরু করেন আফগান মুজাহিদ বাহিনী। রুশদের উন্নত অস্ত্রশস্ত্রের মোকাবিলার অতি সাধারণ গোলা বারুদ দিয়েই তাদের পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ আস্বাদন করাতে থাকে মুজাহিদরা। কিন্তু মুজাহিদদের দুর্বলতার জায়গা ছিল নিজেদের মধ্যকার বিভেদ। তারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করছিল না। ফলে নানা কারণে নিজেদের মধ্যে রক্তপাতের ঘটনা এড়ানো যাচ্ছিল না।

সবচেয়ে বড় যে দুটি দলের মাঝে সংঘর্ষ হতো, সেগুলো হলো বুরহানুদ্দিন রাব্বানির নেতৃত্বাধীন জমিয়তে ইসলাম ও হেকমতিয়ারের নেতৃত্বাধীন হিজবে ইসলামি। কিন্তু এরপরও আফগান মুজাহিদরা রুশ ও কম্যুনিস্টদের যুদ্ধের ময়দানে এমন শিক্ষা দিয়েছে যে, জীবনেও তারা এই স্মৃতি ভুলতে পারবে না। যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে রাশিয়া আবিষ্কার করল, যেন সে ভয়ংকর এক জলায় আটকা পড়ে গেছে, যেখান থেকে বের হওয়ার কোনো উপায় নেই। প্রতিদিন রাশিয়ার হৃদয় ভেঙে খান খান করে দিচ্ছে মুজাহিদ বাহিনী। নষ্ট হচ্ছে বিলিয়ন বিলিয়ন অর্থ। রাশিয়ার স্বপ্ন ছিল কয়েকদিনেই আফগানের আনাড়ি মুজাহিদদের ধ্বংস করে ফেলা যাবে। কিন্তু এই অল্পকিছু অকুতোভয় মুজাহিদ তৎকালীন পরাশক্তি রাশিয়ার জানমাল উভয়টা ধ্বংস করে কোমর ভেঙে দেয়। বিশেষত মুজাহিদরা ছিলেন আফগানিস্তানের দীর্ঘকালের অধিবাসী। যুদ্ধের ক্ষেত্রে এর আঞ্চলিক নাড়িনক্ষত্র ছিল তাদের নখদর্পণে।

প্রচণ্ড মার খেয়ে অবশিষ্ট সম্পদ ও সৈন্য রক্ষা করতে কোনোমতে পালিয়ে যাওয়ার রাস্তা খুঁজতে শুরু করে রাশিয়া। ১৪০৮ হিজরিতে (১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে) আফগান ত্যাগ করে রুশবাহিনী। কিন্তু এই দীর্ঘ ও ধ্বংসাত্মক যুদ্ধে আফগান জনগণের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা বর্ণনার ভাষা পৃথিবীতে নেই। লাশের পর লাশ, উদ্বাস্তু ও শরণার্থী ছাড়া আর কিছু যেন অবশিষ্ট ছিল না। পাকিস্তান ও অন্যান্য মুসলিম রাষ্ট্রে আফগান শরণার্থীর সংখ্যা ছিল অগণিত। রাশিয়া তার কম্যুনিস্ট সহযোগীদের হাতে ক্ষমতা অর্পণ করে আফগানিস্তান ত্যাগ করে। শেষ কম্যুনিস্ট এই শাসকের নাম নজিবুল্লাহ মুহাম্মাদ। বিধায়, রাশিয়া দেশ ত্যাগ করলেও মুজাহিদদের প্রত্যাশা তখনও পূরণ হয়নি। কম্যুনিস্ট শাসক বিতাড়িত করার লক্ষ্য নিয়ে তারা নতুন উদ্যমে লড়াই শুরু করে। রাশিয়া তখনও কম্যুনিস্ট আফগান সরকারকে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছিল। মুজহিদরাও তাদের জিহাদ অব্যাহত রাখে। তারা দুইবার অস্থায়ী সরকার গড়ে তুলেছিল, কিন্তু নিজেদের মধ্যকার বিভেদে সেসব ভণ্ডুল হয়ে যায়।

কম্যুনিস্ট সরকার বুঝতে পারে, এই বিপ্লবী আফগান যোদ্ধাদের সামাল দেওয়া তার কাজ নয়। তাই ১৪১২ হিজরিতে (১৯৯১ খ্রিষ্টাব্দে) নজিবুল্লাহ মুহাম্মাদ পদত্যাগ করেন। এবার মুজাহিদদের ক্ষমতায় আরোহণ করা ছিল সময়ের ব্যাপার। কিন্তু নিজেদের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে। কয়দিন আগেও যারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ইসলামের শত্রুদের প্রতিহত করছিল, তারা এবার নিজেদের রক্ত ঝরাতে লাগল। আফগানিস্তান বিভিন্ন সশস্ত্র সংগঠনের হাতে বিভক্ত হয়ে গেল। এদিকে প্রকৃত শত্রুরা সুযোগ পেয়ে এসব দলের জন্য অস্ত্র সরবরাহ বাড়িয়ে দিলো, যেন নিজেরা মারামারি করে ধ্বংস হওয়া আরও ত্বরান্বিত হয়।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 তালেবান আন্দোলন

📄 তালেবান আন্দোলন


১৪১৫ হিজরিতে (১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে) তালেবান আন্দোলন শুরু হয়। পাকিস্তান তাদের সমর্থন করছিল। খুব দ্রুত তারা দেশের প্রায় ৭৫% এলাকার নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। ১৪১৫ হিজরিতেই কাবুল জয় করে তালেবান। রাশিয়া, ইরান ও অন্যান্য প্রতিবেশী দেশ তালেবানের বিরুদ্ধে একাট্টা হয়। এসব দেশ এই আন্দোলন নিজেদের দেশে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছিল। এসব দেশের সহযোগিতায় স্বদেশীয় বিরোধী শিবির তাদের তৎপরতা অব্যাহত রাখে। তবে পাকিস্তান তাদের সমর্থন থেকে পিছু হটেনি।

বিরোধী ও কলহে লিপ্ত প্রতিপক্ষগুলোকে চূড়ান্ত শিক্ষা দেয় তালেবান। তবে বহিঃরাষ্ট্রের ষড়যন্ত্রের কারণে শতভাগ সফলতা তারা পায়নি। তালেবানবিরোধীদের দখলে থাকা বড় শহর ছিল মাজার শরিফ। তালেবান এটি দখলে নিলেও আহমাদ শাহ মাসউদ তা পুনর্দখল করে নেন। প্রতিপক্ষরা নিশ্চিহ্ন হয়নি। কখনো তাদের তৎপরতা বৃদ্ধি পেত, কখনো স্তিমিত হয়ে যেত—এভাবেই চলছিল। মোল্লা মুহাম্মাদ উমরের নেতৃত্বে তালেবান সরকার গঠন করে। এ সময় বহির্বিশ্বের সাথে আফগানিস্তানের কূটনৈতিক সম্পর্ক একদম ছিন্ন হয়ে যায়।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের ঘটনা, যা এখন ৯/১১ (নাইন ইলেভেন) নামে পরিচিত, পাল্টে দেয় পুরো দৃশ্যপট। এই ঘটনার জন্য দায়ী করা হয় উসামা বিন লাদেনের জিহাদি সংগঠন তানজিম আল-কায়েদাকে। আর বিন লাদেন তখন আফগানিস্তানেই ঘাঁটি গেড়ে ছিলেন। স্বভাবতই আমেরিকা তখন আফগান আক্রমণের সুযোগ পেয়ে যায়। বিন লাদেন ও মোল্লা মুহাম্মাদ উমর অজ্ঞাত স্থানে আত্মগোপন করেন। আমেরিকা তালেবান সরকারের ইসলামি শাসনের পতন ঘটিয়ে গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠা করে। নতুন আফগান প্রেসিডেন্ট হন আমেরিকাপন্থী হামিদ কারজাই। (১৫)

টিকা:
১৫. কিন্তু তালেবানরা একদিনের জন্যও প্রতিরোধযুদ্ধ থেকে সরে আসেনি মার্কিন ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে তারা লড়াই অব্যাহত রাখে। প্রায় দুই দশক লড়াইয়ের পর ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি তালেবানদের সাথে আমেরিকার শান্তিচুক্তি সম্পন্ন হয়। বর্তমানে আফগানিস্তানের সিংহভাগ এলাকা তালেবানের নিয়ন্ত্রণে। -সম্পাদক

১৪১৫ হিজরিতে (১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে) তালেবান আন্দোলন শুরু হয়। পাকিস্তান তাদের সমর্থন করছিল। খুব দ্রুত তারা দেশের প্রায় ৭৫% এলাকার নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। ১৪১৫ হিজরিতেই কাবুল জয় করে তালেবান। রাশিয়া, ইরান ও অন্যান্য প্রতিবেশী দেশ তালেবানের বিরুদ্ধে একাট্টা হয়। এসব দেশ এই আন্দোলন নিজেদের দেশে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছিল। এসব দেশের সহযোগিতায় স্বদেশীয় বিরোধী শিবির তাদের তৎপরতা অব্যাহত রাখে। তবে পাকিস্তান তাদের সমর্থন থেকে পিছু হটেনি।

বিরোধী ও কলহে লিপ্ত প্রতিপক্ষগুলোকে চূড়ান্ত শিক্ষা দেয় তালেবান। তবে বহিঃরাষ্ট্রের ষড়যন্ত্রের কারণে শতভাগ সফলতা তারা পায়নি। তালেবানবিরোধীদের দখলে থাকা বড় শহর ছিল মাজার শরিফ। তালেবান এটি দখলে নিলেও আহমাদ শাহ মাসউদ তা পুনর্দখল করে নেন। প্রতিপক্ষরা নিশ্চিহ্ন হয়নি। কখনো তাদের তৎপরতা বৃদ্ধি পেত, কখনো স্তিমিত হয়ে যেত—এভাবেই চলছিল। মোল্লা মুহাম্মাদ উমরের নেতৃত্বে তালেবান সরকার গঠন করে। এ সময় বহির্বিশ্বের সাথে আফগানিস্তানের কূটনৈতিক সম্পর্ক একদম ছিন্ন হয়ে যায়।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের ঘটনা, যা এখন ৯/১১ (নাইন ইলেভেন) নামে পরিচিত, পাল্টে দেয় পুরো দৃশ্যপট। এই ঘটনার জন্য দায়ী করা হয় উসামা বিন লাদেনের জিহাদি সংগঠন তানজিম আল-কায়েদাকে। আর বিন লাদেন তখন আফগানিস্তানেই ঘাঁটি গেড়ে ছিলেন। স্বভাবতই আমেরিকা তখন আফগান আক্রমণের সুযোগ পেয়ে যায়। বিন লাদেন ও মোল্লা মুহাম্মাদ উমর অজ্ঞাত স্থানে আত্মগোপন করেন। আমেরিকা তালেবান সরকারের ইসলামি শাসনের পতন ঘটিয়ে গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠা করে। নতুন আফগান প্রেসিডেন্ট হন আমেরিকাপন্থী হামিদ কারজাই। (১৫)

টিকা:
১৫. কিন্তু তালেবানরা একদিনের জন্যও প্রতিরোধযুদ্ধ থেকে সরে আসেনি মার্কিন ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে তারা লড়াই অব্যাহত রাখে। প্রায় দুই দশক লড়াইয়ের পর ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি তালেবানদের সাথে আমেরিকার শান্তিচুক্তি সম্পন্ন হয়। বর্তমানে আফগানিস্তানের সিংহভাগ এলাকা তালেবানের নিয়ন্ত্রণে। -সম্পাদক

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00