📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 হাফিজুল্লাহ আমিন

📄 হাফিজুল্লাহ আমিন


হাফিজুল্লাহ আমিন দেশের পরিস্থিতি শান্ত করার প্রচেষ্টা চালান। প্রতিবেশী দেশের সাথে সুসম্পর্ক তৈরি করতে চেষ্টা করেন। কিন্তু আমিন ঠিক রাশিয়ার চাহিদামতো নেতা ছিলেন না। রাশিয়ার চাহিদা হলো আংশিক নয়; বরং সর্বতোভাবেই রাশিয়াকে মান্য করবে এমন একজন মেরুদণ্ডহীন নেতা। তাই তারা দেশে আগের চেয়ে বেশি গোলযোগ সৃষ্টি করতে লাগল। আফগানে অবস্থানকারী রুশবাহিনী ও আফগানবাহিনী বেশ কয়েকবার মুখোমুখি লড়াইয়ে জড়াল। এমতাবস্থায় রুশরা সমর্থন দিলো চেকোস্লোভাকিয়ায় অবস্থানরত হিজবে পারচামের নেতা রুশ অনুগত বাবরাক কারমালকে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী মুহাম্মাদ আসলামকে রুশরা পক্ষে টানে। এই মন্ত্রী ১৪০০ হিজরিতে (১৯৮০ খ্রিষ্টাব্দে) প্রেসিডেন্ট ভবনে আক্রমণ চালিয়ে হাফিজুল্লাহ আমিনকে গ্রেফতার করেন। একদিন পরই তাকে হত্যাও করে ফেলেন। বাবরাক কারমালকে আফগান প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করা হয়, যিনি তখনও দেশের বাইরে।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 বাবরাক কারমাল

📄 বাবরাক কারমাল


বাবরাক যখন কাবুলে পৌঁছেন, ততক্ষণে সারা দেশে রুশবাহিনীর সয়লাব হয়ে গেছে। কাবুল তখন রুশদের নিয়ন্ত্রণে। অন্যান্য অঞ্চল নিয়ন্ত্রণে নিতে দ্রুত সেনা পাঠানো হচ্ছিল। জাতিসংঘ নিন্দা জানায় এবং রুশদের আফগান ছেড়ে যাওয়ার আহ্বান করে। ইসলামাবাদে মুসলিম দেশসমূহের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলনে অভিযোগ তোলা হয় যে, রাশিয়া আন্তর্জাতিক আইন চূড়ান্ত পর্যায়ে লঙ্ঘন করেছে। কিন্তু এ সকল প্রস্তাব বা আহ্বানের কোনো প্রায়োগিক দিক এবং রাশিয়ার ওপর তার কোনোরূপ প্রতিক্রিয়া ছিল না। জাতিসংঘ তো হলো বৃহৎ রাষ্ট্রগুলোর স্বার্থ রক্ষাকারী এক সংগঠন, যার মাধ্যমে তারা বিশ্বকে শাসন করে। ১৪০০ হিজরিতে, মাত্র এক বছরে রুশবাহিনীর হাতে শাহাদাত বরণ করে প্রায় দশ লাখ আফগান।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00