📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 তুর্কমেনিস্তান প্রজাতন্ত্র

📄 তুর্কমেনিস্তান প্রজাতন্ত্র


তুর্কমেনিস্তানের রাজধানী আশকাবাদ। ঐতিহাসিক মার্ভ নগরী এখানেই অবস্থিত। ১২৯৭-১২৯৮ হিজরির (১৮৭৯-১৮৮০ খ্রিষ্টাব্দ) তুর্কমেন যুদ্ধের পর এই অঞ্চলের অধিকাংশ এলাকা রুশদের দখলে চলে যায়।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 কিরগিজস্তান প্রজাতন্ত্র

📄 কিরগিজস্তান প্রজাতন্ত্র


বিজেতা রুশ সেনাপতির নামে রুশ আমলে এর রাজধানীর নাম ছিল ফুঞ্জ। স্বাধীনতার পর রাজধানী হয় বিশকেক। ফারগানার কতকাংশ এ অঞ্চলেও অবস্থিত। আগ্রাসনের সময় এই অঞ্চলের এক তৃতীয়াংশের বেশি মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল। উল্লিখিত চার প্রজাতন্ত্রের সিংহভাগ জনগণ তুর্কি জনগোষ্ঠীর।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 তাজিকিস্তান প্রজাতন্ত্র

📄 তাজিকিস্তান প্রজাতন্ত্র


এই প্রজাতন্ত্রের অধিকাংশ মানুষ পারসিক বংশোদ্ভূত। এর রাজধানী দুশনাবে। তাজিকিস্তানের সীমানায় ছিল স্বায়ত্তশাসিত গোর্নো বাদাখশান প্রদেশ।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 রাশিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভ

📄 রাশিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভ


তুর্কিস্তানে প্রবলভাবে রুশ আগ্রাসনের বিরোধিতা অব্যাহত ছিল। কিন্তু সোভিয়েত সরকার সেখানে মিডিয়া ব্ল‍্যাকআউট চাপিয়ে দেওয়ায় সেসব খবর বাইরে প্রকাশ পেত না। ১৪০৯ হিজরিতে (১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দে) কম্যুনিস্টদের পতন হলো। ১৪১১ হিজরিতে (১৯৯১ খ্রিষ্টাব্দে) ভেঙে গেল তৎকালীন সুপার পাওয়ার দেশটি। সেই সাথে স্বাধীনতা লাভ করে এ পাঁচটি মুসলিম প্রজাতন্ত্র। তারপর থেকে তুর্কিস্তান মুসলিম বিশ্বের সাথে সেতুবন্ধন করতে সক্ষম হয়। তারা অন্যান্য মুসলিম দেশের সাথে সুসম্পর্ক তৈরির কাজ শুরু করে। বিশেষত তুরস্কের সাথে তাদের মিত্রতা গড়ে ওঠে। পারস্পরিক ভাষা ও বংশীয় সাদৃশ্য ছিল এ ক্ষেত্রে বিশেষ কারণ। পাশাপাশি কমনওয়েলথের সূত্রে রাশিয়ার সাথেও তাদের স্বাভাবিক সম্পর্ক সৃষ্টি হয়। এভাবে তুর্কি দেশগুলোর পরিস্থিতি অনেকাংশে স্বাভাবিক হয়ে আসে। কিন্তু তাজিকিস্তানে শুরু হয় গৃহযুদ্ধ। তাজিক প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতা থেকে হটাতে বিরোধীরা অস্ত্র ধারণ করে। রুশপন্থী এই প্রেসিডেন্টের পক্ষে ছিল রাশিয়ার সমর্থন।
স্বাধীন দেশ হিসেবে অভিবাসীদের নিয়ে বেশ সমস্যায় পড়ে কাজাখস্তান। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটিতে ততদিনে মুসলমানদের সংখ্যা নেমে আসে ৪৫%। রুশ-ইউক্রেনীয় অভিবাসীদের সংখ্যা দাঁড়ায় ৫৪%। স্বাধীনতার পরপরই আমেরিকা কাজাখস্তানকে সমস্ত পারমাণবিক কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে বাধ্য করে। সেই সাথে রাশিয়ার ফেলে যাওয়া পারমাণবিক অস্ত্রগুলোও ফেরত দিতে বাধ্য করা হয়।
স্বাধীনতা লাভের পরও তুর্কিস্তানে রাশিয়া কর্তৃত্ব বজায় রাখতে চেষ্টা করে। তাজিক গৃহযুদ্ধে জনগণের অপছন্দের প্রেসিডেন্টকে রুশদের সমর্থন দেওয়াটা তার অন্যতম প্রমাণ।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00