📄 তেকুদার
হালাকু বংশের প্রথম মুসলিম। এই পুত্রকে প্রতিপালনের জন্য হালাকু খান এক মুসলিম পরিবারকে দায়িত্ব প্রদান করেছিলেন। তেকুদার ইসলামি পরিবেশে লালিতপালিত হওয়ায় স্বভাবতই মুসলিম মানসিকতা নিয়ে বেড়ে ওঠেন। তিনি নিজের নাম রাখেন আহমাদ। ক্ষমতায় আরোহণ করে তেকুদার আহমাদ ৬৮১ হিজরিতে (১২৮২ খ্রিষ্টাব্দে) মামলুক সুলতান কালাউনের সাথে শান্তিচুক্তি করতে মনস্থ করেন। কিন্তু তখন আবাকা খানের পুত্র আরগুন খান চাচা তেকুদারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে তাকে হত্যা করে ফেলেন। যেসময় তেকুদার মামলুক সুলতানের কাছে দূত প্রেরণ করেছিলেন ঠিক সে সময়ই তাকে হটিয়ে ক্ষমতায় বসেন ভাতিজা আরগুন।
📄 আরগুন
আরগুন পিতার কাছ থেকে প্রচণ্ড ইসলামবিদ্বেষ নিয়ে বড় হন। তাই তিনি মুসলিম চাচা থেকে মুক্তি পেতে তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেন। এরপর মামলুক ও গোল্ডেন হোর্ডের বিরুদ্ধে লড়ার জন্য মিত্রতা গড়ে তোলেন খ্রিষ্টশক্তি ও আর্মেনীয়দের সাথে। তখনকার গোল্ডেন হোর্ডের অধিপতি তোদান মাংকো খানও ছিলেন মুসলিম। ৬৯১ হিজরিতে (১২৯২ খ্রিষ্টাব্দে) আরগুন মৃত্যুবরণ করে। তার স্থলবর্তী হন তার ভাই কিগাতো।
📄 গিগাতো
অল্প কয়েকদিন শাসনক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন। ৬৯৩ হিজরিতে (১২৯৪ খ্রিষ্টাব্দে) নিহত হন।
📄 বায়দো
তিনি হলেন কিগাতোর চাচাতো ভাই। অর্থাৎ হালাকু খানের ছেলে তারখাইয়ের পুত্র। তার শাসনকালও দীর্ঘ হয়নি। ৬৯৫ হিজরিতে (১২৯৬ খ্রিষ্টাব্দে) তিনি নিহত হন।