📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 ইসলাম কুরাই

📄 ইসলাম কুরাই


৯৩৮ হিজরিতে (১৫৩১ খ্রিষ্টাব্দে) ক্রিমিয়ার ক্ষমতার মসনদে ইসলাম কুরাই বসেন। উসমানি খলিফা ইসলাম কুরাইয়ের সাথে এ ব্যাপারে একমত হন যে, ক্রিমিয়াকে উসমানি সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং তিনি হবেন ক্রিমিয়ার গভর্নর। কিছুদিন পর সাহিব কুরাই ফিরে এলে ক্রিমিয়ার ক্ষমতা গ্রহণের ব্যাপারে উসমানি খলিফা তাকে সহযোগিতা করেন এবং তিনি তার ভাতিজা ইসলাম কুরাইকে হত্যা করেন।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 সাহিব কুরাই

📄 সাহিব কুরাই


রুশ বাহিনীর সাথে যুদ্ধ চরম আকার ধারণ করে। বিশেষত সাহিব কুরাই তখন কাজানের শাসনকর্তা ছিলেন। এলাকাটি তিনি তার ভাতিজা সাফা কুরাইয়ের কর্তৃত্বে রেখে সেখান থেকে বের হয়ে যান। অতঃপর ৯৫৮ হিজরিতে (১৫৫১ খ্রিষ্টাব্দে) আস্ট্রাক্যানকে তিনি নিজের রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করে নিতে সক্ষম হন।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 দৌলত কুরাই

📄 দৌলত কুরাই


সাহিব কুরাইকে হত্যা করা হয়। তার অপরাধ ছিল, কাজানের অন্তর্গত আস্ট্রাক্যান দখলের প্রচেষ্টা। কিন্তু দৌলত কুরাই রুশদের হাত থেকে কাজানকে উদ্ধার করতে পারেনি। ৯৮৫ হিজরি পর্যন্ত তিনি ক্রিমিয়ার দায়িত্বশীল ছিলেন।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 দ্বিতীয় মুহাম্মাদ কুরাই

📄 দ্বিতীয় মুহাম্মাদ কুরাই


মুহাম্মাদ কুরাই উসমানি সেনাপতি উসমান পাশাকে ককেশাস অভিযানে সহযোগিতা না করে টালবাহানা করতে লাগলেন। এতে উসমান পাশা ক্ষুব্ধ হয়ে মুহাম্মাদ কুরাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর মনস্থ করলেন। তিনি মুহাম্মাদের ভাই ইসলাম কুরাইকে ক্রিমিয়ার সিংহাসনে বসানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সাহায্য চাইলেন। ইসলাম কুরাই তাতে সম্মত হয়ে মুহাম্মাদ কুরাইকে হত্যা করলেন এবং ওয়াদা অনুযায়ী ক্রিমিয়ার শাসনক্ষমতায় আরোহণ করলেন। এরপর থেকে ক্রিমিয়ার শাসক নির্বাচনের চাবিকাঠি ইস্তাম্বুলের হাতে চলে গেল।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00