📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 ২য় হিশাম বিন হাকাম বিন আবদুর রহমান আন-নাসির

📄 ২য় হিশাম বিন হাকাম বিন আবদুর রহমান আন-নাসির


২য় হিশাম ৩৫৪ হিজরি সনে (৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দে) কর্ডোভায় জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র এগারো বছর বয়সে তিনি খলিফা পদে অধিষ্ঠিত হন এবং মুআইয়াদ বিল্লাহ উপাধি ধারণ করেন।
হিশামের পিতা হাকামের মৃত্যুর পর সাম্রাজ্যের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ দু- দলে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এক পক্ষে ছিল সাম্রাজ্যের সামরিক অংশ (৩৭)। তারা কিশোর হিশামকে রাষ্ট্র পরিচালনার অনুপযুক্ত বিবেচনা করে তার চাচা মুগিরা বিন আবদুর রহমান আন-নাসিরকে খলিফা পদে অধিষ্ঠিত করতে চেয়েছিল।
আরেক পক্ষে ছিল হাজিব মিসহাফি ও কর্ডোভার নিরাপত্তা বিভাগের কর্মকর্তাগণ। তাদের চাওয়া ছিল, হিশামই হবেন পরবর্তী খলিফা। কারণ, তাহলে তাদের কর্তৃত্ব ও ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে।
এই দ্বিতীয় দলটিই ষড়যন্ত্র করে মুগিরা বিন আবদুর রহমান আন- নাসিরকে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ বিন আবু আমির মাআফিরি কাহতানি নামক জনৈক যুবক। তার পূর্বতন পুরুষ আবদুল মালিক আল-মাআফিরি ছিলেন সেসব মহান আরব অভিযাত্রীর একজন, যারা তারিক বিন যিয়াদের সঙ্গে আন্দালুসে প্রবেশ করেছিল। তার পূর্বপুরুষগণ বিভিন্ন সময় সেনাবাহিনীতে গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিল। মুহাম্মাদ বিন আবু আমিরের জন্ম আন্দালুসের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত জাযিরাতুল খাযরা (Algeciras) নামক অঞ্চলের এক গ্রামে। পরিণত বয়সে মুহাম্মাদ উচ্চশিক্ষা অর্জনের লক্ষ্যে কর্ডোভায় আগমন করেন এবং কর্ডোভা মসজিদে হাদিস ও সাহিত্যসহ বিভিন্ন শাস্ত্রের জ্ঞানার্জন করেন। সুউচ্চ মনোবল, উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও সমুন্নত লক্ষ্যের অধিকারী মুহাম্মাদ বিন আবু আমির শিক্ষাসমাপ্ত করার পরই কাজে লেগে যান। তিনি রাজপ্রাসাদের পাশেই একটি দোকান খোলেন এবং আগ্রহী জনসাধারণের অভিযোগ লিখে দেওয়ার কাজ করেন। কর্মদক্ষতা ও অনন্য ব্যক্তিত্বগুণে অল্পসময়ের মধ্যেই তিনি জনসাধারণের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হন। বিশেষ করে রাজপ্রাসাদের ভৃত্য ও সেবকরা তার ব্যক্তিত্বে অত্যন্ত মুগ্ধ হয় এবং তারাই খলিফা হাকামের প্রিয়তমা দাসী ও হিশামের মা সবাহ বাশকানসিয়ার কাছে মুহাম্মাদের প্রশংসা করে। মুহাম্মাদের প্রতিভার কথা শুনে সবাহ তাকে তার সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে নিযুক্ত করেন। ইবনে আমির এ ক্ষেত্রেও আপন দক্ষতার বহিঃপ্রকাশ ঘটান এবং সবাহকে সন্তুষ্ট করতে সক্ষম হন। সবাহ খলিফা হাকামের কাছে ইবনে আমিরের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করলে খলিফা তাকে এক এলাকার বিচারক পদে নিয়োগ করেন। এভাবে আপন কর্মদক্ষতাগুণে ইবনে আমির রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদ লাভ করতে থাকেন এবং হাকামের শাসনামলের শেষদিকে বিশেষ রাজকীয় পরিচারকদের তত্ত্বাবধায়ক ও উপদেষ্টার পদ লাভ করেন। এরপর যখন হাকাম ইন্তেকাল করেন এবং রাজপ্রাসাদে খিলাফত-সংকট সৃষ্টি হয়, তখন ইবনে আমিরের সামনে তার লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের সুযোগ এসে যায়। আর তা হলো, আন্দালুস রাষ্ট্রের নেতৃত্ব!
মুহাম্মাদ ইবনে আমির একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী হতে চেয়েছিলেন। তাই যারা তার লক্ষ্য বাস্তবায়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে, প্রথম থেকেই তিনি কৌশল ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাদেরকে সরিয়ে দিতে থাকেন। অবশেষে যখন তিনি আপন কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছতে সক্ষম হন এবং আন্দালুসের একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী হন, তখন থেকেই সাম্রাজ্য ও জনগণের সেবায় আপন যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতার পূর্ণ বহিঃপ্রকাশ ঘটান। ইসলামি ইতিহাসে তার চেয়ে অধিক কর্মোদ্যমী কাউকে খুঁজে পাওয়া যায় না। তিনি রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন কাজে দৈনিক বিশ ঘণ্টা ব্যয় করতেন। ইবনে আমির পরবর্তীকালে ‘আল-মানসুর’ উপাধি ধারণ করেন।
আল-মানসুর সাম্রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বসমূহে তার আস্থাভাজন লোকদের নিয়োজিত করেছিলেন। তিনি নিজে তাদের কাজকর্ম তদারকি করতেন। তিনি প্রশাসন ও রাষ্ট্রের ছোট-বড় প্রতিটি বিষয়ে অবগত হওয়ার জন্য প্রচুর গোয়েন্দা নিয়োজিত করেছিলেন।
আল-মানসুর যুদ্ধের ময়দানে নিজেই সেনাপতির দায়িত্ব পালন করতেন। কঠোর শৃঙ্খলাবোধের অধিকারী আল-মানসুর তার সেনাবাহিনীকে অভিনব পদ্ধতিতে বিন্যস্ত করেছিলেন।
ইবনে আমির আল-মানসুর নিজের বসবাসের জন্য ‘আয-যাহিরা’ নামে একটি নতুন নগরীর পত্তন করেন। তিনি নগরীটির নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত অস্ত্রশস্ত্র ও অন্যান্য উপকরণের ব্যবস্থা করেন এবং রাষ্ট্রের প্রশাসনিক দপ্তরসমূহ সেখানে স্থানান্তর করেন।
আর খলিফা হিশাম মূলত থেকেও না থাকার মতোই ছিলেন। তিনি প্রাসাদে খেল-তামাশায় ডুবে থাকতেন এবং ভৃত্য, পরিচারক ও দাসীদের সঙ্গে বিনোদনে মত্ত থাকতেন।
খলিফা হিশামের মা সাইয়েদা সবাহ যখন উপলব্ধি করেন যে, ইবনে আমির তার পুত্রকে পাশ কাটিয়ে নিজেই একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী হয়ে বসেছেন, তখন তিনি বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং ইবনে আমিরের ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব শেষ করার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতির আশ্রয় নেন।
প্রথমে তিনি আন্দালুসের ওপারের মাররাকিশ অঞ্চলের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং আল-মানসুরকে পরাভূত করার জন্য তাদেরকে বাহিনী প্রেরণ করার অনুরোধ করেন। মাররাকিশের নেতৃবৃন্দ এর বিনিময়ে প্রচুর অর্থ দাবি করলে তিনি শুভেচ্ছা উপহারের নাম দিয়ে অর্থসম্পদ প্রেরণ করেন। কিন্তু আল-মানসুর বিষয়টি বুঝে ফেলেন এবং যাবতীয় সম্পদ বাজেয়াপ্ত করেন। ফলে সাইয়েদা সবাহের ষড়যন্ত্র-প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।
এরপর সবাহ তাকে আরেক পদ্ধতিতে পাকড়াও করার চেষ্টা চালান। তিনি রাষ্ট্রের আলিমসমাজকে এই বলে উত্তেজিত করার চেষ্টা করেন যে, ইবনে আমির আন্দালুসের বৈধ ও শরিয়ত নির্ধারিত খলিফার ওপর অন্যায় হস্তক্ষেপ করছে। অল্প কদিনেই কর্ডোভার জনগণের মুখে মুখে এ কথা ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু আল-মানসুর ছিলেন অত্যন্ত চতুর ও কৌশলী। তিনি অনতিবিলম্বে খলিফার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তার প্রতি পূর্ণ আনুগত্য ও হৃদ্যতা প্রদর্শন করেন। ইবনে আমিরের চাতুর্য উপলব্ধি করার মতো বোধ ও জ্ঞান হিশামের ছিল না। তিনি ইবনে আমিরের আচরণ-উচ্চারণে যথেষ্ট প্রভাবিত হন। এরপর ইবনে আমির খলিফাকে প্ররোচিত করে তাকে নিয়ে কর্ডোভার রাজপথে পরিভ্রমণে বের হন। জনসাধারণ যখন দেখতে পায় যে, খলিফা তার হাজিবকে সঙ্গ দিচ্ছেন এবং তার সঙ্গে প্রশান্ত মনে ঘোরাফেরা করছেন, তখন জনগুঞ্জন ও সমালোচনার আওয়াজ স্তিমিত হয়ে আসে।
এরপর বিরুদ্ধবাদীরা তাকে দমন করার জন্য আরেক কৌশলের আশ্রয় নেয়। তারা কর্ডোভাজুড়ে রটিয়ে দেয় যে, আল-মানসুর একজন ধর্মদ্রোহী ও ধর্মবিরোধী ব্যক্তি। আল-মানসুর এ অপবাদ থেকেও নিজেকে নিষ্কলুষ প্রমাণ করেন। তিনি রাষ্ট্রের নেতৃস্থানীয় ফকিহগণকে সমবেত করে অনুরোধ করেন যে, তারা যেন হাকামের গ্রন্থাগারে দ্বীনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়-এমন যত গ্রন্থ আছে, সেগুলো বাছাই করে। ফকিহগণ সেগুলো বাছাই করলে তিনি সেসব গ্রন্থ পুড়িয়ে ফেলেন। এর ফলে আলিম ও ফকিহ সমাজে ধন্য ধন্য রব পড়ে যায় এবং তাদের কাছে আল-মানসুরের মর্যাদা সমুন্নত হয়। অবশ্য স্বীকার করতেই হবে যে, দর্শনশাস্ত্র-বিরোধী ফকিহগণের এই পদক্ষেপের ফলে দর্শন শাস্ত্রের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়।
আল-মানসুর তার শাসনামলের পুরোটা সময় নিয়ম করে প্রতিবছর দু-বার বসন্ত ও শরতে খ্রিষ্টান ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতেন। তিনি নিজেই যুদ্ধ পরিচালনা করতেন। পঁচিশ বছর ব্যাপ্ত শাসনামলে তিনি পঞ্চাশের অধিক যুদ্ধে খ্রিষ্টানদের বিরুদ্ধে লড়াই করলেও একটি যুদ্ধেও পরাজিত হননি। রণাঙ্গনে তার এই অনন্যসাধারণ নিপুণতা ও সার্বক্ষণিক ব্যস্ততা তার প্রতি জনগণের সমর্থন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
আল-মানসুর ৩৯২ হিজরি সনে (১০০২ খ্রিষ্টাব্দে) খ্রিষ্টানদের বিরুদ্ধে পরিচালিত এক অভিযান থেকে প্রত্যাবর্তনের সময় সালিম নগরীর কাছে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে উত্তরের খ্রিষ্টান রাষ্ট্রগুলো স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে।
মুহাম্মাদ বিন আবু আমিরের মৃত্যুর পর তার পুত্র আবদুল মালিক 'আল-মুযাফফার' উপাধি ধারণ করে হাজিব পদে অধিষ্ঠিত হন। তিনি সাত বছর আন্দালুস শাসন করেন। তার শাসনামল ছিল অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ। রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিও ছিল শান্ত ও শৃঙ্খলাপূর্ণ। পিতার ন্যায় তিনিও নিয়ম করে বছরে দু-বার খ্রিষ্টান রাষ্ট্রগুলোতে অভিযান পরিচালনা করতেন এবং ক্রুসেডারদের ব্যতিব্যস্ত রাখতেন।
ঐতিহাসিক মাক্কারি রহ. 'নাফহুত তীব' গ্রন্থে আবদুল মালিক আল-মুযাফফার সম্পর্কে লিখেছেন— তিনি প্রশাসন পরিচালনা ও সমরনীতির ক্ষেত্রে আপন পিতার আদর্শ অনুসরণ করেছিলেন। তার সাত বছরের শাসনামলকে আনন্দ ও সুখের কাল বলে গণ্য করা হয়েছিল এবং সাবিউল আ'রুস(৩৮)-এর সঙ্গে তুলনা করে এ সময়কালকে সাবি' নামকরণ করা হয়েছিল। উপাধি যেমন মুযাফফার, বাস্তবেও তিনি ছিলেন মুযাফফার ও সফল। (৩৯)
৩৯৯ হিজরি সনে (১০০৮ খ্রিষ্টাব্দে) আবদুল মালিকের মৃত্যু হলে তার ভাই আবদুর রহমান তার স্থলাভিষিক্ত হন। কিন্তু আবদুর রহমান তার পিতা আল-মানসুর ও ভ্রাতা আল-মুযাফফার থেকে সম্পূর্ণই ব্যতিক্রম ছিলেন। তিনি রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে উদাসীন থাকতেন, ভোগ-বিলাসে মত্ত থাকতেন। তার পিতা ও ভাই যে ক্ষমতা অর্জনের স্বপ্ন দেখেননি, তিনি তা-ও লাভ করতে উন্মুখ হয়ে ওঠেন। যদিও রাষ্ট্রের কার্যকরী ক্ষমতা তার হাতেই ছিল; কিন্তু তিনি তাতেই সন্তুষ্ট না হয়ে কাগজে-কলমেও রাষ্ট্রের অধিকর্তা হওয়ার আকাঙ্ক্ষা করেন এবং খলিফা পদ থেকে উমাইয়া রাজপরিবারকে সরিয়ে দিয়ে নিজেই খলিফা হওয়ার মনস্থ করেন। তিনি হিশাম-পরবর্তী খলিফা হিসেবে তার নাম ঘোষণা করতে খলিফা হিশামকে চাপপ্রয়োগ করেন।
আবদুর রহমানের এই পদক্ষেপ আরব মুযারিদের মাঝে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। খিলাফতের দায়িত্ব কুরাইশদের হাত থেকে ইয়ামেনি (কাহতানি) বংশের হাতে চলে যাবে, এটা তারা কিছুতেই মেনে নিতে পারছিল না। একে কেন্দ্র করে নতুন করে আন্দালুসে সাম্প্রদায়িক সংঘাত মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। আবদুর রহমান আন্দালুসের উত্তরাঞ্চলে খ্রিষ্টানদের বিরুদ্ধে অভিযানে বের হলে তার অনুপস্থিতির সুযোগে উমাইয়া ও মুযারিরা একজোট হয়ে হিশামকে সিংহাসনচ্যুত করে এবং তার স্থলে মুহাম্মাদ বিন হিশাম বিন আবদুল জাব্বার বিন আবদুর রহমান আন-নাসির নামক খলিফা আন-নাসিরের জনৈক প্রপৌত্রকে খলিফা পদে অধিষ্ঠিত করে। তিনি মাহদি বিল্লাহ উপাধি ধারণ করেন।
আবদুর রহমান এ সংবাদ পাওয়ামাত্র যুদ্ধক্ষেত্র ত্যাগ করে কর্ডোভার উদ্দেশে রওনা হন। পথে ধীরে ধীরে তার বাহিনীর সৈন্যরা তাকে ত্যাগ করে সটকে পড়তে থাকে। একপর্যায়ে তিনি প্রায় সঙ্গীহারা হয়ে পড়েন। অব্যবহিত পরেই প্রতিপক্ষের জনৈক ব্যক্তি তাকে পাকড়াও করে হত্যা করে এবং তার ছিন্ন মস্তক মাহদি বিল্লাহর কাছে নিয়ে যায়। আবদুর রহমানের মৃত্যুর মাধ্যমে আন্দালুসে বনু আমিরের কর্তৃত্বেরও সমাপ্তি ঘটে।

টিকাঃ
৩৭. প্রাসাদে রাজপরিবারের একান্ত ও পারিবারিক খেদমত আঞ্জাম দানকারী সাকলাবি পরিচারকগণও এ পক্ষে ছিল।
৩৮. আরব দেশগুলোতে বিয়ের সাতদিন পর নববধূকে নিয়ে আয়োজিত এক ধরনের আনন্দ উৎসবকে সাবিউল আ'রুস বলা হয়。
৩৯. মাক্কারি, নাফহুত তীব, ১/৪২৩।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00