📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 তাওয়াবিন বাহিনীর বিদ্রোহ

📄 তাওয়াবিন বাহিনীর বিদ্রোহ


[রবিউল আউয়াল, ৬৫ হিজরি] [নভেম্বর, ৬৮৪ খ্রিষ্টাব্দ]
যারা হজরত হুসাইন রাযি.-কে কুফায় আগমনে উদ্বুদ্ধ করেও পরে আর তাকে সহায়তা করেনি, তাদের একটি দল পরবর্তীকালে নিজেদের কৃতকর্মের কারণে অনুতপ্ত হয় এবং একটি সংঘবদ্ধ বাহিনীতে পরিণত হয়। নিজেদেরকে তারা তাওয়াবিন (তাওবাকারী) বাহিনী নামে অভিহিত করত। তাদের নেতৃত্বে ছিলেন সুলায়মান বিন ছারদ রাযি.। তিনি একজন আবিদ ও দুনিয়াবিমুখ সাহাবি ছিলেন। সিফফিনের যুদ্ধে তিনি আলি রাযি.-এর পক্ষে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তার গৃহই ছিল তাওয়াবিন-বাহিনীর মূলকেন্দ্র। ৬৫ হিজরিতে (আইনে ওয়ারদার যুদ্ধে) তাকে ও তার অনুসারীদেরকে হত্যার মাধ্যমে তাওয়াবিন-বিদ্রোহ দমন করা হয়।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 মুখতার বিন আবু উবায়দ ছাকাফির বিদ্রোহ

📄 মুখতার বিন আবু উবায়দ ছাকাফির বিদ্রোহ


তাকে 'মহা ফিতনার পুরোধা' বলে নামকরণ করা হয়। ৬৬ হিজরি সনের রবিউল আউয়াল মাসে (৬৮৫ খ্রিষ্টাব্দের অক্টোবর মাসে) মুখতার কুফায় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন। তার দাবি ছিল, আলি বিন আবু তালিবের এক পুত্র মুহাম্মাদ ইবনুল হানাফিয়া তাকে হুসাইনহত্যার প্রতিশোধ নিতে প্রেরণ করেছেন। বাস্তবে মুহাম্মাদ এ বিষয়ে কিছুই জানতেন না এবং এ বিষয়ে তার সমর্থনও ছিল না। মুখতার একের পর এক কয়েকটি অভিযানে বিজয়লাভে সমর্থ হন। কিন্তু ৬৭ হিজরিতে তিনি নিহত হন এবং মুসআব বিন যুবায়রের হাতে তার আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 খারিজিদের বিদ্রোহ

📄 খারিজিদের বিদ্রোহ


খারিজিরা বেশ কয়েকবার কঠিন বিদ্রোহ করেছিল। খারিজি-ফিতনা দমনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন মুহাল্লাব বিন আবু ছুফরা। ৭৭ হিজরি সনে আবুয যাহ্হাক শাবিব বিন ইয়াযিদ বিন নুআয়ম বিন কায়স শায়বানি খারিজি বাহিনীর নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। আবুয যাহ্হাক ছিলেন সমকালীন শ্রেষ্ঠ বীরদের একজন। খারিজিরা তার হাতে খিলাফতের বায়আত গ্রহণ করে। তিনি বনু উমাইয়ার খলিফাকে ভীত-সন্ত্রস্ত করে তোলেন। আবুয যাহ্হাক একের পর এক যুদ্ধে বনু উমাইয়া বাহিনীকে পরাজিত করতে থাকেন। তার বাহিনীর সৈন্যসংখ্যা এক হাজারের বেশি ছিল না। বিপরীতে সুসংগঠিত উমাইয়া-বাহিনীর সৈন্যসংখ্যা ছিল কয়েক হাজার। তিনি পানিতে ডুবে মারা যান। তার পূর্বে একই যুদ্ধে তার স্ত্রী (বীরত্ব ও যুদ্ধদক্ষতায় আরব-বিখ্যাত নারী) গাযাল আল-হারুরিয়াও মারা যান।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00