📄 কাদিসিয়ার যুদ্ধের প্রাত্যহিক বিবরণ
প্রথম দিন: আরমাছ দিবস [১৩ শাবান, পঞ্চদশ হিজরি] [১৯ সেপ্টেম্বর, ৬৩৬ খ্রিষ্টাব্দ]
রীতি অনুযায়ী পারসিক সেনাপতি রুস্তম মুসলমানদের কাছে বার্তা পাঠায় যে, তোমরা নদী পাড়ি দিয়ে এপারে চলে এসো, নয়তো আমরা ওপারে চলে যাই। মুসলিম বাহিনীর পক্ষ থেকে উত্তর পাঠানো হয়, তোমরাই এপারে চলে এসো।
মুসলিম সেনাপতি সাদ রাযি. তার সৈন্যদেরকে আপন অবস্থানে অটল- অবিচল থাকার নির্দেশ দেন। তিনি ঘোষণা করেন, জোহর নামাজ পর্যন্ত কেউ সামান্য অগ্রসর হয়ো না। জোহর আদায় শেষ হলে আমি একটি তাকবির দেবো। তখন তোমরাও তাকবির দেবে এবং নিজেদের জুতার ফিতা বেঁধে নিয়ে প্রস্তুতি গ্রহণ করবে। মনে রাখবে, তোমাদের পূর্বে কোনো জাতিকে তাকবির-নিয়ামত দান করা হয়নি; তোমাদের দৃঢ়পদ রাখতে ও শক্তি জোগাতে এই নিয়ামত দান করা হয়েছে। এরপর আমি যখন দ্বিতীয় তাকবির দেবো, তোমরাও তাকবির দেবে এবং যুদ্ধ শুরু করার জন্য পূর্ণ প্রস্তুত হয়ে যাবে। তারপর আমি তৃতীয় তাকবির দিলে তোমরা দাঁতে দাঁত চেপে অস্ত্র নিয়ে একযোগে প্রতিপক্ষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়বে আর মুখে বলবে ‘লা হাওলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’।
একের পর এক তাকবিরের ধ্বনিতে কাদেসিয়া প্রান্তরের দিগদিগন্ত মুখরিত হয়ে ওঠে। তৃতীয় তাকবিরের পর গালিব বিন আবদুল্লাহ আসাদি সামনে অগ্রসর হয়ে প্রতিপক্ষকে মল্লযুদ্ধের আহ্বান জানান। তাঁর আহ্বানে পারসিক বাহিনীর হরমুজ নামক জনৈক সেনাপতি অগ্রসর হয়। গালিব তাকে সামান্য সুযোগ না দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং তাকে জড়িয়ে ধরে বন্দি করে মুসলিম বাহিনীর সারিতে নিয়ে আসেন।
মুসলিম বাহিনী চতুর্থ তাকবিরের প্রতিক্ষায় থাকতেই পারসিক বাহিনী মুসলিম বাহিনীর মূলকেন্দ্রে আক্রমণ চালায়। বাহিনীর এ অংশে ছিল মুসলিম বাহিনীর সবচেয়ে দক্ষ যোদ্ধা-গোষ্ঠী বনু বাজিলার সদস্যগণ। তাদের পাশেই ছিল বনু কিনদা। এই দুই গোত্রই মুসলিম বাহিনীর এক-চতুর্থাংশের (৫০০০) প্রতিনিধিত্ব করছিল।
পারসিক বাহিনী মুসলিম বাহিনীর ওপর প্রচণ্ড হামলা চালায়। তাদের হাতিগুলোর কারণে মুসলিম বাহিনীর ঘোড়াগুলো ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। বাধ্য হয়ে মুসলিম সৈন্যগণ ঘোড়া হতে নেমে যুদ্ধ করতে শুরু করে। সেনাপতি সাদ রাযি. তার অবস্থানস্থল থেকে বনু আসাদকে বাজিলার গোত্রের প্রতিরক্ষায় অগ্রসর হওয়ার নির্দেশ দেন। তুলাইহা বিন খুওয়াইলিদের গোত্র বনু আসাদের অবস্থান ছিল বাজিলার গোত্রের ডান পার্শ্বে। তাদের সৈন্যসংখ্যা ছিল তিন হাজার। সেনাপতির আদেশে বনু আসাদ যুদ্ধক্ষেত্রে অসাধারণ আনুগত্যের পরিচয় দেয় এবং মুসলিম ভাইদের রক্ষা করার জন্য বীরত্বের সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। শত্রুপক্ষকে প্রতিরোধ করতে গিয়ে আরমাছ দিবসে কেবল বনু আসাদেরই পাঁচশ যোদ্ধা শহিদ হয়।
সেনাপতি সাদ রাযি.-এর নির্দেশনা অনুযায়ী তখনও মুসলিম বাহিনীর অন্যান্য অংশ আপন আপন স্থানে স্থির ছিল। এরপর সাদ রাযি. যখন চতুর্থ তাকবির উচ্চারণ করেন, আল্লাহর সৈনিকরা বজ্র নিনাদে তাদের মুসলিম ভাইদের রক্ষায় ঝাঁপিয়ে পড়ে। মুসলিম বাহিনীর একটি অংশ পারসিক বাহিনীর হাতিগুলোর পেটের সঙ্গে বাঁধা বাক্সগুলোর বন্ধনী কেটে ফেলতে সক্ষম হয়। ফলে বাক্সগুলো উল্টে পড়ে যায় এবং বাক্সের মধ্যে অবস্থানরত সৈনিকেরা নিহত হয়।
কাদিসিয়া যুদ্ধের প্রথম দিন যুদ্ধের পাল্লা উভয় দিকে দোদুল্যমান ছিল।
📄 প্রথম দিন: আরমাছ দিবস
রীতি অনুযায়ী পারসিক সেনাপতি রুস্তম মুসলমানদের কাছে বার্তা পাঠায় যে, তোমরা নদী পাড়ি দিয়ে এপারে চলে এসো, নয়তো আমরা ওপারে চলে যাই। মুসলিম বাহিনীর পক্ষ থেকে উত্তর পাঠানো হয়, তোমরাই এপারে চলে এসো।
মুসলিম সেনাপতি সাদ রাযি. তার সৈন্যদেরকে আপন অবস্থানে অটল- অবিচল থাকার নির্দেশ দেন। তিনি ঘোষণা করেন, জোহর নামাজ পর্যন্ত কেউ সামান্য অগ্রসর হয়ো না। জোহর আদায় শেষ হলে আমি একটি তাকবির দেবো। তখন তোমরাও তাকবির দেবে এবং নিজেদের জুতার ফিতা বেঁধে নিয়ে প্রস্তুতি গ্রহণ করবে। মনে রাখবে, তোমাদের পূর্বে কোনো জাতিকে তাকবির-নিয়ামত দান করা হয়নি; তোমাদের দৃঢ়পদ রাখতে ও শক্তি জোগাতে এই নিয়ামত দান করা হয়েছে। এরপর আমি যখন দ্বিতীয় তাকবির দেবো, তোমরাও তাকবির দেবে এবং যুদ্ধ শুরু করার জন্য পূর্ণ প্রস্তুত হয়ে যাবে। তারপর আমি তৃতীয় তাকবির দিলে তোমরা দাঁতে দাঁত চেপে অস্ত্র নিয়ে একযোগে প্রতিপক্ষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়বে আর মুখে বলবে ‘লা হাওলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’।
একের পর এক তাকবিরের ধ্বনিতে কাদেসিয়া প্রান্তরের দিগদিগন্ত মুখরিত হয়ে ওঠে। তৃতীয় তাকবিরের পর গালিব বিন আবদুল্লাহ আসাদি সামনে অগ্রসর হয়ে প্রতিপক্ষকে মল্লযুদ্ধের আহ্বান জানান। তাঁর আহ্বানে পারসিক বাহিনীর হরমুজ নামক জনৈক সেনাপতি অগ্রসর হয়। গালিব তাকে সামান্য সুযোগ না দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং তাকে জড়িয়ে ধরে বন্দি করে মুসলিম বাহিনীর সারিতে নিয়ে আসেন।
মুসলিম বাহিনী চতুর্থ তাকবিরের প্রতিক্ষায় থাকতেই পারসিক বাহিনী মুসলিম বাহিনীর মূলকেন্দ্রে আক্রমণ চালায়। বাহিনীর এ অংশে ছিল মুসলিম বাহিনীর সবচেয়ে দক্ষ যোদ্ধা-গোষ্ঠী বনু বাজিলার সদস্যগণ। তাদের পাশেই ছিল বনু কিনদা। এই দুই গোত্রই মুসলিম বাহিনীর এক-চতুর্থাংশের (৫০০০) প্রতিনিধিত্ব করছিল।
পারসিক বাহিনী মুসলিম বাহিনীর ওপর প্রচণ্ড হামলা চালায়। তাদের হাতিগুলোর কারণে মুসলিম বাহিনীর ঘোড়াগুলো ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। বাধ্য হয়ে মুসলিম সৈন্যগণ ঘোড়া হতে নেমে যুদ্ধ করতে শুরু করে। সেনাপতি সাদ রাযি. তার অবস্থানস্থল থেকে বনু আসাদকে বাজিলার গোত্রের প্রতিরক্ষায় অগ্রসর হওয়ার নির্দেশ দেন। তুলাইহা বিন খুওয়াইলিদের গোত্র বনু আসাদের অবস্থান ছিল বাজিলার গোত্রের ডান পার্শ্বে। তাদের সৈন্যসংখ্যা ছিল তিন হাজার। সেনাপতির আদেশে বnu আসাদ যুদ্ধক্ষেত্রে অসাধারণ আনুগত্যের পরিচয় দেয় এবং মুসলিম ভাইদের রক্ষা করার জন্য বীরত্বের সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। শত্রুপক্ষকে প্রতিরোধ করতে গিয়ে আরমাছ দিবসে কেবল বনু আসাদেরই পাঁচশ যোদ্ধা শহিদ হয়।
সেনাপতি সাদ রাযি.-এর নির্দেশনা অনুযায়ী তখনও মুসলিম বাহিনীর অন্যান্য অংশ আপন আপন স্থানে স্থির ছিল। এরপর সাদ রাযি. যখন চতুর্থ তাকবির উচ্চারণ করেন, আল্লাহর সৈনিকরা বজ্র নিনাদে তাদের মুসলিম ভাইদের রক্ষায় ঝাঁপিয়ে পড়ে। মুসলিম বাহিনীর একটি অংশ পারসিক বাহিনীর হাতিগুলোর পেটের সঙ্গে বাঁধা বাক্সগুলোর বন্ধনী কেটে ফেলতে সক্ষম হয়। ফলে বাক্সগুলো উল্টে পড়ে যায় এবং বাক্সের মধ্যে অবস্থানরত সৈনিকেরা নিহত হয়।
কাদিসিয়া যুদ্ধের প্রথম দিন যুদ্ধের পাল্লা উভয় দিকে দোদুল্যমান ছিল।
📄 খানাসা রাযি.-এর আপন পুত্রদেরকে কৃত অসিয়ত
আরমাছ দিবসের রাতে খানাসা রাযি. তার চার পুত্রকে একত্র করে বলেন—'তোমরা স্বেচ্ছায় ইসলামগ্রহণ করেছ এবং নিজ ইচ্ছায় লড়াই করছ। কাফিরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে আল্লাহ তাআলা মুসলমানদের জন্য যে অকল্পনীয় আজর রেখেছেন, তা তোমরা ভালো করেই জানো। মনে রেখো, এই নশ্বর জগতের চেয়ে চিরস্থায়ী জগৎ শ্রেয়। আল্লাহ চাহে তো তোমরা যদি আগামীকাল সকালে সুস্থ ও নিরাপদ অবস্থায় উপনীত হও, তাহলে তোমরা অভিনিবেশ সহকারে শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অগ্রসর হবে এবং আল্লাহর সাহায্য কামনা করে শত্রুর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়বে। যখন দেখবে, যুদ্ধ প্রচণ্ড আকার ধারণ করেছে এবং জ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ডের রূপ নিয়েছে, তখন যুদ্ধের একেবারে মূলকেন্দ্রের দিকে অগ্রসর হবে এবং প্রতিপক্ষের শ্রেষ্ঠ সৈন্যদের বিরুদ্ধে লড়াই করবে। তাহলেই তোমরা পরকালের চিরস্থায়ী জগতের মর্যাদা ও সম্মানের অধিকারী হবে।'
আল্লাহু আকবার! ঈমান মানুষের অন্তরে কী বিস্ময়কর পরিবর্তনই-না সৃষ্টি করে! এই খানাসা জাহিলি যুগে তার সাখর নামক এক ভাইয়ের বিচ্ছেদ-শোকে রচনা করেছিলেন এক বিরল শোকগাথা; ভাষা-সৌকর্য ও অত্যুচ্চ কাব্যমানের কারণে আরবি সাহিত্যে যা অনন্যসাধারণ স্থান লাভ করেছে। ইসলামগ্রহণ করার পর আজ সেই খানাসা রাযি. তার চার পুত্রের প্রত্যেককে আল্লাহর রাস্তায় আপন জান কুরবানি করতে আহ্বান জানাচ্ছেন!
📄 দ্বিতীয় দিন: আগওয়াছ দিবস
শাম থেকে সহায়ক বাহিনীর আগমন
এ দিন শাম থেকে রওনা হওয়া সহায়ক বাহিনীর অগ্রবর্তী অংশ কাদিসিয়ায় পৌঁছে যায়। অগ্রবর্তী অংশের নেতৃত্বে ছিলেন হজরত কা'কা' বিন আমর রাযি.। তার সঙ্গে ছিল এক হাজার অশ্বারোহী সৈন্য। আগওয়াছ দিবসের সূর্যোদয়ের সময় তারা যুদ্ধক্ষেত্রে পৌঁছায়।
প্রতিপক্ষের অন্তরে ভীতি সঞ্চারের জন্য কা'কা' এক অভিনব কৌশল গ্রহণ করেন। তিনি তার সঙ্গী এক হাজার সৈন্যকে দশ-দশজন করে একশটি ভাগে বিভক্ত করেন এবং প্রত্যেক অংশকে বলে দেন, যখন তারা মুসলিম শিবিরের দৃষ্টিপথে পৌঁছে যাবে, তখন একটি অংশ শিবিরে প্রবেশ করবে। প্রথম দশজন নির্ধারিত দূরত্ব অতিক্রম করার পর পরবর্তী দল তাদের অনুগামী হবে। এভাবে একের পর এক দলের আগমনে যে ধূলিঝড়ের সৃষ্টি হবে, তাতে সূর্যের আলো ঢেকে যাবে এবং শত্রুপক্ষের চোখে আগত মুসলিম বাহিনীকে অনেক বড় মনে হবে।
দ্বিতীয় দিনের শুরুতে কা'কা' রাযি. সারি থেকে বেরিয়ে এসে প্রতিপক্ষকে দ্বন্দ্বযুদ্ধের আহ্বান জানান। পারসিক বাহিনীর সারি থেকে সেতু-যুদ্ধের প্রধান সেনাপতি বাহমান দ্বন্দ্বযুদ্ধের জন্য অগ্রসর হয়। কা'কা' রাযি. প্রথমে তাকে চিনতে না পেরে তার পরিচয় জিজ্ঞেস করেন। একটু পরেই তাকে চিনতে পেরে তিনি চিৎকার করে বলে ওঠেন, 'আবু উবায়দের ঘাতক, এখনই প্রতিশোধ নিচ্ছি!' এ কথা বলেই তিনি এক আঘাতে বাহমানকে শেষ করে দেন। এভাবে দ্বিতীয় দিনের সূচনা হয় মুসলিম বাহিনীর সফলতার মাধ্যমে। প্রকৃতপক্ষে এদিন মুসলিম বাহিনীর মাঝে তিনটি নতুন বৈশিষ্ট্য দৃষ্টিগোচর হচ্ছিল।
• বাহিনীতে বিশিষ্ট সাহাবি কা'কা' রাযি.-এর উপস্থিতি। খলিফা উমর রাযি. তার সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন, 'যে বাহিনীতে কা'কা' রয়েছে, সে বাহিনী পরাজিত হবে না।' তিনি আরও বলেছেন, 'যুদ্ধক্ষেত্রে কা'কা'র কণ্ঠস্বর এক হাজার অশ্বারোহী সৈনিকের কাজ দেয়।'
প্রথম দিন মুসলিম বাহিনী কর্তৃক হস্তিবাহিনীর বাক্সগুলো ধ্বংস করে ফেলায় যুদ্ধক্ষেত্রে হাতির অনুপস্থিতি। এ দিন পারসিকরা বাক্সগুলো মেরামত করছিল।
কা'কা' রাযি.-এর গৃহীত একটি কৌশল। তিনি ও তার জ্ঞাতি ভাইয়েরা এদিন মুসলিম বাহিনীর উটগুলোকে বোরকার মতো করে চাদর পরিয়ে দেন। ফলে উটগুলোকে দেখতে ভয়ানক লাগছিল।
ঐতিহাসিক তাবারি রহ. লিখেছেন-
উটগুলো শত্রুপক্ষের ছোট-বড় যে অংশের দিকেই অগ্রসর হতো, তাদের ঘোড়াগুলো ভয়ে পালাতে শুরু করত। মুসলিম বাহিনীর অন্যান্য অংশের সৈন্যগণ এ দৃশ্য দেখে একই পদ্ধতি অবলম্বন করল। ফলাফল এই দাঁড়াল যে, আরমাছ দিবসে প্রতিপক্ষের হাতির কারণে মুসলিম বাহিনী যে পরিমাণ ক্ষতির শিকার হয়েছিল, আগওয়াছ দিবসে পারসিক বাহিনী ঘোমটা পরিহিত উটের কারণে তার চেয়েও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হলো। (১২৩)
এদিন পারসিক বাহিনীর দশ হাজার সৈন্য নিহত হয়। মুসলিম বাহিনী হারায় দু-হাজার সৈন্য, যাদের মধ্যে খানাসার চার-পুত্রও ছিলেন। পুত্রদের শহিদ হওয়ার সংবাদ পেয়ে খানাসা রাযি. বলেন, 'সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাকে তাদের শহিদি মৃত্যু দ্বারা মর্যাদাশীল করেছেন। আমি আমার রবের কাছে আশা করি যে, তিনি তাদেরকে আপন রহমতের ছায়াতলে স্থান দেবেন।'
টিকাঃ
১২০. ইবনে জারির তাবারি, তারিখুর-রুসুলি ওয়াল-মুলুক, ৩/৫৪৫।