📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর রাযি.-এর বংশপরিচয়

📄 দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর রাযি.-এর বংশপরিচয়


হজরত উমর রাযি. হস্তিবাহিনীর ঘটনার তেরো বছর পর জন্মগ্রহণ করেন। তার উপনাম আবু হাফস, উপাধি 'আল-ফারুক'। পিতার দিক থেকে তার বংশপরম্পরা নিম্নরূপ-
উমর ইবনুল খাত্তাব বিন নুফায়ল বিন আবদুল উযযা বিন রিয়াহ বিন কুরত্ব বিন রাযাহ বিন আদি বিন কাব ...।
কাব হতে তার বংশপরম্পরা নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবু বকর রাযি.-এর বংশপরম্পরার সঙ্গে মিলে গেছে।
হজরত উমর রাযি. নবুওয়তের ষষ্ঠ বছর ইসলামগ্রহণ করেন। তিনি কুরাইশ গোত্রের সম্ভ্রান্ত যুবক ছিলেন। জাহিলি যুগে কুরাইশ গোত্র বিভিন্ন বিরোধ মীমাংসায় তাকে দূত হিসেবে প্রেরণ করত।

হজরত উমর রাযি. হস্তিবাহিনীর ঘটনার তেরো বছর পর জন্মগ্রহণ করেন। তার উপনাম আবু হাফস, উপাধি 'আল-ফারুক'। পিতার দিক থেকে তার বংশপরম্পরা নিম্নরূপ-
উমর ইবনুল খাত্তাব বিন নুফায়ল বিন আবদুল উযযা বিন রিয়াহ বিন কুরত্ব বিন রাযাহ বিন আদি বিন কাব ...।
কাব হতে তার বংশপরম্পরা নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবু বকর রাযি.-এর বংশপরম্পরার সঙ্গে মিলে গেছে।
হজরত উমর রাযি. নবুওয়তের ষষ্ঠ বছর ইসলামগ্রহণ করেন। তিনি কুরাইশ গোত্রের সম্ভ্রান্ত যুবক ছিলেন। জাহিলি যুগে কুরাইশ গোত্র বিভিন্ন বিরোধ মীমাংসায় তাকে দূত হিসেবে প্রেরণ করত।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 কিছু গুণ ও বৈশিষ্ট্য

📄 কিছু গুণ ও বৈশিষ্ট্য


হজরত উমর রাযি. ইসলামগ্রহণ করার পরই মক্কায় মুসলমানগণ প্রকাশ্যে ইবাদত করার সুযোগ লাভ করে। তিনি আশারায়ে মুবাশশারার অন্যতম সদস্য এবং বিশিষ্ট ফকিহ ও জাহিদ (দুনিয়াবিরাগী) সাহাবি। হজরত উমর রাযি.-এর সূত্রে নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পাঁচশ উনচল্লিশটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে।
নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমর রাযি. সম্পর্কে ইরশাদ করেন—
إِنَّ اللهَ جَعَلَ الحَقَّ عَلَى لِسَانِ عُمَرَ وَ قَلْبِهِ
আল্লাহ তাআলা উমরের জবান ও হৃদয়ে হক প্রতিষ্ঠিত করে দিয়েছেন। (৮২)
নবীজি আরও ইরশাদ করেন—
لَوْ كَانَ نَبِيُّ بَعْدِي لَكَانَ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ
আমার পরে যদি কেউ নবী হতো, তাহলে সে হতো উমর ইবনুল খাত্তাব। (৮৩)

হজরত উমর রাযি. ইসলামগ্রহণ করার পরই মক্কায় মুসলমানগণ প্রকাশ্যে ইবাদত করার সুযোগ লাভ করে। তিনি আশারায়ে মুবাশশারার অন্যতম সদস্য এবং বিশিষ্ট ফকিহ ও জাহিদ (দুনিয়াবিরাগী) সাহাবি। হজরত উমর রাযি.-এর সূত্রে নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পাঁচশ উনচল্লিশটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে।
নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমর রাযি. সম্পর্কে ইরশাদ করেন—
إِنَّ اللهَ جَعَلَ الحَقَّ عَلَى لِسَانِ عُمَرَ وَ قَلْبِهِ
আল্লাহ তাআলা উমরের জবান ও হৃদয়ে হক প্রতিষ্ঠিত করে দিয়েছেন। (৮২)
নবীজি আরও ইরশাদ করেন—
لَوْ كَانَ نَبِيُّ بَعْدِي لَكَانَ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ
আমার পরে যদি কেউ নবী হতো, তাহলে সে হতো উমর ইবনুল খাত্তাব। (৮৩)

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 হজরত উমর রাযি.-কে খলিফা নির্বাচন

📄 হজরত উমর রাযি.-কে খলিফা নির্বাচন


অন্তিম শয্যায় শায়িত অবস্থায় হজরত আবু বকর রাযি. অনুভব করেন যে, তার মৃত্যু অত্যাসন্ন। তার অবর্তমানে যেন খিলাফতের দায়িত্ব নিয়ে উম্মাহর মধ্যে কোনো ধরনের মতবিরোধ সৃষ্টি না হয়, এজন্য তিনি মৃত্যুর পূর্বেই পরবর্তী খলিফা নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। খলিফার দৃষ্টিতে উমর রাযি.-ই ছিলেন পরবর্তী খলিফা হওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত। কিন্তু তিনি প্রথমেই এই মনোনয়নের কথা প্রকাশ না করে এ বিষয়ে আবদুর রহমান বিন আওফ রাযি., উসমান বিন আফফান রাযি., সাঈদ বিন যায়দ রাযি., উসায়দ বিন হুযায়র রাযি. প্রমুখ দায়িত্বশীল ও নেতৃস্থানীয় মুহাজির-আনসার সাহাবিদের সঙ্গে পরামর্শ করেন। হজরত আবু বকর রাযি.-এর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর সকলে এই মনোনয়নের পক্ষে একমত হয়। কোনো কোনো সাহাবি হজরত উমর রাযি.-এর স্বভাব-কঠোরতার কারণে প্রথমে দ্বিধা প্রকাশ করলেও শেষ পর্যন্ত আবু বকর রাযি. সকলকে আশ্বস্ত করতে সক্ষম হন।
হজরত আবু বকর রাযি. যখন নিশ্চিন্ত হন যে, নেতৃস্থানীয় ও দায়িত্বশীল সাহাবায়ে কেরাম সকলে হজরত উমর রাযি.-এর পরবর্তী খলিফা হওয়ার বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেছেন, তখন তিনি তার কাছে উপবিষ্ট পরিবারস্থ লোকদেরকে নির্দেশ দেন—তাকে যেন উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। লোকজন তখন মসজিদে সমবেত হয়েছিল। মসজিদসংলগ্ন কামরা থেকে উপস্থিত মুসলমানদের প্রতি তাকিয়ে আবু বকর রাযি. বলেন, উপস্থিত লোকসকল! আমি যাকে তোমাদের পরবর্তী খলিফা নির্ধারণ করব, তোমরা কি তাকে সন্তুষ্টচিত্তে মেনে নেবে? আল্লাহর শপথ! আমি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে চিন্তাভাবনা ও কল্যাণ-কামনায় কোনো প্রকার ত্রুটি করিনি এবং আমার কোনো নিকটজনকেও খলিফা নির্ধারণ করিনি। আমি খলিফা নির্ধারণ করেছি উমর ইবনুল খাত্তাবকে। সুতরাং তোমরা তার কথা শুনবে ও মানবে।
উপস্থিত সকলে উত্তর দেন, আমরা উমরের আনুগত্য স্বীকার করে নিলাম। এরপর আবু বকর রাযি. আল্লাহর কাছে দোয়া করেন, হে আল্লাহ, মুসলিম উম্মাহর কল্যাণদাবিতেই আমি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। আমার আশঙ্কা ছিল— মুসলমানগণ আমার অবর্তমানে ফিতনায় পড়ে যাবে, তাই আমি এমন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি, যা সম্পর্কে আপনিই সর্বাধিক জ্ঞাত। সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি; তারপর তাদের মাঝে সর্বোত্তম, সবচেয়ে শক্তিশালী ও উম্মাহর জন্য সর্বাধিক কল্যাণকামী ব্যক্তিকে উম্মাহর দায়িত্ব প্রদান করেছি।
হজরত আবু বকর রাযি.-কে ইন্তেকালের পরদিন নবীজির পাশে সমাধিস্থ করা হয়। এরপর লোকজন দলে দলে মসজিদে নববিতে উপস্থিত হয়ে হজরত উমর রাযি.-এর হাতে বায়আত গ্রহণ করে। সেদিন ছিল ত্রয়োদশ হিজরি সনের ২৩ জুমাদাল উখরা। এভাবেই উম্মাহর সর্বসম্মতিতে হজরত উমর রাযি.-এর দায়িত্ব গ্রহণ সমাপ্ত হয়।
ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা নির্ধারিত হন সেই মহান ব্যক্তি, ইমাম বুখারির বর্ণনা অনুসারে নবীজি যার সম্পর্কে ইরশাদ করেছেন, لَقَدْ كَانَ فِيْمَا قَبْلَكُمْ مِنَ الْأُمَمِ مُحَدَّثُوْنَ، فَإِنْ يَكُ فِي أُمَّتِي أَحَدٌ، فَإِنَّه
তোমাদের পূর্ববর্তী জাতিসমূহের মধ্যে অনেক মুহাদ্দাস ব্যক্তি ছিলেন। আমার উম্মতের মধ্যে কেউ যদি মুহাদ্দাস হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি উমর। (৮৪)
মুহাদ্দাস অর্থ ইলহামপ্রাপ্ত ব্যক্তি। (৮৫) ইমাম তাবারানি বর্ণিত এক রেওয়ায়েতে আছে, নবীজিকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল—মুহাদ্দাস ব্যক্তি কীরূপ? নবীজি উত্তরে বলেন, এমন ব্যক্তি, যার জবানে ফিরেশতা কথা বলে। (৮৬)
এ কারণেই আমরা দেখতে পাই—বিভিন্ন বিষয়ে হজরত উমর রাযি.-এর মতের সমর্থনে কুরআনের আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে।
দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর রাযি.-এর খিলাফতকালের আলোচনায় ফিরে আসছি। উমর রাযি. মূলত তার পূর্বসূরি আবু বকর রাযি.-এর কর্মধারাকেই অব্যাহত রাখেন এবং যে বিজয়াভিযানের ধারা শুরু হয়েছে, তাকে আরও গতিময় ও বেগবান করে তোলেন।

টিকাঃ
৮২. সুনানে তিরমিজি, হাদিস নং ৩৬৮২, সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ২৯৬১।
৮০. সুনানে তিরমিজি, হাদিস নং ৩৬৮৬।
৮৪. বুখারি শরিফ, হাদিস নং ২৩৯৮।
৮৫. যার অন্তর ও মুখে আল্লাহ তাআলার অনুগ্রহ ও তাওফিকে সঠিক কথা ইলহাম হয়, তাকে ‘মুহাদ্দাস’ বলা হয়।
৮৬. তাবারানি, আল-মুজামুল আওসাত, হাদিস নং ৬৭২৬।

অন্তিম শয্যায় শায়িত অবস্থায় হজরত আবু বকর রাযি. অনুভব করেন যে, তার মৃত্যু অত্যাসন্ন। তার অবর্তমানে যেন খিলাফতের দায়িত্ব নিয়ে উম্মাহর মধ্যে কোনো ধরনের মতবিরোধ সৃষ্টি না হয়, এজন্য তিনি মৃত্যুর পূর্বেই পরবর্তী খলিফা নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। খলিফার দৃষ্টিতে উমর রাযি.-ই ছিলেন পরবর্তী খলিফা হওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত। কিন্তু তিনি প্রথমেই এই মনোনয়নের কথা প্রকাশ না করে এ বিষয়ে আবদুর রহমান বিন আওফ রাযি., উসমান বিন আফফান রাযি., সাঈদ বিন যায়দ রাযি., উসায়দ বিন হুযায়র রাযি. প্রমুখ দায়িত্বশীল ও নেতৃস্থানীয় মুহাজির-আনসার সাহাবিদের সঙ্গে পরামর্শ করেন। হজরত আবু বকর রাযি.-এর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর সকলে এই মনোনয়নের পক্ষে একমত হয়। কোনো কোনো সাহাবি হজরত উমর রাযি.-এর স্বভাব-কঠোরতার কারণে প্রথমে দ্বিধা প্রকাশ করলেও শেষ পর্যন্ত আবু বকর রাযি. সকলকে আশ্বস্ত করতে সক্ষম হন।
হজরত আবু বকর রাযি. যখন নিশ্চিন্ত হন যে, নেতৃস্থানীয় ও দায়িত্বশীল সাহাবায়ে কেরাম সকলে হজরত উমর রাযি.-এর পরবর্তী খলিফা হওয়ার বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেছেন, তখন তিনি তার কাছে উপবিষ্ট পরিবারস্থ লোকদেরকে নির্দেশ দেন—তাকে যেন উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। লোকজন তখন মসজিদে সমবেত হয়েছিল। মসজিদসংলগ্ন কামরা থেকে উপস্থিত মুসলমানদের প্রতি তাকিয়ে আবু বকর রাযি. বলেন, উপস্থিত লোকসকল! আমি যাকে তোমাদের পরবর্তী খলিফা নির্ধারণ করব, তোমরা কি তাকে সন্তুষ্টচিত্তে মেনে নেবে? আল্লাহর শপথ! আমি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে চিন্তাভাবনা ও কল্যাণ-কামনায় কোনো প্রকার ত্রুটি করিনি এবং আমার কোনো নিকটজনকেও খলিফা নির্ধারণ করিনি। আমি খলিফা নির্ধারণ করেছি উমর ইবনুল খাত্তাবকে। সুতরাং তোমরা তার কথা শুনবে ও মানবে।
উপস্থিত সকলে উত্তর দেন, আমরা উমরের আনুগত্য স্বীকার করে নিলাম। এরপর আবু বকর রাযি. আল্লাহর কাছে দোয়া করেন, হে আল্লাহ, মুসলিম উম্মাহর কল্যাণদাবিতেই আমি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। আমার আশঙ্কা ছিল— মুসলমানগণ আমার অবর্তমানে ফিতনায় পড়ে যাবে, তাই আমি এমন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি, যা সম্পর্কে আপনিই সর্বাধিক জ্ঞাত। সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি; তারপর তাদের মাঝে সর্বোত্তম, সবচেয়ে শক্তিশালী ও উম্মাহর জন্য সর্বাধিক কল্যাণকামী ব্যক্তিকে উম্মাহর দায়িত্ব প্রদান করেছি।
হজরত আবু বকর রাযি.-কে ইন্তেকালের পরদিন নবীজির পাশে সমাধিস্থ করা হয়। এরপর লোকজন দলে দলে মসজিদে নববিতে উপস্থিত হয়ে হজরত উমর রাযি.-এর হাতে বায়আত গ্রহণ করে। সেদিন ছিল ত্রয়োদশ হিজরি সনের ২৩ জুমাদাল উখরা। এভাবেই উম্মাহর সর্বসম্মতিতে হজরত উমর রাযি.-এর দায়িত্ব গ্রহণ সমাপ্ত হয়।
ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা নির্ধারিত হন সেই মহান ব্যক্তি, ইমাম বুখারির বর্ণনা অনুসারে নবীজি যার সম্পর্কে ইরশাদ করেছেন, لَقَدْ كَانَ فِيْمَا قَبْلَكُمْ مِنَ الْأُمَمِ مُحَدَّثُوْنَ، فَإِنْ يَكُ فِي أُمَّتِي أَحَدٌ، فَإِنَّه
তোমাদের পূর্ববর্তী জাতিসমূহের মধ্যে অনেক মুহাদ্দাস ব্যক্তি ছিলেন। আমার উম্মতের মধ্যে কেউ যদি মুহাদ্দাস হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি উমর। (৮৪)
মুহাদ্দাস অর্থ ইলহামপ্রাপ্ত ব্যক্তি। (৮৫) ইমাম তাবারানি বর্ণিত এক রেওয়ায়েতে আছে, নবীজিকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল—মুহাদ্দাস ব্যক্তি কীরূপ? নবীজি উত্তরে বলেন, এমন ব্যক্তি, যার জবানে ফিরেশতা কথা বলে। (৮৬)
এ কারণেই আমরা দেখতে পাই—বিভিন্ন বিষয়ে হজরত উমর রাযি.-এর মতের সমর্থনে কুরআনের আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে।
দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর রাযি.-এর খিলাফতকালের আলোচনায় ফিরে আসছি। উমর রাযি. মূলত তার পূর্বসূরি আবু বকর রাযি.-এর কর্মধারাকেই অব্যাহত রাখেন এবং যে বিজয়াভিযানের ধারা শুরু হয়েছে, তাকে আরও গতিময় ও বেগবান করে তোলেন।

টিকাঃ
৮২. সুনানে তিরমিজি, হাদিস নং ৩৬৮২, সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ২৯৬১।
৮০. সুনানে তিরমিজি, হাদিস নং ৩৬৮৬।
৮৪. বুখারি শরিফ, হাদিস নং ২৩৯৮।
৮৫. যার অন্তর ও মুখে আল্লাহ তাআলার অনুগ্রহ ও তাওফিকে সঠিক কথা ইলহাম হয়, তাকে ‘মুহাদ্দাস’ বলা হয়।
৮৬. তাবারানি, আল-মুজামুল আওসাত, হাদিস নং ৬৭২৬।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00