📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 খলিফা হজরত আবু বকর রাযি.-এর বংশপরিচয়

📄 খলিফা হজরত আবু বকর রাযি.-এর বংশপরিচয়


হজরত আবু বকর রাযি. হস্তিবাহিনীর ঘটনার দুবছর ছয় মাস পর জন্মগ্রহণ করেন। জাহিলি যুগে তার নাম ছিল আবদুল কাবা। নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নাম পরিবর্তন করে আবদুল্লাহ রাখেন এবং তাকে আতিক ও সিদ্দিক উপাধি প্রদান করেন। (৪৬) অবশ্য তিনি তার উপনাম ‘আবু বকর’ দ্বারা সমধিক প্রসিদ্ধ। পিতার দিক থেকে হজরত আবু বকর রাযি.-এর বংশপরম্পরা নিম্নরূপ—
আবু বকর আবদুল্লাহ বিন আবু কুহাফা উসমান বিন আমির বিন আমর বিন কাব বিন সাদ বিন তাইম বিন মুররা বিন কাব...।
মুররা বিন কাব হতে তার বংশপরম্পরা নবীজির বংশপরম্পরার সঙ্গে মিলে গেছে।

টিকাঃ
৪৬. আতিক শব্দের অর্থ মুক্ত। নবীজি তাকে বলেছিলেন, ‘তুমি জাহান্নাম হতে মুক্ত।’ অপরদিকে সিদ্দিক শব্দের অর্থ সত্যবাদী। তিনি নবীজির ইসরা ও মেরাজের সংবাদ শোনামাত্র সত্যায়ন করেছিলেন বলে নবীজি তাকে সিদ্দিক উপাধি প্রদান করেন।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 কিছু গুণ ও বৈশিষ্ট্য

📄 কিছু গুণ ও বৈশিষ্ট্য


নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজরত আবু বকর রাযি.- সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন-
مَا لِأَحَدٍ عِنْدَنَا يَدٌ إِلَّا وَقَدْ كَافَيْنَاهُ مَا خَلَا أَبَا بَكْرٍ؛ فَإِنَّ لَهُ عِنْدَنَا يَدًا يُكَافِئُهُ اللهُ بِهِ يَوْمَ القِيَامَةِ ، وَمَا نَفَعَنِي مَالُ أَحَدٍ قَطُّ مَا نَفَعَنِي مَالُ أَبِي بَكْرٍ»
আবু বকর ব্যতীত এমন কারও অনুগ্রহ আমার ওপর নেই, যা আমি পরিশোধ করিনি। আবু বকরের অনুগ্রহ আমার ওপর এমন, যার বদলা আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন নিজে প্রদান করবেন। আর কারও সম্পদ দ্বারা আমার ততটুকু উপকার হয়নি, যতটুকু উপকার আবু বকরের সম্পদ দ্বারা আমার হয়েছে। (৪৭)
আবু বকর রাযি. নবীজির সঙ্গে সকল যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। তাবুকের যুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর মূল ঝান্ডা তার হাতেই ন্যস্ত করা হয়েছিল। আশারায়ে মুবাশশারার (পৃথিবীতেই জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত দশ সাহাবি) পাঁচজন তার হাতে ইসলামগ্রহণ করেছেন। পবিত্র কুরআনের প্রথম সংকলন তার তত্ত্বাবধানেই সম্পন্ন হয়। তিনি বিলাল রাযি., আমির বিন ফুহাইরা রাযি., যিন্নিরা রুমিয়া রাযি., উম্মে উবায়স রাযি. ও নাহদিয়া রাযি.-সহ সাতজন নির্যাতিত সাহাবি-সাহাবিয়াকে ক্রয় করে মুক্ত করে দিয়েছিলেন।

টিকাঃ
৪৭. সুনানে তিরমিজি, হাদিস নং ৩৬৬১।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 ইসলামের প্রথম খলিফা হিসেবে আবু বকর সিদ্দিক রাযি.-এর নির্বাচন

📄 ইসলামের প্রথম খলিফা হিসেবে আবু বকর সিদ্দিক রাযি.-এর নির্বাচন


রাসুলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তেকালের পর সাহাবায়ে কেরামের অনেকে শোক ও ভালোবাসার আতিশয্যে বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না যে, নবীজির ইন্তেকাল হয়েছে। কেউ বলছিলেন, নবীজি ইন্তেকাল করেছেন; কেউ বলছিলেন, নবীজি মারা যাননি। সংবাদ পেয়ে হজরত আবু বকর রাযি. নবীজির হুজরায় উপস্থিত হন এবং কাপড় সরিয়ে নবীজির চেহারা মোবারকে চুম্বন করেন। নবীজির ইন্তেকাল সম্বন্ধে নিশ্চিত হয়ে তিনি বাইরে বেরিয়ে আসেন এবং সমবেত সকলের উদ্দেশে বলেন—
হামদ ও সালাতের পর, কেউ যদি মুহাম্মাদের উপাসনা করে থাকে, তাহলে তার জন্য সংবাদ হলো—মুহাম্মাদ ইন্তেকাল করেছেন। আর যারা আল্লাহর ইবাদত করে, তাদের মনে রাখতে হবে—আল্লাহ চিরঞ্জীব, তাঁর মৃত্যু নেই। আল্লাহ তাআলা তো ইরশাদ করেছেন—
وَ مَا مُحَمَّدٌ إِلَّا رَسُولٌ قَدْ خَلَتْ مِنْ قَبْلِهِ الرُّسُلُ أَفَأَبِنْ مَّاتَ أَوْ قُتِلَ انْقَلَبْتُمْ عَلَى أَعْقَابِكُمْ
আর মুহাম্মাদ একজন রাসুলমাত্র। তাঁর পূর্বে বহু রাসুল গত হয়েছে। তাঁর যদি মৃত্যু হয়ে যায় কিংবা তাঁকে হত্যা করে ফেলা হয়, তবে কি তোমরা উল্টো পথে ফিরে যাবে? [সুরা আলে ইমরান : ১৪৪]
উপস্থিত সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে হজরত উমর রাযি.-ও ছিলেন। হজরত আবু বকর রাযি.-এর মুখে এ আয়াত শুনে সকলের মনে হচ্ছিল, আয়াতটি বুঝি আজই তারা প্রথম শুনছেন। আবু বকর রাযি.-এর কথায় সকলের মন শান্ত-প্রশান্ত হয় এবং দ্বিধা-সংশয় দূর হয়ে যায়। এরপর সকলে বনু সাইদার ছায়া-ছাউনিতে সমবেত হয় এবং নবীজির অবর্তমানে কে মুসলমানদের নেতৃত্ব দেবেন, এ বিষয়ে পরামর্শ করে। মতবিনিময়ের পর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, হজরত আবু বকর রাযি.-ই হবেন নবীজির খলিফা। সকলে এ সিদ্ধান্তে ঐকমত্য পোষণ করে। এ ধারণা মোটেও সঠিক নয় যে, হজরত আলি রাযি. আবু বকর রাযি.-এর হাতে বায়আত গ্রহণে বিলম্ব করেছিলেন। বরং তিনিও সকলের সঙ্গে শুরুতেই বায়আত গ্রহণ করেন। প্রখ্যাত ঐতিহাসিক হাফেজ ইবনে কাছির রহ. লিখেছেন—
হজরত আলি রাযি. নবীজির ওফাতের পর প্রথম বা দ্বিতীয় দিনই আবু বকর রাযি.-এর হাতে বায়আত গ্রহণ করেছিলেন। তিনি কখনোই আবু বকর রাযি.-এর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেননি এবং তাঁর খিলাফতকালের কোনো অংশেই তাঁর পেছনে কোনো সালাতে অনুপস্থিত থাকতেননি। আবু বকর রাযি. (খিলাফতের শুরুর দিকে) ধর্মত্যাগীদের বিদ্রোহদমন অভিযানে কোষমুক্ত তরবারি নিয়ে যুলকাসসা অভিমুখে রওনা হলে আলি রাযি.-ও তার সহযোদ্ধা হয়েছিলেন। উক্ত অভিযানের বিশদ আলোচনা পরে আসছে। তবে আবু বকর রাযি.-এর সঙ্গে ফাতিমা রাযি.-এর মনোমালিন্য দেখা দিলে আলি রাযি.। নবী-তনয়ার খাতিরে সাময়িকভাবে বাহ্যত সম্পর্কহীনতার ভাব অবলম্বন করেছিলেন।
ঘটনার বিবরণে প্রকাশ-ফাতেমা রাযি.-এর ধারণা ছিল যে, তিনি কন্যা হিসেবে নবীজির (ব্যক্তি-অধিকারে সংরক্ষিত খাস ভূমির) মিরাসপ্রাপ্তির অধিকার রাখেন। (৪৮) তিনি আবু বকর রাযি. কর্তৃক অবহিত হওয়ার আগ পর্যন্ত এ কথা জানতেন না যে, নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 'আমরা (নবী-রাসুলরা) মিরাসরূপে কোনো কিছু রেখে যাই না; আমরা যা রেখে যাই, তা সদকা।'(৪৯) ফাতেমা রাযি. আপন ধারণার ভিত্তিতে মিরাস দাবি করলে আবু বকর রাযি. উক্ত সুস্পষ্ট নববি নির্দেশনার আলোকে তা প্রদানে অস্বীকৃতি জানান। এ বিধানবলেই তিনি নবীজির স্ত্রীগণ ও তার চাচা (আব্বাস রাযি.)-কেও কোনোরূপ অধিকার বা মিরাস প্রদান করেননি। (৫০) এরপর ফাতেমা রাযি. আবু বকর রাযি.-এর কাছে খায়বার ও ফাদাক (৫১)-এর (সদকার) ভূ-সম্পত্তিতে হজরত আলি রাযি.-কে তত্ত্বাবধায়করূপে দায়িত্বপ্রদানের আবেদন জানান। কিন্তু আবু বকর রাযি. এ আবেদন গ্রহণেও সম্মত হননি। তার যুক্তি ছিল, নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেসব দায়িত্ব-কর্তব্য পালন করতেন এবং যেসব অধিকার সংরক্ষণ করতেন, রাসুলের খলিফা হিসেবে সেসব দায়িত্ব-কর্তব্য ও অধিকার তার নিজের ওপরই বর্তায়। হজরত আবু বকর রাযি.-এর উক্ত সিদ্ধান্তের কারণে হজরত ফাতেমা রাযি.-এর মনে (স্বভাবজাত) উষ্মা ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। এসব কারণে আলি রাযি. কিছু ক্ষেত্রে ফাতেমা রাযি.-এর মনস্তুষ্টি প্রয়োজনীয় মনে করেন। নবীজির ইন্তেকালের ছয়মাস পর হজরত ফাতেমা রাযি.-এর ইন্তেকাল হয়। ইতিপূর্বে আলি রাযি. আবুবকর রাযি.-এর হাতে বায়আত গ্রহণ করে থাকলেও এ সময় তিনি বায়আতের নবায়ন সমীচীন মনে করেন। (৫২)
খলিফা নির্ধারিত হওয়ার পর হজরত আবু বকর রাযি. তার প্রথম ভাষণে উপস্থিত সকলকে উদ্দেশ্য করে বলেন-
হামদ ও সালাতের পর, উপস্থিত লোকসকল, যদিও আমাকে তোমাদের ওপর কর্তৃত্ব প্রদান করা হয়েছে; কিন্তু বাস্তব কথা হলো, আমি তোমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠতম ব্যক্তি নই। সুতরাং আমি যদি কল্যাণ আচরণ করি, তবে তোমরা আমার সহযোগিতা করবে, আর মন্দ করলে আমাকে সোজা করে দেবে। (মনে রেখো) সত্যবাদিতা হচ্ছে আমানত ও বিশ্বস্ততা আর মিথ্যাচার হচ্ছে খেয়ানত ও বিশ্বাসঘাতকতা। তোমাদের দুর্বলতম ব্যক্তি আমার কাছে সবল, যতক্ষণ না আমি তার দুর্বলতার সমাধান করে দিই আর তোমাদের সবলতম ব্যক্তি আমার কাছে দুর্বল, যতক্ষণ না আল্লাহর ইচ্ছায় আমি তার নিকট হতে হক ও প্রাপ্য উসুল করে নিই। যখনই কোনো জাতি আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা পরিত্যাগ করবে, তখনই আল্লাহ তাদের জন্য লাঞ্ছনা অবধারিত করে দেবেন। যখনই কোনো জাতি অশ্লীলতার বিস্তার ঘটাবে, আল্লাহ তাদেরকে ব্যাপক দুর্যোগ ও মহাবিপদে আক্রান্ত করবেন। আমি যতক্ষণ আল্লাহ ও তার রাসুলের আনুগত্য করব, ততক্ষণ তোমরা আমার অনুগত থাকবে। আর যদি আমি আল্লাহ ও তার রাসুলের অবাধ্যতা করি, তাহলে তোমাদের ওপর আমার কোনো অধিকার থাকবে না।

টিকাঃ
৪৮. রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিরাস হিসেবে দিনার-দিরহাম, দাস-দাসী, বকরি-উট বা অন্য কিছুই রেখে যাননি। তিনি কিছু জমি রেখে গিয়েছিলেন; যার পুরোটাই তিনি আল্লাহর রাস্তায় সদকা করে গিয়েছিলেন। এমনকি ইন্তেকালের সময় নবীজির বর্মটি জনৈক ইহুদির কাছে ত্রিশ দিনারে বন্ধক রাখা ছিল।
৪৯. তাবারানি, আল-মুজামুল আওসাত, হাদিস নং ৪৫৭৮।
৫০. হজরত ফাতেমা রাযি.-এর পাশাপাশি উম্মাহাতুল মুমিনিন নবী-পত্নীগণ ও নবীজির চাচা আব্বাস রাযি.-ও খলিফা আবু বকর রাযি.-এর কাছে একই দাবি জানিয়েছিলেন। প্রকৃতপক্ষে ফাতেমা রাযি.-সহ তারা সকলে নবীদের মিরাস সংক্রান্ত হাদিসটি জানতেন; তবে তাদের ধারণা ছিল—খায়বারের যুদ্ধলব্ধ সম্পদ এর অন্তর্ভুক্ত নয়। বরং নবীজি যেমন জীবদ্দশায় সেখান থেকে উৎপাদিত ফসলের অংশ তাদেরকে প্রদান করতেন, তারা নবীজির মৃত্যুর পরও তা লাভ করবেন। পরে আবু বকর রাযি. সকলকে আশ্বস্ত করতে সক্ষম হন যে, নবীজির হাদিসটি ব্যাপক এবং খায়বার ও ফাদাক-ভূমিও এর অন্তর্ভুক্ত। এরপর ফাতেমা রাযি.-সহ সকলে আপন আপন দাবি প্রত্যাহার করে নেন। সুতরাং শিয়াদের এ দাবি মোটেও সঠিক নয় যে, আবু বকর রাযি. ফাতেমা রাযি.-কে ফাদাকের ভূসম্পদের অধিকার হতে বঞ্চিত করেছেন।
৫১. ফাদাক: খায়বারের নিকটবর্তী একটি সবুজ-শ্যামল এলাকার নাম।
৫২. ইবনে কাছির দিমাশকি, আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৫/২৬৩।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 ইরতিদাদ ও ধর্মত্যাগের ফিতনা

📄 ইরতিদাদ ও ধর্মত্যাগের ফিতনা


নবীজির জীবদ্দশায়ই ইরতিদাদ ও ধর্মত্যাগের অশুভ ফিতনার আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল। ইয়ামামায় মুসায়লামা বিন হাবিব আল-কাজ্জাব মুরতাদ হয়ে যায়। ইয়ামেনে ধর্মত্যাগ করে আসওয়াদ আল-আ'নাসি। বনু আসাদের তুলায়হা বিন খুওয়াইলিদ এবং বনু তামিমের সুজা নাম্নী জনৈকা নারীও মুরতাদ হয়ে যায়। নবীজি তাদের সকলকে দমন করার জন্য বাহিনী প্রেরণের মনস্থ করেছিলেন। কিন্তু এর পূর্বেই তিনি ইন্তেকাল করেন।
আপন আপন কওমের নেতৃত্বধারী এসব লোক মূলত নিজেদের নেতৃত্ব টিকিয়ে রাখতেই মুরতাদ হয়ে গিয়েছিল। তাদের ধর্মত্যাগ করতে দেখে তাদের কওমের লোকেরাও কোনো প্রকার চিন্তাভাবনা ব্যতিরেকে মুরতাদ হয়ে যায়। আবু বকর রাযি. খিলাফতের দায়িত্ব গ্রহণের পর আরব উপদ্বীপের প্রতিটি প্রান্তে ধর্মত্যাগের ফিতনা ছড়িয়ে পড়ে। (৫০) নিঃসন্দেহে এটি ছিল আবু বকর রাযি.-এর খিলাফতকালের সবচেয়ে বড় সংকট। বরং বলা ভালো, মুসলিম উম্মাহ তার সুদীর্ঘ ইতিহাসে কখনো এ ধরনের ভয়াবহ ফিতনার সম্মুখীন হয়নি।

টিকাঃ
৫০. কেবল মক্কা, মদিনা ও আধুনিক বাহরাইন রাষ্ট্রের অন্তর্গত 'হাজার' নামক ছোট্ট একটি জনপদ বাদে সর্বত্রই ইরতিদাদের ফিতনা ছড়িয়ে পড়েছিল।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00