📄 দ্বিতীয় হিজরির উল্লেখযোগ্য আরও কিছু ঘটনা
* নবীজির দুধভাই উসমান বিন মাযউন রাযি. ইন্তেকাল করেন। তিনিই ছিলেন মদিনায় মৃত্যুবরণকারী প্রথম মুহাজির সাহাবি। তাকে জান্নাতুল বাকিতে সমাধিস্থ করা হয়। নবীজি তার কবরের ওপর একটি পাথর স্থাপন করেন এবং বলেন, 'এর দ্বারা আমি আমার ভাইয়ের কবর চিনতে পারব।'
* রমজান মাসের রোজা ফরজ করা হয় এবং ঈদের নামাজ ও সদকায়ে ফিতরের বিধান চালু হয়।
* সম্পদের জাকাত ফরজ করা হয় এবং জাকাতের নেসাব ও বিধিবিধান বর্ণিত হয়।
'কুরাইশ শয়তান' নামে খ্যাত উমায়র বিন ওয়াহাব আল-জুমাহি ইসলামগ্রহণ করেন। তিনি নবীজিকে হত্যা করার লক্ষ্যে মদিনায় এসেছিলেন। কিন্তু আল্লাহ তাআলা তার হৃদয়জগৎ ইসলামের জন্য প্রসারিত করে দেন এবং তিনি ইসলামগ্রহণে ধন্য হন।
নবী-তনয়া ও উসমান-পত্নী রুকাইয়া রাযি. ইন্তেকাল করেন। বদর যুদ্ধ চলাকালে তার ইন্তেকাল হয়। রুকাইয়া রাযি. অসুস্থ থাকায় নবীজি হজরত উসমান রাযি.-কে যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করে অসুস্থ স্ত্রীর পাশে থাকার অনুমতি দিয়েছিলেন।
রুকাইয়া রাযি.-এর মৃত্যুর পর উসমান রাযি. নবীজির আরেক কন্যা উম্মে কুলসুমকে বিয়ে করেন।
আলি বিন আবু তালিব রাযি. নবীকন্যা ফাতিমা রাযি.-কে বিয়ে করেন।
নবীকন্যা যায়নাব রাযি.-কে তার মুশরিক স্বামী আবুল আস বিন রাবি' অনুমতি দেওয়ায় তিনি মক্কা থেকে হিজরত করে মদিনায় চলে আসেন। আবুল আস বদরের যুদ্ধে মুসলমানদের হাতে বন্দি হওয়ার পর নবীজি তাকে এই শর্তে মুক্তি দিয়েছিলেন যে, বিনিময়ে সে যায়নাবকে মদিনায় হিজরতের অনুমতি দেবে।