📄 কিবলা পরিবর্তন এবং এর সূক্ষ্ম তাৎপর্য
শায়খ মুবারকপুরি রহ. বলেন,
সেই সময় অর্থাৎ দ্বিতীয় হিজরির শাবান মোতাবেক ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দের ফেব্রুয়ারি মাসে আল্লাহ তাআলা বায়তুল মুকাদ্দাসের পরিবর্তে কাবাঘরকে কিবলা হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দেন। এই পরিবর্তনের ফলে যেসব দুর্বল ঈমানদার বা কপট ইহুদি মুসলমানদের মাঝে অস্থিরতা ও জটিলতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে মুসলিমবেশে মুসলমানদের কাতারে ঢুকে পড়েছিল, তারা চিহ্নিত হয়ে যায় এবং মুসলমানদের থেকে পৃথক হয়ে পড়ে। ফলে মুসলিম জামাত প্রচুর সংখ্যক প্রতারক ও বিশ্বাসঘাতক হতে মুক্ত ও পবিত্র হয়।
কিবলা পরিবর্তনের মাধ্যমে সম্ভবত মুসলমানদের এই সূক্ষ্ম বিষয়েও অবগত করা হয়েছে যে, এখন থেকে এক নতুন যুগের সূচনা হতে যাচ্ছে, যার পরিসমাপ্তি ঘটবে উক্ত কিবলা মুসলমানদের নিয়ন্ত্রণে আসার মাধ্যমে। কারণ, কোনো জাতির কিবলা থাকবে শত্রুদের দখলে, এর চেয়ে বিস্ময়ের বিষয় আর কী হতে পারে?! যদি কোনো জাতি হক ও সত্যের পথে থাকে আর তাদের কিবলা অন্যের দখলদারিতেও থাকে, তাহলে অবশ্যই তারা তা একদিন না একদিন মুক্ত করবেই। (২৯)
টিকাঃ
২৯. সফিউর রহমান মুবারকপুরি, আর-রাহিকুল মাখতুম, পৃষ্ঠা: ১৮২।