📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 বক্ষবিদারণের ঘটনা

📄 বক্ষবিদারণের ঘটনা


বনু সাদ গোত্রে দুধমাতা হালিমার কাছে অবস্থানকালে নবী-জীবনের এই অলৌকিক ঘটনা সংঘটিত হয়। এ ঘটনায় হালিমা সাদিয়া নবীজির নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং তাকে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেন। এ সময় নবীজির বয়স ছিল পাঁচ বছর।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 মাতৃবিয়োগ ও পিতামহের দায়িত্বগ্রহণ

📄 মাতৃবিয়োগ ও পিতামহের দায়িত্বগ্রহণ


মাতৃক্রোড়ে ফিরে আসার পর নবীজি মায়ের তত্ত্বাবধানেই অবস্থান করেন। এক বছর পর আমিনা স্বামীর কবর জিয়ারতের উদ্দেশ্যে নবীজিকে সঙ্গে নিয়ে ইয়াসরিবে (মদিনায়) গমন করেন। ইয়াসরিব থেকে মক্কায় ফেরার পথে মক্কা ও হুদায়বিয়ার মধ্যবর্তী আবওয়া নামক স্থানে নবীজির মাতা আমিনা ইন্তেকাল করেন। এ সফরে নবীজির সঙ্গে আমিনার পরিচারিকা উম্মে আয়মানও ছিলেন। মায়ের মৃত্যুর পর দাদা আবদুল মুত্তালিব নবীজির প্রতিপালনের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

📘 ইসলামের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ > 📄 আবদুল মুত্তালিবের মৃত্যু ও পিতৃব্য আবু তালিবের দায়িত্বগ্রহণ

📄 আবদুল মুত্তালিবের মৃত্যু ও পিতৃব্য আবু তালিবের দায়িত্বগ্রহণ


প্রিয় নবীজি দুই বছর দাদার তত্ত্বাবধানে প্রতিপালিত হওয়ার পর দাদা আবদুল মুত্তালিবও ইন্তেকাল করেন। এ সময় নবীজির বয়স ছিল আট বছর। মৃত্যুকালে আবদুল মুত্তালিব তার পুত্র আবু তালিবের কাছে নবীজির প্রতিপালনের দায়িত্ব অর্পণ করে যান।
চাচা আবু তালিব অতি যত্নের সঙ্গে যথার্থভাবে নবীজির তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি নবীজিকে আপন সন্তানদের চেয়েও অধিক স্নেহ করতেন। পরবর্তী একটানা বিয়াল্লিশ বছর তিনি নবীজিকে স্নেহ ও মমতায় আগলে রাখেন এবং নিষ্ঠার সঙ্গে বিরুদ্ধবাদীদের সব ধরনের অপচেষ্টা প্রতিরোধ করেন। নবীজির নবুওয়তপ্রাপ্তি-পরবর্তী দশম বছর তিনি ইন্তেকাল করেন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00