📘 ইসলামের ইতিহাসে যুদ্ধ নববী যুগ থেকে বর্তমান 📄 বাইতুল মাকদিস বিজয়

📄 বাইতুল মাকদিস বিজয়


হিত্তিনের প্রান্তরে ক্রুসেড বাহিনীর শোচনীয় পরাজয়ের পর সুলতান সালাহুদ্দিনের হাত থেকে বাইতুল মাকদিস রক্ষা করার সাধ্য ক্রুসেডারদের ছিল না। হিত্তিনের পর থেকেই বাইতুল মাকদিস সুলতানের আগমনের অপেক্ষা করছিল। সুলতান বাইতুল মাকদিসে প্রবেশের আগে একে একে এক্রে, আসকেলান, গাজা ও উপকূলীয় শহরগুলো দখল করে নেন যাতে বাইজেন্টাইনরা সমুদ্রপথে সাহায্য না পাঠাতে পারে।

স্বপ্নের সাথে দেখা
১৫ই রজব, ৫৮৩ হিজরি মোতাবেক ১১৮৭ সালের ২০শে সেপ্টেম্বর সুলতান সালাহুদ্দিন কুদস শহরের ফটকের সামনে এসে উপস্থিত হন। সুলতান চেয়েছিলেন রক্তপাতহীন বিজয়। তিনি শহরবাসীর কাছে শান্তির প্রস্তাব পাঠালেও তাঁরা তা প্রত্যাখ্যান করেন। বাধ্য হয়ে সুলতান অবরোধ শুরু করেন। ২০শে রজব তিনি উত্তর দিকের প্রাচীর ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন।

তীব্র গোলাবর্ষণের ফলে খ্রিস্টানরা যখন বুঝতে পারল পরাজয় নিশ্চিত, তখন তারা সুলতানের কাছে সন্ধির আবেদন করে। সুলতান তাদের প্রাণভিক্ষা দেন এবং শর্ত দেন যে তারা মুক্তিপণ দিয়ে নিরাপদ স্থানে চলে যেতে পারবে। অবশেষে ২৭শে রজব ৫৮৩ হিজরি, মিরাজের পবিত্র রাতে সুলতান বাইতুল মাকদিসে প্রবেশ করেন।

মহানুভব সেনাপতি তিনি
সুলতান যখন শহরে প্রবেশ করেন, চারদিকে 'আল্লাহু আকবার' রব পড়ে যায়। ৯১ বছর পর বাইতুল মাকদিসের মিনারে পুনরায় আজান ধ্বনিত হয়। সুলতান মাসজিদুল আকসা ও কুব্বাতুস সাখরার সংস্কার করেন এবং গোলাপ জল দিয়ে ধুয়ে পবিত্র করেন।

সুলতান তাঁর মহানুভবতার পরিচয় দিয়ে হাজার হাজার নিঃস্ব খ্রিস্টান বন্দিকে মুক্তিপণ ছাড়াই মুক্ত করে দেন। তাঁর ভাই আল-মালিকুল আদিল এক হাজার বন্দিকে তাঁর নিজের নামে মুক্ত করার অনুমতি চাইলে সুলতান তা মঞ্জুর করেন। খ্রিস্টান রানি সিবিলা ও অন্যান্য সম্ভ্রান্ত নারীদের সসম্মানে বিদায় করা হয়। সুলতান নির্দেশ দেন খ্রিস্টানদের উপাসনালয় গির্জাগুলো যেন না ভাঙা হয়। সুলতানের এই দয়ার্দ্র আচরণ দেখে ইউরোপিয়ানরা বিস্মিত হয়।

নগর তদারকির সময় সুলতান প্রতিটি সাধারণ নাগরিকের অভিযোগ শোনেন এবং ন্যায় বিচার করেন। তিনি ইহুদি ও খ্রিস্টানদের ধর্মীয় ভ্রমণের অনুমতি বহাল রাখেন। এভাবেই সুলতান সালাহুদ্দিন আইয়ুবি এক ঐতিহাসিক ও মানবিক বিজয়ের ইতিহাস রচনা করেন।

টিকাঃ
টিকা পাওয়া যায়নি।

হিত্তিনের প্রান্তরে ক্রুসেড বাহিনীর শোচনীয় পরাজয়ের পর সুলতান সালাহুদ্দিনের হাত থেকে বাইতুল মাকদিস রক্ষা করার সাধ্য ক্রুসেডারদের ছিল না। হিত্তিনের পর থেকেই বাইতুল মাকদিস সুলতানের আগমনের অপেক্ষা করছিল। সুলতান বাইতুল মাকদিসে প্রবেশের আগে একে একে এক্রে, আসকেলান, গাজা ও উপকূলীয় শহরগুলো দখল করে নেন যাতে বাইজেন্টাইনরা সমুদ্রপথে সাহায্য না পাঠাতে পারে।

স্বপ্নের সাথে দেখা
১৫ই রজব, ৫৮৩ হিজরি মোতাবেক ১১৮৭ সালের ২০শে সেপ্টেম্বর সুলতান সালাহুদ্দিন কুদস শহরের ফটকের সামনে এসে উপস্থিত হন। সুলতান চেয়েছিলেন রক্তপাতহীন বিজয়। তিনি শহরবাসীর কাছে শান্তির প্রস্তাব পাঠালেও তাঁরা তা প্রত্যাখ্যান করেন। বাধ্য হয়ে সুলতান অবরোধ শুরু করেন। ২০শে রজব তিনি উত্তর দিকের প্রাচীর ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন।

তীব্র গোলাবর্ষণের ফলে খ্রিস্টানরা যখন বুঝতে পারল পরাজয় নিশ্চিত, তখন তারা সুলতানের কাছে সন্ধির আবেদন করে। সুলতান তাদের প্রাণভিক্ষা দেন এবং শর্ত দেন যে তারা মুক্তিপণ দিয়ে নিরাপদ স্থানে চলে যেতে পারবে। অবশেষে ২৭শে রজব ৫৮৩ হিজরি, মিরাজের পবিত্র রাতে সুলতান বাইতুল মাকদিসে প্রবেশ করেন।

মহানুভব সেনাপতি তিনি
সুলতান যখন শহরে প্রবেশ করেন, চারদিকে 'আল্লাহু আকবার' রব পড়ে যায়। ৯১ বছর পর বাইতুল মাকদিসের মিনারে পুনরায় আজান ধ্বনিত হয়। সুলতান মাসজিদুল আকসা ও কুব্বাতুস সাখরার সংস্কার করেন এবং গোলাপ জল দিয়ে ধুয়ে পবিত্র করেন।

সুলতান তাঁর মহানুভবতার পরিচয় দিয়ে হাজার হাজার নিঃস্ব খ্রিস্টান বন্দিকে মুক্তিপণ ছাড়াই মুক্ত করে দেন। তাঁর ভাই আল-মালিকুল আদিল এক হাজার বন্দিকে তাঁর নিজের নামে মুক্ত করার অনুমতি চাইলে সুলতান তা মঞ্জুর করেন। খ্রিস্টান রানি সিবিলা ও অন্যান্য সম্ভ্রান্ত নারীদের সসম্মানে বিদায় করা হয়। সুলতান নির্দেশ দেন খ্রিস্টানদের উপাসনালয় গির্জাগুলো যেন না ভাঙা হয়। সুলতানের এই দয়ার্দ্র আচরণ দেখে ইউরোপিয়ানরা বিস্মিত হয়।

নগর তদারকির সময় সুলতান প্রতিটি সাধারণ নাগরিকের অভিযোগ শোনেন এবং ন্যায় বিচার করেন। তিনি ইহুদি ও খ্রিস্টানদের ধর্মীয় ভ্রমণের অনুমতি বহাল রাখেন। এভাবেই সুলতান সালাহুদ্দিন আইয়ুবি এক ঐতিহাসিক ও মানবিক বিজয়ের ইতিহাস রচনা করেন।

টিকাঃ
টিকা পাওয়া যায়নি।

ফন্ট সাইজ
15px
17px