📄 দেবল এবং সিন্ধু বিজয়
খুলাফায়ে রাশিদার যুগেই কয়েকবার সিন্ধু (বর্তমান পাকিস্তান) বিজয়ের জন্য সেনা প্রেরণ করা হয়। বিশেষত হযরত উমর এবং হযরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহুমার খিলাফতকালে এ-অঞ্চলে মুসলিম সেনাদের আগমনের প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বইপত্রে। মুআবিয়া ইবনু আবি সুফিয়ান রাদিয়াল্লাহু আনহুর শাসনামলে হিন্দুস্তানের এই কেন্দ্রীয় অঞ্চলে আরও বেশকিছু কার্যকরী অভিযান পরিচালিত হয়। এর কোনোটা লাহোর আবার কোনোটা পাতোকি (Pattoki) পর্যন্ত এসে থেমে যায়। সামান্য কিছু গনিমত আর শহরে কিছুক্ষণের অনুপ্রবেশ ছাড়া প্রাথমিক পর্যায়ের এ অভিযানগুলোর তেমন কোনো বড় ফলাফল অর্জিত হয়নি।
এই মুআবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহুর সময়কালেই আবদুল্লাহ ইবনু সিওয়ার আল-আবদি নামে এক মুসলিম সেনাপতি কাইকান অঞ্চলে সেনা অভিযান পরিচালনা করেন। গনিমত হিসেবে লাভ করেন কিছু উন্নত জাতের ঘোড়া, সেগুলো তিনি খলিফা হযরত মুআবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহুকে হাদিয়াস্বরূপ দিয়ে দেন। এরপর পুনরায় ফিরে যান কাইকানে। তার সেনাদের হাত থেকে পরিত্রাণ পেতে সেখানকার অধিবাসীরা তুর্কিদের সাহায্য কামনা করে। তুর্কিরা এগিয়ে এলে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বেধে যায় এবং সেনাপতি আব্দুল্লাহ ইবনু সিওয়ার আল-আবদি শহিদ হয়ে যান। এই আবদুল্লাহ ছিলেন আবদুল্লাহ ইবনু আমিরের বংশের লোক।
মুআবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহুর খেলাফতকালে যিয়াদ ইবনু আবিহ উপমহাদেশের মাকরানে সিনান ইবনু সালামা আল-হুজালি নামে এক সেনাপতিকে প্রেরণ করেন। তিনি শহরটি বিজয় করেন এবং সেখানে আরবদের বসতি স্থাপন করেন। পশ্চিম পাঞ্জাবের এ শহরটিই ছিল, উপমহাদেশের ইসলামি সাম্রাজ্যের অন্তর্গত প্রথম নগর। উল্লেখ্য, সেকালে হিন্দুস্তান বর্তমান সিজিস্তান, যাবুলিস্তান, তাখারুস্তান এবং উত্তরে উখান পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। যিয়াদ ইবনু আবিহ হিন্দুস্তানের বিজিত অঞ্চলের দায়িত্ব বুঝে নেন এবং সেখানে নিজের পক্ষ থেকে একজন শাসক নিযুক্ত করেন। প্রথমে তিনি নিয়োগ দেন আযদের অধিবাসী রাশেদ ইবনু আমর আল-জাদিদিকে। তিনি কাইকান অভিযানে সফল হন। এরপর আগ বেড়ে কাইকানের উত্তরে মেদ অভিমুখে অভিযান করলে সেখানে তিনি শহিদ হয়ে যান। তার বিয়োগের পর যিয়াদ তার স্থানে শাসক নিয়োগ দেন সিনান ইবনু সালিমা আল-হুজালিকে। তিনি লাগাতার দু বছর সেখানে শাসনকার্য পরিচালনা করেন।
পরবর্তীতে এ অঞ্চলে আরও অনেকে অভিযান চালান। একসময় হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফ সাঈদ[১] ইবনু আসলাম ইবনু যুরআ আল-কিলাবি নামে একজনকে মাকরান ও প্রাচীন হিন্দুস্তানের দায়িত্ব দিয়ে প্রেরণ করেন। কিন্তু তৎকালীন বিস্তৃত হিন্দুস্তানের কর্তৃত্বলোভী মুহাম্মদ ইবনুল হারিস এবং মুআবিয়া ইবনুল হারিস আল-আল্লাফি নামক দুই আরব বিদ্রোহীর সাথে যুদ্ধ করতে গিয়ে সাঈদ শহিদ হয়ে যান। তার মৃত্যুর পর হাজ্জাজ মুজ্জাআ ইবনু সির আত-তাইমিকে হিন্দুস্তানের দায়িত্ব দিয়ে পাঠান। এরপর হাজ্জাজ হিন্দুস্তানের বিজিত অঞ্চলের দেখভালের জন্য পাঠান মুহাম্মদ ইবনু হারুন ইবনু যিরা আন-নামারিকে। সে-সময় সিন্ধু রাজ্যের শাসক ছিল রাজা দাহির। মুহাম্মদ ইবনু হারুনের শাসনকালে দাহিরের সেনাদের সাথে মুসলমানদের বেশকিছু সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এমনই এক সংঘর্ষের ঘটনায় মুহাম্মদ ইবনু হারুন শহিদ হয়ে যান।
অভিযানের পটভূমি
ওয়ালিদ ইবনু আবদুল মালিক ইবনু মারওয়ানের খেলাফতকালে শ্রীলংকার রাজা ইরাকের আমির হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফের কাছে একটি জাহাজ পাঠাল। জাহাজটি বোঝাই করা ছিল দামি মণি-মুক্তো, হিরে-জহরত এবং উচ্চমূল্যের দাসদাসি দিয়ে। হাজ্জাজের নামে তোহফাস্বরূপ এ জাহাজে আরও ছিল বহু পিতৃহীন মুসলিম নারী, যারা পবিত্র কাবার যিয়ারতের তামান্নায় এই জাহাজে চড়েছিল। সাগরের মৃদুমন্দ বাতাসে ঢেউয়ের তালে জাহাজটি হাজ্জাজের শহরের দিকে এগিয়ে চলছিল। হঠাৎ উত্তাল ঢেউয়ের ধাক্কায় জাহাজটি আছড়ে পড়ল দেবল[১] সমুদ্রের তীরে। দেবলে তখন ভয়ংকর জলদস্যুদের বাস। তারা জাহাজের নাবিক ও কয়েকজন যাত্রীকে হত্যা করে বাকিদের বন্দি করল এবং মূল্যবান সকল বস্তুসামগ্রী লুট করে নিয়ে গেল। এক নারী তখন চিৎকার করে বলেছিল: 'হে হাজ্জাজ, আমাকে উদ্ধার করো।' হাজ্জাজ পুরো ঘটনা শুনে ভারাক্রান্ত হয়ে পড়েন এবং বললেন: 'লাব্বাইক, হে আমার বোন, অমি তোমাকে উদ্ধার করতে আসছি!'
হাজ্জাজ রাজা দাহিরের কাছে পত্র লিখে বন্দি নারী ও সম্পদ ফেরত চাইলেন। কিন্তু দাহির অক্ষমতা প্রকাশ করলে হাজ্জাজ খলিফার অনুমতি নিয়ে সিন্ধু জয়ের জন্য মুহাম্মদ ইবনু কাসিম আস-সাকাফিকে[১] প্রধান সেনাপতি করে রওনা করিয়ে দেন।
মুহাম্মদ ইবনু কাসিম: বিজয়ের সিপাহসালার
মুহাম্মদ ইবনু কাসিম সর্বমোট বারো হাজার সেনা নিয়ে মাকরান ও পানাজপুরের পথ ধরে এগিয়ে যান। দেবল অবরোধ করে তিনি প্রাচীর ঘেঁষে পরিখা খনন করেন। দেবলের মাঝখানে এক বিরাট মন্দির ছিল। উরবান প্রকৌশলীর তৈরি 'আরুস' নামক এক বিশাল মিনজানিকের সাহায্যে মন্দিরটি গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। এতে শহরবাসী ভীত হয়ে আত্মসমর্পণ করে। দেবল বিজয়ের পর ইবনুল কাসিম সিন্ধুর উত্তাল জলরাশি পাড়ি দিয়ে রাজা দাহিরের মুখোমুখি হন।
৭ম দিন এক প্রচণ্ড যুদ্ধের পর দাহিরের হাতির হাওদায় আগুন লেগে যায়। দাহির হাতিসহ পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়লে এক মুসলিম সেনার তিরে সে বিদ্ধ হয় এবং পরবর্তীতে তলোয়ারের আঘাতে তার মৃত্যু ঘটে। রাজা দাহিরের মৃত্যুর পর তার সেনাবাহিনী ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এরপর ইবনুল কাসিম একে একে ব্রাহ্মণাবাদ ও মুলতান জয় করেন। মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে পুরো সিন্ধু ইসলামি খেলাফতের অন্তর্ভুক্ত হয়।
টিকাঃ
[১] হাজ্জাজ বিন ইউসুফ। উমাইয়া খিলাফতের প্রসিদ্ধ প্রশাসক। নিষ্ঠুরতা ও ন্যায়নিষ্ঠ শাসন—উভয় কারণেই ইতিহাসে আলোচিত।
[১] দেবল: সিন্ধু অঞ্চলের সমুদ্র উপকূলবর্তী একটি শহর। বর্তমান করাচি বন্দর থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
[১] ইমাদউদ্দিন মুহাম্মদ বিন কাসিম আল সাকাফি। মাত্র ১৭ বছর বয়সে সিন্ধু ও মুলতান জয় করে ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম শাসনের পথ প্রশস্ত করেন।
📄 ওয়াদি বারবাতের যুদ্ধ
শাজুনা বা ওয়াদি লাক্কার যুদ্ধ হিসেবে ইতিহাসে পরিচিত এ যুদ্ধটি সংঘটিত হয় মুসলমান এবং পশ্চিমা গোথ (Goths) সম্প্রদায়ের মধ্যে। এ যুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর সেনাপতি ছিলেন হযরত তারিক ইবনু যিয়াদ[১] এবং শত্রুপক্ষের সেনাপতি ছিল গোথ সাম্রাজ্যের বাদশা রডারিক (Roderic)। যুদ্ধে মুসলমানদের নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ হয়, যা পশ্চিমাদের এ গোথ সাম্রাজ্যকে পতনের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়।
যুদ্ধের আগের কথা
৯২ হিজরির শাবান মাস। মাত্র সাত হাজার মুসলিম সেনা নিয়ে তারিক ইবনু যিয়াদ 'জাবাল আত-তারিক' বা জিব্রাল্টারের সংকীর্ণ গিরিপথ পাড়ি দিলেন। সেখান থেকে তিনি 'সবুজ উপদ্বীপ' বা 'জাযিরাতুল খাদ্বরা' অভিমুখে যাত্রা করেন। সেখানে খ্রিস্টান বাহিনীর রক্ষক গোষ্ঠীর সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হয়। তারিক তাদের ইসলাম গ্রহণ অথবা জিযিয়া কর প্রদানের প্রস্তাব দিলে তারা তা প্রত্যাখ্যান করে যুদ্ধের পথ বেছে নেয়। যুদ্ধে তারা শোচনীয়ভাবে পরাজিত হলে রাজা রডারিকের কাছে সাহায্য চেয়ে পত্র পাঠায়। রডারিক এক লক্ষ অশ্বারোহী নিয়ে মুসলমানদের মোকাবেলায় এগিয়ে আসে। বিপরীতে তারিক ইবনু যিয়াদের সেনা ছিল মাত্র বারো হাজার।
বারবাতের উপত্যকায় উভয় বাহিনীর মোকাবেলা হলো। যুদ্ধ ছিল চূড়ান্ত রকমের অসম। একদিকে রডারিকের বিশাল বাহিনী, অন্যদিকে তারিক ইবনু যিয়াদের ঈমানি শক্তিতে বলীয়ান ক্ষুদ্র সেনাদল। ৯২ হিজরি সনের ২৮শে রমাদান (১৮ই জুলাই, ৭১১ খ্রিস্টাব্দ) যুদ্ধ শুরু হয়। টানা আট দিন রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের পর মুসলমানদের গৌরবময় বিজয় অর্জিত হয় এবং রডারিক এ যুদ্ধে নিহত হয় (মতান্তরে পালিয়ে যায়)।
বিজয়ের ফলাফল
এ বিজয়ের মধ্য দিয়ে আন্দালুসের মাটি থেকে স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটে এবং ইসলামি সভ্যতা ও উন্নতির দুয়ার খুলে যায়। মুসলমানদের হাতে বিপুল পরিমাণ গনিমত আসে। ১২ হাজার সেনার মধ্যে ৩ হাজার মুজাহিদ শাহাদাত বরণ করেন। পরবর্তী এক বছরের মধ্যেই পুরো আইবেরিয়া উপদ্বীপ মুসলমানদের দখলে চলে আসে।
দশম শতাব্দীর মধ্যেই আল-আন্দালুস পরিণত হলো ইউরোপ, আফ্রিকা আর মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে সফল রাষ্ট্র হিসেবে। জ্ঞান-বিজ্ঞানে তারা সবাইকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। জিম্মা ব্যবস্থার কারণে অমুসলিমরাও সেখানে পূর্ণ ধর্মীয় স্বাধীনতা ভোগ করত। তবে পরবর্তীতে অভ্যন্তরীণ কোন্দল আর খ্রিস্টানদের ক্রমাগত আক্রমণের মুখে ১৪৯২ সালে গ্রানাডার পতনের মাধ্যমে আন্দালুসে মুসলিম শাসনের সমাপ্তি ঘটে।
টিকাঃ
[১] তারিক বিন জিয়াদ (৬৭০-৭২০ খ্রি.)। স্পেনে মুসলিম বিজয়ের মহানায়ক। জিব্রাল্টার (জাবাল আত-তারিক) পাহাড়টি তাঁর নামেই পরিচিত।
📄 ট্রিলসের যুদ্ধ
বালাত আশ-শুহাদা যুদ্ধ বা বাওয়াতিহ যুদ্ধ নামে পরিচিত এ যুদ্ধটি সংঘটিত হয় মুসলমান এবং ইউরোপিয়ানদের মধ্যে। ১১৪ হিজরি (৭৩২ খ্রি.) সনে সংঘটিত এ যুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর সেনাপ্রধান ছিলেন হযরত আবদুর রহমান আল-গাফেকি এবং ইউরোপীয় বাহিনীর নেতৃত্বে ছিল চার্লস মার্টেল (Charles Martel)। এ যুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর পরাজয় ঘটে এবং সেনাপতি গাফেকি শহিদ হন।
৭৩০ খ্রিস্টাব্দে আবদুর রহমান আল-গাফেকি আন্দালুসের শাসনকর্তা নিযুক্ত হন। তিনি ফরাসিদের অপতৎপরতা রুখতে এবং পূর্বের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে প্রায় ৫০ হাজার সৈন্য নিয়ে ফ্রান্সে প্রবেশ করেন। একের পর এক শহর জয় করে তিনি টুর শহরের কাছাকাছি পৌঁছান। পলায়নরত ডিউক ওদোর আহ্বানে সাড়া দিয়ে চার্লস মার্টেল এক বিশাল ইউরোপীয় বাহিনী নিয়ে মুসলমানদের গতিরোধ করতে এগিয়ে আসে।
১১৪ হিজরির শাবান মাসে বাওয়াতিহ ও টুর নগরীর মাঝামাঝি এক সমতল ভূমিতে (যা আরবিতে বিলাত নামে পরিচিত) যুদ্ধ শুরু হয়। টানা দশ দিন লড়াই চলে। যুদ্ধের দশম দিনে যখন মুসলমানরা বিজয়ের সন্নিকটে, তখন খ্রিস্টানরা কৌশলে মুসলমানদের গনিমতের মাল রাখা শিবিরের ওপর আক্রমণ করে। গনিমত রক্ষার তাড়নায় মুসলিম বাহিনীর একাংশ ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়লে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। সেনাপতি আবদুর রহমান আল-গাফেকি সেনাদের শৃঙ্খলা ফেরানোর চেষ্টা করার সময় তিরের আঘাতে শহিদ হন। সেনাপতির মৃত্যুতে মুসলমানরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং রাতের আঁধারে ময়দান ত্যাগ করে পিছু হটে।
পরাজয়ের কারণ ও ফলাফল
১. ইস্তাম্বুল বা দামেশক থেকে বিশাল ভৌগোলিক দূরত্ব।
২. গনিমতের সম্পদের প্রতি অতি মোহ, যা মুসলিম বাহিনীর শৃঙ্খলায় ফাটল ধরায়। কুরআনের আয়াত ও হাদিসে এ ধরনের পার্থিব প্রবঞ্চনার ব্যাপারে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল।
টুরসের যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে ইউরোপের অভ্যন্তরে মুসলমানদের সামরিক অগ্রযাত্রা থমকে যায়। ইউরোপীয় ঐতিহাসিকরা একে খ্রিস্টধর্মের রক্ষা হিসেবে দেখলেও অনেক নিরপেক্ষ গবেষক মনে করেন, এ পরাজয় ইউরোপকে ইসলামি সভ্যতা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের আলোকবর্তিকা থেকে বঞ্চিত করেছে।
টিকাঃ
[১] সুরা ফাতির: আয়াত-০৫
[১] বুখারি: হাদিস নং-৬০৬১, মুসলিম: হাদিস নং-২৯৬১— রাসূল (সা.) বলেছেন: 'আমি তোমাদের জন্য দারিদ্র্য নয়, বরং দুনিয়ার প্রাচুর্য ও তা নিয়ে প্রতিযোগিতার আশঙ্কা করি।'
[২] সুরা ফাতির: আয়াত-৪৩