📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 সংশ্লিষ্ট পরিভাষা

📄 সংশ্লিষ্ট পরিভাষা


মুরাবাহা চুক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট আরও কিছু পরিভাষা রয়েছে যা নিচে আলোচনা করা হলো। মুরাবাহা ও তাওলিয়া-এর মাঝে সম্পর্ক হলো উভয়টিই বিশ্বস্ততানির্ভর বিক্রি। পক্ষান্তরে বাইয়ে ওয়াজিআ মুরাবাহার বিপরীত।

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 ক. التَّوْلِيَةُ

📄 ক. التَّوْلِيَةُ


তাওলিয়া বলা হয়, বিক্রেতা প্রথম চুক্তির মাধ্যমে যে পণ্যের মালিক হয়েছে সেটিকে লাভ ছাড়া পূর্বের মূল্যেই বিক্রি করা (অর্থাৎ ক্রয়মূল্যে বিক্রি করা। যেমন ১০০ টাকায় কিনে ১০০ টাকায় বিক্রি করা।)

টিকাঃ
৫. ফাতহুল কাদীর শারহুল হিদায়া, খ. ৬, পৃ. ৪৯৫
৬. দুরারুল হুক্কাম, খ. ২, পৃ. ১৮০

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 খ. الْوَضِيعَةُ

📄 খ. الْوَضِيعَةُ


ওয়াজিআ বলা হয়, প্রথম মূল্যের চেয়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ কমে পণ্য বিক্রি করা (অর্থাৎ ক্রয়মূল্য থেকে লোকসানে বিক্রি করা। একে আল-মুখাসারা, আল-মুওয়াদায়া ও আল-মুহাতা-ও বলা হয়।)

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 মুরাবাহা সংক্রান্ত শরয়ী বিধান

📄 মুরাবাহা সংক্রান্ত শরয়ী বিধান


সংখ্যাগরিষ্ঠ ফকীহদের মতে মুরাবাহা চুক্তি বৈধ হওয়ার দলিল আল্লাহ তাআলার বাণী : 'এবং আল্লাহ বিক্রি বৈধ করেছেন।' এ আয়াতের মর্মে ব্যাপকতার কারণে তাতে মুরাবাহাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আল্লাহ তাআলার অপর বাণী : 'কেবল তোমাদের পরস্পরের সম্মতিক্রমে যে ব্যবসা করা হয় তা বৈধ' আয়াতের এ অংশটিও মুরাবাহার বৈধতার এক দলিল।

তা ছাড়া মুরাবাহা চুক্তিটিও ক্রেতা-বিক্রেতা পরস্পরের সম্মতিক্রমে অনুষ্ঠেয় একটি চুক্তি। ফকীহগণ আরো যুক্তি দিয়েছেন, এ চুক্তির মধ্যে শরয়ী জায়েযের শর্তসমূহ পর্যাপ্ত পরিমাণে বিদ্যমান। এবং এ ধরনের লেনদেন করার প্রয়োজন রয়েছে। কেননা অনভিজ্ঞ ব্যবসায়ী অভিজ্ঞ ও দক্ষ ব্যক্তির কাজে নির্ভর করার প্রয়োজন বোধ করে এবং বিক্রেতারও অনুরূপ আদায়কৃত মূল্যে লাভসহ বিক্রয় করতে মন তৃপ্ত হয়। অতএব মুরাবাহার বৈধতা আবশ্যক।

টিকাঃ
৭. সূরা আল-বাক্বারা, আয়াত-২৭৫
৮. সূরা আন নিসা: আয়াত-২৯
৯. ফাতহুল কাদীর, খ. ৬, পৃ. ৪৯৭, আল-মুহাযযাব, খ. ১, পৃ. ৩৮২; আল-মুগনী, খ. ৪, পৃ. ১৯৯
১০. আশ শারহুস সাগীর, খ. ৩, পৃ. ২২৫; মাওয়াহিবুল জালীল লিল হাত্তাব, খ. ৪, পৃ. ৪৮৮
১১. আল-মুগনী, খ. ৪, পৃ. ১৯৯; মুদ্রণ: রিয়াদ।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00