📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 চুক্তির সমাপ্তি এবং তার কারণ

📄 চুক্তির সমাপ্তি এবং তার কারণ


চুক্তির পরিসমাপ্তি দু'ভাবে হতে পারে: ইচ্ছাধীন বা অনিচ্ছাকৃত বাধ্যগত ক্ষেত্রে। প্রথম অবস্থায় আবার দুটো অবস্থা হতে পারে। চুক্তিতে আবদ্ধ দু'ব্যক্তির একজন অথবা দু'জনই চুক্তি ভঙ্গের ইচ্ছা করতে পারে। একজন চুক্তি ভঙ্গের ইচ্ছা করলে শরীয়তের পরিভাষায় এটিকে فسخ বা রহিতকরণ বলে। আর যদি উভয়ে রাজি থাকে তাহলে তাকে ইকালা বা অব্যাহতিকরণ বলা হয়। দ্বিতীয় অবস্থা অর্থাৎ বাধ্যগত ক্ষেত্রে চুক্তির পরিসমাপ্তি হয়তো সাময়িক চুক্তির ক্ষেত্রে হবে; যেমন ইজারা, ধারগ্রহণ, ওকালাত ইত্যাদি। অথবা তা সাধারণ কোনো চুক্তি হবে। যেমন: বন্ধক, বিবাহ, ব্যবসায় ইত্যাদি। চুক্তির এ পরিসমাপ্তির অবস্থাকে বলা হয় إنْفِساخٌ বা রহিত হওয়া।

টিকাঃ
২০৫. বাদায়েউস সানায়ে, খ. ৫, পৃ. ২৯৮

চুক্তির পরিসমাপ্তি দু'ভাবে হতে পারে: ইচ্ছাধীন বা অনিচ্ছাকৃত বাধ্যগত ক্ষেত্রে। প্রথম অবস্থায় আবার দুটো অবস্থা হতে পারে। চুক্তিতে আবদ্ধ দু'ব্যক্তির একজন অথবা দু'জনই চুক্তি ভঙ্গের ইচ্ছা করতে পারে। একজন চুক্তি ভঙ্গের ইচ্ছা করলে শরীয়তের পরিভাষায় এটিকে فسخ বা রহিতকরণ বলে। আর যদি উভয়ে রাজি থাকে তাহলে তাকে ইকালা বা অব্যাহতিকরণ বলা হয়। দ্বিতীয় অবস্থা অর্থাৎ বাধ্যগত ক্ষেত্রে চুক্তির পরিসমাপ্তি হয়তো সাময়িক চুক্তির ক্ষেত্রে হবে; যেমন ইজারা, ধারগ্রহণ, ওকালাত ইত্যাদি। অথবা তা সাধারণ কোনো চুক্তি হবে। যেমন: বন্ধক, বিবাহ, ব্যবসায় ইত্যাদি। চুক্তির এ পরিসমাপ্তির অবস্থাকে বলা হয় إنْفِساخٌ বা রহিত হওয়া।

টিকাঃ
২০৫. বাদায়েউস সানায়ে, খ. ৫, পৃ. ২৯৮

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 চুক্তি পরিসমাপ্তির ঐচ্ছিক কারণ সমূহ

📄 চুক্তি পরিসমাপ্তির ঐচ্ছিক কারণ সমূহ


ক. الْفَسْخُ : বিচ্ছিন্নকরণ বা রহিতকরণ
فسخ হচ্ছে ইচ্ছাকৃতভাবে চুক্তির বন্ধন খুলে দেওয়া এবং চুক্তির বিধান উঠিয়ে দেওয়া। অনাবশ্যকীয় চুক্তির ক্ষেত্রে স্বভাবগতভাবেই তা হতে পারে। যেমন ওকালাত, ওদীয়ত ও অংশীদারী চুক্তি। এ বিষয়ে ঐকমত্য রয়েছে। তেমনিভাবে যখন চুক্তি সম্পাদনকারীদের খিয়ার থাকে তখন সে নিজ ইচ্ছায় চুক্তি রহিত করতে পারে।

খ. إِقَالَة : অব্যাহতি দান
ইকালা বলা হয়: উভয় পক্ষের সন্তুষ্টিক্রমে চুক্তি উঠিয়ে ফেলা এবং চুক্তির বিধান ও প্রতিক্রিয়া রহিত করা। ইকালার ক্ষেত্র হচ্ছে উভয়ের পক্ষ হতে আবশ্যকীয় এমন চুক্তি যা খিয়ারের মাধ্যমে রহিত করা যায়। এ হিসেবে ইকালা বিশুদ্ধ হবে বেচাকেনা, ইজারা, বন্ধক, সালাম ও সন্ধিতে।

গ. নির্দিষ্ট সময় ও কাজের পরিসমাপ্তি: কতক চুক্তির পরিসমাপ্তি ঘটে উভয়ের সম্মতিতে নির্ধারিত মেয়াদ শেষে। অথবা যে কাজের উদ্দেশ্যে চুক্তি সংঘটিত হয়েছিল তা সমাপ্তির পর চুক্তিরও পরিসমাপ্তি হয়। সুতরাং নির্দিষ্ট মেয়াদের ইজারা-চুক্তি মেয়াদ শেষ হলে সমাপ্ত হয়ে যাবে।

টিকাঃ
২০৬. হাশিয়া কালয়ূবী, খ. ২, পৃ. ১৯৫ ও ২৮০
২০৭ আল-বাহরুর রায়েক, খ. ৬, পৃ. ১১০; আল-খিরাশী 'আলা মুখতাসার খালীল, খ. ৫, পৃ. ১৬৯; ইমাম শাফে'ঈ, আল-উম্মু, খ. ৩, পৃ. ৬৭; ইবনে কুদামা, আল-মুগনী, খ. ৪, পৃ. ১৩৫
২০৮. আল-মাবসূত, খ. ২৯, পৃ. ৫৫; আল-ইনায়া আলাল হিদায়া, খ. ৬, পৃ. ৪৯২; আল মুদাওয়ানা, খ. ৫, পৃ. ৮৩; মুখতাসারুল মুযানী আলাল উম্ম, খ. ২, পৃ. ২৮; মুগনিল মুহতাজ, খ. ২, পৃ. ৪৩৩; কাশাফুল কিনা, খ. ৩, পৃ. ২২৫
২০৯. আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়‍্যা, খ. ৪, পৃ. ৪১৪; আশ শীরাজী, আল-মুহাযযাব, খ. ১, পৃ. ৪১০; ইবনে কুদামা, আল-মুগনী, খ. ৬, পৃ. ৬৭

ক. الْفَسْخُ : বিচ্ছিন্নকরণ বা রহিতকরণ
فسخ হচ্ছে ইচ্ছাকৃতভাবে চুক্তির বন্ধন খুলে দেওয়া এবং চুক্তির বিধান উঠিয়ে দেওয়া। অনাবশ্যকীয় চুক্তির ক্ষেত্রে স্বভাবগতভাবেই তা হতে পারে। যেমন ওকালাত, ওদীয়ত ও অংশীদারী চুক্তি। এ বিষয়ে ঐকমত্য রয়েছে। তেমনিভাবে যখন চুক্তি সম্পাদনকারীদের খিয়ার থাকে তখন সে নিজ ইচ্ছায় চুক্তি রহিত করতে পারে।

খ. إِقَالَة : অব্যাহতি দান
ইকালা বলা হয়: উভয় পক্ষের সন্তুষ্টিক্রমে চুক্তি উঠিয়ে ফেলা এবং চুক্তির বিধান ও প্রতিক্রিয়া রহিত করা। ইকালার ক্ষেত্র হচ্ছে উভয়ের পক্ষ হতে আবশ্যকীয় এমন চুক্তি যা খিয়ারের মাধ্যমে রহিত করা যায়। এ হিসেবে ইকালা বিশুদ্ধ হবে বেচাকেনা, ইজারা, বন্ধক, সালাম ও সন্ধিতে।

গ. নির্দিষ্ট সময় ও কাজের পরিসমাপ্তি: কতক চুক্তির পরিসমাপ্তি ঘটে উভয়ের সম্মতিতে নির্ধারিত মেয়াদ শেষে। অথবা যে কাজের উদ্দেশ্যে চুক্তি সংঘটিত হয়েছিল তা সমাপ্তির পর চুক্তিরও পরিসমাপ্তি হয়। সুতরাং নির্দিষ্ট মেয়াদের ইজারা-চুক্তি মেয়াদ শেষ হলে সমাপ্ত হয়ে যাবে।

টিকাঃ
২০৬. হাশিয়া কালয়ূবী, খ. ২, পৃ. ১৯৫ ও ২৮০
২০৭ আল-বাহরুর রায়েক, খ. ৬, পৃ. ১১০; আল-খিরাশী 'আলা মুখতাসার খালীল, খ. ৫, পৃ. ১৬৯; ইমাম শাফে'ঈ, আল-উম্মু, খ. ৩, পৃ. ৬৭; ইবনে কুদামা, আল-মুগনী, খ. ৪, পৃ. ১৩৫
২০৮. আল-মাবসূত, খ. ২৯, পৃ. ৫৫; আল-ইনায়া আলাল হিদায়া, খ. ৬, পৃ. ৪৯২; আল মুদাওয়ানা, খ. ৫, পৃ. ৮৩; মুখতাসারুল মুযানী আলাল উম্ম, খ. ২, পৃ. ২৮; মুগনিল মুহতাজ, খ. ২, পৃ. ৪৩৩; কাশাফুল কিনা, খ. ৩, পৃ. ২২৫
২০৯. আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়‍্যা, খ. ৪, পৃ. ৪১৪; আশ শীরাজী, আল-মুহাযযাব, খ. ১, পৃ. ৪১০; ইবনে কুদামা, আল-মুগনী, খ. ৬, পৃ. ৬৭

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 দ্বিতীয় : অনিচ্ছাকৃত ও বাধ্যগত অবস্থায় চুক্তি ভঙ্গের কারণ

📄 দ্বিতীয় : অনিচ্ছাকৃত ও বাধ্যগত অবস্থায় চুক্তি ভঙ্গের কারণ


ক. চুক্তিবদ্ধ জিনিস বিনষ্ট হওয়া: এ কথায় সকল ফকীহ একমত যে, কিছু চুক্তি নিঃসৃশের কারণ হচ্ছে চুক্তিবদ্ধ জিনিস বিনষ্ট হওয়া। কারণ তখন চুক্তি বাকি রাখা আর সম্ভব হয় না। সুতরাং ভাড়া করা জন্তু মারা গেলে কিংবা বসবাসের উদ্দেশ্যে ভাড়া করা বাড়ি ভেঙে পড়লে ইজারা বাতিল হয়ে যায়। তেমনিভাবে যখন ধার করা বস্তু বা গচ্ছিত বস্তু বিনষ্ট হয় বা অংশীদারি ব্যবসায়ের মূলধন ধ্বংস হয়ে যায় তখন একই বিধান। তবে পণ্য কব্জা করার পূর্বে যদি তা বিনষ্ট হয়ে যায়, তখন ফকীহ সমাজ পণ্য বিনষ্ট হওয়ার দরুন বেচাকেনা বাতিল হওয়ার বিষয়ে মতবিরোধ করেছেন।

খ. চুক্তি সম্পাদনকারী একজনের বা উভয়ের মৃত্যু: চুক্তি সম্পাদনকারী উভয়ের কিংবা একজনের মৃত্যু আবশ্যকীয় চুক্তিতে কোনো প্রভাব ফেলবে না। তবে হানাফীগণের মতে ইজারা-এর ব্যতিক্রম। তারা বলেন, ভাড়াদাতা বা ভাড়াগ্রহীতার মৃত্যু হলে ইজারা বাতিল হয়ে যায়। অন্য সকল ফকীহের মতে, একপক্ষের মৃত্যুতে ইজারাচুক্তি বাতিল হয় না। যে সকল চুক্তি আবশ্যকীয় নয়; যেমন ওকালত, ধারপ্রদান, ওদীয়ত ইত্যাদি—এসব চুক্তি চুক্তি সম্পাদনকারী কোনো একজন বা উভয়ের মৃত্যুতে বাতিল হয়ে যায়।

গ. চুক্তিবদ্ধ জিনিস ছিনতাই হওয়া: কতক চুক্তির ক্ষেত্র ছিনতাই বা লুট হওয়ার দ্বারা চুক্তিটি বাতিল হয়ে যায়। ইজারা-চুক্তি সম্পর্কে শাফেয়ী ও হাম্বলী ফকীহগণ বলেন: ভাড়াকৃত জিনিসটি ছিনতাই হয়ে গেলে ভাড়াগ্রহীতা ইজারা রহিত করতে পারবে। হানাফীগণ বলেন, ভাড়াগ্রহীতার হাত থেকে যদি ভাড়াকৃত বস্তুটি ছিনতাই হয়ে যায়, তাহলে ভাড়ার পুরো সময়ে বস্তুটি ছিনতাইকৃত থাকলে সমুদয় ভাড়া বাতিল হয়ে যাবে।

টিকাঃ
২১০. আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়‍্যা, খ. ৪, পৃ. ৪৬১; ইবনে আবিদীন, খ. ৫, পৃ. ৫২; আল হাত্তাব, খ. ৪, পৃ. ৪৩২; গাযালী, আল ওজীয, খ. ১, পৃ. ১৩৬; হাশিয়াতুল কালয়ূবী, খ. ৩, পৃ. ৮৪; ইবনে কুদামা, আল-মুগনী, খ. ৫, পৃ. ৪৭৩; দারদীর, আশ শারহুস সগীর, খ. ৪, পৃ. ৪৯
২১১. হাশিয়া ইবনে আবিদীন, খ. ৪, পৃ. ৪৬; সুয়ূতী, আল-আশবাহ ওয়ান নাযায়ের, পৃ. ২৮৭।
২১২. বাদায়েউস সানায়ে, খ. ৫, পৃ ২৩৮
২১৩. হাশিয়া কালয়ুবী, খ. ২, পৃ. ২১০
২১৪. আশ শারহুস সগীর, খ. ৩, পৃ. ১৯৬
২১৫. ইবনে কুদামা, আল-মুগনী, খ. ৩, পৃ. ৫৬৯
২১৬. আল-ইখতিয়ার, খ. ২, পৃ. ৬১; বাদায়েউস সানায়ে, খ. ৪, পৃ. ২২২
২১৭. বুলগাতুস সালিক, খ. ৪, পৃ. ৫০; আল-ইকনা, খ. ২, পৃ. ৭২; আল-মুগনী, খ. ৫, পৃ. ৪৬৭।
২১৮. জাওয়াহিরুল ইকলীল, খ. ২, পৃ. ১৪৬; নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৫, পৃ. ১৩০; ইবনে কুদামা, আল-মুগনী, খ. ৫, পৃ. ২২৫
২১৯. নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৫, পৃ. ৩১৮; ইবনে কুদামা কৃত আল-মুগনী, খ. ৫, পৃ. ৪৫৩-৪৫৫
২২০. আয যায়লাঈ, খ. ৫, পৃ. ১০৮; ইবনে আবেদীন, খ. ৫, পৃ. ৮
২২১. দারদীর কৃত আশ শারহুস সগীর, খ. ৪, পৃ. ৪৯

ক. চুক্তিবদ্ধ জিনিস বিনষ্ট হওয়া: এ কথায় সকল ফকীহ একমত যে, কিছু চুক্তি নিঃসৃশের কারণ হচ্ছে চুক্তিবদ্ধ জিনিস বিনষ্ট হওয়া। কারণ তখন চুক্তি বাকি রাখা আর সম্ভব হয় না। সুতরাং ভাড়া করা জন্তু মারা গেলে কিংবা বসবাসের উদ্দেশ্যে ভাড়া করা বাড়ি ভেঙে পড়লে ইজারা বাতিল হয়ে যায়। তেমনিভাবে যখন ধার করা বস্তু বা গচ্ছিত বস্তু বিনষ্ট হয় বা অংশীদারি ব্যবসায়ের মূলধন ধ্বংস হয়ে যায় তখন একই বিধান। তবে পণ্য কব্জা করার পূর্বে যদি তা বিনষ্ট হয়ে যায়, তখন ফকীহ সমাজ পণ্য বিনষ্ট হওয়ার দরুন বেচাকেনা বাতিল হওয়ার বিষয়ে মতবিরোধ করেছেন।

খ. চুক্তি সম্পাদনকারী একজনের বা উভয়ের মৃত্যু: চুক্তি সম্পাদনকারী উভয়ের কিংবা একজনের মৃত্যু আবশ্যকীয় চুক্তিতে কোনো প্রভাব ফেলবে না। তবে হানাফীগণের মতে ইজারা-এর ব্যতিক্রম। তারা বলেন, ভাড়াদাতা বা ভাড়াগ্রহীতার মৃত্যু হলে ইজারা বাতিল হয়ে যায়। অন্য সকল ফকীহের মতে, একপক্ষের মৃত্যুতে ইজারাচুক্তি বাতিল হয় না। যে সকল চুক্তি আবশ্যকীয় নয়; যেমন ওকালত, ধারপ্রদান, ওদীয়ত ইত্যাদি—এসব চুক্তি চুক্তি সম্পাদনকারী কোনো একজন বা উভয়ের মৃত্যুতে বাতিল হয়ে যায়।

গ. চুক্তিবদ্ধ জিনিস ছিনতাই হওয়া: কতক চুক্তির ক্ষেত্র ছিনতাই বা লুট হওয়ার দ্বারা চুক্তিটি বাতিল হয়ে যায়। ইজারা-চুক্তি সম্পর্কে শাফেয়ী ও হাম্বলী ফকীহগণ বলেন: ভাড়াকৃত জিনিসটি ছিনতাই হয়ে গেলে ভাড়াগ্রহীতা ইজারা রহিত করতে পারবে। হানাফীগণ বলেন, ভাড়াগ্রহীতার হাত থেকে যদি ভাড়াকৃত বস্তুটি ছিনতাই হয়ে যায়, তাহলে ভাড়ার পুরো সময়ে বস্তুটি ছিনতাইকৃত থাকলে সমুদয় ভাড়া বাতিল হয়ে যাবে।

টিকাঃ
২১০. আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়‍্যা, খ. ৪, পৃ. ৪৬১; ইবনে আবিদীন, খ. ৫, পৃ. ৫২; আল হাত্তাব, খ. ৪, পৃ. ৪৩২; গাযালী, আল ওজীয, খ. ১, পৃ. ১৩৬; হাশিয়াতুল কালয়ূবী, খ. ৩, পৃ. ৮৪; ইবনে কুদামা, আল-মুগনী, খ. ৫, পৃ. ৪৭৩; দারদীর, আশ শারহুস সগীর, খ. ৪, পৃ. ৪৯
২১১. হাশিয়া ইবনে আবিদীন, খ. ৪, পৃ. ৪৬; সুয়ূতী, আল-আশবাহ ওয়ান নাযায়ের, পৃ. ২৮৭।
২১২. বাদায়েউস সানায়ে, খ. ৫, পৃ ২৩৮
২১৩. হাশিয়া কালয়ুবী, খ. ২, পৃ. ২১০
২১৪. আশ শারহুস সগীর, খ. ৩, পৃ. ১৯৬
২১৫. ইবনে কুদামা, আল-মুগনী, খ. ৩, পৃ. ৫৬৯
২১৬. আল-ইখতিয়ার, খ. ২, পৃ. ৬১; বাদায়েউস সানায়ে, খ. ৪, পৃ. ২২২
২১৭. বুলগাতুস সালিক, খ. ৪, পৃ. ৫০; আল-ইকনা, খ. ২, পৃ. ৭২; আল-মুগনী, খ. ৫, পৃ. ৪৬৭।
২১৮. জাওয়াহিরুল ইকলীল, খ. ২, পৃ. ১৪৬; নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৫, পৃ. ১৩০; ইবনে কুদামা, আল-মুগনী, খ. ৫, পৃ. ২২৫
২১৯. নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৫, পৃ. ৩১৮; ইবনে কুদামা কৃত আল-মুগনী, খ. ৫, পৃ. ৪৫৩-৪৫৫
২২০. আয যায়লাঈ, খ. ৫, পৃ. ১০৮; ইবনে আবেদীন, খ. ৫, পৃ. ৮
২২১. দারদীর কৃত আশ শারহুস সগীর, খ. ৪, পৃ. ৪৯

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 চুক্তি রহিত বা সমাপ্তির আরো একটি কারণ

📄 চুক্তি রহিত বা সমাপ্তির আরো একটি কারণ


চুক্তি বাতিল হওয়া কিংবা সমাপ্তিতে পৌঁছার ক্ষেত্রে ফকীহগণ আরো একটি কারণের কথা উল্লেখ করেছেন; তা হচ্ছে চুক্তিবদ্ধ জিনিসের কোনো দাবিদার বের হয়ে আসা। মালেকী, শাফেয়ী ও হাম্বলী ফকীহগণ উল্লেখ করেছেন, দলিল- প্রমাণ কিংবা ক্রেতার স্বীকারোক্তি দ্বারা যদি পণ্যের কোনো দাবিদার প্রকাশিত হয়, তাহলে চুক্তিটি বাতিল হয়ে যাবে এবং তার কার্যকারিতা শেষ হয়ে যাবে। হানাফীগণ বলেন, দাবিদার বের হওয়ার দরুন চুক্তি বাতিল হওয়া আবশ্যিক হয়ে যায় না। বরং চুক্তিটি দাবিদারের অনুমতির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। সে অনুমতি দিলে চুক্তি বহাল থাকবে; আর অনুমতি না দিলে বাতিল হয়ে যাবে। তখন ক্রেতা বিক্রেতা থেকে মূল্য উসুল করে নিবে। বিষয়টি ইস্তিহকাক শিরোনামে সবিস্তারে আলোচিত হয়েছে।

টিকাঃ
২২২. বিদায়াতুল মুজতাহিদ, খ. ২, পৃ. ৩২৫; আসনাল মাতালিব, খ. ২, পৃ. ৩৫০; ইবনে রজব- এর আল-কাওয়ায়েদ, পৃ. ৩১৩; ইবনে কুদামা কৃত আল-মুগনী, খ. ৪, পৃ. ৫৯৮
২২৩. ইবনে আবিদীন, খ. ৪, পৃ. ১৯১

চুক্তি বাতিল হওয়া কিংবা সমাপ্তিতে পৌঁছার ক্ষেত্রে ফকীহগণ আরো একটি কারণের কথা উল্লেখ করেছেন; তা হচ্ছে চুক্তিবদ্ধ জিনিসের কোনো দাবিদার বের হয়ে আসা। মালেকী, শাফেয়ী ও হাম্বলী ফকীহগণ উল্লেখ করেছেন, দলিল- প্রমাণ কিংবা ক্রেতার স্বীকারোক্তি দ্বারা যদি পণ্যের কোনো দাবিদার প্রকাশিত হয়, তাহলে চুক্তিটি বাতিল হয়ে যাবে এবং তার কার্যকারিতা শেষ হয়ে যাবে। হানাফীগণ বলেন, দাবিদার বের হওয়ার দরুন চুক্তি বাতিল হওয়া আবশ্যিক হয়ে যায় না। বরং চুক্তিটি দাবিদারের অনুমতির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। সে অনুমতি দিলে চুক্তি বহাল থাকবে; আর অনুমতি না দিলে বাতিল হয়ে যাবে। তখন ক্রেতা বিক্রেতা থেকে মূল্য উসুল করে নিবে। বিষয়টি ইস্তিহকাক শিরোনামে সবিস্তারে আলোচিত হয়েছে।

টিকাঃ
২২২. বিদায়াতুল মুজতাহিদ, খ. ২, পৃ. ৩২৫; আসনাল মাতালিব, খ. ২, পৃ. ৩৫০; ইবনে রজব- এর আল-কাওয়ায়েদ, পৃ. ৩১৩; ইবনে কুদামা কৃত আল-মুগনী, খ. ৪, পৃ. ৫৯৮
২২৩. ইবনে আবিদীন, খ. ৪, পৃ. ১৯১

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00