📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 ক. কার্যকরী চুক্তি

📄 ক. কার্যকরী চুক্তি


কার্যকরী চুক্তি الْعَقْدُ النافذ কার্যকরী চুক্তি হলো সহীহ শুদ্ধ চুক্তি, যার সঙ্গে অন্যের হক জড়িত নয়। আর তার প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিক প্রকাশিত হয়। কিংবা বলা যায়, নিয়ন্ত্রণ ও কর্তৃত্বের অধিকারী কোনো ব্যক্তির পক্ষ থেকে প্রকাশিত চুক্তি। তার কর্তৃত্ব মৌলিক হোক; যেমন কেউ নিজের পক্ষ থেকে চুক্তি করল। কিংবা প্রতিনিধিত্বমূলক হোক; যেমন অসীর চুক্তি অথবা অধীনস্থ ব্যক্তির পক্ষে অভিভাবকের চুক্তি কিংবা মক্কেলের পক্ষে ওকীলের চুক্তি। কার্যকরী চুক্তির প্রতিক্রিয়া ও বিধান হচ্ছে, তা ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে অন্যের অনুমতির মুখাপেক্ষী নয়।

টিকাঃ
১৮৯. দুরারুল হুক্কাম শারহি মাজাল্লাতুল আহকাম আল-আদলিয়‍্যা, খ. ১, পৃ. ৯৫ ও ৩০৪

কার্যকরী চুক্তি الْعَقْدُ النافذ কার্যকরী চুক্তি হলো সহীহ শুদ্ধ চুক্তি, যার সঙ্গে অন্যের হক জড়িত নয়। আর তার প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিক প্রকাশিত হয়। কিংবা বলা যায়, নিয়ন্ত্রণ ও কর্তৃত্বের অধিকারী কোনো ব্যক্তির পক্ষ থেকে প্রকাশিত চুক্তি। তার কর্তৃত্ব মৌলিক হোক; যেমন কেউ নিজের পক্ষ থেকে চুক্তি করল। কিংবা প্রতিনিধিত্বমূলক হোক; যেমন অসীর চুক্তি অথবা অধীনস্থ ব্যক্তির পক্ষে অভিভাবকের চুক্তি কিংবা মক্কেলের পক্ষে ওকীলের চুক্তি। কার্যকরী চুক্তির প্রতিক্রিয়া ও বিধান হচ্ছে, তা ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে অন্যের অনুমতির মুখাপেক্ষী নয়।

টিকাঃ
১৮৯. দুরারুল হুক্কাম শারহি মাজাল্লাতুল আহকাম আল-আদলিয়‍্যা, খ. ১, পৃ. ৯৫ ও ৩০৪

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 খ. স্থগিত চুক্তি

📄 খ. স্থগিত চুক্তি


স্থগিত চুক্তি : الْعَقْدُ الْمَوْقُوفُ হস্তক্ষেপের অধিকারী কিন্তু কর্তৃত্বের অধিকারী নয় এমন ব্যক্তির পক্ষ হতে প্রকাশিত চুক্তিকে স্থগিত চুক্তি বলে। যেমন কেউ অন্যের সম্পদ তার অনুমতি ব্যতীত বিক্রি করে দিল। কিংবা বলা যায়, তা এমন চুক্তি যার সঙ্গে অন্যের অধিকার জড়িত রয়েছে।

টিকাঃ
১৯০. মাজমাউল আনহুর, খ. ২, পৃ. ৪৭; দুরারুল হুক্কাম, খ. ১, পৃ. ৯৪; হাশিয়া ইবনে আবিদীন, খ. ৪, পৃ. ১০০

স্থগিত চুক্তি : الْعَقْدُ الْمَوْقُوفُ হস্তক্ষেপের অধিকারী কিন্তু কর্তৃত্বের অধিকারী নয় এমন ব্যক্তির পক্ষ হতে প্রকাশিত চুক্তিকে স্থগিত চুক্তি বলে। যেমন কেউ অন্যের সম্পদ তার অনুমতি ব্যতীত বিক্রি করে দিল। কিংবা বলা যায়, তা এমন চুক্তি যার সঙ্গে অন্যের অধিকার জড়িত রয়েছে।

টিকাঃ
১৯০. মাজমাউল আনহুর, খ. ২, পৃ. ৪৭; দুরারুল হুক্কাম, খ. ১, পৃ. ৯৪; হাশিয়া ইবনে আবিদীন, খ. ৪, পৃ. ১০০

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 স্থগিত চুক্তির বিধান

📄 স্থগিত চুক্তির বিধান


স্থগিত চুক্তি জায়েষের প্রবক্তাদের মতে এর বিধান হলো, তা একটি বিশুদ্ধ চুক্তি। কারণ, তা মৌলিক ও গুণগতভাবে শরীয়তসম্মত। সুতরাং তা বৈধ বেচাকেনা বলে গণ্য হবে, তবে স্থগিতের ভিত্তিতে। অর্থাৎ তার শরীয়তসম্মত মালিকের অনুমতির ওপর তা নির্ভরশীল থাকবে। যেমন অনধিকার চর্চাকারীর চুক্তি, লেনদেনের অনুমতি নেই এমন সুবোধ বালকের চুক্তি ইত্যাদি। ফকীহগণ স্থগিত চুক্তির বৈধতা ও শুদ্ধতা সম্পর্কে মতভেদ করেছেন। অধিকাংশ ফকীহ তথা হানাফী ও মালেকী ফকীহদের মত এবং শাফেয়ী মাযহাবের পুরাতন অভিমত ও হাম্বলী মাযহাবের একটি বর্ণনা: স্থগিত চুক্তি শুদ্ধ চুক্তি, তবে তার কার্যকারিতা স্থগিত থাকে। মালিক কিংবা যে অনুমতি প্রদান ও হস্তক্ষেপের অধিকারী সে যদি অনুমতি প্রদান করে তাহলে তা কার্যকর ও বাস্তবায়ন হবে; আর অনুমতি না দিলে হবে না। এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা الْعَقْدُ الْمَوْقُوف পরিভাষায় দ্রষ্টব্য।

টিকাঃ
১৯১. তাবয়ীনুল হাকায়েক, খ. ৪, পৃ. ৪৪; হাশিয়া ইবনে আবিদীন, খ. ৪, পৃ. ১০০; মাজমাউল আনহুর, খ. ২, পৃ. ৪৭; ইবনে জুযাই-এর আল-কাওয়ানীনুল ফিকহিয়্যা, পৃ. ১৬৩; হাশিয়া দুসুকী, আশ শারহুল কাবীর সহ, খ. ৩, পৃ. ১০; মুগনিল মুহতাজ, খ. ২, পৃ. ১৫; সুয়ূতী, আল-আশবাহ ওয়ান নাযায়ের, পৃ. ১৮৫; ইবনে কুদামা, আল মুগনী, খ. ৪, পৃ. ২৭৪

স্থগিত চুক্তি জায়েষের প্রবক্তাদের মতে এর বিধান হলো, তা একটি বিশুদ্ধ চুক্তি। কারণ, তা মৌলিক ও গুণগতভাবে শরীয়তসম্মত। সুতরাং তা বৈধ বেচাকেনা বলে গণ্য হবে, তবে স্থগিতের ভিত্তিতে। অর্থাৎ তার শরীয়তসম্মত মালিকের অনুমতির ওপর তা নির্ভরশীল থাকবে। যেমন অনধিকার চর্চাকারীর চুক্তি, লেনদেনের অনুমতি নেই এমন সুবোধ বালকের চুক্তি ইত্যাদি। ফকীহগণ স্থগিত চুক্তির বৈধতা ও শুদ্ধতা সম্পর্কে মতভেদ করেছেন। অধিকাংশ ফকীহ তথা হানাফী ও মালেকী ফকীহদের মত এবং শাফেয়ী মাযহাবের পুরাতন অভিমত ও হাম্বলী মাযহাবের একটি বর্ণনা: স্থগিত চুক্তি শুদ্ধ চুক্তি, তবে তার কার্যকারিতা স্থগিত থাকে। মালিক কিংবা যে অনুমতি প্রদান ও হস্তক্ষেপের অধিকারী সে যদি অনুমতি প্রদান করে তাহলে তা কার্যকর ও বাস্তবায়ন হবে; আর অনুমতি না দিলে হবে না। এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা الْعَقْدُ الْمَوْقُوف পরিভাষায় দ্রষ্টব্য।

টিকাঃ
১৯১. তাবয়ীনুল হাকায়েক, খ. ৪, পৃ. ৪৪; হাশিয়া ইবনে আবিদীন, খ. ৪, পৃ. ১০০; মাজমাউল আনহুর, খ. ২, পৃ. ৪৭; ইবনে জুযাই-এর আল-কাওয়ানীনুল ফিকহিয়্যা, পৃ. ১৬৩; হাশিয়া দুসুকী, আশ শারহুল কাবীর সহ, খ. ৩, পৃ. ১০; মুগনিল মুহতাজ, খ. ২, পৃ. ১৫; সুয়ূতী, আল-আশবাহ ওয়ান নাযায়ের, পৃ. ১৮৫; ইবনে কুদামা, আল মুগনী, খ. ৪, পৃ. ২৭৪

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 অষ্টম. সাময়িক চুক্তি ও সাধারণ চুক্তি

📄 অষ্টম. সাময়িক চুক্তি ও সাধারণ চুক্তি


কতক ফকীহ চুক্তিতে সময় প্রবেশ করা বা না করার ওপর ভিত্তি করে চুক্তিতে দুটি ভাগ করেছেন: ১. সাময়িক চুক্তি/নির্ধারিত সময়ের চুক্তি (الْعُقُودُ الْمُؤَقِّةُ) ২. সাধারণ চুক্তি (الْعُقُودُ غَيْرُ الْمُؤَقِّعَةِ/الْعُقُودُ الْمُطْلَقَةُ)। এ প্রসঙ্গে আল্লামা সুযুতী রহ. বলেন, যে চুক্তিতে সময় প্রধান ভূমিকা পালন করে অর্থাৎ রুকন হয় সেই চুক্তি অবশ্যই সাময়িক চুক্তি। যেমন ইজারা, মুসাকাত, যুদ্ধ বন্ধের চুক্তি। আর যে চুক্তি এরূপ নয় তা সাধারণ চুক্তি। তবে কখনো তাতে সময় নির্ধারণ করা হয়— যা চুক্তির সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ নয়। যেমন মুদারাবা, তাতে সময় উল্লেখ করা হয়, সে সময়ের পর কেনা নিষেধ। কতক চুক্তি সময় নির্ধারণ কবুল করে না, তন্মধ্যে বিশুদ্ধমতে জিযিয়া, বেচাকেনার চুক্তি, বিয়ে, ওয়াকফ। আর কতক চুক্তি সময় নির্ধারণ গ্রহণ করে— আর তা শর্তরূপে বিবেচিত হয়; যেমন ইজারা, মুসাকাত, সঠিক অভিমত অনুযায়ী যুদ্ধ বন্ধের চুক্তি। আর কতক চুক্তি সময় নির্ধারণ গ্রহণ করে, কিন্তু তা বিশুদ্ধ হওয়ার জন্যে সময় শর্ত নয়; যেমন ওকালত, অসীয়ত।

সকল ফকীহ উল্লেখ করেছেন, ইজারা-চুক্তি সাময়িক চুক্তির অন্তর্ভুক্ত। ওকালাতের চুক্তির ক্ষেত্রে তারা বলেছেন, তাতে সময় নির্ধারণ করা যাবে। তেমনি একটি চুক্তি হচ্ছে মুসাকাত-চুক্তি। যদি তাতে সময় নির্ধারণ না করা হয় তাহলে হানাফী, মালেকী ও শাফেয়ী তথা অধিকাংশ ফকীহের মতে প্রথম ফলের ওপর চুক্তিটি সংঘটিত হয়েছে বলে বিবেচিত হবে। হাম্বলীগণ বলেন, মুসাকাতে সময় নির্ধারণ করা বিশুদ্ধ। যেসব চুক্তি সময় নির্ধারণকে গ্রহণ করে না তন্মধ্যে বন্ধকী-চুক্তিও একটি। তদ্রূপ হেবাচুক্তি। কাফালাত-চুক্তি সময় নির্ধারণকে গ্রহণ করে কিনা, এ বিষয়ে ফকীহগণ মতানৈক্য করেছেন।

টিকাঃ
১৯২. সুয়ূতী, আল-আশবাহ ওয়ান নাযায়ের, পৃ. ২৮২-২৮৩
১৯৩. ইবনে নুজাইম, পৃ. ৩৩৬; আল-মুগনী মা'আশ শারহিল কাবীর, খ. ৬, পৃ. ৪
১৯৪. আল-খিরাশী, খ. ৪, পৃ. ২৮৯; মুগনিল মুহতাজ, খ. ২, পৃ. ২২৩; আল-মুগনী মাআশ শারহিল কাবীর, খ. ৫, পৃ. ২১০
১৯৫. ইবনে আবিদীন, খ. ৫, পৃ. ২৪৯; আশ শারহুস সগীর, খ. ২, পৃ. ২ ২৫; মুগনিল মুহতাজ, খ. ২, পৃ. ৩২৭
১৯৬. কাশশাফুল কিনা, খ. ৩, পৃ. ৫৩৮
১৯৭. আল-ইখতিয়ার, খ. ২, পৃ. ২৩৬; আল-খিরাশী, খ. ৪, পৃ. ১৭৩; মুগনিল মুহতাজ, খ. ২. পৃ. ৩২৭; কাশশাফুল কিনা, খ. ৩, পৃ. ৩৫০
১৯৮. বাদায়েউস সানায়ে, খ. ৬, পৃ. ১১৮; হাশিয়া দুসূকী, খ. ৪, পৃ. ৯৭; মুগনিল মুহতাজ, খ. ২, পৃ. ৩৯৮; আল-মুগনী মা'আশ শারহিল কাবীর, খ. ৬, পৃ. ২৫৬
১৯৯. ইবনে আবিদীন, খ. ৪, পৃ. ২৬৬; হাশিয়া দুসুকী, খ. ৩, পৃ. ৩১৩; মুগনিল মুহতাজ, খ. ২. ঈ. ২০৭; আল মুহাযযাব, খ. ১, পৃ. ৩৪১

কতক ফকীহ চুক্তিতে সময় প্রবেশ করা বা না করার ওপর ভিত্তি করে চুক্তিতে দুটি ভাগ করেছেন: ১. সাময়িক চুক্তি/নির্ধারিত সময়ের চুক্তি (الْعُقُودُ الْمُؤَقِّةُ) ২. সাধারণ চুক্তি (الْعُقُودُ غَيْرُ الْمُؤَقِّعَةِ/الْعُقُودُ الْمُطْلَقَةُ)। এ প্রসঙ্গে আল্লামা সুযুতী রহ. বলেন, যে চুক্তিতে সময় প্রধান ভূমিকা পালন করে অর্থাৎ রুকন হয় সেই চুক্তি অবশ্যই সাময়িক চুক্তি। যেমন ইজারা, মুসাকাত, যুদ্ধ বন্ধের চুক্তি। আর যে চুক্তি এরূপ নয় তা সাধারণ চুক্তি। তবে কখনো তাতে সময় নির্ধারণ করা হয়— যা চুক্তির সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ নয়। যেমন মুদারাবা, তাতে সময় উল্লেখ করা হয়, সে সময়ের পর কেনা নিষেধ। কতক চুক্তি সময় নির্ধারণ কবুল করে না, তন্মধ্যে বিশুদ্ধমতে জিযিয়া, বেচাকেনার চুক্তি, বিয়ে, ওয়াকফ। আর কতক চুক্তি সময় নির্ধারণ গ্রহণ করে— আর তা শর্তরূপে বিবেচিত হয়; যেমন ইজারা, মুসাকাত, সঠিক অভিমত অনুযায়ী যুদ্ধ বন্ধের চুক্তি। আর কতক চুক্তি সময় নির্ধারণ গ্রহণ করে, কিন্তু তা বিশুদ্ধ হওয়ার জন্যে সময় শর্ত নয়; যেমন ওকালত, অসীয়ত।

সকল ফকীহ উল্লেখ করেছেন, ইজারা-চুক্তি সাময়িক চুক্তির অন্তর্ভুক্ত। ওকালাতের চুক্তির ক্ষেত্রে তারা বলেছেন, তাতে সময় নির্ধারণ করা যাবে। তেমনি একটি চুক্তি হচ্ছে মুসাকাত-চুক্তি। যদি তাতে সময় নির্ধারণ না করা হয় তাহলে হানাফী, মালেকী ও শাফেয়ী তথা অধিকাংশ ফকীহের মতে প্রথম ফলের ওপর চুক্তিটি সংঘটিত হয়েছে বলে বিবেচিত হবে। হাম্বলীগণ বলেন, মুসাকাতে সময় নির্ধারণ করা বিশুদ্ধ। যেসব চুক্তি সময় নির্ধারণকে গ্রহণ করে না তন্মধ্যে বন্ধকী-চুক্তিও একটি। তদ্রূপ হেবাচুক্তি। কাফালাত-চুক্তি সময় নির্ধারণকে গ্রহণ করে কিনা, এ বিষয়ে ফকীহগণ মতানৈক্য করেছেন।

টিকাঃ
১৯২. সুয়ূতী, আল-আশবাহ ওয়ান নাযায়ের, পৃ. ২৮২-২৮৩
১৯৩. ইবনে নুজাইম, পৃ. ৩৩৬; আল-মুগনী মা'আশ শারহিল কাবীর, খ. ৬, পৃ. ৪
১৯৪. আল-খিরাশী, খ. ৪, পৃ. ২৮৯; মুগনিল মুহতাজ, খ. ২, পৃ. ২২৩; আল-মুগনী মাআশ শারহিল কাবীর, খ. ৫, পৃ. ২১০
১৯৫. ইবনে আবিদীন, খ. ৫, পৃ. ২৪৯; আশ শারহুস সগীর, খ. ২, পৃ. ২ ২৫; মুগনিল মুহতাজ, খ. ২, পৃ. ৩২৭
১৯৬. কাশশাফুল কিনা, খ. ৩, পৃ. ৫৩৮
১৯৭. আল-ইখতিয়ার, খ. ২, পৃ. ২৩৬; আল-খিরাশী, খ. ৪, পৃ. ১৭৩; মুগনিল মুহতাজ, খ. ২. পৃ. ৩২৭; কাশশাফুল কিনা, খ. ৩, পৃ. ৩৫০
১৯৮. বাদায়েউস সানায়ে, খ. ৬, পৃ. ১১৮; হাশিয়া দুসূকী, খ. ৪, পৃ. ৯৭; মুগনিল মুহতাজ, খ. ২, পৃ. ৩৯৮; আল-মুগনী মা'আশ শারহিল কাবীর, খ. ৬, পৃ. ২৫৬
১৯৯. ইবনে আবিদীন, খ. ৪, পৃ. ২৬৬; হাশিয়া দুসুকী, খ. ৩, পৃ. ৩১৩; মুগনিল মুহতাজ, খ. ২. ঈ. ২০৭; আল মুহাযযাব, খ. ১, পৃ. ৩৪১

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00